পাহাড়ের ওপরের টাওয়ারে বাজে বাস্তুপরীর বাঁশি। মুসা যেতে রাজি না কোনমতেই, ভূতুড়ে কাণ্ড-কারখানায় তার বেজায় ভয়। কিশাের বলে, ‘পরী না ছাই, সব মানুষের শয়তানি। কোথায় কখন একটা বাঁশি বাজল, তার জন্যে এত সুন্দর রুদ্র সাগর দেখব না? প্রয়ােজনে বাঁশির রহস্যও ভেদ করে ছাড়ব।’ তার সঙ্গে জোট বাঁধল ফারিহা, রবিন, টিটু ও বব। গন্ধ শুঁকে শুঁকে ঠিকই এসে হাজির হলাে ‘ঝামেলা’ করার ওস্তাদ ফগর্যাম্পারকট।
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।