নিচে দিগন্তবিস্তৃত সৈকত আর সাগর, পাহাড়ের মাথায় গভীর বনভূমি, বনভূমির কিনারায় বিশাল এক শ্বেতপাথরের প্রাসাদ। সেখানে বাস করে বিষণ্ণ এক রমণী। কত বছর আগে এক পলকের জন্যে কেউ একজন দেখেছিল তাকে, তারপর আর ভুলতে পারেনি। সেই ভুলতে না পারার সূত্র ধরে তৈরি হয়েছে ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর মিঠেকড়া এক প্রেম কাহিনী। পেয়েও যদি হারাতে হয়, তার চেয়ে কষ্ট আর কিছু নেই। তবে হারিয়ে পাবার আনন্দেরও বুঝি কোন তুলনা হয় না।
শেখ আবদুল হাকিম জন্ম ১৯৪৬, পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়। ৪ বছর বয়সে বাংলাদেশে আসেন। অসংখ্য গোয়েন্দা উপন্যাস লিখেছেন ও অনুবাদ করেছেন। কর্মজীবনের প্রায় পুরোটাই সেবা প্রকাশনীতে লেখালেখির কাজে ব্যয় করেছেন। মাসিক রহস্য পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ছিলেন বহু বছর। নিজের রচনা আর অনুবাদ মিলিয়ে বইয়ের সংখ্যা কয়েক শ।
জানিনা কেন বার বার ঘুরে ফিরে আমি এইবইটি পড়ি। মেঘলা দিনে, বিষণ্ণ মন কিংবা একটু বাস্তবজীবন থেকে ছুটি পেলে আমি ফিরে আসি এই গল্পে।
এত প্রিয় এই বইখানা আমার। হয়তো শিরিন এর সাথে অনেকাংশেই নিজের মিল খুঁজে পাই, হয়তো তার উপর রাগ করতে যেয়েও পারিনা শেষমেশ কারণ তাকে বুঝি। কিংবা হয়তো মনে হয়, নতুন করে জীবনকে উপভোগ করাতে শিখানোর জন্য আমার একজন হাসান নেই।