What do you think?


বুদ্ধদেব
Paperback
First published January 1, 1956
About the author
Rabindranath Tagore
2,743 books4,399 followersAwarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
The complete works of Rabindranath Tagore (রবীন্দ্র রচনাবলী) in the original Bengali are now available at these third-party websites:
http://www.tagoreweb.in/
http://www.rabindra-rachanabali.nltr....
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
The complete works of Rabindranath Tagore (রবীন্দ্র রচনাবলী) in the original Bengali are now available at these third-party websites:
http://www.tagoreweb.in/
http://www.rabindra-rachanabali.nltr....
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
September 2, 2023
রবীন্দ্রনাথ বুদ্ধদেবকে অন্তরের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মানব বলে উপলদ্ধি করতেন যার প্রমাণ আমরা তাঁর কবিতা-গান-প্রবন্ধে পেয়েছি। এই গ্রন্থে বুদ্ধদেবকে নিয়ে কবিগুরুর লেখা ৪টি প্রবন্ধ এবং ৫ টি কবিতা স্থান পেয়েছে। বুদ্ধদেব এবং বুদ্ধদেবের প্রতি কবিগুরুর উপলদ্ধি জানার জন্য সুপাঠ্য বই।
অপরিমাণ প্রেমে অন্তরের অপরিমেয় সত্যকে প্রকাশ করার সাধনা ছিল বুদ্ধের সাধনা। বহু-শাস্ত্র-অধ্যয়ন, বহু-শিল্প-শিক্ষা, বিনয়ে সুশিক্ষিত হওয়া এবং সুভাষিত বাক্য বলা— মানবজাতিকে এমন অগণ্য উত্তম মঙ্গল উপদেশ দিয়েছেন বুদ্ধদেব। শূন্যতা নয় পূর্ণতাই ছিল বুদ্ধের মুখ্য উদ্দেশ্য। শুধু বাসনা থেকে মুক্তিই নয়; প্রেমে অন্তর পূর্ণ করাই ছিল বুদ্ধের সিদ্ধি। তাই সুস্থির-শান্ত-আনন্দময় পৃথিবীর জন্য বিশ্ববাসী বুদ্ধের শরণ নিতে বাধ্য। এছাড়া যে মুক্তি নেই। তাইতো সবাই ফিরে ফিরে আসে ভারতবর্ষে, বুদ্ধের টানে, শান্তির খোঁজে।
"বোধশূন্য দৃষ্টি তার নিরর্থক দৃশ্য চলে গ্রাসি।
চিত্ত আজি শান্তিহীন লোভের বিকারে,
হৃদয় নীরস অহংকারে।
ক্ষিপ্রগতি বাসনার তাড়নায় তৃপ্তিহীন ত্বরা,
কম্পমান ধরা।"
উপরের কবিতার পাঁচ লাইন না হয়ে আমরা যদি নিচের কবিতার দু'লাইন হতাম তবে কেমন হত!
"শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
করুণাঘন, ধরণীতল কর’ কলঙ্কশূন্য।"
বুদ্ধদেব প্রথম কবিতার পাঁচ লাইন চিত্ত থেকে মুক্ত করে দ্বিতীয় কবিতার দু'লাইন নিজে হয়েছেন এবং সবাইকে সে পথে পদচারণা করতে অনুপ্রাণিত করেছেন।
বিশেষ স্থানে গিয়ে, বিশেষ মন্ত্ৰ প'ড়ে, বিশেষ অনুষ্ঠান করে মুক্তিলাভ করা যায়, এই বিশ্বাসের অরণ্যে যখন মানুষ পথ হারিয়েছিল তখন বুদ্ধদেব এই অত্যন্ত সহজ কথাটি আবিষ্কার ও প্রচার করবার জন্যে এসেছিলেন যে, স্বার্থত্যাগ করে, সর্বভূতে দয়া বিস্তার করে, অন্তর থেকে বাসনাকে ক্ষয় করে ফেললে তবেই মুক্তি হয়; কোনো স্থানে গেলে, বা জলে স্নান করলে, বা অগ্নিতে আহুতি দিলে বা মন্ত্র উচ্চারণ করলে হয় না। এই কথাটি শুনতে নিতান্তই সরল, কিন্তু এই কথাটির জন্যে একটি রাজপুত্রকে রাজ্যত্যাগ করে বনে বনে, পথে পথে, ফিরতে হয়েছে।
যার চেতনা খণ্ডিত হয়নি রাষ্ট্রগত জাতিগত ধর্মগত দেশকালের কোনো অভ্যস্ত সীমানায়। যে সকলের মধ্যে আপনাকে ও আপনার মধ্যে সকলকে দেখেছেন, তিনিই আমাদের বুদ্ধদেব। যে গোপন থাকেনি বিশ্ববাসীর কাছে। সকলের তরে প্রকাশিত হয়েছে দুঃখের পথের দুর্গম যাত্রায় দুঃখকে পরাজিত করে শান্তিলাভের জন্য।
.
৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
অপরিমাণ প্রেমে অন্তরের অপরিমেয় সত্যকে প্রকাশ করার সাধনা ছিল বুদ্ধের সাধনা। বহু-শাস্ত্র-অধ্যয়ন, বহু-শিল্প-শিক্ষা, বিনয়ে সুশিক্ষিত হওয়া এবং সুভাষিত বাক্য বলা— মানবজাতিকে এমন অগণ্য উত্তম মঙ্গল উপদেশ দিয়েছেন বুদ্ধদেব। শূন্যতা নয় পূর্ণতাই ছিল বুদ্ধের মুখ্য উদ্দেশ্য। শুধু বাসনা থেকে মুক্তিই নয়; প্রেমে অন্তর পূর্ণ করাই ছিল বুদ্ধের সিদ্ধি। তাই সুস্থির-শান্ত-আনন্দময় পৃথিবীর জন্য বিশ্ববাসী বুদ্ধের শরণ নিতে বাধ্য। এছাড়া যে মুক্তি নেই। তাইতো সবাই ফিরে ফিরে আসে ভারতবর্ষে, বুদ্ধের টানে, শান্তির খোঁজে।
"বোধশূন্য দৃষ্টি তার নিরর্থক দৃশ্য চলে গ্রাসি।
চিত্ত আজি শান্তিহীন লোভের বিকারে,
হৃদয় নীরস অহংকারে।
ক্ষিপ্রগতি বাসনার তাড়নায় তৃপ্তিহীন ত্বরা,
কম্পমান ধরা।"
উপরের কবিতার পাঁচ লাইন না হয়ে আমরা যদি নিচের কবিতার দু'লাইন হতাম তবে কেমন হত!
"শান্ত হে, মুক্ত হে, হে অনন্তপুণ্য,
করুণাঘন, ধরণীতল কর’ কলঙ্কশূন্য।"
বুদ্ধদেব প্রথম কবিতার পাঁচ লাইন চিত্ত থেকে মুক্ত করে দ্বিতীয় কবিতার দু'লাইন নিজে হয়েছেন এবং সবাইকে সে পথে পদচারণা করতে অনুপ্রাণিত করেছেন।
বিশেষ স্থানে গিয়ে, বিশেষ মন্ত্ৰ প'ড়ে, বিশেষ অনুষ্ঠান করে মুক্তিলাভ করা যায়, এই বিশ্বাসের অরণ্যে যখন মানুষ পথ হারিয়েছিল তখন বুদ্ধদেব এই অত্যন্ত সহজ কথাটি আবিষ্কার ও প্রচার করবার জন্যে এসেছিলেন যে, স্বার্থত্যাগ করে, সর্বভূতে দয়া বিস্তার করে, অন্তর থেকে বাসনাকে ক্ষয় করে ফেললে তবেই মুক্তি হয়; কোনো স্থানে গেলে, বা জলে স্নান করলে, বা অগ্নিতে আহুতি দিলে বা মন্ত্র উচ্চারণ করলে হয় না। এই কথাটি শুনতে নিতান্তই সরল, কিন্তু এই কথাটির জন্যে একটি রাজপুত্রকে রাজ্যত্যাগ করে বনে বনে, পথে পথে, ফিরতে হয়েছে।
যার চেতনা খণ্ডিত হয়নি রাষ্ট্রগত জাতিগত ধর্মগত দেশকালের কোনো অভ্যস্ত সীমানায়। যে সকলের মধ্যে আপনাকে ও আপনার মধ্যে সকলকে দেখেছেন, তিনিই আমাদের বুদ্ধদেব। যে গোপন থাকেনি বিশ্ববাসীর কাছে। সকলের তরে প্রকাশিত হয়েছে দুঃখের পথের দুর্গম যাত্রায় দুঃখকে পরাজিত করে শান্তিলাভের জন্য।
.
৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
December 26, 2023
তাই আসিয়াছে দিন,
পীড়িত মানুষ মুক্তিহীন,
আবার তাহারে
আসিতে হবে যে তীর্থদ্বারে
শুনিবারে।
পাষাণের মৌনতটে যে বাণী রয়েছে চিরস্থির—
কোলাহল ভেদ করি শত শতাব্দীর |
আকাশে উঠিছে অবিরাম।
অমেয় প্রেমের মন্ত্র ‘বুদ্ধের শরণ লইলাম।
সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধ সম্পর্কে বিভিন্ন সমইয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ও কবিতার একটা সংকলন এই বই। ৬টা কবিতা আর ৪টা প্রবন্ধ আছে। লেখকের কাছে বুদ্ধদেব ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ও দর্শন সম্বন্ধে নিজের ধারণাগুলো রবীন্দ্রনাথ প্রকাশ করেছেন তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে।
পীড়িত মানুষ মুক্তিহীন,
আবার তাহারে
আসিতে হবে যে তীর্থদ্বারে
শুনিবারে।
পাষাণের মৌনতটে যে বাণী রয়েছে চিরস্থির—
কোলাহল ভেদ করি শত শতাব্দীর |
আকাশে উঠিছে অবিরাম।
অমেয় প্রেমের মন্ত্র ‘বুদ্ধের শরণ লইলাম।
সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধ সম্পর্কে বিভিন্ন সমইয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ও কবিতার একটা সংকলন এই বই। ৬টা কবিতা আর ৪টা প্রবন্ধ আছে। লেখকের কাছে বুদ্ধদেব ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ও দর্শন সম্বন্ধে নিজের ধারণাগুলো রবীন্দ্রনাথ প্রকাশ করেছেন তাঁর লেখার মধ্য দিয়ে।
October 10, 2021
সব ধর্ম সম্পর্কেই আমার জ্ঞান খুব সীমিত।তবে ধীরে ধীরে জানার আগ্রহটা বাড়ছে।
এটা বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে আমার পড়া প্রথম বই।রবীন্দ্রনাথ পড়ে যে সুখ পাওয়া, এখানেও সে সুখ পেয়েছি।এটা মূলত একটা প্রবন্ধ সংকলনের বই।রবীন্দ্রনাথ তাঁর জাদুকরী ভাষায় বৌদ্ধধর্মের দর্শন বর্ণনা করেছেন, তুলনামূলক আলোচনা করেছেন।
বইটা পড়ে আমার মনে হয়েছে,রবীন্দ্রনাথের যে বিশ্বদর্শন, তা অনেকাংশেই বুদ্ধদেবকে তাঁর জীবনে উপলব্ধি করার মাধ্যমেই তিনি অর্জন করেছেন।
প্রিয় কয়েকটা লাইন তুলে দিচ্ছি:
"বিশেষ স্থানে গিয়ে, বিশেষ মন্ত্র পড়ে, বিশেষ অনুষ্ঠান করে মুক্তি লাভ করা যায়, এই বিশ্বাসের অরণ্যে যখন মানুষ পথ হারিয়েছিল, তখন বুদ্ধদেব এই সহজ কথাটি আবিষ্কার ও প্রচার করবার জন্য এসেছিলেন যে, স্বার্থ ত্যাগ করে, সর্বভূতে দয়া বিস্তার করে, অন্তর থেকে বাসনাকে ক্ষয় করে ফেললে তবেই মুক্তি হয়।"
এটা বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে আমার পড়া প্রথম বই।রবীন্দ্রনাথ পড়ে যে সুখ পাওয়া, এখানেও সে সুখ পেয়েছি।এটা মূলত একটা প্রবন্ধ সংকলনের বই।রবীন্দ্রনাথ তাঁর জাদুকরী ভাষায় বৌদ্ধধর্মের দর্শন বর্ণনা করেছেন, তুলনামূলক আলোচনা করেছেন।
বইটা পড়ে আমার মনে হয়েছে,রবীন্দ্রনাথের যে বিশ্বদর্শন, তা অনেকাংশেই বুদ্ধদেবকে তাঁর জীবনে উপলব্ধি করার মাধ্যমেই তিনি অর্জন করেছেন।
প্রিয় কয়েকটা লাইন তুলে দিচ্ছি:
"বিশেষ স্থানে গিয়ে, বিশেষ মন্ত্র পড়ে, বিশেষ অনুষ্ঠান করে মুক্তি লাভ করা যায়, এই বিশ্বাসের অরণ্যে যখন মানুষ পথ হারিয়েছিল, তখন বুদ্ধদেব এই সহজ কথাটি আবিষ্কার ও প্রচার করবার জন্য এসেছিলেন যে, স্বার্থ ত্যাগ করে, সর্বভূতে দয়া বিস্তার করে, অন্তর থেকে বাসনাকে ক্ষয় করে ফেললে তবেই মুক্তি হয়।"
Displaying 1 - 3 of 3 reviews




