ছায়াবৃত্তঃসম্পাদকের অনুরোধে তিন বছর পর এক জমজমাট ভৌতিক উপন্যাস লিখতে চলেছেন রহস্য উপন্যাসিক হায়দার পাশা। এর জন্য লোকালয় থেকে দূরে নির্জন এক জায়গায় বাড়ি ভাড়া করলেন তিনি। সেখানে তার এক সিরিয়াস ভক্ত তাকে একটি গল্পের পান্ডুলিপি দিল, যেটা নাকি হায়দার পাশা নিজেই লিখেছেন। পান্ডুলিপিটা না চাইতেও নিতে হল তাকে, আর এরপর শুরু হল একের পর এক ভৌতিক আক্রমন। পান্ডুলিপির প্রতিটা লেখা সত্যি হতে চলেছে....
জুয়াড়ীঃ তুখোর জুয়াড়ি সাবের নিজের কাছে সবচেয়ে মুল্যবান, তার জীবনটাই বাজি ধরে বসল। এর পরিণতি সম্পর্কে কি জানে সে?
বংশালের বনলতাঃ লিলিথ হাউজের বাড়িটা ভাড়া নেয়াটা কি ঠিক হল? ক্লোজেটের ওই মুর্তি কিসের অশুভ শক্তি নিয়ে খেলা করছে? জানা গেল হাজার বছরের লুকানো এক পিশাচ শক্তির কথা। কিন্তু ততক্ষনে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
এছাড়াও পাহাড়ি পিশাচ, পৈশাচিক, ছায়াসঙ্গী, মা কালী সহ দেড় ডজন গা শিওড়ে উঠা ভৌতিক গল্প নিয়ে অনীশ দাস অপুর "ছায়াবৃত্ত" ।
জন্ম ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯। জন্মস্থান বরিশাল, পিতা প্ৰয়াত লক্ষী কান্ত দাস। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে অনার্স সহ এম, এ করেছেন। ১৯৯৫ সালে | লেখালেখির প্রতি অনীশের ঝোক ছেলেবেলা থেকে । ছাত্রাবস্থায় তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় সাপ্তাহিক, পাক্ষিক এবং মাসিক পত্রিকাগুলোতে চিত্তাকর্ষক ফিচার, গল্প এবং উপন্যাস অনুবাদ শুরু করেন । হরর এবং থ্রিলারের প্রতি তাঁর ঝোকটা বেশি। তবে সায়েন্স ফিকশন, ক্লাসিক এবং অ্যাডভেঞ্জার উপন্যাসও কম অনুবাদ করেননি। এ পর্যন্ত তাঁর অনুদিত গ্ৰন্থ সংখ্যা ১০০’র বেশি। অনীশ দাস অপু লেখালেখির পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত। তিনি দৈনিক যুগান্তর- এ সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে কাজ করেছেন । তবে লেখালেখিই তার মূল পেশা এবং নেশা ।
সেবা থেকে বের হওয়া হরর কালেকশনগুলো বেশ চিত্তাকর্ষক ছিল আমার কাছে স্কুলজীবনে। "ছায়াবৃত্ত" আমি প্রথম পড়ি ক্লাস এইটে। আমার কাছে যে হার্ডকপিটা রয়েছে সেটার প্রচ্ছদ আরো দারুণ। কিন্তু বইটা কিছু সাঙ্গোপাঙ্গর সাথে বস্তাবন্দী থাকায় সেটার ছবি দেওয়া গেল না। আগের পড়া বই নতুন করে পড়ার পর ইচ্ছে হলো একটু আলোচনা করার, তাই এই রিভিউ।
ছায়াবৃত্তঃ আব্দুল্লাহ্ ওমর সাইফ-এর লিখা ভূতের গল্পটি চমৎকার। লেখালেখির খাতিরে ভাড়া করা নিজের বিশাল বড় বাড়িতে ঝড়-বাদলের রাতে আটকা পড়ে যান একজন হরর গল্প লেখক। তার দুর্বিষহ রাতের কাহিনী "ছায়াবৃত্ত"। এই গল্পের সমাপ্তিটা দারুণ ছিল!
