What do you think?


Humayun Ahmed (Chronological List) #167
তারা তিনজন
নিওলিথী সভ্যতার ধ্বংসাবশেষে বাস করে তিন - অদ্ভুত প্রাণী, লী, অয়ু আর নীম। তারা তিনজন ছাড়া গ্রহটিতে প্রাণের আর কোন চিহ্ন নেই। অদ্ভুতদর্শন এই প্রাণীরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান। প্রত্যেকের ১১ টি করে পা, ৩৬ টি চোখ আর একজোড়া 'লুখ' আছে। প্রকান্ড সেই গ্রহে তাদের কিছুই করার নেই, তাই তারা বসে বসে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ভেবে সময় কাটায়। জটিল জটিল সমস্যার সমাধান বের করার চেষ্টা করে।
হঠাৎ একদিন সেই নির্জন গ্রহে হাইপারডাইভ দিয়ে একদল মানুষ স্কাউটশিপে করে এসে পড়ে তাদের মাঝে। দুইপক্ষই জানতে চায় পরস্পরকে। লী, অয়ু আর নীম বুঝতে পারে মানুষের কাছ থেকেই তারা জানতে পারবে তাদের সৃষ্টি রহস্য। তবে মানুষ ভয় পায় এই অতি বুদ্ধিমান প্রাণীদের...
শেষপর্যন্ত কি তারা তিনজন নিজেদের সৃষ্টির ইতিহাস
জানতে পারলো? ভেদ কি হলো নিওলিথী সভ্যতার রহস্য?
লেখকের কথাঃ
'তারা তিনজন' বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীটি লেখার ইতিহাসটা বলি- স্টিমারের করে যাচ্ছি বরিশাল। সুন্দর কেবিন, বেশ ভাল ব্যবস্থা। রাতে ঘুমোতে যাবার সময় দেখি, কেবিনে আমি একা নই। প্রকাণ্ড এক মাকড়শা, বুকে ডিমের থলি নিয়ে এই কেবিনেই বসবাস করছে। ছুটে কেবিন থেকে বের হয়ে গেলাম। ব্যাখ্যার অতীত কোনো এক কারণে মাকড়শা নামক নিরীহ প্রাণীটিকে আমি অসম্ভব ভয় পাই। কেবিনে ফিরে গেলাম না। রাত কাটিয়ে দিলাম ডেকে হাঁটাহাঁটি করে। কিছু একটা নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্যে মাকড়শা নিয়ে একটা গল্প ভাবতে লাগলাম। পুরো গল্প মাথায় তৈরি হয়ে গেল। গল্পের পাত্র-পাত্রী তিনজন। তারা মানুষ নয়-অসম্ভব বুদ্ধিমান তিনটি প্রাণী-দেখতে মাকড়শার মতো। গল্পটি নিয়ে ভাবার সময় খুব আনন্দ পেয়েছি। লেখার সময়ও আনন্দ পেয়েছি। পাঠক-পাঠিকাদের এই খবরটা দেয়া জরুরি মনে করছি।
হঠাৎ একদিন সেই নির্জন গ্রহে হাইপারডাইভ দিয়ে একদল মানুষ স্কাউটশিপে করে এসে পড়ে তাদের মাঝে। দুইপক্ষই জানতে চায় পরস্পরকে। লী, অয়ু আর নীম বুঝতে পারে মানুষের কাছ থেকেই তারা জানতে পারবে তাদের সৃষ্টি রহস্য। তবে মানুষ ভয় পায় এই অতি বুদ্ধিমান প্রাণীদের...
শেষপর্যন্ত কি তারা তিনজন নিজেদের সৃষ্টির ইতিহাস
জানতে পারলো? ভেদ কি হলো নিওলিথী সভ্যতার রহস্য?
লেখকের কথাঃ
'তারা তিনজন' বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীটি লেখার ইতিহাসটা বলি- স্টিমারের করে যাচ্ছি বরিশাল। সুন্দর কেবিন, বেশ ভাল ব্যবস্থা। রাতে ঘুমোতে যাবার সময় দেখি, কেবিনে আমি একা নই। প্রকাণ্ড এক মাকড়শা, বুকে ডিমের থলি নিয়ে এই কেবিনেই বসবাস করছে। ছুটে কেবিন থেকে বের হয়ে গেলাম। ব্যাখ্যার অতীত কোনো এক কারণে মাকড়শা নামক নিরীহ প্রাণীটিকে আমি অসম্ভব ভয় পাই। কেবিনে ফিরে গেলাম না। রাত কাটিয়ে দিলাম ডেকে হাঁটাহাঁটি করে। কিছু একটা নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্যে মাকড়শা নিয়ে একটা গল্প ভাবতে লাগলাম। পুরো গল্প মাথায় তৈরি হয়ে গেল। গল্পের পাত্র-পাত্রী তিনজন। তারা মানুষ নয়-অসম্ভব বুদ্ধিমান তিনটি প্রাণী-দেখতে মাকড়শার মতো। গল্পটি নিয়ে ভাবার সময় খুব আনন্দ পেয়েছি। লেখার সময়ও আনন্দ পেয়েছি। পাঠক-পাঠিকাদের এই খবরটা দেয়া জরুরি মনে করছি।
- GenresScience FictionFiction
72 pages, Hardcover
First published July 1, 1984
About the author
Humayun Ahmed
454 books3,092 followersHumayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 50 reviews
September 22, 2023
প্রাণধারণের পক্ষে প্রায় অনুপযুক্ত একটি গ্রহের বাসিন্দা তিনটি অদ্ভুত প্রাণী। তাদের সম্মুখীন হল মানব ও রোবট অভিযাত্রীদের একটি দল। অনেক প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টায় ওই তিনটি প্রাণীকে নিয়ে আসা হল মহাকাশযানে। কিন্তু উত্তরের বদলে প্রশ্নের সংখ্যাই বেড়ে চলল দুটি দলের মধ্যে।
তারপর কী হল?
