রহস্যময় বারমুডা ট্রাইএঙ্গেলের ব্যাপারে লেখার মাধ্যমে আপনার জ্ঞানের ভান্ডার বৃদ্ধি করা আমার উদ্দেশ্য নয়; বরং প্রিয়নবী মুহাম্মাদ সা. এর ঐ শিক্ষার উপর আমল করা উদ্দেশ্য, যা তিনি জীবদ্দশায় সাহাবায়ে কেরামকে বিভিন্ন ফেতনা সম্পর্কে সতর্ক করার জন্য দিতেন। নবী করীম সা. সদা উম্মতের ভবিষ্যত ফিকির নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন, যদ্দরূন সাহাবায়ে কেরামকে কেয়ামত পর্যন্ত আগত সকল ফেতনা সম্পর্কে অবহিত করে তাদেরকে বারবার সতর্ক করতেন। শুধু সতর্কই নয় বরং যেখানে ফেতনার আশংকা করতেন, নিজে সেখানে গিয়ে সাহাবায়ে কেরামকে ফেতনার বিবরণ শুনাতেন। মদীনায় এক ইহুদী ছেলের মাঝে দাজ্জালের আলামত প্রকাশের কথা শুনে স্বয়ং নবিজী সা. তার ব্যাপারে যাচাই করার জন্য সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে ছেলের বাড়ী পর্যন্ত গিয়েছিলেন, চুপিসারে তার ব্যাপারে তদন্ত করতেন, তার মতিগতি লক্ষ্য রাখতেন। তেমনি হযরত উমর রা. স্বীয় খেলাফতকালে যখন জানতে পারলেন- ইয়েমেনে টিড্ডি বিলুপ্ত হয়ে গেছে, ভিষন ঘাবড়ে গিয়েছিলেন এবং পরিস্থিতি তদন্তের জন্য বিশেষ টিম প্রেরণ করেছিলেন। কারণ টিড্ডি বিলুপ্ত হওয়া কেয়ামত ঘনিয়ে আসার একটি অন্যতম নিদর্শন।………..
জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে পাথরঘাটায়। ওখানেই চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় গির্জা রয়েছে। তখন অনেক ছোট ছিলাম। একদিন শুনতে পেলাম, মানুষের কষ্টে মা মেরি কাঁদা শুরু করেছে। একেবারে হইহই কান্ড। স্থানীয় পত্রিকায়ও আসলো ওটা। একদিন আপু খবর আনলো, ওর এক বন্ধু নাকি ব্যাপারটা বিশ্বাস করেনি। সেদিনই নাকি মেরিকে সে স্বপ্নে দেখেছে। আমি আর আপু অপেক্ষায় আছি কবে আমরা মেরিকে স্বপ্নে দেখবো!
২০১৫ সাল ...
উদ্ভট বইয়ের প্রতি আমার ব্যপক আগ্রহ। কয়েক বছর আগে আলুর সারা বিশ্ব পাতায় চোখ আটকে গেলে। একটা বই লেখা হয়েছে। লেখকের দাবী, হিটলার আত্মহত্যা করেনি। যে মারা গিয়েছে সে মোটেই হিটলার নয়। বরং হিটলার পালিয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকার কোন এক দেশে (আমার মনে নেই) এবং সে ওখানে স্বাভাবিকভাবেই মারা গিয়েছে। তো এরকম চাঞ্চল্যকর, উদ্ভট বই পড়তে ইচ্ছেই বা করবেনা কেন? এজন্যই তো পৃথিবী নয় সূর্য ঘোরে টাইপের বই পড়ে ফেলেছি।
কিন্তু একটা সমস্যা। এরকম সব বই কি চাইলেও পড়া যায়? বিশেষ করে হার্ডকপি? প্যাঁদানিও তো খেতে পারি যদি উদ্ভট বই নিয়ে শেলফ সাজিয়ে রাখি! তো এজন্যই আমি ভার্চুয়াল দুনিয়ার প্রতি চরম কৃতজ্ঞ। এরকম বই আরো পড়তে চাই। পরের টার্গেট ...
পড়লাম এটা! এটা না পড়েই যে মরে যাইনি তার জন্য হাজার শুকরিয়া। কি এক বই রে। ওব্বাই। কি বিনোদন পেলাম রে তা বলে বোঝানোর মত না। লেখককে যদি হাজারটা নোবেল না দেওয়া হয় তবে পাঠকদের উচিৎ দিনে (কয়েকবার করে) অনশন করা!
বইয়ের কিছু কিছু তুলে দেয়া ফরজ কাজ বলেই আমি মনে করি!
