What do you think?


নাগরিকদের জানা ভালো
নাগরিক হিসেবে আমাদের যেমন কিছু অধিকার আছে, তেমনি রাষ্ট্র ও সমাজ, এমনকি পরস্পরের প্রতি কর্তব্যও আছে। এই অধিকার ও কর্তব্য সম্বন্ধে সচেতনতা উন্নত সমাজের একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য। এমনিতে একজন নাগরিক তাঁর পরিবার, সমাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন সময় বিক্ষিপ্তভাবে নাগরিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্বন্ধে ধারণা বা জ্ঞান লাভ করেন। তবে তা অনেক সময় নাগরিকের মনে স্থিতি পায় না। আমাদের বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকদের অধিকার ও দায়িত্বে অবহেলার শাস্তির বিধানাবলি উল্লেখিত আছে দণ্ডবিধিতে। কিন্ত সকল নাগরিকের পক্ষে তো সব সময় সংবিধান, দণ্ডবিধি ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন গ্রন্থর পাতা ওল্টানো সম্ভব নয়। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, ধর্মজীবন ইত্যাদি সম্পর্কে জানাও একজন নাগরিকের পক্ষে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। এত সব জরুরি জ্ঞাতব্য বিষয়কে একটি গ্রন্থের পরিসরে আবদ্ধ করে সাধারণ নাগরিকদের কাছে সহজলভ্য করে তলিতে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান তাঁর জীবনের একেবারে শেষ দিকে আমাদের জন্য এই বইটি রচনা বা সংকলনের কাজে হাত দিয়েছিলেন।
176 pages, Hardcover
Published January 1, 2015
About the author
Muhammad Habibur Rahman
67 books7 followersMuhammad Habibur Rahman (Bengali: মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান) was a former chief justice of Bangladesh Supreme Court in 1995. He was the chief adviser of the 1996 caretaker government which oversaw the Seventh parliamentary elections in Bangladesh.
He is an author of seventy books in Bengali on law, language, literature, poetry and religion and five books in English, including two books of verse.
He is an author of seventy books in Bengali on law, language, literature, poetry and religion and five books in English, including two books of verse.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
March 8, 2021
প্রথমে ভাবছিলাম মিমে মিমে আলোচনা করি:
পরে দেখি ধুর, সময়ে কুলায় না, তাই বাদ। নর্মি রিভিউ-ই ভরসা!
বইতে দুটো অংশ। প্রথমাংশে বাংলাদেশের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ নিয়ে বেসিক তথ্যগুলোকে একত্রীকরণ করা হয়েছে, মাত্র শ’খানেক পাতার মাঝে এত কিছু আঁটিয়ে ফেলা সহজ কাজ ছিল না ধারণা করি। পড়তে ভালোই লেগেছে। সাধারণ জ্ঞান এত কম আমার, অনেক কিছুই নতুন লাগল! যেমন: বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীত আছে দশ চরণের, জানেন আপনারা?
শিক্ষা প্রণালি নিয়ে বলা আছে:
তারপর ন্যায়পাল নামক পদের সাথে পরিচিত হলাম:
সংসদ এলাকায় সাংসদদের ইমিউনিটি:
সংসদে বেসরকারি কাজ প্রাধান্য পায় সপ্তাহে একদিন— বৃহস্পতিবারে। এছাড়া বিরোধী দলের প্রধান নেতা যে একজন পূর্ণ মন্ত্রীর সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন, এটাও জানতাম না।
দ্বিতীয়াংশে একটা কালপঞ্জি বা টাইমলাইন দেওয়া আছে। খ্রিষ্টপূর্ব আট হাজার সাল থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডটির ইতিহাস সারসংক্ষেপে বলে যাওয়া হয়েছে; তারপর ১৮০০ থেকে ১৯৭০ এর ইতিহাস এসেছে আরেকটু বিশদভাবে, এবং সবশেষে ১৯৭১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সংবাদপত্র ঢুঁড়ে খুঁটিনাটি তুলে আনা হয়েছে বেশ ভালোরকমের । এটার জন্যেই বইটা ইউনিক হয়ে রইল আমার কাছে। কিছু তথ্য, যেমন:
এবার খারাপ লাগার কথা বলি। লেখক বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ছিলেন, এরপরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্নের কোনোই সুযোগ নেই। তারপরেও কয়েকটা বিষয়ে তিনি অত্যন্ত হাস্যকর ও ভিত্তিহীন কথা বলেছেন। প্রথমেই আমার খটকা লেগেছিল, যখন দেখলাম বলা হচ্ছে বাংলাদেশের সংবিধানের চার মূলনীতি নাকি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা! অবাক হলাম, তারপরেও ইগনোর করে এগোনোর চেষ্টা করছিলাম। সংবিধানে কতো কিছুই লেখা থাকে, সব আইন তো সবার জন্যে খাটে না!