এটি একটি মানববাদী বা অ্যানথ্রপমর্ফিক কল্পবিজ্ঞান— যাতে ভিনগ্রহীদের চিন্তন প্রক্রিয়াকে মনুষ্যোচিত নীতিবোধের কাঠামোয় বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। এমন বহু লেখা, বিশেষত রোমাঞ্চক কল্পকাহিনি আমি পড়েছি। তাদের মধ্যে অত্যন্ত উৎকৃষ্ট মানের লেখাদের মধ্যে থাকবে এটি। তবে দুঃখের বিষয়, আয়তনের স্বল্পতার জন্যই এই আখ্যান যত প্রশ্ন তুলেছে, তার প্রায় কোনোটিরই উত্তর দেয়নি। শুধু ওই 'তিন জন'-এর মতোই এই গল্প আমাদের বলেছে, সমস্যা নিয়ে ভাবলে অন্য কিছু ভুলে থাকা যায়।
হুমায়ূন আমাদের সেইরকম কিছু সমস্যাই দিয়ে গেছেন। আসুন, আমরা তাদের নিয়ে ভাবি।
তারপর কী হল?
এটি একটি মানববাদী বা অ্যানথ্রপমর্ফিক কল্পবিজ্ঞান— যাতে ভিনগ্রহীদের চিন্তন প্রক্রিয়াকে মনুষ্যোচিত নীতিবোধের কাঠামোয় বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। এমন বহু লেখা, বিশেষত রোমাঞ্চক কল্পকাহিনি আমি পড়েছি। তাদের মধ্যে অত্যন্ত উৎকৃষ্ট মানের লেখাদের মধ্যে থাকবে এটি। তবে দুঃখের বিষয়, আয়তনের স্বল্পতার জন্যই এই আখ্যান যত প্রশ্ন তুলেছে, তার প্রায় কোনোটিরই উত্তর দেয়নি। শুধু ওই 'তিন জন'-এর মতোই এই গল্প আমাদের বলেছে, সমস্যা নিয়ে ভাবলে অন্য কিছু ভুলে থাকা যায়।
হুমায়ূন আমাদের সেইরকম কিছু সমস্যাই দিয়ে গেছেন। আসুন, আমরা তাদের নিয়ে ভাবি।
August 22, 2020
হূমায়ুন আহমেদের কয়েকটা ভালো সায়েন্স ফিকশনের একটা। মাত্র ৭২ পৃষ্ঠার একটা বই, এটা অন্তত দুইশো পৃষ্ঠার একটা উপন্যাস হলে চমৎকার প্লটটায় আর একটু গভীরতা পেত।
December 9, 2018
"--এছাড়া আর কী বলার আছে আপনার?
--আপনারা অত্যন্ত সন্দেহপ্রবণ।
--হেরম্যান বললেন, কেন আমরা সন্দেহপ্রবণ বলতে পারেন?
--...আত্মবিশ্বাসের অভাব এর একমাত্র কারণ। আপনাদের সভ্যতা যন্ত্রনির্ভর। যন্ত্রনির্ভর সভ্যতার জন্যেই আপনাদের নিজের ওপর বিশ্বাস কম।
--যন্ত্র কিন্তু আমাদেরই তৈরি।
--আপনাদের তৈরি হলেও যন্ত্রের সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আপনাদের তৈরি কম্পিউটারকে আপনারা সন্দেহের চোখে দেখেন"।
--আপনারা অত্যন্ত সন্দেহপ্রবণ।
--হেরম্যান বললেন, কেন আমরা সন্দেহপ্রবণ বলতে পারেন?
