পুরানো বন্ধু বাড হ্যাডলের পাওনা টাকা পৌঁছে দিতে নিউ মেক্সিকোর সার্কেল এইচ র্যাঞ্জের পথে রওনা হল রনি ড্যাশার। টের পেল র্যাঞ্জার আর তার মেয়েকে নিজের র্যাঞ্জেই গৃহবন্দী করে রেখেছে নিষ্ঠুর আউটলর একটা দল। দলের নেতা শার্পি বুমার। তাকে সহায়তা করছে কলেজে পরা কুচক্রী বান্ডি বুল। বন্ধুকে বাঁচাবার কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে ওদের নিয়ে দুর্গম পাহাড়ে পালাল রনি। সামনে অ্যাপাচি, পিছনে ওদের খুন করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে ধাওয়া করছে আউটল্র দল। এর মধ্যে নামল তুষার ঝড়। কি করবে রনি?
কাজি মাহবুব হোসেনের লেখা দিয়ে ওয়েস্টার্ন সিরিজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। কাজি মাহবুব হোসেন ওয়েস্টার্ন সিরিজ ছাড়াও পিশাচ কাহিনী ও অনুবাদের বেশ কিছু বই লিখেছিলেন যা অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। এবং তাঁর প্রথম বই অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো ১৯৮২ সালে।
রনি ড্যাশার। বার ২০ এর দুর্ধর্ষ কাউবয়। পিস্তল হাতেও তেমনি ক্ষিপ্র। পুরাতন বন্ধু ব্যাড হ্যাডলের পাওনা টাকা পৌছে দিতে নিউমেক্সিকোর সার্কেল এইচ রেঞ্চের উদ্দেশ্যে রওনা হল। পথে পদে পদে বাধা পেল সে। কিন্তু কোন বাধায় দমিয়ে রাখতে পারল না তাকে। জানতে পারল নিজের রেঞ্চেই মেয়েকে নিয়ে বন্দি আছে হ্যাডলে। তাকে বন্দি করে রেঞ্চের ফোরম্যান বনে গেছে শার্পি বুমার। পিস্তল হাতে সে কাউকে পরোয়া করে না।
উপাই না পেয়ে হ্যাডল আর তার মেয়েকে নিয়ে পাহাড়ে পালাল রনি। পিছনে ধাওয়া করতে করতে এগিয়ে আসছে বুমার। সামনে অ্যাপাচি। এমন সময় মরার উপর খাড়ার খা এর মতন শুরু হল তুষারপাত। রনি কি বাচাতে পারবে হ্যাডলকে? নাকি এবার নিজের প্রানও যাবে?
এমনই বিপদে সাহায্য নিয়ে হাজির হল মারফি আর ডেডশট। ক্ষ্যাপা তিন জন ঝাপিয়ে পড়ল সব প্রতিকূলতার বিপক্ষে।