রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
রবিন, মুসা আর কিশোরের সাথে এবার জুটেছে এক প্রবীণ। আমেরিকার বুক চিরে, এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে গন্তব্য। এর মাঝেই চলতে থাকে টুকটাক গোয়েন্দাগিরি, অ্যাডভেঞ্চার। মাউন্ট রাশমোর, পিজমো বীচ কিংবা সাউথ ডাকোটা হয়ে হাইওয়ের যাত্রাটা নিঃসন্দেহে চমৎকার। মাঝে আমেরিকার রূপ-বর্ণনা পাওয়া গেছে কিছু অংশে। গোয়েন্দা গল্প হিসেবে দৃশ্যকল্পে তেমন আলোকপাত করা হয় নি, খানিকটা সোজাসাপ্টা বিবরণই বলা যায়। কিন্তু সব মিলিয়ে পড়তে গিয়ে বেশ অপরিপক্ক মনে হয়েছে। তিন গোয়েন্দার মুন্সিয়ানা এই গল্পে নামের প্রতি একেবারেই সুবিচার করে নি।
দেশে-বিদেশে থ্রিলার নিয়ে বেশ ভাল কাজ হচ্ছে এখন। পৃষ্ঠার সাথে চুম্বকের মত আটকে থাকার অভিজ্ঞতাও হয়েছে প্রচুর। ঐসব ভাবলে এই লেখাকে অতি-সাধারণের কাতারেই ফেলতে হচ্ছে। গল্পের কাঠামো যেমনই হোক – মারদাঙ্গা একটা উপসংহার টানলে তবুও বোধ হয় আরেকটু ভালো নাম্বারিং করতাম। কিন্তু তেমনটিও হয় নি। বছর পনেরো আগে পড়লে অন্যরকম অনুভূতি হতো হয়তো। কি জানি।
বইটা আমার কাছে বেশ মজার মনে হয়েছে,সাথে আমেরিকার সৌন্দর্যের বর্ণনা। তিন গোয়েন্দার বই মূলত কিশোর থ্রিলার।এর সাথে বর্তমানের টুইস্টে ভরপুর বইয়ের তুলনা করলে এই বই নিতান্তই অনেকের কাছে ভাল লাগবেনা,বিশেষ করে বড় হবার পরে। আমি আমার ২৫ বছর বয়সে এসে তিন গোয়েন্দার অনেক বই কিনেছি কিছুদিন আগে শুধুমাত্র নস্টালজিক হতে,আমার ছোটবেলার সেই স্বাদটা পেতে।কারণ সেই সময় বেশি বই পড়ার সুযোগ, সময় কোনো টাই হয়নি।কিন্তু ঠিক করে রেখেছিলাম একদিন সব নিজে কিনে পড়ব।এলহন পড়ছি কিন্তু সেই মজা অতটা পাচ্ছিনা।কিন্তু আমার সেই।সময়ের কথা মনে করে আমি পড়ার চেষ্টা করছি।এমনি যে বইতে আমি ৩ রেটিং দিই,তিন গোয়েন্দার বইয়ের ক্ষেত্রে রেটিং ৩ মনে হলে আমি ৪ দিই।কারণ টা ভালবাসা,কিশোর, মুসা,রবিনের প্রতি ভালবাসা...
This entire review has been hidden because of spoilers.