--...আত্মবিশ্বাসের অভাব এর একমাত্র কারণ। আপনাদের সভ্যতা যন্ত্রনির্ভর। যন্ত্রনির্ভর সভ্যতার জন্যেই আপনাদের নিজের ওপর বিশ্বাস কম।
--যন্ত্র কিন্তু আমাদেরই তৈরি।
--আপনাদের তৈরি হলেও যন্ত্রের সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আপনাদের তৈরি কম্পিউটারকে আপনারা সন্দেহের চোখে দেখেন"।
November 19, 2019
হুমায়ুন আহমেদের অন্যসব সায়েন্স ফিকশনের মতই এ উপন্যাসেও মানবিক আবেগের দিকটা বেশী। সমস্যা হচ্ছে উনি ওই আবেগও ডুকাচ্ছেন ভিনগ্রহবাসীর মধ্যে। তবে প্লট খুব ইউনিক। পুরো উপন্যাসের মধ্যে একটা গভীর বিষণ্ণতা টের পেয়েছি। আমার কাছে খুবই ভাল লেগেছে। এজন্য পাঁচতারা।
February 13, 2022
শৈশবে হুমায়ূন পড়ে যেমন মুগ্ধ হয়েছিলাম, এই এতদিন পর আবারও তেমন মুগ্ধ হলাম। কী চমৎকার একটা বই! অ্যালিয়েনের মধ্যে মানবিক বোধ ঢুকিয়ে পাঠকের নার্ভে অ্যাটাক করছে.. অভূতপূর্ব.. জাস্ট অভূতপূর্ব।
সব বাদ দিয়ে শুধু সায়েন্স ফিকশন রেখে দিলেও হুমায়ূন বড় লেখক, ‘তারা তিনজন’ এই স্টেটমেন্টের উৎকৃষ্ট প্রমাণ।
সব বাদ দিয়ে শুধু সায়েন্স ফিকশন রেখে দিলেও হুমায়ূন বড় লেখক, ‘তারা তিনজন’ এই স্টেটমেন্টের উৎকৃষ্ট প্রমাণ।
February 12, 2023
এটা কোনো এভারেজ সাইন্সফিকশন নয়।
একমাত্র হুমায়ূন স্যারের দ্বারা সম্ভব সাইন্সফিকশনে জটিলতা বাদ দিয়ে মানবিক, মনস্তাত্ত্বিক দিক নিয়ে সম্পূর্ন ফোকাস দিয়ে রিডার্স এর নার্ভ ক্রাক করা ❤️
একমাত্র হুমায়ূন স্যারের দ্বারা সম্ভব সাইন্সফিকশনে জটিলতা বাদ দিয়ে মানবিক, মনস্তাত্ত্বিক দিক নিয়ে সম্পূর্ন ফোকাস দিয়ে রিডার্স এর নার্ভ ক্রাক করা ❤️
April 14, 2023
মানবতা যে কখনো কখনো দানবিকতায় রূপ নেয় তা এই গল্পের শেষে না আসলে বোধ হয় জানা যেত না। মনস্তাত্ত্বিক আলাপনের পিছনে লুকিয়ে থাকা গল্পগুলো আজও চলমান। এই গল্পটি তারই উদাহরণ। স্বার্থ হাসিলে মানবজাতি যে বরাবরই অদম্য তা আরেকবার প্রমাণ হলো গল্পটি পড়ে। লেখক এই গল্পে যা ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন—তা পেরেছেন।
January 2, 2017
পরিচিত মানব সভ্যতা থেকে অনেক দূরের ভিন্ন এক গ্রহের কাহিনী। যে গ্রহের বাসিন্দা শুধুমাত্র ৩ টি কিম্ভূতকিমাকার প্রাণী। অয়ু, নীম আর লী। প্রত্যেকের ১১ টি করে পা আর ৩৬ টি করে চোখ। খুবই ভদ্র গোছের ৩ প্রাণী। ৩ জন এক সাথে থাকলে মোকাবিলা করতে পারে যে কোন ধরণের বিপদ। তাঁরা জানে না তাঁদের উৎপত্তি কোথায় । বুদ্ধিমত্তা অনেক উঁচু স্তরের।
সমস্যা টা হইলো অন্য জায়গায়। এ ধরণের উচ্চ বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন প্রাণী আগেও বিভিন্ন গ্রহে বিভিন্ন সময় দেখা গেছে, কিন্তু বিভিন্ন কারনে এই প্রাণী গুলোকে কখনো মানব সভ্যতার গবেষণাগার পর্যন্ত আনা সম্ভব হয় নাই। আর একটা ব্যাপার হল এই ধরণের প্রাণী সেই সকল গ্রহতেই দেখা গিয়েছে যেখানে রয়েছে নীওলিথী সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ(৬ টি আকাশ ছোঁয়া ঘর)।
এই নিয়ে গল্প। তবে গল্পটা শেষ করার পর মনে একটা ছোট্ট হলে ও দাগ পড়বে।
সমস্যা টা হইলো অন্য জায়গায়। এ ধরণের উচ্চ বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন প্রাণী আগেও বিভিন্ন গ্রহে বিভিন্ন সময় দেখা গেছে, কিন্তু বিভিন্ন কারনে এই প্রাণী গুলোকে কখনো মানব সভ্যতার গবেষণাগার পর্যন্ত আনা সম্ভব হয় নাই। আর একটা ব্যাপার হল এই ধরণের প্রাণী সেই সকল গ্রহতেই দেখা গিয়েছে যেখানে রয়েছে নীওলিথী সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ(৬ টি আকাশ ছোঁয়া ঘর)।
এই নিয়ে গল্প। তবে গল্পটা শেষ করার পর মনে একটা ছোট্ট হলে ও দাগ পড়বে।
June 19, 2021
কি অসাধারন প্লট রে ভাই! তার সাথে হুমায়ুন আহমেদের সেই প্রথম দিককার বইয়ের ধাঁচে লেখা। শুরু থেকে শেষ একদম চমৎকার। মাত্র ৭০ পৃষ্ঠার একটা সাই-ফাই বই, চাইলেই এই গল্পই আরো ১০০ পৃষ্ঠা এক্সট্রা নিয়ে লেখা যেত।
আমার এখন পর্যন্ত পড়া বেস্ট সাই-ফাই।
আমার এখন পর্যন্ত পড়া বেস্ট সাই-ফাই।
February 13, 2022
তিনজনই মারাত্মক কিউট😂
April 21, 2026
সেরা সেরা। সাই ফাইয়ের আড়ালে আরও একবার লেখক দেখিয়ে দিল মানবজাতির কুৎসিত দিক।জটিল জটিল সাইন্টিফিক টার্ম না কপচিয়ে সহজ ভাবে মানবজাতির কদর্য রূপ দেখানো হূমায়ুন আহমেদ স্যারের পক্ষেই সম্ভব কেবল।
January 18, 2016
অসাধারণ একটি সায়েন্স ফিকশন। Si-fi এর প্রতি কখনোই আমার তেমন ঝোঁক ছিল না। তবে এই বইটি গভীর আনন্দ নিয়ে পড়তে পড়তে আকস্মিক যখন বইটা শেষ হয়ে গেল তখন লক্ষ্য করলাম রাত সাড়ে ৩টা বাজে :p
"তারা তিনজন" আমাকে বেশ ভাবাচ্ছে।
হুমায়ূন আহমেদের লেখা তৃতীয় বই এটি। ব্যাক্তিগতভাবে তিনি সায়েন্স ফিকশন অনেক পছন্দ করতেন। তাই তিনি যে এ সম্মন্ধে বেশ ভালো ধারণা রাখেন তা বলাই বাহুল্য। আমার ধারণা এই বইটি পড়লে তাঁর সেই ভালোবাসাটুকুও চোখে পড়বে।
চমৎকার বুদ্ধিমান তিনটি প্রাণী নিয়ে লিখতে গিয়ে তিনি পুনরায় নিজের বুদ্ধি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করলেন!
