আলী যাকের এর প্রয়াণের পর তাঁর বই পড়ার প্রবল ইচ্ছে থেকে বইটি পড়া। অসম্ভব ভালো অভিনেতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন ভালো লেখক ও। সুন্দর আর সাবলীল বিবরণে এই বইটিতে উঠে এসেছে গ্রাম রতনপুর থেকে লন্ডন অব্দি নানা পর্যায়ের ভ্রমণকথা। যেমন স্থান-ইতিহাস-খাবার এসেছে বর্ণনায়, তেমনি এসেছে মুক্তিযুদ্ধ-সমাজতন্ত্র-পুঁজিবাদ। তবে বিভিন্ন স্থানের লোকজন বা সংস্কৃতি সম্পর্কে আরো একটু বিস্তৃত বিবরণ পেলে বইটি আরো অনেক বেশি ভালো লাগতো বলে মনে হয় আমার। তবুও তাঁর সরল লেখনশৈলীর বলে আত্মকথা এবং ভ্রমণের সংমিশ্রণ এ গ্রন্থটি হয়ে উঠেছে সুখপাঠ্য। শ্রদ্ধা।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী মঞ্চনাটকে আলী যাকের ছিলেন অন্যতম সংগঠক ও সফল নাট্যনির্দেশক। তাঁকে মঞ্চে দেখতে পাইনি কখনও এই আফসোসটাই বোধহয় রয়ে যাবে বহুদিন। টিভি নাটকে দেখা আর মঞ্চে দেখা তো আর এক নয়। তাঁর লেখা কয়েকটা বই আছে সেই বইগুলোই খুঁজে খুঁজে পড়ছি কয়েকদিন। দূরে কাছে স্বর্গ আছে তাঁর ভ্রমণ কাহিনী। বইটিতে আছে পঞ্চাশের দশক থেকে আশির দশক অবধি ভারতের কয়েকটি অঞ্চল, পূর্ব বার্লিন, লন্ডন আর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রতনপুর নিয়ে তাঁর টুকরো টুকরো ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।
ভ্রমন কাহিনী পড়তে আমার সবসময়ই ভালো লাগে। প্রিয় আলী জাকেরের ভ্রমন কাহিনী না পড়ে কি পাড়া যায়। ভালোই লাগলো। লেখক তার দীর্ঘ জীবনের কিছু টুকরো ভ্রমনের ও অভিজ্ঞতার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।