1. ফ্লাইং সসার দেখা যাওয়ার ঘটনা আজকালের নয়। বরং যখন থেকেই পৃথিবীতে শয়তানী শাসন আমেরিকার নেতৃত্ব শুরু হয়েছে তখন থেকেই এই ইতিহাস শুরু হয়েছে। মার্কিন এয়ারফোর্স ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত সময়কালে ফ্লাইং সসার দেখা যাওয়ার যে রিপোর্ট করে তার সংখ্যা ১২৬১৮টি। শুধুমাত্র ২০০৮ সালের এগার মাসেই ৩৯৫১ (ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে যোগ করেছি :D ) বার ফ্লাইং সসার দেখা গিয়েছে। শুধু তাইই নয়, ১৯৫১ সালে তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রপতির সাথে ফ্লাইং সসার অধিকারীর সাক্ষাৎকারও হয়েছিল (পরবর্তীতে আরো কয়েকজনের সাথে)।
2. এমনকি আমিও (অদম লেখক) বন্ধুবান্ধব সহ দুইবার এই বস্তু পর্যবেক্ষণ করেছি। একবার সন্ধ্যার সময় এবং আরেকবার সেহরীর সময়।
3. ১৯৭৯ সালের ২৯ জানুয়ারি আইনস্টাইন বলেছেন, ফ্লাইং সসার সম্ভব। পাশাপাশি এগুলো যাদের কন্ট্রোলে চলমান তারাও সাধারণ মানুষ।
4. ফ্লাইং সসার অধিকারীদের সাথে সাক্ষাৎকারের পর মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাপনের ব্যপক পরিবর্তন ঘটে। যেমন, সার্বক্ষণিক ব্যাধি ও জন্মরোগীদের সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠা। মাঝে মাঝে অন্য গুনাগুণও দেখা দেয়। যেমন গণিতে দক্ষতা।
5. যখনই ক্যারিবিয়ান সমুদ্রে ফ্লাইং সসার দেখা যায় তখনই অলৌকিক ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। যেমন, গির্জার মূর্তিগুলো কাঁদতে শুরু করে (হুম) অথবা এদের মুখ থেকে রক্ত বের হতে শুরু করে, ফটোসমূহ উজ্জ্বল হয়ে যায়, চার্চ টাওয়ার থেকে আলোর বিকিরণ ঘটে।
6. আমি খুব ভালো করেই জানি গায়েব হওয়া মানুষগুলো কোথায় গেছে? কেননা তাদের সাথে আমার নিয়মিত যোগাযোগ হয়। শুধু তাইই নয়, ওইসব গায়েব হওয়া ঘটনাগুলো আমি স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেছি এবং গায়েব হওয়া ব্যক্তিদের সাথে আমি কথাও বলেছি। - ফ্লাইট ১৯ এ কর্মরত ক্যাপ্টেন পাওয়ারসের স্ত্রী জন পাওয়ারস।
7. পশ্চিমা বিশ্বের পুরুষজাতি নারীদের কখনো সম্মানের চোখে দেখেনি। কিন্তু তালেবানরা তাদেরকে আপন বোনের মত মনে করে পবিত্র হিজাবের দুপাট্টা দিয়ে স্বীয় পবিত্র ভূমিতে নামিয়েছিল।
8. যৌনশক্তি দুর্বল করার জন্য আয়োডিনযুক্ত লবণ, যৌন অক্ষমতা ছড়ানোর জন্য ঠান্ডা আইসক্রিম, চকলেট, ফুসফুস নষ্ট করার জন্য ইহুদী কোম্পানির তৈরী ডিব্বায় জমাট খাদ্য, চুল নষ্ট করার জন্য ক্যামিকেল পূর্ণ শ্যাম্পু, শরীর মোটা এবং সর্বরোগের কেন্দ্র বানানোর জন্য ফার্মের ডিম এবং মুরগী ইত্যাদি অগণিত জিনিষপত্র মিডিয়ার কল্যাণে মানুষের নিত্যদিনের ব্যবহৃত পণ্যে পরিণত হয়েছে।
9. HIV ১৯৭৪ সালে তৈরী করা হয়। এটি কোন দুর্ঘটনা ছিলনা বরং WHO এর তত্ত্বাবধানে তৈরী করা হয়। আর আফ্রিকার বিভিন্ন স্থানে এরই সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে। ১৯৭০ দশকে পোলিও টিকা খাওয়ানোর পর থেকেই আফ্রিকায় এইডস ছড়ানো শুরু করে।
10. Windows শব্দটির প্রকৃত বাস্তবতা জানার চেষ্টা করুন। এটি কার জানালা? ভেতরে কি? এবং কোথায় গিয়ে খোলে? একে ব্যবহার করে কি আপনি সারা বিশ্ব দেখছেন? নাকি "অন্য কেউ" এর মাধ্যমে সারা বিশ্বকে দেখছে?
11. বর্তমান সময়ে এমন একটি দল বিদ্যমান যারা শয়তানের পূজা করে থাকে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি, সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী (কালিজাদুগীরনী) কন্ডোলিসা রাইস, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ, জর্ডানের শাহ আবদুল্লাহ, ইয়াসির আরাফাত এরা শয়তানের পূজারী। হলিউডের প্রসিদ্ধ অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ধর্মও হচ্ছে শয়তানকে সন্তুষ্ট করা। ভারতীয় অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন, মিসরের উমর শরীফ, প্রসিদ্ধ জাদুগীর কপার ফিল্ড, সর্বকালের সেরা পরিবেশ নষ্টকারী মাইকেল জ্যাকসনও শয়তানের পূজারী। মাইকেল জ্যাকসনের প্রোগ্রামের শ্রোতারা অচেতন হয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে শয়তান তাদের উপর প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে তাদেরকে অচেতন করে ফেলে।
12.