"তারা তিনজন" আমাকে বেশ ভাবাচ্ছে।
হুমায়ূন আহমেদের লেখা তৃতীয় বই এটি। ব্যাক্তিগতভাবে তিনি সায়েন্স ফিকশন অনেক পছন্দ করতেন। তাই তিনি যে এ সম্মন্ধে বেশ ভালো ধারণা রাখেন তা বলাই বাহুল্য। আমার ধারণা এই বইটি পড়লে তাঁর সেই ভালোবাসাটুকুও চোখে পড়বে।
চমৎকার বুদ্ধিমান তিনটি প্রাণী নিয়ে লিখতে গিয়ে তিনি পুনরায় নিজের বুদ্ধি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করলেন!
January 23, 2026
আইডিয়া টা বেশ তবে আরও বিস্তৃত হলে ভাল হত।
August 18, 2026
সায়েন্স ফিকশনের বইগুলা সাধারণত জটিল ধাঁচের হয়ে থাকে।
কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের এই সায়েন্স ফিকশন বইটা সম্পূর্ণ আলাদা।
পড়তে গিয়ে বেশ ভালোই লেগেছে।
কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের এই সায়েন্স ফিকশন বইটা সম্পূর্ণ আলাদা।
পড়তে গিয়ে বেশ ভালোই লেগেছে।
August 23, 2025
সাইন্স ফিকশন আমার পছন্দের জনরা না! তারপরও এই বইটা পড়তে অনেক ভাল লেগেছে।জটিল ডাটা দিয়ে ভরে ফেলেন নাই। বরং সামাজিক - মানবিক বিষয় গুলো নিয়েই এতো সুন্দর লিখেছেন (অন্য গ্রহের প্রাণীদের নিয়ে) 👌 আর মানবজাতি সব সময় " খাই খাই পার্টি ", তা আবারও ফুটে উঠেছে।
February 20, 2017
আমি যদি স্রুরা হতাম!
February 23, 2019
এক বসায় নিমিষেই শেষ করা যায়। সাধারণ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী কিন্তু মনে ছাপ ফেলে যাবে।
November 30, 2020
অন্বেষা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হুমায়ূন আহমেদের সায়েন্স ফিকশন সমগ্র কিনার পরে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একটা করে পড়ছি আর মুগ্ধ হচ্ছি। আগেও ছাড়া ছাড়া ভাবে কয়েকটা পড়েছিলাম। তবে সেগুলোর কাহিনী তেমন মনে নেই আর তখন সবগুলো পুরোপুরি বুঝিওনি , কিন্তু তাও ভালো লেগেছিলো এটা মনে আছে । উনার প্রায় সব সাইন্স ফিকশনই উপন্যাসিকা সাইজের। ৬০-৮০ পৃষ্ঠার মধ্যেই শেষ। কিন্ত উপন্যাসিকা বলে প্লটে গভীরতা কম এমনটা মোটেও না। তারা তিনজন বইটার কথাই ধরা যাক। চমৎকার কনসেপ্ট। ১ মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বইটি পড়লাম এবং ভাবলাম একটু বিস্তারিত লিখি বইটা নিয়ে। বইটি নিয়ে তেমন আলোচনা কোন গ্রুপেই চোখে পড়েনি। "হুমায়ূন আহমেদের সাইন্স ফিকশন নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়না" , ৪ টা বই পড়েই কথাটা কতটা সত্য তা উপলব্ধি করতে পারছি। ৬০ পৃষ্ঠার বইটির কাহিনী সংক্ষেপ গুছিয়ে লেখা একটু কঠিন-ই তবু বইটি সম্পর্কে একটু ধারণা দেই।
কাহিনী সংক্ষেপঃ
মানব সভ্যতা থেকে দূরে একটি নির্জন গ্রহে তিনটি বিচিত্র ও মাকড়সা জাতীয় প্রাণী লী , অয়ু এবং নীম একসাথে বসবাস করে। তারা ছাড়া ঐ গ্রহে প্রাণের আর কোন চিহ্ন নেই। অদ্ভুত দেখতে এই প্রাণী তিনটি অনেক বুদ্ধিমান। প্রত্যেকের ১১ টি করে পা ও ৩৬টি করে চোখ আছে। প্রকান্ড সেই গ্রহে তাদের কিছুই করার নেই। তাই তারা বসে বসে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ভেবে সময় কাটায়। জটিল জটিল সমস্যার সমাধান বের করার চেষ্টা করে তারা। হটাৎ একদিন এই প্রকান্ড নির্জন গ্রহে স্কাউটশিপে করে মানুষের এক দল আসে। মুখোমুখি হয় অদ্ভুত এই তিনজনের সাথে। তারপর কি হয় তা জানতে হলে বইটি পড়তে হবে।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
