সাইদ হাসান লেখক , তার স্ত্রী ঝর্ণা একজন অভিনেত্রী। দুজনের মাঝে পরিচয় এবং সম্পর্ক হয় সাইদের লেখা একটা নাটকে ঝর্ণার অভিনয়ের মাধ্যমে। এক বছর সংসার করেও ঝর্ণা তার পুর্বের প্রেমিক আশরাফের কথা ভুলতে পারেনি। ঝর্ণা চলে যাচ্ছে ঢাকায় এই সময় দুইজনের মাঝে তুমুল ঝগড়া হয় এবং সাইদ হাত তুলে ঝর্ণার উপর । তার পর সব সুনসান নীরব হয়ে যায়। পরের দিন শান্তা কাজে এসে দেখে সাইদ এবং ঝর্ণার কেউ বাসায় নেই। সাইদের যাওয়ার কথা সিলেটে তার এক বন্ধুর কাছে এবং ঝর্ণার যাওয়ার কথা ঢাকায়। কিন্তু কবে আসবে সেটা শান্তা জানে না । শান্তা হচ্ছে ঝর্ণার খালাতো বোন, সে লেখক সাইদ হাসানের লেখার ভক্ত এবং এখানে লেখকের টাইপিস্টের কাজ করে। বরাবরের মতো লাইব্রেরী রুমে গিয়ে শান্তা কাজ শুরু করে দিল। সাইদ সিলেট থেকে ফিরে এসে দেখে এখনো ঝর্ণা ফিরে আসে নি। দিনের পর দিন যাচ্ছে ওইদিকে ঝর্ণার কোন খোঁজ নেই । পাড়াগাঁয়ে গুঞ্জন হচ্ছে ঝর্ণা কি মারা গেছে ? সাইদ কি কিছু করেছে? ঝর্ণার উপস্থিতিতে শান্তার সাথে সাইদের সম্পর্ক কোনদিকে মোড় নিচ্ছে?
শেখ আবদুল হাকিম জন্ম ১৯৪৬, পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়। ৪ বছর বয়সে বাংলাদেশে আসেন। অসংখ্য গোয়েন্দা উপন্যাস লিখেছেন ও অনুবাদ করেছেন। কর্মজীবনের প্রায় পুরোটাই সেবা প্রকাশনীতে লেখালেখির কাজে ব্যয় করেছেন। মাসিক রহস্য পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ছিলেন বহু বছর। নিজের রচনা আর অনুবাদ মিলিয়ে বইয়ের সংখ্যা কয়েক শ।
বই নেমঃ- তুমি চিরকাল লেখকঃ- শেখ আবদুল হাকিম জনরাঃ- সেবা রোমান্টিক লেখক হাসান তার স্ত্রী অভিনেত্রী ঝর্নার সাথে সংসার জীবনে একেবারেই সুখী নয়। কারন ঝর্না তার প্রথম স্বামীর কথা একেবারেই ভুলতে পারেনি। এনিয়ে সারাক্ষণ ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকে। একদিন ঝর্ণা ঢাকায় গিয়ে আর ফিরে আসেনি। শান্তা, ঝর্নার খালাতো বোন কাম হাসানের টাইপিস্ট। হাসানের লেখার ভীষণ ভক্ত শান্তা। ঝর্নার অনুপস্থিতিতে শান্তার দিকে ঝুকে পড়ে হাসান। যেখানে শান্তাকে আগেই বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসে আছে নবীন ব্যারিস্টার সাইফুল। কি করবে এখন শান্তা? এদিকে পাড়া প্রতিবেশীর সন্দেহ ঝর্নাকে মেরে গুম করে রেখেছে হাসান।