Jump to ratings and reviews
Rate this book

কলকাতার ফিরিওয়ালার ডাক আর রাস্তার আওয়াজ

Rate this book

105 pages, Hardcover

First published February 1, 1984

5 people are currently reading
71 people want to read

About the author

Radhaprosad Gupta

3 books5 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
14 (51%)
4 stars
9 (33%)
3 stars
3 (11%)
2 stars
1 (3%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
Profile Image for Mosharraf Hossain.
Author 3 books57 followers
January 20, 2022
নাম আমার রহমতউল্লাহ,
বাপের নাম কেরামতউল্লাহ,
বাড়ি আমার কুমিল্লা।
একবার খাইবেন,
বারবার চাইবেন,
আমার কাছেই পাইবেন।
মাসের শেষে,
যাইবেন দেশে,
নিয়া যাইবেন কিছু
প্রমি কোম্পানির লিছু।।
ভাবী দিবো হাসি,
বলবো ভালোবাসি
খাইব বেশি বেশি।

দীর্ঘ পাঁচ বছর মৌচাক থেকে অফিস শেষে নাবিস্কো যাবার পথে পরিচিত মুখ রহমতউল্লাহ-র সাথে প্রতি সপ্তাহেই বাসে দেখা হতো, সবসময় আগ্রহ নিয়ে তার ছড়ায় ছড়ায় লিচু বিক্রি করার বিজ্ঞাপন শুনলেও কখনোই কেনা হয়নি প্রমি কোম্পানির লিচু। গন্তব্য বদল হবার পর অনেক কিছুই বারবার মনের কোনায় এসে ধরা পড়বে সেটা অবশ্যম্ভাবী হলেও রহমতউল্লাহকে আলাদা করে কখনো মনে পড়তে পারে সেটা কখনোই চিন্তা বা চেতনায় ছিল না। রহমতউল্লার সাথে চলতি পথে আবার কখনো দেখা হলে, তার কাছ থেকে অবশ্যই প্রমি কোম্পানির লিচু কিনে নেবো।

শুধু রহমতউল্লাহ নয়, চলতি পথে ঘুরতে ফিরতে হরহামেশাই আমাদের চোখে পড়ে বিভিন্ন ফেরিওয়ালা। মনোযোগে না আসলেও কারো কারো হাঁকডাক অজান্তেই মনে যোগ হয়ে যায়; কেউ কেউ আবার সময়ের আবর্তে হারিয়েও যায় দেয়াল থেকে খুলে রাখা ক্যালেন্ডারের মতো। মনে পড়ে ছেলেবেলায় বেগুনী রঙের রঙউঠা কাপড় পরে এক মহিলা প্রতিদিন মহল্লার গলি দিয়ে হেঁটে যেত “ছাই লাগবে, ছাই” বলে চিৎকার করতে করতে। ধীরগতিতে হেঁটে চলা তার পায়ের আঘাতে বেজে উঠা নুড়ি পাথরের আওয়াজ আমাদের কর্ণগোচরে বিরক্তি না ঢাললেও, তার যাবার সময়ে মহল্লার মধ্যে ক্রিকেট খেলাটা একটু বেশি সময় ধরেই থামিয়ে রাখতে হতো বলে তার প্রতি ছিল আমাদের অসীম বিরক্তি। সেই মহল্লা, সেই গলি আজো আছে; আজো সেখানে ছেলেরা ক্রিকেট খেলে; শুধু সেই মহিলার পায়ের আঘাতে নুড়ি পাথরেরা এখন আর গড়িয়ে যায় না।