সাধারণত উপন্যাসিকা পড়ার সময় আমি খুব গভীর বা অসাধারণ কোন প্লট আশা করি না , বেশিরভাগ পাইও না। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের যতগুলো সাইন্স ফিকশন উপন্যাসিকা পড়লাম প্রায় সবগুলোর প্লটই আমার কাছে অনেক চিত্তাকর্ষক ও দারুণ লেগেছে। তারা তিনজনকে এই দিক দিয়ে বাকিগুলোর থেকেও এগিয়ে রাখবো। বইটির প্লট চমৎকার। অনেক ভালো লেগেছে কনসেপ্টটা। প্লটটি হুমায়ূন আহমেদের মাথায় কিভাবে এলো সেই গল্পটাও মজার । প্রথম সাই ফাই তোমাদের জন্য ভালবাসা প্রকাশ হওয়ার দশ বছর পর তারা তিনজন লিখেন তিনি।
উপরে যেরকম বলেছি তারা তিনজন বইটির প্লট চিত্তাকর্ষক মনে হয়েছে আমার কাছে। কিন্তু তাই বলে পড়তে জটিল লেগেছে , এমন না। এই বইতেও হুমায়ূন আহমেদের লেখনী বরাবরের মতোই সহজ , সাবলীল ও প্রাঞ্জল ছিল। এক বসায় বইটি পড়েছি। বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক টার্ম ছিল বইটিতে , বেশিরভাগই অবশ্য কাল্পনিক। তবে টার্মগুলোর উপস্থাপনার কারণেই হয়তো পড়তে জটিল লাগেনি কোথাও। আমি অন্বেষা প্রকাশনীর সমগ্র থেকে বইটা পড়েছি। সমগ্রের প্রথম বইতে সমাপ্তির পরে নির্ঘণ্টে বাস্তব ও কাল্পনিক সব টার্ম নিয়ে এক লাইনের ব্যাখ্যা দেওয়া ছিল। এই বইতে থাকলেও ভালো লাগত।
তারা তিনজন বইয়ের কিছু কথা মনে দাগ কেটেছে। সবচেয়ে ভালো লেগেছে মাকড়শা জাতীয় অদ্ভুত প্রাণীদের একজনের সাথে মনস্তত্ত্ব বিভাগের প্রধানের এই কথোপকথনটাঃ
''আপনারা (মানুষেরা) অত্যন্ত সন্দেহপ্রবণ।'' হেরম্যান বললেন, ''কেন আমরা সন্দেহপ্রবণ বলতে পারেন?'' ''আত্মবিশ্বাসের অভাব এর একমাত্র কারণ। আপনাদের সভ্যতা যন্ত্রনির্ভর। যন্ত্রনির্ভর সভ্যতার জন্যেই আপনাদের নিজের ওপর বিশ্বাস কম।'' 'যন্ত্র কিন্তু আমাদেরই তৈরি।'' ''আপনাদের তৈরি হলেও যন্ত্রের সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আপনাদের তৈরি কম্পিউটারকে আপনারা সন্দেহের চোখে দেখেন।"
'তোমাদের জন্য ভালোবাসার' মতো 'তারা তিনজন' বইটারও একটি মানবিক দৃষ্টিকোণ ছিল।চরিত্র নিয়ে বলব ছোট পরিসরেও লেখক দারুণ চরিত্রায়ন করেছেন। অয়ু , লী এবং নীম তিনজনের চরিত্র সম্পর্কেই ভালো ধারণা দিয়েছেন এবং তাদের জন্য পাঠকের মনে মায়া সৃষ্টি করতে পেরেছেন। স্রুরা চরিত্রটির আবির্ভাব উনার প্রথম সাই ফাই 'তোমাদের জন্য ভালোবাসাতেই' হয়েছিলো। সেখানে তাকে নিয়ে তেমন কিছু বলা হয়নি, ফিহার আড়ালে থেকে গিয়েছিলেন। এই বইতে স্রুরার উপস্থিতি কম থাকলেও ভালো ভূমিকা ছিল এবং তার চরিত্রের অন্য একটি দিক দেখা যায় । আমার জানামতে সামনে আরও দুই একটা বইতেও স্রুরাকে পাবো।
তারা তিনজন বইয়ের সমাপ্তিটাও ভালো লেগেছে। এরকম কিছুই যে হবে তা ধারণা করতে পারছিলাম। বইটা পড়া শেষ করে মনটা হালকা খারাপই হয়ে গিয়েছিলো। তবে একটা বড় আক্ষেপ হল হুমায়ূন আহমেদ তার অন্য সাই ফাইগুলোর মতো তারা তিনজনকেও উপন্যাসিকার থেকে বড় হতে দেননি। হ্যাঁ , এটা ঠিক যে ৬০ পৃষ্ঠায় এত সুন্দর কনসেপ্টে লিখা এবং এই সল্প পরিসরেই চরিত্রগুলোর জন্য পাঠকের মনে মায়া সৃষ্টি করা এবং পাঠককে ভাবানো সহজ কাজ না। তবে প্লটটা যেরকম ছিল তাতে আমার মতে অন্তত ১৫০+ পৃষ্ঠার একটা উপন্যাস লিখলে দুর্দান্ত ব্যাপার হতো , আরও গভীরতা পেত প্লটটি ও চরিত্রগুলো। তবে ৬০ পৃষ্ঠায়ই যা আছে তাই আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। সাই ফাই যারা পছন্দ করেন অবশ্যই পড়ুন।
