প্রচন্ড এক দুর্যোগের রাতে পথ হারিয়ে তরুণী লিন্ডা লুইস আশ্রয় নিল ফেয়ারভেল শহর থেকে দূরে, পরিত্যক্ত এক মোটেলে। সাথে প্রেমিক জন গেটকে নিয়ে সুখে ঘর বাঁধার জন্য আর্থার এজেন্সী থেকে চুরি করা চল্লিশ হাজার ডলার। সে রাতেই খুন হলো লিন্ডা। এদিকে নিখোঁজ বোনের সন্ধানে জনের কাছে এল লিসা। অন্যদিকে লিন্ডাকে খুঁজছে গোয়েন্দা হেনরী মিলারও। চুরি যাওয়া টাকাটার হদিস চাই তার। গন্ধ শুঁকে শুঁকে মোটেলে এসে খুন হয়ে গেল গোয়েন্দা নিজেই। অভিশপ্ত বাড়িটায় অবশেষে হাজির হলো লিসা এবং জন। জানা নেই, ঘটতে চলেছে বিভীষিকাকে হার মানানো নারকীয় সব ঘটনা।
জন্ম ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯। জন্মস্থান বরিশাল, পিতা প্ৰয়াত লক্ষী কান্ত দাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে অনার্স সহ এম, এ করেছেন। ১৯৯৫ সালে | লেখালেখির প্রতি অনীশের ঝোক ছেলেবেলা থেকে । ছাত্রাবস্থায় তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় সাপ্তাহিক, পাক্ষিক এবং মাসিক পত্রিকাগুলোতে চিত্তাকর্ষক ফিচার, গল্প এবং উপন্যাস অনুবাদ শুরু করেন । হরর এবং থ্রিলারের প্রতি তাঁর ঝোকটা বেশি। তবে সায়েন্স ফিকশন, ক্লাসিক এবং অ্যাডভেঞ্জার উপন্যাসও কম অনুবাদ করেননি। এ পর্যন্ত তাঁর অনুদিত গ্ৰন্থ সংখ্যা ১০০’র বেশি। অনীশ দাস অপু লেখালেখির পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত। তিনি দৈনিক যুগান্তর- এ সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে কাজ করেছেন । তবে লেখালেখিই তার মূল পেশা এবং নেশা ।
অসাধারণ ছিল। দুঃস্বপ্নের রাত বইটির সাথে বইটির কাহিনীও চমৎকার ছিল।।
এটাকে আসলে সেভাবে ভৌতিক গল্পের বই বলা যাবে না তবে ক্রাইম হরর বললেই ভুল বলা হবে না বলে আমি মনে করি। গল্পের শুরুটা সাদামাটা। লিন্ডা নামের একটি মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডের জন্য বা বলা যায় তাদের নিজেদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বেশ কিছু টাকা নিয়ে সে পালিয়ে আসে এবং একটি মোটেলে রাত কাটানোর জন্য অবস্থান নেয়। গল্পের শুরু মূলত এখান থেকেই। রহস্যজনকভাবে (গল্পে বর্ণিত) লিন্ডা উধাও হয়ে যায়। বোনের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে লিসা। লিন্ডার বয়ফ্রেন্ড জন এর সাথে যোগাযোগ করে লিসা লিন্ডার সন্ধান করতে বেরিয়ে পড়ে। ঘটনা এগিয়ে যায়, সাথে অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চও।।
৫ এ ৫ -ই প্রাপ্য এই বই এবং এই লেখকের বই পড়া চলবেই।।
নিঃসন্দেহে অসাধারণ একটি গল্প তবে রবার্ট ব্লক এর "সাইকো" আর এই গল্পটা পুরোপুরি এক!কেন?! বইয়ের কোথাও এই ব্যাপারটির উল্লেখও নেই। ভিন্ন নামে একই বই প্রকাশের তো কোন মানে হয় না।