জুয়াড়ীঃ এক সন্ধ্যায় পার্কে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে ফ্রি স্কুল স্ট্রীটের বিখ্যাত জুয়াড়ী সাবেরের পরিচয় হয় এক লোকের সাথে। ঘটনাচক্রে তার সাথে জুয়ার খেলায় জড়িয়ে পড়ে সে। কিন্তু সেটা কি শুধুই খেলা ছিল? এটার শেষটাও ছায়াবৃত্তের মতো মারাত্মক লেগেছে।
সরাইখানাঃ গাই প্রেস্টনের লিখা ছোট্ট ভৌতিক গল্পটির অনুবাদ করেছেন মার্টিনা হিলারি গোমেজ। গ্রাম্য চিকিৎসক সাটনের বাড়িতে এক রাতে উদয় হয় ঘাম-ধুলো-রক্তে মাখামাখি এক লোক। নিজেকে ফ্র্যাঙ্ক ম্যাথুয়েন হিসেবে পরিচয় দিয়ে অবিশ্বাস্য এক কাহিনী শোনায় সে।
বংশালের বনলতাঃ এই ছোটগল্পটা নিয়েই আমি একবার একটি বিশাল বড় পোস্ট লিখেছলাম। কতোজন পাঠক মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর এর লেখার সাথে পরিচিত আমার জানা নেই। কিন্তু বর্তমানে সবচেয়ে তথ্যবহুল লেখা এবং সবচেয়ে অসাধারণ হিস্টোরিক্যাল ফিকশন বলতে আমি তার লেখাকেই এগিয়ে রাখবো। "বংশালের বনলতা" আমার চৌদ্দ বছরের পাঠক জীবনে পড়া সেরা ছোটগল্প। এবং এই সংকলনের মূল আকর্ষণ।
পাহাড়ি পিশাচঃ বিপিন বিহারীর গা-শিরশির করা পিশাচকাহিনীটি ভালো লাগার কথা বেশ। চাকরির সূত্রে কাপ্তাই যাত্রা করার পর নির্জন উচ্চভূমির পথে এক লোকের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার গল্প "পাহাড়ি পিশাচ"।
ফটক বন্ধ ছিলঃ বন্ধু দম্পতি শিলা ও সেলিমের প্রাচীন দুর্গের মত বাড়িটিতে ঘুরে আসার জন্য চিঠি পাঠায় মৌসুমী। কুমিল্লা থেকে মধুপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে সে। কিন্তু পরিকল্পনা মোতাবেক ঘটনা না ঘটে অকল্পনীয় কিছু একটা ঘটে যায় এরপর। এবং তার ফলাফল হয় আশ্চর্যরকম। মরাগ গ্রীনের লেখা " দ্য গেটস ওয়্যার লকড" অবলম্বনে মিজানুর রহমান কল্লোল লিখেছেন গল্পটি ।
ছায়াসঙ্গীঃ রুমানা বৈশাখীর লিখা গল্পটি প্রথম রহস্যপত্রিকায় পড়েছিলাম আমি। স্কুলছাত্রী আমি তখন, প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিলাম পড়ার পর। এখন সেই বয়সটা নেই গল্প পড়ার পর নিঃসীম আতঙ্কে থাকার, কিন্তু গল্পটার আবেদন কমে নি একটুও। নামটাই অনেক কিছু বলে দিচ্ছে তাই কাহিনীতে না যাই।
পৈশাচিকঃ গাজীপুরের সফিপুরে অবস্থিত জঙ্গলের কালীমন্দিরে অতিপ্রাকৃত কিছু একটার খোঁজে আসে ভার্সিটি-পড়ুয়া ছয়জন ছেলে। গল্পের প্লটটা ভালো লেগেছে, কিন্তু মোঃ মুশফিকুর রহমানের লেখার ধরণটা একটু কেমন যেন মনে হয়।