তখুনি দেখি আরেক ভুল। আইনের শাসন নিয়ে প্রাক্তন বিচারপতি যা বলেছেন, শুনুন:
দেখেই মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। তিনি কি ডিল্যুশনে ভুগছেন, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে এসব বলেছেন, আমি জানি না। বই পড়ার সময় পলিটিক্স-ফলিটিক্স থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি। নিজেকে বোঝালাম, আচ্ছা স্রেফ ধারণাই তো। বাস্তব নয়। এগোচ্ছিলাম। কিন্তু দুই পেজ পরেই আরেক লাইন পড়ে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল আমার। তার কথামতে দেখুন, সংবিধানে নাকি বলা হয়েছে:
ভাবুন অবস্থাটা! বেচারা বিচারপতি বুড়ো বয়সে বাংলাদেশের নাম বলে কোন না কোন দেশের সংবিধান উদ্ধৃত করে গ্যাছেন এসব, কে জানে!
এই কয়টা জায়গা বইটাকে হালকা করে দিয়েছে আমার চোখে। কারণ 'নাগরিকদের জানা ভালো' নামে বই ছাপিয়ে লেখক এরকম সব অবাস্তব ধারণা ঢুকিয়ে দিয়েছেন, একজন নাগরিক এগুলো পড়ে বিভ্রান্ত হতে পারে। সে ভাবতে পারে সত্যিই এই ভূখণ্ডে বাক ও চিন্তা স্বাধীনতা আছে, প্রেস এখানে উন্মুক্ত, আইনের শাসন এখানে ছাপোষা লেখক ও হাজার-কোটি-টাকা মেরে-দেওয়া-সন্ত্রাসী -- সবার জন্যেই সমান। এসব ভেবে ওই নাগরিক যদি বেমক্কা কিছু বলে, লেখে, করে; তারপর ক্ষতিগ্রস্ত হয় -- তার দায়িত্ব কি সম্মানিত বিচারপতি নেবেন?
(না। বিচারপতি চোদ্দ সালে মরে গেছেন)
সুতরাং এই ত্রুটির জন্যে দুই তারা কেটে নিলাম। প্রকাশকের কাছে অনুরোধ থাকবে পরবর্তী সংস্করণে যেন এদিকে নজর দেওয়া হয়। এমনিতে বইটা খারাপ না।
পরে দেখি ধুর, সময়ে কুলায় না, তাই বাদ। নর্মি রিভিউ-ই ভরসা! বইতে দুটো অংশ। প্রথমাংশে বাংলাদেশের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ নিয়ে বেসিক তথ্যগুলোকে একত্রীকরণ করা হয়েছে, মাত্র শ’খানেক পাতার মাঝে এত কিছু আঁটিয়ে ফেলা সহজ কাজ ছিল না ধারণা করি। পড়তে ভালোই লেগেছে। সাধারণ জ্ঞান এত কম আমার, অনেক কিছুই নতুন লাগল! যেমন: বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীত আছে দশ চরণের, জানেন আপনারা?
বাংলাদেশের দুরন্ত সন্তান আমরা দুর্দম দুর্জয়
ক্রীড়াজগতের শীর্ষে রাখব আমরা শৌর্যের পরিচয়
...
বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের নাম হবে গৌরবময়।
শিক্ষা প্রণালি নিয়ে বলা আছে:

তারপর ন্যায়পাল নামক পদের সাথে পরিচিত হলাম:

সংসদ এলাকায় সাংসদদের ইমিউনিটি:
সংসদে বেসরকারি কাজ প্রাধান্য পায় সপ্তাহে একদিন— বৃহস্পতিবারে। এছাড়া বিরোধী দলের প্রধান নেতা যে একজন পূর্ণ মন্ত্রীর সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন, এটাও জানতাম না।
দ্বিতীয়াংশে একটা কালপঞ্জি বা টাইমলাইন দেওয়া আছে। খ্রিষ্টপূর্ব আট হাজার সাল থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডটির ইতিহাস সারসংক্ষেপে বলে যাওয়া হয়েছে; তারপর ১৮০০ থেকে ১৯৭০ এর ইতিহাস এসেছে আরেকটু বিশদভাবে, এবং সবশেষে ১৯৭১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সংবাদপত্র ঢুঁড়ে খুঁটিনাটি তুলে আনা হয়েছে বেশ ভালোরকমের । এটার জন্যেই বইটা ইউনিক হয়ে রইল আমার কাছে। কিছু তথ্য, যেমন:
১০ই এপ্রিল ১৯৭১ সালের হাতে লেখা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি সরকারের হেফাজতখানা থেকে ২০০৮ এর ১৭ই জুন নিখোঁজ হয়। এরপরে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।ভালো লেগেছে এসব। কন্সপিরেসি কন্সপিরেসি ফিল দিয়েছে।
এবার খারাপ লাগার কথা বলি। লেখক বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ছিলেন, এরপরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্নের কোনোই সুযোগ নেই। তারপরেও কয়েকটা বিষয়ে তিনি অত্যন্ত হাস্যকর ও ভিত্তিহীন কথা বলেছেন। প্রথমেই আমার খটকা লেগেছিল, যখন দেখলাম বলা হচ্ছে বাংলাদেশের সংবিধানের চার মূলনীতি নাকি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা! অবাক হলাম, তারপরেও ইগনোর করে এগোনোর চেষ্টা করছিলাম। সংবিধানে কতো কিছুই লেখা থাকে, সব আইন তো সবার জন্যে খাটে না!
তখুনি দেখি আরেক ভুল। আইনের শাসন নিয়ে প্রাক্তন বিচারপতি যা বলেছেন, শুনুন:
আইনের শাসন একটি ধারণা। এর মূল কথা রাষ্ট্র ব্যক্তি নয়, আইনের দ্বারা পরিচালিত হবে। সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আইনের কাছে সমান। আইনের শাসন না থাকলে গণতন্ত্র কার্যকর হয় না। আইনের শাসনের বৈশিষ্ট্য হলো: ব্যক্তির ইচ্ছা অনুযায়ী সরকার চলবে না, সরকার চলবে পূর্বনির্ধারিত ও অনুমোদিত আইন দ্বারা। [...] আইনের এই শাসনের কথা সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে। প্রত্যেক নাগরিক আইন অনুসরণ করবে। দেশের নেতৃবৃন্দ আইন মান্য করবেন। সরকার আইন মান্য করবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
দেখেই মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। তিনি কি ডিল্যুশনে ভুগছেন, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে এসব বলেছেন, আমি জানি না। বই পড়ার সময় পলিটিক্স-ফলিটিক্স থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি। নিজেকে বোঝালাম, আচ্ছা স্রেফ ধারণাই তো। বাস্তব নয়। এগোচ্ছিলাম। কিন্তু দুই পেজ পরেই আরেক লাইন পড়ে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল আমার। তার কথামতে দেখুন, সংবিধানে নাকি বলা হয়েছে:
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩০ অনুসারে:
১. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।
২. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে:
ক. প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
খ. সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
ভাবুন অবস্থাটা! বেচারা বিচারপতি বুড়ো বয়সে বাংলাদেশের নাম বলে কোন না কোন দেশের সংবিধান উদ্ধৃত করে গ্যাছেন এসব, কে জানে!
