Jump to ratings and reviews
Rate this book

খুনে নগরী

Rate this book
মাইক ব্যারি ব্যাংক ডাকাত, কেরানিকে হত্যা করেছে। দুজন প্রত্যক্ষদর্শী হলফ করে বলল আদালতে। ওর ঘোড়া, স্যাডল আর রাইফেল ও পাওয়া গেছে অকুস্থলে। অথচ মাইক নির্দোষ। কেউ একজন ফাঁসিকাঠে লটকাতে চাইছে মাইককে। কী স্বার্থ তার?

146 pages, Paperback

First published January 1, 1994

1 person is currently reading
4 people want to read

About the author

Rowshan Jamil

42 books20 followers
রওশন জামিল বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন লেখালেখির করার অনুপ্রেরণা। জীবনে প্রথম লেখা ক্লাস ফাইভে। স্কুল ম্যাগাজিনে। এর পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার শুরু পত্রিকায় রিপোর্ট/ফিচার লেখার মধ্যদিয়ে, যখন তিনি মাস্টার্সে পড়েন। লেখালেখির পাশাপাশি তার আরো একটা পেশা আছে সেটা হলো সাংবাদিকতা। স্ত্রী গৃহিণী, দুই সন্তানের জনক তিনি। বড় ছেলে ও ছোট মেয়ে নিয়ে তার পরিবার।

সেবা প্রকাশনীতে তার প্রথম বই বই প্রকাশিত হয় কাজীদার সাথে যৌথ ভাবে ১৯৮৫ সালের জুন মাসে দাগী আসামী-১ দিয়ে। পরবর্তিতে দুইটি কিশোর ক্লাসিক হাকলবেরি ফিন প্রকাশিত হয় ফেব্রয়ারী ১৯৮৬ এবং দ্বিতীয়টি দি ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সী নভেম্বর ১৯৮৭তে প্রকাশিত হয়। এছাড়া শিশু ক্লাসিক পিটারপ্যান-ও তিনি লিখেন ১৯৮৯ সালে।

তিনি ছিলেন ওয়েস্টার্ন সিরিজে একজন সফল লেখক। প্রথম ওয়েস্টার্ন বই "ফেরা" প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে। ওসমান পরিবার এবং সাবাডিয়া নামের সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। সেবা প্রকাশনীতে তার একক ভাবে ৩৫টিরও বেশি ওয়েস্টার্ন বই বের হয়।

১৯৯৪ সাল পর্যন্ত নিয়মিত লিখলেও সে বছর আমেরিকায় প্রবাসী হলে বিরতিতে চলে যান তিনি। তবে সাবাডিয়ার ফেরা, না-ফেরা বই এর মধ্য দিয়ে তিনি আবার লেখায় ফিরেন ২৪ বছর পর ২০১৮ সালে। আর এর আগে ২০১২ সালের ঈদসংখ্যা ইত্তেফাকে ওসমান পরিবারকে ফিরিয়ে আনেন "সেই ওরিন ওসমান" নামে একটি উপন্যাসিকার মাধ্যমে।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (8%)
4 stars
7 (58%)
3 stars
4 (33%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for শালেকুল পলাশ.
274 reviews33 followers
June 17, 2018
মাইক ব্যারি। সেটলারদের ওয়াগান ট্রেনের স্কাউট সে। জায়গা পছন্দ করতে এসে দেখে এক রাসলার বাছুরে ব্রান্ডিং করছে। ঘটনা চক্রে ওকেই রাসলার হিসেবে সন্দেহ করে র‍্যাঞ্চের লোকেরা। যদিও তার বুদ্ধিমত্তায় এবং র‍্যাঞ্চ মালিক ও ভাইজির সাহায্যে কারনে নিজেকে নির্দোষ করতে পারে সে। কিন্তু শত্রুতা কিনে নেয় কিছু মানুষের।

ওয়াগান ট্রেন আসার আগে পর্যন্ত র‍্যাঞ্চেই কাজ নেয় সে। কয়েকদিন পর আম্বুশের শিকার হয় সে। পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে দেখা হয়ে যায় ৩ তস্করের। যারা কিনা ওই শহরের ব্যাংক ডাকাতি করার প্ল্যান করছিল। ডাকাতেরা মাইকের উপস্থিতি টের পেয়ে তাকে আহত করে তার ঘোড়া আর রাইফেল নিয়ে ফেলে যায় তাকে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ডাকাতি কাল ২ ডাকাত মারা যায় আর এক ডাকাত পালিয়ে যায়, যদিও তার ঘোড়া আর রাইফেল রেখে যায়। এই ঘোড়া আর রাইফেলই হল মাইকের। এর ভিত্তিতে তারা মাইকের বিরুদ্ধে পসি গঠন করে। ধরা পরে মাইক। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দেয় কমিশনার শ্যানিং। আকাশ থেকে পড়ার দশা হয় মাইকের। তার বিরুদ্ধে কিসের শত্রুতা শ্যানিং এর? এদিকে নিজের জীবন বাচানোই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিপদে হাত বাড়িয়ে দেয় সুসান। কিন্তু একা সে কি করতে পারবে এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে?

পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ ঈদের দিন বই হাতে নিলেও আলসামু করে পড়াশুরু করেই ঘুমানোর আগে, টেকনিক্যালি ঈদের পরের দিন। রওশন জামিলের লেখা মানেই ঝরঝরে লিখা। বই কখন শেষ হয়ে গেল বলতেই পারলাম না।
Profile Image for Jannatul Runa.
13 reviews
August 27, 2025
পাপ করে কেউ রেহাই পেয়ে যাবে এমন চিন্তাভাবনা করা বোকামি। একটা পাপ কর্ম ঢাকতে করতে হয় একাধিক পাপ। তবুও তা পুরোপুরি মুছে ফেলা যায় না। একসময় মানুষকে তার কৃতকর্মের ফল ভোগ করতেই হয়।

◼️ কাহিনী সংক্ষেপ -

সেটলারদের ওয়াগান ট্রেনের স্কাউট মাইক ব্যারি। স্বপ্নের জায়গার সন্ধানে এসে ফেঁসে যায় চোর সন্দেহে। এক রাসলার বাছুরে ব্রান্ডিং করছে। র‍্যাঞ্চের লোকে মাইককেই চোর সন্দেহে ধরে নিয়ে যায়। নিজের বুদ্ধি এবং র‍্যাঞ্চ মালিকের ভাইঝির সহায়তায় এ যাত্রায় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারে মাইক।

ওয়াগান ট্রেনে নিজের সাথীদের চিঠি পাঠিয়ে র‍্যাঞ্চে কাজ নিয়ে মাইক অপেক্ষা করতে থাকে। শহরে ব্যাং ডাকাতি হয়। দুজন প্রত্যক্ষদর্শী হলফ করে বলল আদালতে ডাকাতের একজন মাইক। মাইকের ঘোড়া, স্যাডল আর রাইফেলও পাওয়া গেছে অকুস্থলে। অথচ মাইক নির্দোষ। কেউ একজন ফাঁসিকাঠে চড়াতে চাইছে তাকে। কী স্বার্থ তার? বেঁচে থাকা মাইকের জন্য দুষ্কর হয়ে যাচ্ছে। এ বিপদে হাত বাড়িয়ে দেয় সুসানা মার্চ। অদৃশ্য এ শত্রুর বিরুদ্ধে তারা কি লড়তে পারবে?

◼️ পাঠ প্রতিক্রিয়া -

পুরো প্লটটা ছিল একটি নির্দিষ্ট মানুষকে কেন্দ্র করে। তাকে যেভাবেই হোক এ এলাকা ছাড়া করতে হবে। কিন্তু সেই ব্যক্তি জানে না এসবের কারণ তার জানা নেই।

অতীত মানুষ চাইলেই এড়িয়ে চলতে পারে না। ধামাচাপা অতীত এক সময় না একসময় শেকড় গজিয়ে বেড়ে উঠতে চায়। তেমনি শ্যানিং নিজের অতীত ঢাকতে নাম, পরিচয়, স্থান সব বদলে ফেললেও সেই অতীত পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারেনি। এইজন্য মাইকে শেষ করতে একের পর এক হামলা করতে থাকে। তবে ভাগ্য সহায় ছিল তার। সহযোগীতা, আর নিজের বুদ্ধিমত্তায় নিজেকে বাঁচিয়ে নিয়েছে বারবার। বিবেক এবং মনুষ্যত্বের বেড়াজালে লেখক যেই দিকটা দেখিয়েছে ভালো লেগেছে। বিবেকবোধ মানুষকে অন্যায় করতে বাঁধা দেয় এজন্য মার্ক লংডেনকে শেষ পর্যন্ত একজন ভালো মানুষ হিসেবে দেখতে পাই।

ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় ওয়েস্ট্রার্ন বইগুলো ধীর গতিতে পড়া লাগে। বেশ কিছু শব্দ আছে যেগুলো আমার বোধগম্য হয় না। আবার অতি দ্রুত পড়লে লাইন মাথায় ঢুকে না। এই বইটা শুরুর দিকে ধীরে পড়লেও ক্রমেই পড়ার গতি বেড়েছে। থ্রিলার বইয়ে রোমান্টিক আবহ নেই বললেই চলে, তবে যেই দু একটা ছিল কথোপকথনের দিক দিয়ে খারাপ লাগছিল না। ঘটনাপ্রবাহ যত আগাচ্ছিল ততই পড়ার আগ্রহ বাড়ছিল। মারামারি, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করা, নিজেকে টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই, টান টান উত্তেজনাকর মুহূর্ত নিয়ে বইটার সাথে সময় বেশ ভালোই কেটেছে।

◼️ বই পরিচিতি -

বই: খুনে নগরী
লেখক: রওশন জামিল
প্রকাশনী: সেবা প্রকাশনী
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০৭
মুদ্রিত মূল্য: ২৭ টাকা
রিভিউ : জান্নাতুল ফেরদৌসী রুনা
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.