যারা হুমায়ূন আহমেদের কোন সাই ফাই-ই পড়েননি তাদেরকে অন্বেষা প্রকাশনীর সমগ্রটা সাজেস্ট করব। ১০০০ পৃষ্ঠার বইটির গায়ের মূল্য মাত্র ৮০০ টাকা। বাঁধাইও মোটা বই হিসেবে অনেক ভালো।
July 11, 2021
কাহিনী সংক্ষেপ - নিওথীলি সভ্যতার ধ্বংসাবশেষে বাস করে তিন অদ্ভুত প্রাণী, লী, অয়ু আর নীম। এদিকে হাইপারডাইভ দিয়ে আসা একদল মানুষ স্পেইসশীপে করে এসে পড়ে তাদের মাঝে। দুইপক্ষই জানতে চায় অনেক একে অন্যকে নিয়ে। লী অয়ু আর নীম বুঝতে পারে মানুষের কাছ থেকেই তারা জানতে পারবে তাদের সৃষ্টি রহস্য। তবে মানুষ ভয় পায় এই অতি বুদ্ধিমান প্রাণীদের... শেষপর্যন্ত কি হয় জানতে হলে পড়তে হবে বইটি।
মতামত - হুমায়ুন আহমেদের লিখা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। বরাবরের মতই গুছানো শুরু থেকে শেষটুকু। কাহিনীর মধ্যে নতুনত্ব আছে। সায়েন্স-ফিকশন হিসেবে হয়ত মৌলিক এ রচনা। তবে কেন জানি বইটি শেষ পর্যন্ত অনেকগুলো কৌতূহল মিটাতে পারল না। লী, অয়ু আর নীমের মত কষ্ট পেলাম বইটি শেষ করে।
মতামত - হুমায়ুন আহমেদের লিখা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। বরাবরের মতই গুছানো শুরু থেকে শেষটুকু। কাহিনীর মধ্যে নতুনত্ব আছে। সায়েন্স-ফিকশন হিসেবে হয়ত মৌলিক এ রচনা। তবে কেন জানি বইটি শেষ পর্যন্ত অনেকগুলো কৌতূহল মিটাতে পারল না। লী, অয়ু আর নীমের মত কষ্ট পেলাম বইটি শেষ করে।
October 24, 2025
"তারা তিনজন" — হুমায়ূন আহমেদ
হুমায়ূন আহমেদের এই বিজ্ঞানকল্প কাহিনিতে দেখা যায় নিওলিথি সভ্যতার তিনটি অদ্ভুত প্রাণীকে ঘিরে এক রহস্যময় গল্প। নামটা যেমন ইঙ্গিত দেয়, মূল ফোকাস থাকে এই “তিনজন”–এর আচরণ, চিন্তাভাবনা ও তাদের আবেগের প্রকাশ।
যদিও বইটি বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনী হিসেবে লেখা, আমার কাছে মনে হয়েছে এখানে বিজ্ঞানের চেয়ে মানবিক দিকই বেশি জোর পেয়েছে। হুমায়ূন আহমেদের লেখার একটা ভালো দিক হলো তিনি সহজ ভঙ্গিতে লিখেন যেটা পাঠককে আকর্ষণ করে, তবে যারা কড়া সায়েন্স ফিকশন আশা করবেন, তারা হয়তো কিছুটা অপূর্ণতা অনুভব করবেন।
বইটি ছোট—এক বসাতেই শেষ করা যায়। হালকা পড়া, অল্প সময়ে এর মধ্যে উপভোগ করার মতো একটি বই।
রেটিং: ২.৫/৫
হুমায়ূন আহমেদের এই বিজ্ঞানকল্প কাহিনিতে দেখা যায় নিওলিথি সভ্যতার তিনটি অদ্ভুত প্রাণীকে ঘিরে এক রহস্যময় গল্প। নামটা যেমন ইঙ্গিত দেয়, মূল ফোকাস থাকে এই “তিনজন”–এর আচরণ, চিন্তাভাবনা ও তাদের আবেগের প্রকাশ।
যদিও বইটি বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনী হিসেবে লেখা, আমার কাছে মনে হয়েছে এখানে বিজ্ঞানের চেয়ে মানবিক দিকই বেশি জোর পেয়েছে। হুমায়ূন আহমেদের লেখার একটা ভালো দিক হলো তিনি সহজ ভঙ্গিতে লিখেন যেটা পাঠককে আকর্ষণ করে, তবে যারা কড়া সায়েন্স ফিকশন আশা করবেন, তারা হয়তো কিছুটা অপূর্ণতা অনুভব করবেন।
বইটি ছোট—এক বসাতেই শেষ করা যায়। হালকা পড়া, অল্প সময়ে এর মধ্যে উপভোগ করার মতো একটি বই।
রেটিং: ২.৫/৫
July 2, 2020
মন খারাপ করে দেবার মতন একটা কাহিনী...
অামরা অাসলেই কতটুকু মানুষ?
অামরা অাসলেই কতটুকু মানুষ?
