ভারতীয় সাহিত্যের দুটি প্রধান গ্রন্থ পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশ। পৃথিবীর সাহিত্যেও পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশের অতি বিশিষ্ট অবস্থান।
এ দুটি গ্রন্থে অরণ্যের পশুপাখি, জলের কচ্ছপ ও কুমির ইত্যাদি প্রাণীর মুখে মানুষের ভাষা বসিয়ে গল্পের ছলে নীতিকথা প্রচার করা হয়েছে।
ইউরোপের ঈশপের গল্পও সমান গৌরবের অধিকারী। সেখানে গল্পের নায়ক বেশিরভাগ সময়েই শেয়াল, বাঘ, বানর, কাকপক্ষী, কচ্ছপ ইত্যাদি। পশুপাখীর গল্পকে অবলম্বন করে প্রচার করা হয়েছে নীতি-উপদেশ।
জগতে এই তিন অমর গ্রন্থের তুলনা নাই। পৃথিবীর মানুশের চিন্তাধারার সঙ্গে মিশে গিয়েছে পঞ্চতন্ত্র, হিতোপদেশ ও ঈশপের গল্পের কাহিনী।
হিতোপদেশের লেখক পন্ডিত নারায়পণ। এর রচনাকাল ৯০০ খ্রিঃ আগে বলে মনে করা হয়। পঞ্চন্তন্ত্রের মত এরও উদ্দেশ্য ছিল রাজপুত্রদের রাজনীতি শেখানো। মূল হিতোপদেশের প্রায় সব গল্পই এতে রয়েছে শিশু ও কিশোরদের উপযোগী করে।