Prabir Ghosh is the author of over 30 Bengali language bestsellers, and a pioneer of rationalist and humanist movement in India. The author is the General Secretary of Science and Rationalists’ Association of India and the President of Humanists’ Association. The author has been a columnist with Times of India for a long time. His life and works have been showcased in BBC, National Geographic Channel, Channel 4 (UK), a German television channel, NDTV, Star News, Aaj Tak, MTV among others. Wikipedia has given importance to him since the early days and listed him among the top athiesm activists of the world. Prabir is also known internationally for his INR 2.5 million open miracle challenge. Prabir lives in Kolkata, India with his wife.
বইটি পড়ার শুরুতেই আমি পাকিস্তানের প্রতি কিঞ্চিৎ বিরক্তবোধ করেছি। মনে হয়েছে পাকিস্তানি শাসকদের শুরুর দিকে দূরদৃষ্টির কিছু অভাব ছিল।
কি ভাবছেন? এহহে! বইয়ের লেখকও হিন্দু আবার পোষ্টের লেখকও মনে হচ্ছে হিন্দু। পাকিস্তানের নিন্দা তো করবেই। এখনই সিদ্ধান্ত না নিয়ে লেখাটির শেষ পর্যন্ত গেলে আপনার ধারনা বদলাতে পারে।
৪৭ সালে দেশভাগের পর কাশ্মীর ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন কিংবা পাকিস্তানে যোগদান কোনটাতেই আগ্রহ দেখাল না। কাশ্মীরের রাজা হরি সিং স্বাধীন থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন এবং শুরুটা সেই মোতাবেকই হয়েছিল।
শুনতে অদ্ভুত লাগলেও দেশভাগের শুরুতে ভারতের কাশ্মীর নিয়ে তেমন প্রকাশ্য আগ্রহ বা কর্মকান্ড উল্লেখ্যযোগ্যভাবে দেখা যায়নি। অন্যদিকে স্বতন্ত্র দেশ হিসাবে কাশ্মীর যাত্রা শুরু করলে রাজা হরি সিং হলেন কিছুটা পাকিস্তান ঘেষা। তিনি কাশ্মীরের ডাক ও টেলিযোগাযোগের চুক্তি করলেন পাকিস্তানের সাথে। কিন্তু
ডগরা রাজপুত হরি সিং পুরো কাশ্মীরের উপর বছরের পর বছর ধরে করেছিলেন তীব্র অত্যাচার। এটা ছিল তার তিন পুরুষের লেগ্যাসি। ফলশ্রুতিতে দেশবিভাগের সময় সুযোগ বুঝে একদল কাশ্মীরী উপজাতি বিদ্রোহ করে রাজার বিরুদ্ধে। আর মহারাজা হরি সিং এর সেনার এই বিদ্রোহীদের রুখে দেবার সামর্থ্য ছিল না। রাজা হরি সিং পাকিস্তানের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আগ্রহ দেখালেন কিংবা চাইলেন পাকিস্তান এই সংকট থেকে রাজাকে উদ্ধার করুক। কিন্তু পাকিস্তান বরং উল্টোদিকে হাঁটল। রাজাকে সাহায্য না করে উল্টে কাশ্মীরি বিদ্রোহীদের সাহায্য করার অভিযোগ পাওয়া যায়।
ঠিক এখানেই আমার পাকিস্তানের উপর মেজাজ খারাপ হয়েছে। কারণ ঠিক ঐসময় পাকিস্তান রাজার পক্ষে দাঁড়ালে কাশ্মীর নিজেদের অধীনে আনার বড় সুযোগ পেয়ে যেত। যেহেতু কাশ্মীর ছিল মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা। কয়েক বছর পরে রাজার মৃত্যুর পর পাকিস্তান রাজনৈতিক চালে কাশ্মীরের উপর অধিকার খাটাতে পারত। কিন্তু পাকিস্তান যা করলো সেটায় ভারত ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের একটা দারুণ সুযোগ পেয়ে গেল।
