Imdadul Haq Milon (Bangla: ইমদাদুল হক মিলন) is a Bangladeshi novelist and editor of the daily Kaler Kantho. Milon graduated from Jagannath College. He went to Germany and after returning, wrote one of his premier works, Poradhinota. Milon authored books on classic stories, historical writings, romantic stories and other genres. He also works as a TV personality in a talk show called Ki Kotha Tahar Sone. He was honored with Bangla Academy Award in 1992.
ভালো ছিল। ছোটোদের জন্য উপযোগী একটা গল্প। তবে বড়দেরও ভালো লাগবে। অন্তত আমারতো গল্পটা পড়ে বেশ লেগেছ ইমদাদুল হক মিলন স্যারের ভুত বিষয়ক বই এর আগে পড়িনি তবে ২-১ টা ছোট গল্প পরেছি। বইটার সারাংশ নিম্নরুপ :
গাছের প্রাণ আছে একথা আমরা জানি, কিন্তু গাছ যে ভূত হতে পারে এমন কথা কেউ কখনও শোনেনি। শুনলেও বিশ্বাস করতে চাইবে না। কিন্তু সত্যি সত্যি ভূতগাছ আছে। দক্ষিণে বাংলাদেশের শেষ সীমান্ত টেকনাফে গিয়ে ভূতগাছের সঙ্গে দেখা হয় রবিনের। সেই গাছের কাণ্ডকারখানা খুব কাছ থেকে দেখতে থাকে রবিন। অতিভোরে নাফনদীতে নেমে টুক করে গোসল করে আসে ভূতগাছটি। মানুষের মতো হেঁটে নদীতে নামে, নদী থেকে গোসল সেরে আবার আগের জায়গায় এসে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। এরকম আরও কত ঘটনা। সব মিলিয়ে ‘ভূতগাছ’ এক টানটান উত্তেজনার রহস্য ভরা উপন্যাস। ছোটদের তো বটেই, বড়দেরও সমানভাবে ভালো লাগবে এই উপন্যাস।
ইমদাদুল হক মিলনের লেখা সম্ভবত দুইটা বই আমার আজ পর্যন্ত ভালো লেগেছে, একটা ভূতের নাম রমাকান্তকামার, আরেকটি ভূতগাছ। দুইটাই ছোটদের বই, ভূতের বই। আমি যে তার খুব বেশি বই পড়েছি তাও না। তারপরেও প্রেমের উপন্যাসের চেয়ে তার ভূতের বই তুলনামূলকভাবে ভালো।
বইটা অনেকদিন ঐশীর বাসায় ছিল। ফেরত আনার পর আবার রিভিশন দিলাম। এ বইয়ের দ্বিতীয় পর্বের নাম সেন্টমার্টিন দ্বীপের ভূতগাছ। দ্বিতীয় পর্বটা আমার পড়া হয়নি। খুঁজেছিলাম আগে, পাইনি।
বইটা ১৯৯৪ সালে লেখা। তখনো সেন্টমার্টিন বেশ দুর্গম অঞ্চল। কিভাবে যাবে, যাওয়া যাবে কিনা এসব নিয়ে বইয়ের চরিত্রগুলোকে চিন্তিত হতে দেখে মজা লাগল। সময় কত দ্রুত যায়! সময়ের সাথে সবকিছু কিভাবে বদলে যায়!