ইকবাল আহমেদের কৌশলঃ আমার অন্যতম ভালো লাগার লেখক আসমার ওসমানের হরর গল্প "ইকবাল আহমেদের কৌশল"। ছোটবেলা থেকে হরর ছবির রক্তারক্তির নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা ইকবাল আহমেদ পেশা হিসেবে বেছে নেয় চিত্র-পরিচালনার কাজ৷ জীবনের ঘটনাচক্রে নিউইয়র্কে গিয়ে সিনেমার কাজ শুরু করে সে। কিন্তু এই রক্তারক্তি আর বীভৎসতায় মন ভরে না তার, জড়িয়ে পড়ে পৈশাচিক কর্মকাণ্ডে।
ভৌতিকঃ ডব্লিউ ডব্লিউ জ্যাকবসের গল্প অবলম্বনে লেখা কাজী শাহনূর হোসেনের কাহিনীটার আগামাথা প্রায় কিছুই বুঝতে পারি নি আমি। এজন্যই হয়তো বা ভালো লাগে নি লেখাটা।
দু'জন দুর্বল মানুষঃ নিষাদ এবং টগর বাল্যবেলার বন্ধু। বছরের পর বছর ধরে টিকে থাকা শক্ত এই বন্ধুত্বের শুরুটা হয়েছিল অদ্ভুত একটি কারণে - দু'জনই ছোটবেলা থেকে ভীষণ পাটকাঠি ধরণের দেখতে তালপাতার সেপাই। কিন্তু হঠাৎ করে স্বাস্থ্যবান সুপুরুষ হয়ে উঠে টগর। যার পেছনে রয়েছে বিভীষিকাময় এক রহস্য। রাসেল আহমেদের লেখা ছোটগল্পটা গা ঘিনঘিন করাবে নাকি ভয় সৃষ্টি করবে যদিও বলতে পারছি না।
ডাইনীর কুশপুত্তলিকাঃ সেন্ট জনবার্ডের গল্প অবলম্বনে শাহনেওয়াজ খান লিখেছেন " ডাইনীর কুশপুত্তলিকা"। স্বল্প পরিসরের হলেও মনে বেশ প্রভাব ফেলবার মতো একটা লেখা।
পরাজয়ঃ তাহমিনা সানির লিখা "পরাজয়" একটু অন্যধরণের গল্প। গ্রামের পটভূমিতে লেখা এক প্রতিবন্ধী মেয়ের জীবনের করুণ আর্তনাদের কাহিনী। সাথে অলৌকিক কিছু একটার গল্প।
মা কালীঃ ডানপিটে হ্যাপি এবং নিশ্চুপ প্রকৃতির ছেলে খসরুর বন্ধুত্ব হয় স্কুলজীবনে। হ্যাপির পাল্লায় পড়ে অনেক দুষ্টুমি এবং উদ্ভট কাজকর্ম করে বেড়াতো খসরুও। কিন্তু অষ্টম শ্রেণী পড়াকালীন সময়ে কালীমন্দিরে হ্যাপির সাথে ঘটে এমন এক ঘটনা যা যুক্তি-ব্যাখ্যার বাইরে।
মৃত্যু পরোয়ানাঃ গভীর রাতে কোনো এক অশুভ ডাকের সাথে অশুভ ছায়া নেমে আসে রকিবের জীবনে। রুবেল কান্তি নাথ এর হররগুলো বেশ ভালো লাগতো রহস্যপত্রিকায়। এই গল্পটা অবশ্য অন্যগুলোর মতো অতোটা ভালো লাগে নি৷
রহস্যময় অন্তর্ধানঃ বিদেশী গল্পের ছায়া অবলম্বনে তারক রায় লিখেছেন "রহস্যময় অন্তর্ধান"। নীলফামারি জেলার মজিদপুর এলাকা। এক রাতে রহস্যময়ভাবে হারিয়ে গেলেন এলাকার চেয়ারম্যান রহমান সাহেব। হারিয়ে যাবার পর তার সাথে ঘটে আশ্চর্য কিছু ঘটনা।