ফেরিওয়ালাদের এই রকমারি হাঁক ডাক বাংলা সাহিত্যে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে অনেকের কলমে আসলেও শুধু এই বিষয় নিয়ে রচনার জন্য কলম উঠার পরিমাণটা একেবারেই নগণ্য। ফরাসী এবং ইংরেজি সাহিত্যে এ বিষয়ে এন্তার বই বের হলেও বাংলায় প্রথম (এবং এখন পর্যন্ত সম্ভবত একমাত্র) উদ্যোগ ছিল রাধাপ্রসাদ গুপ্তের কলকাতার ফিরিওয়ালার ডাক আর রাস্তার আওয়াজ। বই লিখতে গিয়ে লেখক অনেক বই থেকে রেফারেন্স নিয়েছেন, অনেক পড়াশোনা করেছেন, সেই সাথে নিজের অভিজ্ঞতা থেকেও তথ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন আর পাঠককে করে তুলেছেন স্মৃতি কাতর। এক নিমিষেই মনে করিয়ে দেয় একসময় ঢাকার অলিগলিতেও হাঁক তুলে দাবড়ে বেড়ানো কিছু হকারের কথা, যারা আজ বিস্মৃত প্রায়। ছেড়া ফাড়া বই খাতা, টিনের কৌটা, কাচের খালি বোতল দিয়ে পাওয়া যেত কটকটি, পাওয়া যেত বাঁশের মধ্যে রাখা চিনির দলা, যা দিয়ে বানিয়ে দিতো হাতি ঘোড়া থেকে শুরু করে সবকিছু। কাঠের বাক্সের ডালা খুলে আর বন্ধ করে আওয়াজ করতে করতে চলে যাওয়া সেই আইসক্রিম ওয়ালা। ছোট একটা বাক্স নিয়ে “লেইইইইইইস ফিতা” বলে হাঁক পেড়ে যাওয়া লেইস ফিতা ওয়ালা কিংবা “দাঁতের পোকা ফালাই, বাতের ব্যথা সাড়াই” বলতে বলতে চলে যাওয়া সেই বেদেনী মেয়ের দল। দৃষ্টির এবং স্মৃতির আড়ালে লুকিয়ে পড়া সেই বরফওয়ালা, রোজার মাসে বিকাল থেকে হাঁক পেড়ে ভ্যানে করে বরফ বিক্রি করতে করতে সূর্যাস্তের সাথে সাথে যে হারিয়ে যেতো।

বই পড়তে পড়তে একি সাথে হা হুতাশ আর আক্ষেপটা ও বেড়ে যায় ঘটি-ওয়ালা, রাস্তার মোড়ে মোড়ে কেরোসিনের বাতি কখনো দেখা হয়নি বলে। দেখা হয়নি তপসে মাছ ওয়ালা, শোনা হয়নি সন্ধ্যার আগে আগে তার হাঁক,
"কুড়ি দরে কিনে লই দেখে তাজা তাজা,
টপাটপ খেয়ে ফেলি ছাঁকা তেলে ভাজা।।"

শোনা হয়নি কখনো চাই শাখা, চাই সিঁদুর, চাই ঘোল, চাই মিশি। মিশি একপ্রকারের দাঁতের মাজন যেটা দিলে দাঁত কালো হতো। একটা সময় খুব অল্প কিছু বছরের জন্য সৌন্দর্যের মাপকাঠি ছিলো কালো দাঁত আর দাঁত কালো করার জন্যই ব্যবহার করা হতো মিশি।
"হাঁসের ডিম চাই গো হাঁসের ডিম" ডাক ছাড়তে ছাড়তে ফিরিওয়ালা বলে যেতো ছন্দময় কবিতা,

"রূপেতে মোহিত করে মহিমা অসীম।
সর্ব রোগ নাশ করে এ হাঁসের ডিম।।
সিদ্ধ খাও ভাজা খাও সব দিকে হিত।
ব্যঞ্জন করিয়া খাও আলুর সহিত।।
ঘৃণায় যে নাহি খায় এ হাঁসের ডিম।
মরুক সে চিরকাল খেয়ে তেতো নিম।।
বৃথাই রসনা তার বৃথা তার মুখ।
কোন কালে নাহি পায় আহারের সুখ।।"

এবং সবচাইতে অবাক করা তথ্য ফুল বিক্রি হতো তখন রাস্তায় রাস্তায় ফেরী করে, ঝাঁকাতে করে ফুল নিয়ে। অন্য সব কিছু না দেখার আফসোস যদি খুব বেশি না-ও পোড়ায়, এটা না দেখার আফসোস; আফসোস হিসেবেই রয়ে যাবে। বেলফুল বিক্রেতা ফুল বিক্রি করতো গানে গানে –

