বোম্বেটের সিন্দুকঃ তিন গোয়েন্দাকে গুপ্তধনের গল্প শুনালেন ক্যাপ্টেন ব্লাড। চারশ বছর আগে সাগরে ডুবে যায় জলদস্যু ক্যাপ্টেন মর্ডকের জাহাজ। অবশ্য তার আগেই বোম্বেটেরা মাটির নিচে লুকিয়ে ফেলে সকল ধন-রত্ন। গুপ্তধন রকি বীচের কাছাকাছিই আছে, কিন্তু কোথায় সেটা কেউ জানে না।
মারাত্নক বিপদঃ তিন গোয়েন্দার কাছে চিঠি এল, পন্ড করে দেয়া হবে রকি বীচের উৎসব, পারলে ঠেকাও। তদন্তে নামার আগেই গেয়র কাছে প্টকা ফাটাচ্ছে কে? কে গাড়ির নীচে থার্মাইট বোমা রেখে যাচ্ছে? গাড়ির ভেতর কে রাখছে পটাশিয়াম ক্লোরেট বমা। সন্দেহভাজন অনেকেই, কিন্তু তাদের কারও বিরুদ্ধে কোন প্রমান নেই। বন্দী হল তিন গোয়েন্দা। অনেক দেরিতে বুঝতে পারল ভয়ংকর লোকটাকে থামাতে না পারলে মারা যাবে রকি বীচের বেশিরভাগ মানুষ।
Qazi Anwar Hussain (born 19 July 1936) is a well known and very famous Bangladeshi writer who mainly writes detective and adventure based novels most of which are adaptation translation from or heavily influenced by foreign literature.
গল্পটা শুরুর দিকে বেশ দারুণ লাগে। কিন্তু এক্সিকিউশন একেবারেই জঘন্য। তিন গোয়েন্দাকে তিন গোয়েন্দার মতো একেবারেই মনে হলো না। খুব ছোট গল্প,শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে গেল। ক্লাইম্যাক্স টুইস্টটা পুরো গল্পের মুড নষ্ট করে দিয়েছে। সব মিলিয়ে হতাশ!
২.মারাত্মক বিপদঃ ২/৫
এই গল্পটারও প্লট ভালো। তিন গোয়েন্দার তদন্ত কৌশলও মোটামুটি ভালো। তবে কিশোর শেষমেষ কিছুই বুঝতে পারেনি,এটা মেনে নিতে পারলাম না। ক্লাইম্যাক্স ভীষন দুর্বল। আরও ভালো হতে পারতো গল্পটা। একদমই জমলো না।
৩.হারানো তলোয়ারঃ ২/৫
শামসুদ্দিন নওয়াবের লেখা একেবারেই ভালো লাগে না আমার। ভলিউমের তৃতীয় গল্প " হারানো তলোয়ার " ও বাকি দুটোর মতোই বিলো এভারেজ। পুরনো তিন গোয়েন্দাকে যে তাদের চেনা রূপে আর ফিরে পাওয়া যাবে না সেটা বলাই বাহুল্য।