August 22, 2020
আমার পড়া সেরা কল্পবিজ্ঞান গুলির মধ্যে এটা একটা।
June 3, 2023
হুমায়ূন আহমেদ এর সায়েন্স ফিকশন গুলো আমার বরাবর-ই খুব পছন্দের...ঠিক যেন সায়েন্স ফিকশন না...আবার অনেক টা সায়েন্স ফিকশন...ভয় হচ্ছে এখন, যে একটা একটা পড়ছি আর সংখ্যা কমে আসতেছে...
March 25, 2023
হুমায়ুনের লেখা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, তা তে যে আবেগ থাকবে তা তো জানা কথা, তবে স্বপ্নেও ভাবিনি কুৎসিত তিনটি মাকড়সার প্রতি মায়ায় চোখ ভিজে যাবে।
4.3 stars
বহুকাল পরে হুমায়ুনের বই পড়ে মুগ্ধ হলাম।
4.3 stars
বহুকাল পরে হুমায়ুনের বই পড়ে মুগ্ধ হলাম।
February 11, 2016
শেষটায় প্রাণীগুলোর জন্য খুব খারাপ লাগে... :(
December 19, 2023
'তারা তিনজন' বইটি প্রচন্ড বুদ্ধিমান অথচ কুৎসিত তিনটি মহাজাগতিক প্রাণীকে নিয়ে লেখা। অয়ু, লী ও নীম। পাথর ও খানাখন্দে ভরা একটি গ্রহে তাদের বসবাস। আর কেউ নেই। মমতাময়ী একজন মা ছিলেন, তিনি গত হয়েছেন বহু আগে। সেই নিঃসঙ্গ গ্রহে তাদের একমাত্র আকর্ষণের বস্তু হলো ছয়টি উঁচু উঁচু ঘর। মানুষের হিসাবে যেগুলো হলো নিওলিথী সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ।
এই তিনটি অদ্ভুত মাকড়শার মতো প্রাণীর সাথে মোলাকাত হয় গ্রহটি পর্যবেক্ষণে আসা মানুষের। পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে হুমায়ূন দেখিয়েছেন বিজাতির প্রতি মানুষের অবিশ্বাস, ঘৃণা, সন্দেহ, হিংস্রতা, মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব, বাহ্যিক ও মানসিক দুই সত্তার বৈপরীত্য ইত্যাদি। মানুষ দুটি জিনিস সহজে গ্রহণ করতে পারেনা - ১. অসুন্দর, ২. অতি শক্তিশালী।
অসুন্দরকে সে ঘৃণা করে আর অতি বলশালীকে দেখে সে ইনসিকিউরিটিতে ভুগে। মানুষের এই সন্দেহ, ঘৃণা ও ভয়ের বলি হতে হয় তিনটি নিরীহ অথচ প্রচন্ড বুদ্ধিমান প্রাণকে।
অয়ু, লী ও নীমকে তাদের মা শিখিয়ে দিয়েছিলেন সবসময় সমস্যা নিয়ে ভাবতে। জটিল জটিল সব সমস্যা। ভাবতে ভাবতে বইয়ের শেষ পাতায় এসে নীম ঠিকই নিওলিথী সভ্যতার রহস্য ভেদ করতে পেরেছিলো। কিন্তু মৃত্যু ঘনিয়ে আসায় সেটি আর মানুষকে জানিয়ে যেতে পারেনি।
ওদের মতো না হোক, আমরাও না হয় কিছুক্ষণ ভাবি, নিওলিথীয় সমস্যার সমাধান নিয়ে, কী বলেন?
(বাই দা ওয়ে এখানে জানিয়ে রাখি - পৃথিবীতে কাছাকাছি একটা সভ্যতা বা যুগ ছিলো - নিওলিথিক যুগ, বাংলায় নব্য প্রস্তর যুগ। যদিও এর সাথে বইয়ের নিওলিথী সভ্যতাটির কোনো মিল আছে কিনা জানিনা।)
এই তিনটি অদ্ভুত মাকড়শার মতো প্রাণীর সাথে মোলাকাত হয় গ্রহটি পর্যবেক্ষণে আসা মানুষের। পারস্পরিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে হুমায়ূন দেখিয়েছেন বিজাতির প্রতি মানুষের অবিশ্বাস, ঘৃণা, সন্দেহ, হিংস্রতা, মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব, বাহ্যিক ও মানসিক দুই সত্তার বৈপরীত্য ইত্যাদি। মানুষ দুটি জিনিস সহজে গ্রহণ করতে পারেনা - ১. অসুন্দর, ২. অতি শক্তিশালী।
অসুন্দরকে সে ঘৃণা করে আর অতি বলশালীকে দেখে সে ইনসিকিউরিটিতে ভুগে। মানুষের এই সন্দেহ, ঘৃণা ও ভয়ের বলি হতে হয় তিনটি নিরীহ অথচ প্রচন্ড বুদ্ধিমান প্রাণকে।
অয়ু, লী ও নীমকে তাদের মা শিখিয়ে দিয়েছিলেন সবসময় সমস্যা নিয়ে ভাবতে। জটিল জটিল সব সমস্যা। ভাবতে ভাবতে বইয়ের শেষ পাতায় এসে নীম ঠিকই নিওলিথী সভ্যতার রহস্য ভেদ করতে পেরেছিলো। কিন্তু মৃত্যু ঘনিয়ে আসায় সেটি আর মানুষকে জানিয়ে যেতে পারেনি।
ওদের মতো না হোক, আমরাও না হয় কিছুক্ষণ ভাবি, নিওলিথীয় সমস্যার সমাধান নিয়ে, কী বলেন?
