When Panty was first published in Bengali, it created a furore—a reaction that is par for the course for Sangeeta Bandyopadhyay.
Her controversial first novel Shankini made for an explosive debut. Since then she has published nine novels and over fifty short stories. Also a newspaper columnist and a film critic, Sangeeta lives and writes in Kolkata.
সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর জন্ম ২৩ নভেম্বর ১৯৭৪, দুর্গাপুরে। ১৯৮৬ সাল থেকে কলকাতায় বসবাস। প্রথমে বাগবাজার মালটিপারপাস্ গার্লস স্কুল, পরে গোখেল কলেজে পড়েছেন। তেরো-চোদ্দো বছর বয়স থেকেই কবিতা লেখার শুরু। প্রথম কবিতা ছাপা হয় ‘দেশ’ পত্রিকায় ২০০১-এ। তারপর নিয়মিত দেশ সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি। প্রথম উপন্যাস শঙ্খিনী। ‘দেশ’-এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত। পেশা: সাংবাদিকতা। একটি টিভি চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত। শখ: অসংখ্য। তবে আসল শখ মানুষের সঙ্গে এই মহাপৃথিবীর সম্পর্ক অধ্যয়ন।
গল্পের শুরুটা আর প্লটটা খুবই সুন্দর, কিন্তু শেষে এসে বোঝা গেল না যে ঠিক কি বোঝাতে চেয়েছেন! শেষটা যেন তারাহুড়ো করে সবকটা সুতো বাঁধার চেষ্টা, আর শেষমেশ কিছু সুতোর জট পাকানো আর কিছু সুতো খোলাই ছেড়ে রাখা।
শুরু থেকে ৭৫% পর্যন্ত পড়ার পর ৪* দেওয়ার মতোই লেগেছিল, কিন্তু শেষ করার পর, ২* এর বেশি ওঠা গেলো না!
গল্পে একটা বা দুটো প্রধান চরিত্র নেই। চরিত্র অনেক এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ ভূমিকা পালন করে গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। প্রত্যেককেই ছুঁয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবো আমি, চেষ্টা করবো স্পয়লার ফ্রি রাখার।
দক্ষিণ কলকাতার মেয়ে সোহিনী স্মার্ট,সুন্দরী, শিক্ষিতা। বিয়ে হয় উত্তর কলকাতার ছেলে কমলের সাথে। পেশায় কোমল ডাক্তার হলেও মা ছাড়া তার নিজস্ব কোনো জগৎ নেই। সোহিনীর ভাষায় সে "মায়ের আঁচলের তলায় থাকা গোবরগণেশ" । বিয়ের দু বছরেও কেউ কাউকে সেভাবে ভালোবাসতে পারেনি। তবে কি হবে এই সম্পর্কের পরিণতি?
এদিকে পাড়ার বউ সোহিনীর প্রতি নজর লোফার শাঁটুলের। সোহিনী কি নিজের একাকিত্ব এড়াতে শাঁটুল কে ব্যবহার করবে?
উত্তর কলকাতার মেয়ে শর্মিলা বিয়ে করেছে তার চেয়ে প্রায় আঠারো বছরের বড় আদিত্য কে। আদিত্যর বউ,ছেলে,বাবা-মা নিয়ে ভরা সংসার। সেই অর্থে শর্মিলা কি আদিত্যর স্ত্রী হিসেবে কোনো মর্যাদা পাবে?
অন্যদিকে জ্যোতিষ্মানদা কি পারবে তার সাধের লাইব্রেরী কে প্রমোটারদের হাত থেকে বাঁচাতে?
এরকমই একাধিক মানুষদের জীবনের লড়াই নিয়ে সঙ্গীতা বন্দোপাধ্যায় এর নভেলা "কড়িখেলা"। গল্পে রাগ,অভিমান,ভালোবাসা,ঝগড়া,কূটকচালি সমস্ত কিছুর স্বাদই পাওয়া যাবে। মানুষের জীবনকে ঘিরে যতরকম অনুভূতি থাকে আর কি! আমার খুব ভালো লেগেছে। তবে কমলের চরিত্রটি খুব ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে বেশ ভালো। এনজয় করেছি খুব।