এই কয়টা জায়গা বইটাকে হালকা করে দিয়েছে আমার চোখে। কারণ 'নাগরিকদের জানা ভালো' নামে বই ছাপিয়ে লেখক এরকম সব অবাস্তব ধারণা ঢুকিয়ে দিয়েছেন, একজন নাগরিক এগুলো পড়ে বিভ্রান্ত হতে পারে। সে ভাবতে পারে সত্যিই এই ভূখণ্ডে বাক ও চিন্তা স্বাধীনতা আছে, প্রেস এখানে উন্মুক্ত, আইনের শাসন এখানে ছাপোষা লেখক ও হাজার-কোটি-টাকা মেরে-দেওয়া-সন্ত্রাসী -- সবার জন্যেই সমান। এসব ভেবে ওই নাগরিক যদি বেমক্কা কিছু বলে, লেখে, করে; তারপর ক্ষতিগ্রস্ত হয় -- তার দায়িত্ব কি সম্মানিত বিচারপতি নেবেন?
(না। বিচারপতি চোদ্দ সালে মরে গেছেন)
সুতরাং এই ত্রুটির জন্যে দুই তারা কেটে নিলাম। প্রকাশকের কাছে অনুরোধ থাকবে পরবর্তী সংস্করণে যেন এদিকে নজর দেওয়া হয়। এমনিতে বইটা খারাপ না।
April 22, 2021
একটি রাষ্ট্রের ৪টি উপাদানের মধ্যে একটি হচ্ছে জনগণ। আর রাষ্ট্রের উন্নতির জন্য সচেতন নাগরিকের কোন বিকল্প হয় না। কিন্তু, পরিতাপ এই যে, আজকালকার তরুণ-তরুণীদের অনেকেই প্রযুক্তি বা অন্যান্য নানান দিকে চৌকস হলেও রাজনৈতিক ভাবে একেবারেই সচেতন নন। অনেকেই সঠিক ইতিহাসটা জানেন না, জানেন না সংবিধানে কী আছে। কোনটা মৌলিক অধিকার, কোনটা একান্তভাবেই একজন সুনাগরিকের দায়িত্ব-কর্তব্য।
সেই চিন্তা থেকেই সম্ভবত প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মুহম্মদ হাবিবুর রহমান এই বইটি লিখেছিলেন।
অল্প আয়াসে নাগরিকদের জানা জরুরি এমন মৌলিক বিষয়গুলো জানার জন্য এর চেয়ে ভালো বই বোধহয় আর হয় না। একটা গুরুতর আফসোসের বিষয় এই যে, লেখক ২০১৪ সালেই মৃত্যুবরণ করায়, বইটিতে ২০১৩ সালের পর আর আপডেট নেই। কিন্তু, বাঙালি জাতির উত্থান থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত একটা সংক্ষিপ্ত কালানুক্রকিম বিবরণী পরিশিষ্টতে সংযুক্ত আছে, যা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলির ধারাবাহিকতা সম্পর্কে একটা চমৎকার ধারণা দেয়।
প্রথমা প্রকাশিত বইটি অনেকটাই আমাকে পাঠ্যবই এর মতো করে পড়তে হয়েছে, কিন্তু সুলেখন এর জন্য বইটি পড়তে বা বুঝতে কষ্ট হয়নি। সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, সংবিধান ছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, যা রাজনৈতিক এবং দৈনন্দিন উভয়ক্ষেত্রেই জানা জরুরি, সেসব ও আলোচিত হয়েছে।
অল্প কথায়, মৌলিক কিছু জ্ঞান আহরণের জন্য বইটি বেশ উপকারী।
সেই চিন্তা থেকেই সম্ভবত প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মুহম্মদ হাবিবুর রহমান এই বইটি লিখেছিলেন।
অল্প আয়াসে নাগরিকদের জানা জরুরি এমন মৌলিক বিষয়গুলো জানার জন্য এর চেয়ে ভালো বই বোধহয় আর হয় না। একটা গুরুতর আফসোসের বিষয় এই যে, লেখক ২০১৪ সালেই মৃত্যুবরণ করায়, বইটিতে ২০১৩ সালের পর আর আপডেট নেই। কিন্তু, বাঙালি জাতির উত্থান থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত একটা সংক্ষিপ্ত কালানুক্রকিম বিবরণী পরিশিষ্টতে সংযুক্ত আছে, যা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলির ধারাবাহিকতা সম্পর্কে একটা চমৎকার ধারণা দেয়।
প্রথমা প্রকাশিত বইটি অনেকটাই আমাকে পাঠ্যবই এর মতো করে পড়তে হয়েছে, কিন্তু সুলেখন এর জন্য বইটি পড়তে বা বুঝতে কষ্ট হয়নি। সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, সংবিধান ছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, যা রাজনৈতিক এবং দৈনন্দিন উভয়ক্ষেত্রেই জানা জরুরি, সেসব ও আলোচিত হয়েছে।
