কাজ খুঁজতে মার্ফায় যাচ্ছিল ভবঘুরে দুই বন্ধু - স্যাম আর জেক। পথে দেখল, অপরূপ এক তরুণীর সম্ভ্রম হানির মতলবে আছে বিশালকায় এক বদমাশ। গোলাগুলির পর পালাল লোকটা... এর পরপরই কারও চক্রান্তে জড়িয়ে গেল ওরা, খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হলো স্যাম। ঘটতে শুরু করল নাটকীয় সব ঘটনা। স্যামকে নির্দোষ প্রমাণ করতে না পারলে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে জেকের পিছনেও লেগে আছে নির্মম, বেপরোয়া, ধূর্ত আততায়ী। হাতে সময় নেই, রাত হলেই হামলা হবে জেলহাউসে, ছিনিয়ে নিয়ে খুন করা হবে অসহায় স্যামকে। কী করতে পারবে একা জেক?
সায়েম সোলায়মানের জন্ম ২৩ জুলাই, ১৯৭৯, ঢাকায়। পেশাজীবনে তিনি একজন ব্যাংকার। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় অনার্স এবং মৎস্যবিজ্ঞানে মাস্টার্স করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিজিডিআইটি সমাপ্ত করেন। এরপর একটি আইএসপি-তে কিছুদিন কাজ করার পর যোগদেন ব্যাংকে। বই কেনা ও পড়ার নেশাই তাকে উদ্বুদ্ধ করেছে লেখালেখির সঙ্গে জড়িত হতে। ছোট থেকেই নিয়মিত লিখতেন স্কুলের দেয়ালপত্রিকায় আর বার্ষিকীতে। তেবে আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ১৯৯২ সালে, কিশোর পত্রিকায় অনুবাদ গল্পের মাধ্যমে। ২০০৪ থেকে রহস্য পত্রিকায় নিয়মিত হওয়ার পাশাপাশি হাত দেন বড় কাজে।
নভেম্বর ২০০৪-এ সেব প্রকাশনীতে প্রকাশিত হয় তার প্রথম ওয়েস্টার্ন বই ‘সংকট’। ওয়েস্টার্ন বই তার কাছ থেকে আরো ৫টি পেয়েছি আমরা। একটি গল্প-সংকলন সহ অনুবাদ ও কিশোর ক্লাসিকের বই পেয়েছি ২১ এর বেশি। যার মাঝে রয়েছে আগাথা ক্রিস্টি, এইচ. জি. ওয়েলস, এরিক মারিয়া রেমার্ক, জুল ভার্ন, রাফায়েল সাবাতিনি, হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড এর মতো বিক্ষাত লেখকদের বই।
আহা! আমার পড়া ১ম ওয়েস্টার্ন! না হলেও ২/৩ বার রিভাইসও দিয়েছিলাম তখন এতই ভালো লেগেছিলো! তারও কয়েকবছর পর জেনেছিলাম এটা ওয়েস্টার্ন জনরার বই! জানার আগেই আমি ওয়েস্টার্নের অন্ধ, খোঁড়া ভক্ত বনে গিয়েছিলাম প্রথম ৩টা বই পড়ে।