কাশ্মীরী উপজাতিদের বিদ্রোহে তখন রাজা হরি সিং দিশেহারা। তখনও তিনি ভারতকে কাশ্মীরী ইস্যুতে ঢেকে আনার ব্যাপারে দ্বিধান্বিত। ঠিক এই সময় হরি সিং উস্কে দেন আর কেউ নয় একজন কাশ্মীরি স্বয়ং। তৎকালীন All Jammu and Kashmir Muslim Conference (Present: The Jammu & Kashmir National Conference) নেতা শেখ আব্দুল্লাহ ছিলেন নেহেরুর বন্ধু। তিনি রাজাকে পরামর্শ দেন ভারতের সাথে চুক্তি করতে। আর রাজা বাধ্য হয়েই আব্দুল্লাহর এই পরামর্শ মেনে নেন। চুক্তি করেন ভারতের সাথে। আর ভারত সুযোগ পেয়ে যায় কাশ্মীরে নিজেদের অধিকার ফলানোর। ভারতীয় সেনারা উপজাতিদের শ্রীনগরের দিক থেকে পিছু হটায়। কিন্তু পাকিস্তানের সাহায্য নিয়ে বিদ্রোহীরা মুজাফরাবাদসহ (বর্তমান আজাদ কাশ্মীরের রাজধানী) কাশ্মীরের একটা অংশ নিজেদের দখলে রাখতে সামর্থ্য হয়। শুরু হয় একটা স্বাধীন জাতির ৭০ বছরের নিপীড়নের ইতিহাস।
এরপর লাল বাহাদুর শাস্ত্রী, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, ভিপি সিং, দেবগৌড়া, বাজপেয়ী, মনমোহন সিং প্রায় সব প্রধানমন্ত্রী একই নীতি চলেছেন। দমন নীতি। শুধু ব্যতিক্রম ছিলেন মোবারজী দেশাই। কিন্তু হায় ভারতের সাধারণ মানুষ আজ সম্রাজ্যবাদের ঘুটিতে পরিণত হয়ে গেছে। ভারত কাশ্মীর দখল করার পর তিনটা প্রজন্ম নাগরিকত্ব লাভ করেছে প্রায়। জন্মের পর থেকে কাশ্মীরকে ভারতের সাথে দেখতে দেখতে এরা মনে করে কাশ্মীর ভারতের অংশ। আর এখানেই বেধেছে মূল্য সমস্যা। আজ যদি কোন সরকার কাশ্মীর সমস্যার ব্যাপারে নমনীয় হয়। ভারতের জনগনই সেই সরকারকে উৎখাত করে দেবে এবং এখানে বলে রাখি সেই জনগনের মধ্যে অন্য প্রদেশের মুসলিমরাও আছে।
সবচেয়ে বড় সর্বনাশ করে গেছেন রাজীব গান্ধী। তিনি কাশ্মীরে Armed Forces (Special Powers) Acts চালু করেন। এই একটা জঙ্গলের আইন। এর মাধ্যমে যেকোন সেনা সামান্য সন্দেহের বশে হত্যা করতে পারবে কিংবা গুম করতে পারবে কাশ্মীরিদের।
কাশ্মীরের সশস্ত্র সংগঠনগুলোর সবগুলো পাকিস্তান প্রভাবিত নয়। এদের মধ্যে প্রায় একডজন সংগঠন চায় ভারত কিংবা পাকিস্তান নয়। কাশ্মীর হবে তার নিজের। কাশ্মীরের আজাদি। কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের মূল অংশটাও কিন্তু ভারত এবং পাকিস্তানের সাথে যেতে আগ্রহী নয়, তারা স্বাধীনতা চায়। কারণ এতটা বড় পরিসরে না হলেও পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরিদেরও অধিকার নিয়ে কানামাছি খেলে পাকিস্তান সরকার। কিছু ক্ষেত্রে পাকিস্তান ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। কাশ্মীরের তিনটা জেলা পাকিস্তানের অন্য রাজ্যের সীমানার অন্তর্ভুক্ত করেছে। একটা অংশ দিয়ে দিয়েছে চীনকে। মূলত কাশ্মীরিদের বঞ্চনা করা নিয়ে ভারত আর পাকিস্তানের এক অলিখিত সন্ধি আছে যেন।