বেলফুল ফিরি করি পাড়ায় পাড়ায়।
এ ফুল পরিলে গলে বিরহিদের প্রাণ জুড়ায়।।
আমার দেখা পাবার আশে,
মেয়েরা বসে রয় জানালার পাশে।
ফুলের মধুর বাসে হৃদয় হারায়।।
যদি, পয়সা নাহি থাকে ঘরে,
কিনে নাওনা আজকে ধারে।
কাল না হয় শোধ দিও কড়ায় গন্ডায়।।

তথ্য সমৃদ্ধ এই বইকে আরও আকর্ষণীয় করেছে চমৎকার সব ইলাস্ট্রেশন আর কিছু দুর্লভ ছবি। মাত্র ১০৫ পৃষ্ঠার কিন্তু জানার এবং সংগ্রহে রাখার জন্য চমৎকার একটা বই।
Profile Image for Emtiaj.
237 reviews86 followers
September 4, 2015
বইটা এক ঝটকায় অনেক কিছু মনে করিয়ে দিল। ছোটবেলায় যখন গ্রামে ছিলাম, যখন বিদ্যুৎও ছিলনা, তখন আইসক্রিমওয়ালার শব্দ কানে আসতেই দৌড় দিতাম। অথবা কটকটিওয়ালা, যাকে গরুর শিং দিলেই কটকটি দিত অথবা সেই দাঁতের পোকা বের করে দেয়া মহিলাটা যে কিনা সত্যি সত্যিই ( ;) ) পোকা বের করে দিত, অথবা অথবা খুব ছোট্ট থাকতে কর্পোরেশনের ময়লার ট্রলির শব্দ, ওফ এরকম অনেক কিছু মনে করিয়ে দিল।

এখনও ফেরিওয়ালার অভাব নেই। আমার নতুন বাসায় তো এদের আর ফকিরের অত্যাচারে ঘুমই ভেঙে যায়। কিন্তু নাপতিওয়ালিকে কখনও দেখবো না যে কি না নখ কেঁটে দিত আর (মেয়েদের) পা পরিষ্কার করে আলতা দিয়ে দিত। চাই মুড়ি হাঁক শুনেছি কিন্তু চাই পাউরুটি, চাই বিস্কুট কি কখনো শোনা হবে? স্পেন দেশের এক রাজকন্যা কেঁদে দু-কূল ভাসিয়ে দিয়েছিল কুয়োয় কানের দুল পরে গিয়েছিল বলে। কাঁদবেই তো তাদের দেশে তো আর কুয়োর ঘটিতোলা ছিলনা। সেই কুয়োর ঘটিতোলা আওয়াজও কখনো শুনিনি। বরফ লাগবে নাকি হাঁক শুনিনি, বহুরূপী কখনো দেখিনি, রাস্তায় কেরোসিন তেলের বাতিও দেখিনি আর প্রতি সন্ধ্যায় মই কাঁধে, কেরোসিনওয়ালাকেও দেখিনি। এ তালিকা যে কত দীর্ঘ। কত যে হা-হুতাশ করছি এদের দেখতে না পেরে, এদের চিৎকার শুনতে না পেরে!

কলকাতার অলিগলিতে হাইড্র্যান্ট ছিল। কর্পোরেশনের লোকেরা সেই হাইড্র্যান্টের মুখে পাইপ লাগিয়ে রাস্তা ধুতো। এটা পড়ে যে আমার মধ্যে যে কি হা-হুতাশ কাজ করছে। কি চমৎকারভাবেই না ওটা লেখা হল। পাইপ থেকে জল রামধনুকের মত বেঁকে কালিঘাটের পটের গোলাপসুন্দরীর শাড়ির কালো পাড়ের সাবলীল রেখার ভঙ্গিতে বিশ তিরিশ গজ দূরে রাস্তার ওপর আছড়ে পরত। মাঝে মাঝে রাস্তায় লোক এসে গেলে ওরা মানুষের মাথার ওপর দিয়ে জল ছাড়তো। আর লোকেরা সেই ধনুকের মত বাঁকা জলের তলা দিয়ে দিব্যি শুকনো থেকে চলে যেত। ওফ!!

বইটা পড়ে মন খারাপ হয়ে যায়। এক ফকির বলেছিল লোকে আজকাল গান শুনতে চায় না, চিৎকার শুনতে চায়। সেই ফকির গান গেয়ে ভিক্ষা করত। আর এখন সে ভিক্ষা-ই পায়না। মানুষের রুচিবোধের নমুনা দেখা যায় পূজার সময়। যখন কি না ঢাক-ঢোলের আওয়াজকে ছাপিয়ে কান ঝালাপালা করে দ��য় বাংলা-হিন্দী গানের চিৎকার। আর আর ....