অতৃপ্ত আত্মাঃ মনোয়ার রহমান হারুণের লেখা ছোট্ট গল্পটি বেশ চমৎকার লেগেছে পড়তে। লেখা আর কাহিনীর গাঁথুনি দু'টোই বেশ মুগ্ধকর।
ভুডুঃ সংকলের শেষ গল্প অনীশ দাশ অপুর " ভুডু"। কালো জাদুতে ব্যবহার করা হয় যে পুতুলটি, সেই ভুডুর নাম হয়তো অনেকেই শুনেছেন। ভুডু পুতুলকে ঘিরে বেশ ভালো একটা গল্প লিখেছেন সংকলনের সম্পাদক৷
বইয়ে সর্বমোট গল্পের সংখ্যা ১৮। পড়া শুরু হয়েছিল অনেক আগে, শেষ হয়েছে ও অনেক আগে। কিন্তু আলস্যমহোদয় বাদ সাধল রিভিউ লেখার সময়। ভূতের গল্পের সংকলন গুলো আমার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। যদিও জানি বেশির ভাগ গল্পই হয়তো ভাল লাগবে না লেম এন্ডিং এর কারণে । কিন্তু দুই একটা ভাল গল্প মিলে যায়ই বরাবর। এই বইয়ে ভাল লাগার মত গল্প আমার মনে হয়েছে আছে ৫ টি। কিন্তু যে গল্পটার কথা না বললে নিজের কাছে দায়ী থাকব সে গল্পটার নাম "ফটক বন্ধ ছিল" - (মরার গ্রির "The Gates Were Locked" গল্প অবলম্বনে অনূদিত।) ***** আমার মনে হয়েছে এই গল্পটা না পড়লে "জীবন বৃথা" টাইপ গল্প এটা। *****
এছাড়া আর ও ভাল লেগেছে - বংশালের বনলতা - আলমগীর তৈমুর দুজন দুর্বল মানুষ - রাসেল আহমেদ ভুডু - অনীশ দাস অপু আরেকটা গল্প আছে কিন্তু এখন খুঁজে পাচ্ছি না। :( যাহোক ১৮ তে ৫ বেশ ভাল স্ট্রাইক রেট মনে করি আমি। :) আর হ্যা । সর্ব উপরের ৫ তারকা পড়েছে ২-৩ টা গল্পের প্রতি পক্ষপাতিত্বের সৌজন্যেই। Happyreading :)
মোট আঠেরোটি গল্প আছে বইটিতে। তার মধ্যে অনূদিত গল্পগুলো বেশ ভালো লাগল। বাকি গল্পগুলো ভীষণ রকম ছকে বাঁধা তথা সেকেলে। একমাত্র ব্যতিক্রম মুহম্মদ আলমগীর তৈমূরের 'বংশালের বনলতা', যা মিথ ও বাস্তব একাকার করে দিয়ে ভয়কে এক আলাদা স্তরে নিয়ে যেতে পেরেছে। সময় কাটানোর জন্য আর কিছু না পেলে পড়তে পারেন।
সেবার হরর বইগুলো ছোট থেকেই পড়ে এসেছি। এটা পড়েছিলাম স্কুলে থাকতে। এই বইটার প্রতি ভালোলাগা মূলত এর টাইটেল গল্পটার জন্যই। জীবনে পড়া সেরা হরর ছোটগল্পের মধ্য "ছায়াবৃত্ত" গল্পটা একটা।
- সরাইখানা (The Inn - Guy Preston) - ফটক বন্ধ ছিল (The Gates were Locked - Morag Greer) - ভৌতিক (The Ghost of Jerry Bundler - W.W. Jacobs) - ডাইনীর কুশপুত্তলিকা - রহস্যময় অন্তর্ধান