দেশবিভাগের পর থেকে কাশ্মীর সামলাতে গিয়ে ভারত প্রায় ১৫০০০ সৈনিক হারিয়েছে আর কাশ্মীরীরা প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ২ লক্ষ। কাশ্মীর কখনোই ধর্মীয় কোন ইস্যু নয়। কখনো হিন্দু-মুসলিমের ইস্যু নয়। এটা মূলত সম্রাজ্যবাদের ভূত। যদি আপনি ভাবেন হিন্দুরা নিরীহ কাশ্মীরীদের হত্যা করছে আপনি মারাত্নক ভুল করবেন। কারণ একজন কাশ্মীরী হিন্দু পন্ডিত এই দমনের প্রতিবাদ করতে যেয়ে প্রাণ হারিয়েছেন সেনার হাতে। আর এরকম উহারণ আরও রয়েছে।
কেন ভারত কখনো কাশ্মীর ছাড়বে না? (এই অংশটি বইয়ের বাইরে থেকে সংগৃহীত)
শুধুমাত্র ভূ-স্বর্গ, পর্যটন ব্যবসা কিংবা জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে ভারত কাশ্মীর দখল করে রেখেছে ভাবলে আপনি মস্ত বড় ভুল করবেন। ভারতের বিদ্যুৎ বিভাগের জরিপ অনুসারে কাশ্মীর থেকে ১৬,৪৭৫ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। যা ছোট বড় প্রায় তিনটা রাজ্যকে বিদ্যুতে সচল রাখার জন্য পর্যাপ্ত। কাশ্মীরের নদীগুলোই মূলত ভারতের প্রধান সম্পদে পরিণত হয়েছে। আর সেই নদী দিয়ে জল এতটাই গড়িয়ে গেছে যে ফিরে আসা সম্ভব নয়।
উপরোক্ত যাবতীয় উপস্থাপনা বইয়ের আলোকে লেখা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের পিঠে রেফারেন্স দিয়েছেন লেখক। তারপরও আমার লেখার ভুল ক্ত্রুটি মার্জনা করবেন। আরও বিস্তারিত তথ্য পাবার জন্য বইটি পড়ার আমন্ত্রণ রইল।
বইয়ে এমন অনেক তথ্য পেয়েছি যা মিডিয়া বা অন্য কোন মাধ্যম কাশ্মীর নিয়ে কথা বলার সময় খুব একটা বলে না। এমনকি ভারতীয় এবং বিদেশী লিবারাল খবর মাধ্যমগুলোও যখন কাশ্মীরের সংঘাতের ইতিহাস নিয়ে তাদের প্রতিবেদন শুরু করে, সেটা শুরু হয় কাশ্মীরের সীমান্তে রাজা বিরোধী বিদ্রোহ থেকে। কিন্তু আজাদির লড়াই এর ইতিহাস এর সূচনা যে আরো পুরানো তা খবর মাধ্যমগুলোতে, অন্তত আমি উঠে আসতে দেখিনি। এই বই থেকে এমন অনেক কিছু জানতে পেরেছি যা আমার জানা ছিল না। ২০১০ এর পরও এক দশক পেরিয়ে গেছে কিন্তু কাশ্মীরের অবস্থাকে কোন পরিবর্তন কি এসেছে? ব্যাপারটা নিয়ে ভাবলে হতাশা পেয়ে বসবে যে কাউকে।
উল্লেখ্য যে, ইতিহাসে জোর দিলেও লেখক বইটাকে বিষয়ভিত্তিক টপিকে ভাগ করেছেন বলে তারিখগত ক্রোনোলজিটা মেনে চলা সম্ভব হয় নি।
When I was in class 12, I have came across all of his books, and was deeply influences by his ideas and his organization, namely SRAI (Science and Rationalist Association of India). I was fortunate to talk to him in person once almost 4 years ago. I had no idea his books are translated in English as all the books I have read by him is in Bengali.
This book specially deals with the Kashmir problem and I recommend it to anyone who want to explore the Kashmir problem (some unbelievable truth and political tactics has been unveiled in this book.) I think this is written in Bengali, but I am sure that there is a English edition available.