আমার যদি কোন উপায় থাকতো ওই সময়টায় ভ্রমণ করার। অথবা ঐ সময়টায় যদি জন্ম নিতাম। কেন এই আধুনিক যুগে জন্ম নিলাম!!

এই বইটা দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। অনেক ছবি আছে। আর অন্যরকম ভালো লাগে যখন দেখি প্রতি পৃষ্ঠার চার কোণায় নকশা আছে (যদিও সব একই নকশা)। আর এতো ভালোলাগার একটা বইকে এক তারা কম দেয়ার কারণ, মনে হল শুরুর দিকে একটু যেন জড়তা কাজ করছিল লেখকের। আর ছবিগুলোও জায়গামত নেই।

দুইটা গান দিয়ে শেষ করতে ইচ্ছে করছে।


বেলফুল ফিরি করি পাড়ায় পাড়ায়।
এ ফুল পরিলে গলে বিরহিদের প্রাণ জুড়ায়।।
আমার দেখা পাবার আশে,
মেয়েরা বসে থাকে জানালার পাশে।
ফুলের মধুর বাসে হৃদয় হারায়।।
যদি, পয়সা নাহি থাকে ঘরে,
কিনে নাওনা আজকে ধারে।
কাল না হয় শোধ দিও কড়ায় গন্ডায়।।


টুকটুকে তোর পা দুখানি আলতা
পরাই পায়।
চটক্‌ দেখে অবাক্‌ হবে সে লো
থাকবে চেয়ে ঠায়।।
আগে চাই যতন পায়ে, সোনা
তখন পরবি গায়ে,
পা খানি ধরলে মনে (তবে লো)
মুখের পানে চায়।।
সোনেলা আঙুলগুলি, আফুলো চাঁপার কলি
তুলি ধরে আল্‌তা দিলে বাহার খুলে যায়,
ঘুরে ঘুরে মনচোরা লুটিয়ে পড়ে পায়।
Profile Image for Omar Faruk.
263 reviews18 followers
July 4, 2022
ফেরিওয়ালা নেই বা অতীতে ছিলো না এমন শহর পৃথিবীতে আছে কি না সেটা বলা দুষ্কর। তবে ফেরিওয়ালা যে শহরের বা যে ভাষাভাষী হোক না কেন, তার হাক-ডাক ছিল সবখানেই শ্রুতিমধুর যা এখনকার মানুষের কাছে অনেকটা কাল্পনিক শুনাবে হয়তো।

কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন থেকে শুরু করে বিশ শতকের মাঝামাঝি অব্দি কলকাতার রাস্তায়, অলিতে-গলিতে ফেরিওলাদের যে গান-বাজনা, ছড়া ইত্যাদি ছিল। সেসব নিয়ে এই বই একটা পুরনো দিনের রত্নে পরিনত হয়েছে। লেখক কলকাতা ছাড়াও অন্যান্য অনেক শহরের ফেরিওয়ালাদের টেনে এনেছেন লেখার ক্ষেত্রে। সাহায্য নিয়েছেন গল্প, উপন্যাস, কবিতার। যেখানে ছড়িয়ে ছিলো অতীতের ফেরিওলাদের অনেক অজানা তথ্যাদি। যা এই বইকে আরো বেশি সম্পূর্ণ ও মনোজ্ঞ করেছে।
Profile Image for লোচন.
207 reviews48 followers
June 30, 2022
যেভাবেই হোক, জনৈক গোলকধাঁধা ঘটনাক্রমে গিলে নিয়েছেন হাজার-পাতার একাধিক গ্রন্থ (বিশ্বকোষ বা কোলকাতা-কোষ), শ'খানেক ধারালো কাঁচি, এবং বেয়াড়া একটা কালবোশেখি-কে; তারপর উগড়ে ফেলেছেন সারফেস নলেজের লালা-জড়ানো এই গোবেচারা পুস্তকটিকে। আমি নিশ্চিত।