অল্প কথায়, মৌলিক কিছু জ্ঞান আহরণের জন্য বইটি বেশ উপকারী।
September 27, 2024
“যারা আমাদের ছিদ্রান্বেষণে সদাব্যস্ত, তারা বলবেন, "বাঙালি কাব্যি করেই মরল।"
আমি বলি, এই দেশে কাব্যি করেই আমরা বেঁচে আছি, ছন্নছাড়া দেশটাকে তাই আমরা সোনার বাংলাই বলি।সোনার বাংলা অধিগম্য ভেবেই আমাদের সব অঙ্গীকার,উৎসাহ ও প্রয়াস।”
আমি বলি, এই দেশে কাব্যি করেই আমরা বেঁচে আছি, ছন্নছাড়া দেশটাকে তাই আমরা সোনার বাংলাই বলি।সোনার বাংলা অধিগম্য ভেবেই আমাদের সব অঙ্গীকার,উৎসাহ ও প্রয়াস।”
March 29, 2019
বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ইত্যাদি এবং সাংবিধানিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা । বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে এই বিষয়গুলো জানা প্রত্যকেরই কর্তব্য । তবে আইনের সব পরিভাষা বুঝা সবার পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে ।
October 22, 2018
Can be a good gift for the teenagers of Bangladesh. Although contents are not properly ordered, its enough to get a glimpse of the fundamentals.
August 12, 2021
জানা অজানা অনেক বিষয়ে সুন্দর তথ্য দিয়েছেন।
তবে 'সংবিধান' টা সহজ হইয়াও হইলোনা।
তবে 'সংবিধান' টা সহজ হইয়াও হইলোনা।
August 1, 2019
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (১৯২৮-২০১৪) একাধারে একজন গবেষক, লেখক, শিক্ষাবিদ ও আইনজীবী। তিনি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। লেখক হিসেবেও তিনি সফল। তাঁর প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে অন্যতম হল: 'গঙ্গাঋধি থেকে বাংলাদেশ', 'ভাষার আপন পর', 'রবীন্দ্রবাক্যে আর্ট' ইত্যাদি। তাঁর শেষ রচনা 'নাগরিকদের জানা ভালো'।
বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকদের অধিকার ও দায়িত্বগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত আছে। তাই সংবিধান সম্পর্কে জানা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। পাশাপাশি দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা রাখাও প্রত্যেকের দায়িত্ব। লেখক এমন অনেক প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোকে সহজ ভাষায় একত্রে মলাটবদ্ধ করেছেন 'নাগরিকদের জানা ভালো' বইটিতে। বইটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, বইটি সচেতন পাঠকমহলে কৌতূহল তৈরি করবে। তবে বইটি পড়ে বুঝতে হলে সংবিধান সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান থাকা বাঞ্চনীয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকদের অধিকার ও দায়িত্বগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত আছে। তাই সংবিধান সম্পর্কে জানা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। পাশাপাশি দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা রাখাও প্রত্যেকের দায়িত্ব। লেখক এমন অনেক প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোকে সহজ ভাষায় একত্রে মলাটবদ্ধ করেছেন 'নাগরিকদের জানা ভালো' বইটিতে। বইটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, বইটি সচেতন পাঠকমহলে কৌতূহল তৈরি করবে। তবে বইটি পড়ে বুঝতে হলে সংবিধান সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান থাকা বাঞ্চনীয়।
March 12, 2019
অনেক তথ্যসম্বলিত একটি বই।পড়তে ঘাম ছুটে গেল।
Displaying 1 - 8 of 8 reviews