(বাই দা ওয়ে এখানে জানিয়ে রাখি - পৃথিবীতে কাছাকাছি একটা সভ্যতা বা যুগ ছিলো - নিওলিথিক যুগ, বাংলায় নব্য প্রস্তর যুগ। যদিও এর সাথে বইয়ের নিওলিথী সভ্যতাটির কোনো মিল আছে কিনা জানিনা।)
July 20, 2026
More than a science fiction story, I believe this book is a prototype of human cruelty at its core.
ইদানীং বেশ কয়েকটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনি পড়ছি। সেগুলোর মধ্যে একটি বিষয় বারবার চোখে পড়ছে। আমরা মানুষ হিসেবে অন্য প্রাণ ও জীবনের অস্তিত্বকে কত সহজেই অবমূল্যায়ন করি, তাদের প্রতি অবজ্ঞা দেখাই আর নিজেদেরই পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রজাতি বলে দাবি করি। হয়তো নিষ্ঠুরতা আর হিংসাই সেই দাবিকে প্রতিষ্ঠা করার আমাদের উপায়। আর যখনই নিজেদের অস্তিত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করি, তখনই আমরা নির্মম হয়ে উঠি।
হুমায়ূন আহমেদ তাঁর অসাধারণ দক্ষতায় এমন কিছু ভিন্ন প্রাণীর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন, যাদের মধ্যে মানুষের মতো লোভ, হিংসা বা বর্বর প্রবণতা নেই। সেটাই গল্পটাকে আরও বেশি ভাবায়। সবশেষে, লী, অয়ু আর নীম রেখে যায় অসংখ্য প্রশ্ন আর একরাশ বিষাদ।
ইদানীং বেশ কয়েকটি বিজ্ঞান কল্পকাহিনি পড়ছি। সেগুলোর মধ্যে একটি বিষয় বারবার চোখে পড়ছে। আমরা মানুষ হিসেবে অন্য প্রাণ ও জীবনের অস্তিত্বকে কত সহজেই অবমূল্যায়ন করি, তাদের প্রতি অবজ্ঞা দেখাই আর নিজেদেরই পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রজাতি বলে দাবি করি। হয়তো নিষ্ঠুরতা আর হিংসাই সেই দাবিকে প্রতিষ্ঠা করার আমাদের উপায়। আর যখনই নিজেদের অস্তিত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করি, তখনই আমরা নির্মম হয়ে উঠি।
হুমায়ূন আহমেদ তাঁর অসাধারণ দক্ষতায় এমন কিছু ভিন্ন প্রাণীর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন, যাদের মধ্যে মানুষের মতো লোভ, হিংসা বা বর্বর প্রবণতা নেই। সেটাই গল্পটাকে আরও বেশি ভাবায়। সবশেষে, লী, অয়ু আর নীম রেখে যায় অসংখ্য প্রশ্ন আর একরাশ বিষাদ।
June 23, 2021
মানব সভ্যতা থেকে দূরে একটি নির্জন গ্রহে তিনটি বিচিত্র ও মাকড়সা জাতীয় প্রাণী লী , অয়ু এবং নীম একসাথে বসবাস করে। তারা ছাড়া ঐ গ্রহে প্রাণের আর কোন চিহ্ন নেই। অদ্ভুত দেখতে এই প্রাণী তিনটি অনেক বুদ্ধিমান। প্রত্যেকের ১১ টি করে পা ও ৩৬টি করে চোখ আছে।তারা সারাদিন বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ভেবে সময় কাটায়।একদিন সেই নির্জন গ্রহে স্কাউটশিপে করে মানুষের এক দল আসে।তাদের তিন জনকে নিজেদের সাথে নিয়ে যায়।প্রাণীগুলো নিরীহ হলেও একসময় তাদের হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়।তিনজন একসাথে থাকলে ক্ষতি করতে পারবে না বিধায় মানুষেরা ছলনার আশ্রয় নিয়ে তাদের আলাদা ভাবে হত্যা করে।বইটাতে বেশ কিছু মানবিক দিক উঠে এসেছে।
December 14, 2025
মনে হল যেন ইউটিউবে কোন থ্রিলার ফিল্মের শর্ট ভিডিও ক্লিপ দেখলাম। গল্পটি চমৎকার হওয়ার অনেক সম্ভবনা ছিল কিন্তু দেরি না করে বইটি হয়তো ছাপতে পাঠানো হয়। আব্দুর রাজ্জাকের সম্ভবত একটি কথা ছিল এরকম - "কোন বই প্রকাশ করার আগে ঘরে বছর দুই ফেলে রাখতে হয়"। বইটির কাহিনী আরও বাড়িয়ে সুন্দর করা যেত সাধারণভাবেই, প্যারালালভাবে চলা কাহিনীতে চাইলেই আরও অনেক প্লট যুক্ত করে, অরিজিন্স বা প্রলগ যুক্ত করা যেত।
ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
May 12, 2022
গল্পের একদম শেষে নিওলিথী সভ্যতার গোপন রহস্য বের করতে পেরেছিলো নীম।কিন্তু লেখক তা প্রকাশ করেননি।পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন এই সমস্যাটির সমাধান।আপনাদের কারো কাছে কি এর কোন স্মার্ট সমাধান আছে??
Displaying 1 - 30 of 50 reviews




