মনটা নানা কারনে খুব বিক্ষিপ্ত ছিলো, কিছুতেই কাজে মন বসছিলো না। কাজ কে ধোঁকা দিয়ে কি জানি কেনো তড়িঘড়ি একটা বই নামালাম। হ্যাঁ নীচের বইটা, মনে হোলো পড়ার সময় টা খুব তাড়াতাড়ি কাটবে কিন্তু ফল হোলো উল্টো। এক বসায় শেষ করলাম আর এখন পুরো মন এক অব্যক্ত বিবমিষায় আচ্ছন্ন, তার সাথে উপরি পাওনা কিছু টা ভয়ের অস্বস্তি। সেদিন একজন বাংলাদেশে থেকে সংগৃহীত অনেক গুলো বইয়ের ছবি দিয়েছিলেন, তাই দেখে নতুন করে উদ্বুদ্ধ হয়ে অনীশ দাশ অপুর সম্পদনায় বই টি নামালাম আর পড়ে ফেললাম। অনেক গূলো ছোট অনুবাদ আর মৌলিক গল্পের মিশ্রন, খুব কঠীন মুন্সীয়ানার নয়, প্রতিদিনের প্রত্রিকার গড়পড়তা কিছু একই রকম লেখনী, যে লেখাগুলো শুধু ভিতরে বা শেষের পাতাতেই আসে আর আমারও একবার করে চোখ বুলাই, কিছু একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যা খুবই সাধারণ মানুষেরও বোধগম্য। তাই এই বইয়ের গল্প গুলো কে অসাধারণ বলা ঠিক নয় তবে ফেলেও দিতে পারছি না, মনের উপর চাপ ফেলছে। অনেকদিন পর গাঁ শিউরানো এক অনভুতি পেলাম। যে ভদ্রলোক অনীশ দাশ অপুর বইয়ের ছবি গুলো শেয়ার করেছিলেন, তাঁর একজন বন্ধুর উপদেশ ছিলো " অনীশ দাশ অপুর বই গুলো রাতে পড়িস না "। ভ্যাগিস রাতে পড়িনি আর সে জন্য লেখক/ লেখিকা বৃন্দগণও কিছু টা প্রশংসার প্রাপ্য কারন আমার বিক্ষিপ্ত মন এখন অন্য অনুভুঁতিতে পরিপূর্ণ। ভয়, নাম না জানা অস্বস্তি আর বিবমিষা এবং রাতের ঘুম আজকের মত বরবাদ।
হরর সংকলন কেন জানি আমার বরাবরই পছন্দ। আকারে ছোট বলে? নাকি কোন একটা গল্প যদি বোরিংও হয় তা অনুভব করার আগেই শেষ হয়ে যাওয়ার কারনে, কে জানে? কিংবা হয়ত ভূতে বিশ্বাস করি না কিন্তু এটা নিয়ে রোমাঞ্চ নিতে ভাল লাগে এই কারনে?
ছায়াবৃত্তে মোট ১৮ জন লেখকের লিখা ১৮টা গল্প ঠাই পেয়েছে। পৃষ্ঠার হিসেবে বললে বলা যায় প্রতিটি গল্প গড়ে ১৩ পেজের কাছাকাছি। সবগুলোই ভাল লেগেছে বলব না। হরর গল্প যেগুলো দেশীয় পটভূমিতে লিখা সেগুলোর প্রতি বরাবরই একটু দুর্বলতা আছে আমার। আর এই বইএ এমন গল্পের সংখ্যাই বেশী। তারপরেও কিছু গল্প মনে দাগ কেটেছে। এগুলো হল। ছায়াবৃত্ত জুয়াড়ি বংশালের বনলতা পাহাড়ি পিশাচ ফটক বন্ধ ছিল (এটা অসাধারণ) ছায়াসংগী (একটু অন্যরকম) পৈশাচিক ভৌতিক মা কালী রহস্যময় অন্তর্ধান (কাহিনীটা পরিচিত, কুরআনে এমন ঘটনা উল্লেখ আছে, বিজ্ঞানে টাইমস্লিপ বলে)