Muhammad Habibur Rahman (Bengali: মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান) was a former chief justice of Bangladesh Supreme Court in 1995. He was the chief adviser of the 1996 caretaker government which oversaw the Seventh parliamentary elections in Bangladesh.
He is an author of seventy books in Bengali on law, language, literature, poetry and religion and five books in English, including two books of verse.
আমরা যারা মিড নাইটিজে জন্মেছি তারা না বুঝি নাইটিজের দশক, না আমাদের মনে আছে একুশ শতকের গোড়ায় কী ঘটেছে। অথচ গুণীজন কহেন,বাঁচতে হলে জানতে হবে। তাই বাঁচার ধান্দা করতেই জানতে মন চায় ২০০১ থেকে ২০০৭ সালে কী ঘটেছিল বাঙলার রাজনৈতিক আর জাতীয় অঙ্গনে। কাজের কথায় আসি -
সদ্য শেষ করলাম সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের স্বাস্থ্যসচেতন ৫৪৪ পাতার বইটি। এতে ২০০১ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে তারিখের ক্রমানুসারে সাজিয়ে লিখছেন। যাঁরা ২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক ইতিহাস জানতে আগ্রহী তাঁদের জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি চমকবিশেষ।
বইটি পিডিএফে পড়েছি। কমসেকম ৬০-৭০ টি স্ক্রীনশট জমা হয়েছে। চমক, বিস্ময় আর ভন্ডামোতে পূর্ণ রাজনীতিবিদদের বক্তব্য,পল্টিবাজি কার্যকলাপ বইটিকে সুসমৃদ্ধ করেছে। স্রেফ মনে হচ্ছিল আপনি রাজনীতিতে কাকে বিশ্বাস করবেন? দু'একটি নজির বলিঃ দুর্নীতিতে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব আছে আমাদের। বিএনপি জোটের আমলেই চারবার ও আওয়ামী লীগের আমলে একবার। এখানে মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমরা প্রথমবার যখন চ্যাম্পিয়ন হই সেবার ক্ষমতায় ছিলো আওয়ামী লীগ। এটি ২০০১ সালের কথা।
আবার, ৯ মে, ২০০৩ সালের কথাই ধরুন - শিশুদের জন্য ২ লাখ ২২ হাজার বই কেনা হবে। তারমাঝে ১ লাখ ৫২ টি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার জীবনী।
কীভাবে এক-এগারোর নামে আবার সেনাশাসন জারী হয় আর কারাই বা দেশকে সে পরিস্থিতির দিকে নিয়ে গিয়েছিল তা জানতে বইটা পড়তে পারেন।
পড়তে গিয়ে বারবার হতবাক হয়ে যাচ্ছিলাম। নাড়ির স্পন্দন বাড়ছিল, কমছিলও পাল্লা দিয়ে। লোকে কী বুঝে থ্রিলার পড়ে বুঝি না। বাঙলার রাজনীতি থ্রিলারের চাইতে কম নয়, বরং ঢের বেশি।
এই বাঙলার রাষ্ট্রপতিরূপী প্রধান উপদেষ্টা যখন উপদেষ্টা পরিষদের মিটিঙে সরাসরি বলেন, " এই প্রস্তাবে ম্যাডাম রাগ করবেন। " কে এই মহান উক্তিকারী আর কী এর শানে নযুল তা জানতেও বইটি পড়তে পারেন। তবে-
প্রচুর বানান ভুল, নামের গরমিল কিংবা রেফারেন্সের যথার্থতা রক্ষা না করার বিষয়গুলো মাথায় রেখেই ধরতে হবে ৫৪৪ পৃষ্ঠাধারী বইটি।