13.
14.
15.
. . .
সব কি বলে দিবো নাকি? জানতে হলে পড়তে হবে।
বইটায় ব্যপক জ্ঞান আছে। কিছু কিছু তো সবার জানাই। পৃথিবীর সব খারাপির মূলে যে ইহুদী, নাসারা আর আম্রিকানরা তা কে না জানে? তবে বইটা পড়ে নতুন উদ্দমে তাদেরকে ঘৃণা করতে শিখলাম। আর সবচেয়ে বড় কথা, একটা বিষয়ে লাইনে চলে আসলাম। এতকাল পর্যন্ত জানতাম আম্রিকানরা আসলে চাঁদের যায়নি। এটা ওদের ধোঁকা ছিল। কিন্তু মাওলানার লেখা পড়ে তওবা করলাম কয়েকবার। হাজার হোক হুজুর মানুষ কি কখনো মিথ্যা বলতে পারে? কিন্তু মাওলানা সাহেব, এটা আপনি কি লিখলেন? পেপসির মানে Pay a Pound For Save Israel হতে যাবে কেন? আমি তো জানতাম ওটা Pay Every Penny for Saving Israil। নিশ্চয় মুদ্রণ ত্রুটি!
মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অনুবাদক। ভাইরে ভাই, পাকিস্তান শব্দটার অনুবাদ যে বাংলাদেশ, এটা যদি আপনি না লিখতেন তবে আমার তো কখনই জানা হত না। আর ভাই পোলিও টিকার পৃষ্ঠাটায় প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেখে যে কি হেসেছি তা বলার মত না! বলা হয়, হাসলে আয়ু বাড়ে। আমার আয়ু যে কি পরিমাণ বেড়ে গেল তা কি বুঝতে পারছেন? আর ভাই কাপ্তাই বাঁধ ভারত কখন দিল? কিভাবেই বা দিল? আর বোঝাই যাচ্ছে আপনি মূল বইটাকে একটু দেশীয় আমেজে আনতে চেয়েছেন। ভালোই। তবে নাদেরা কার্ডকে ন্যাশনাল আইডি কার্ড দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে না পারা কিন্তু ব্যাপক লজ্জার বিষয়। ছবিও সব বোধহয় মূল লেখকের না। কিছু কিছু বোধহয় ....
আমি মাঝে মাঝে চিন্তা করি মানুষের এত প্রতিভা থাকে কিভাবে? আর মাথার মধ্যে এতকিছু নিয়ে ঘুমায়ই বা কিভাবে? নিশ্চয় তারা অন্য জাতের মানুষ! কোকাকোলার লোগো যে আসলে কি মিন করে তা আসলে আমার মত সাধারণ মানুষের মাথায় আসবে না।
জীবনে কখনো মেজাজ খারাপ হলে এই বইটা পড়া উচিৎ। নিমেষেই মন ভালো হয়ে যাবে। গ্যারান্টি।
আর একটা কথা তো বললাম ��া। দাজ্জালের সাথে বারমুডা বা ফ্লাইং সসারের সম্পর্ক কি? জানতে হলে তো পড়তে হবে!
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ গুডরিডস এ এটার পনেরটা পাঁচ তারা রেটিং আছে। বিনোদনের কথা চিন্তা করে আসলে পাঁচই দেয়া উচিৎ। কিন্তু সবসময় তো আর একভাবে চিন্তা করা যায়না।
"ওহে মুসলমান ভাইয়েরা! ফেতনা সম্পর্কে অবগত হোন..এ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন..! অন্যথায় তা আপনাদের জান-মাল ও দ্বীন-ধর্মকে কেড়ে নিয়ে সর্বহারা করে ছাড়বে- এভাবে যে, আপনারা তা টেরও পাবেন না।" মাশাআল্লাহ অসাধারণ একটি বই। কিন্তু এই বইটি ইসলাম বিদ্বেষী দের একদমই সহ্য হবে না, কারণ তারা চায় না যে সত্য প্রকাশিত হোক, কিন্তু তারা কেনো ভুলে যায় সত্য কখনো অপ্রকাশিত থাকে না।
ایک اچھی کتاب تھی۔ آج کچھ یروشلم کے بارے میں پڑھا تو یاد آیا کہ اس سے ملتی جلتی کتاب پہلے بھی پڑھی تھی۔ سوچا آج ڈھونڈوں کیا پتا مل جائے ادھر ہی۔ میرے لئے تو یہ ایک بہت ہی اہم مگر پراسرار موضوع کی طرف پہلا قدم تھا جو بعد میں ایک دستاویزی فلم پر ختم ہوا۔ بہرحال ایک اچھی کتاب تھی۔