নইলে এমন মনে হোতো না।

নইলে বই পড়তে পড়তে আমার মনে হোতো না যে পথহীন পথে হাঁটছি, রাস্তা ভরে আছে কনফেত্তির মত ছড়িয়ে থাকা কুচিকুচি করে কাটা জ্ঞানপৃষ্ঠায়। মনে হোতো না যে একটু পরপর হু হু বাতাসের ঝাপটায় তারা উড়ে এসে জুড়ে যাচ্ছে আমার বুকে-মুখে-গলায়, অনৈচ্ছিক শ্বাসরুদ্ধ অসমোসিসের মাধ্যমে জানিয়ে যাচ্ছে একেক অসম্পর্কিত তথ্য।

যাজ্ঞে।

বইয়ের শুরুর অংশ নিয়ে অভিযোগ এটাই। গোছানো না। রেফারেন্সগুলো সাজানো না ঠিকমতন। এবং যে বিষয়ে বই লেখার দাবি করেছেন লেখক, সেই তত্ত্বের তথ্য যৎকিঞ্চিৎকর। মাঝে এবং শেষে গিয়ে এই দোষ মোচন হয়েছে, ফুল-পানি-শিল-মুড়ি-কাগজ-ফিরিওলাদের ব্যাপারে আলাপ করে বেশ সন্তোষজনক একটা পর্যায়ে এসে পর্যবেক্ষণ থেমেছে।

এজন্যে, ঘ্যানঘ্যান করে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও - ভালো রেটিং দেবো। চার।
Profile Image for Abu Syed sajib.
147 reviews15 followers
March 27, 2022
প্রত্যেক শহরেরই কিছু গল্প থাকে শহরকে আপন করে না নিলে, শহরের বিভিন্ন ছোট-খাট জিনিস পর্যবেক্ষণ না করলে জানা প্রায় অসম্ভব। লেখক এই কঠিন কাজটি খুবই দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করেছেন। ফলশ্রুতিতে কলকাতায় কখনো পা না রেখেও কলকাতার অলিগলি,রাস্তা আমার সামনে খুব সহজেই ধরা দিলো। লেখক শেষের দিকে বদলে যাওয়া, শব্দ, যানজটে পূর্ণ কলকাতাকে নিয়ে আফসোস করেছেন। এই আফসোস,এই দীর্ঘশ্বাস ঢাকার অধিবাসী হিসেবে আমিও অনুভব করতে পারি।
Profile Image for Ranendu  Das.
156 reviews63 followers
September 4, 2015
এই বইটি তাদের জন্যে যারা আশৈশব প্রবল গ্রীষ্মের দুপুরে, শুনে এসেছে ক্লান্ত বাসনওলার ডাক, সাথে কাশীর ঠংঠং শব্দ। বইটি তাদের জন্যে যারা ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠেছে বৈষ্ণব ভিখারি র খঞ্জনি র সুরে বা খোল কর্তাল সযোগে নাম কীর্তন শুনে। এটি তাদের মনে করিয়ে দেবে মায়েদের পুরান কাপড় দিয়ে ফেরিওয়ালা র কাছ থেকে গামলা নেওয়ার দৃশ্য। তাদের মনে পড়ে যাবে ছুটির দিনে রোয়াকে বসে অপেক্ষা যে কখন কান পরিষ্কার করার লোক আসবে বা নাপিত আসবে। মনে করিয়ে দেবে আচারওলার ডা্ক কিংবা কুলফি মালাই এর আহ্বান! মনে আছে কি? মনে নেই? এটা তাহলে তাদের জন্যে যাদের ছোটবেলার সাথে ওতপ্রত ভাবে জড়িয়ে আছে এমনতর হাজার শব্দ। শব্দ এখানে নিজেরাই চলমান চরিত্র, তারাই মূখর করে রআখত কলিকাতা ও সংলগ্ন মফঃস্বল জেলা গুলি, তারাই বয়ে আনত ভোর, বহন করত দিন ও জানান দিত দিবাবসানের।
Profile Image for Shotabdi.
822 reviews200 followers
January 22, 2022
ভীষণ অভিনব বিষয়ে লেখা চমৎকার এবং সরস একটি বই। সাথে আছে অসাধারণ কিছু ছবি আর ইতিহাস।
Displaying 1 - 8 of 8 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.