'জাপানের রূপকথা' বইটি এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়েছে যে ছোট-বড় সকল স্তরের পাঠক নিঃসন্দেহে এর উপর হুমড়ি খেয়ে পড়তে পারবে। বইটি সম্পাদনা করেছেন আমীরুল ইসলাম। এই সংকলনের লেখাগুলো অনুবাদ করেছেন-প্রবাস দত্ত, অনিরুদ্ধ চৌধুরী, কিওকো মাতসুকা এবং আমীরুল ইসলাম। এই বইয়ের প্রত্যেকটি গল্প অসাধারণ লেগেছে আমার কাছে। খুবই ঝরঝরে ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে গল্পগুলোকে। যে কেউ বইটি নিয়ে বসার ঠিক এক ঘন্টার মাথায় পরিপূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে সমাপ্তি টানতে পারবেন। সংকলন-গ্রন্থটিতে মোট দশটি রূপকথার গল্প রয়েছে। সেগুলো হল-'তারাকুমারী তানাবাতা', 'কাঠের বাক্সে চারশো বছর', 'ছবি-বউ', 'কাছিম আর বানর', 'কাকাতুয়া কেন কথা বলে', 'খরগোশের ঠোঁট ফাটা কেন', 'শব্দের পাহাড়', 'জাপানি পুরাণের গল্প', 'ফুল-ফোটানো বুড়ো' এবং 'সাগরের জল লোনা কেন'। প্রত্যেকটি গল্পই একেক রকম স্বাদের। সুতরাং অরুচি হবার কোন সম্ভাবনাই নেই। এই বইটি আপনাকে একি সাথে জাপানের রূপকথা এবং অসাধারণ কিছু গল্প পাঠের অভিজ্ঞতা এনে দিবে।
The folklore of a nation is the mirror of its soul...
কোনো একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ সংস্কৃতি ও কৃষ্টির সম্পর্কে জানার জন্য সে দেশের ফোকলোর তথা লোককাহিনী এবং ফেইরী টেলস্ তথা রূপকথা এর বিকল্প নেই। এর মাধ্যমে দীর্ঘকালব্যাপী মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত সেই অঞ্চলের প্রাচীন জনপদের ধ্যান ধারণার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত হওয়া যায়...
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত এবং আমীরুল ইসলামের সম্পাদনায় রচিত তেমন ই একটি বই হলো জাপানের রূপকথা। যদিও বইটি ছোটদের জন্য রচিত তবুও বড়দের পড়তেও ভালো লাগবে... ( সময় নষ্ট হবে না এটার গ্যারান্টি দিচ্ছি) বইটিতে মোট দশটি গল্প রয়েছে। ১। তারাকুমারী তানাবাতা ২। কাঠের বাক্সে চারশো বছর ৩। ছবি-বউ ৪। কাছিম আর বানর ৫। কাকাতুয়া কেন কথা বলে ৬। খরগশের ঠোঁট ফাটা কেন ৭। শব্দের পাহাড় ৮। জাপানি পুরাণের গল্প ৯। ফুল-ফোটানো বুড়ো ১০। সাগরের জল লোনা কেন
প্রতিটি গল্পই সেই দেশের গ্রামীণ এবং প্রকৃতির প্রতিচ্ছবি সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রথম গল্পটি জাপানের বিখ্যাত এক উৎসব এবং সেই সম্পর্কিত মিথ নিয়ে, দ্বিতীয় গল্প থেকে শুরু করে বাকি প্রায় সবগুলিই জাপানের মানুষের বিশ্বাসের সাথে কাল্পনিক বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত লৌকিক আচার ও সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আবার সাত নম্বর গল্পে কিছুটা ভিন্নতা পাওয়া যাবে; গল্পটি হচ্ছে 'জাপানি পুরাণের গল্প'... এই গল্পে জাপানি মিথলজি এবং তাদের দেব দেবী সম্পর্কেও কিছুটা ধারণা পাওয়া যায় এবং জাপানিজ মিথলজি সম্পর্কে জানার জন্য আগ্রহী করে তোলে। এনিমে, মুভি এবং ড্রামা থেকে বের হয়ে অন্য পন্থায় কল্পনার মাধ্যমে জাপান থেকে ঘুরে আসতে চায়লে বইটিতে নির্দ্বিধায় ডুবে যেতে পারেন... রিডার্স ব্লক কাটানোর জন্যও বেশ ভালো একটি বই...
This is a collection of Japanese folklore translated in Bengali. Its part of a project by "বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র" to introduce best of the best world literature to Bengal people. And folklore or fairy tales are one of the most traditional and representative part of a continents literature. It portrays the life style of the specific region the the story is centered around. Mostly the stories are about common people, sometimes about talking animals, some mythical entities. All the stories represent a part of the human nature, their good side and bad side. Most of the time good prevails against evil. The stories here have been simplified for the reading ease of common people. So even a toddler can enjoy alongside his parents or grandparents. Really appreciate how the hard working, fishermen, farmers of Japan have been represented here in these fairy tales to showcase their glee and sorrow of everyday life.