বাংলা সাহিত্যের প্রথম দিকের গোয়েন্দা কাহিনী লেখকদের মধ্যে পাঁচকড়ি দে অন্যতম। নীল বসনা সুন্দরী পড়ে বুঝলাম সেই সময়ে এই বইটি কেনো এত পাঠকপ্রিয় হয়েছিল। গোয়েন্দা কাহিনীতে যেভাবে গোয়েন্দাদের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি এবং অনেক গুণসম্পন্ন দেখানো হয় এই বইতে সেটা একেবারেই ছিল না। বই পড়ে দেবেন্দ্রবিজয়কে অতি সাধারণ কেউই মনে হয়েছে যে বার বার হোঁচট খাচ্ছিল খুনীর বুদ্ধির কাছে, তারপরও তিনি তদন্ত চালিয়ে গিয়েছেন তার নিজস্ব গতিতে। তবে শেষপর্যায়ে মনে হয়েছে, রহস্যের দৈবাত সামাধান দেবেন্দ্রবিজয়ের কষ্টটা অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে।
শুনেছি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক গোয়েন্দা কাহিনী এই নীল বসনা সুন্দরী। ঘটনা সাজানো, টুইস্ট গুলো, চরিত্র বর্ণনা সবই ভালো। শুধু গোয়েন্দা ভদ্রলোককে বোকা লেগেছে। তবে এখানেও সিধু জ্যাঠা বা মাইক্রফট হোমসের ভুমিকায় একজন ছিলেন। সব মিলিয়ে বেশ ভালো।
I want to give it 3 star but then I realize this was written in so many years ago and at that time crime fiction in bengali literature was rare and that's why I give it one more. I really like the plot, but the only problem is its presentation (sometimes one fact repeated for several time). I read it in a PDF form and it's about 220 page .So it will be easy for beginner readers who want to read old bengali books specially if You have the courage and patience to read old bengali language.
***The best part of this book is that the detective one is not like very fictional, it's more like real and so he did lots of wrong unlike sherlock Holmes or Poirot or feluda.
অনেক আগের লেখা বই, সন তারিখ খুঁজে পাই নি। পাঁচকড়ি দে সম্ভবত বাংলা ভাষায় প্রথম মৌলিক ডিটেকটিভ উপন্যাস লেখক।সেই বিচারে যথেষ্ট রহস্যের খোঁজ আছে উপন্যাসে। বর্তমানকালের লেখালেখির মাপকাঠিতে বইটিকে মাপা পাঠকের উচিৎ হবে না।পাঁচ তারার বদলে চার তারা দেয়ার কারণ ডিটেকটিভ দেবেন্দ্রবিজয় পদে পদে ভুল করেছেন, অপরাধী নিজে থেকে ধরা না দিলে তাঁর পক্ষে ধরা সম্ভব ছিল না। ডিটেকটিভ উপন্যাসে ডিটেকটিভই মূল চরিত্র, তাঁর এতোগুলো ভুল দৃষ্টিকটু।
'উপন্যাসে গোয়েন্দা ভুল করে না, বাস্তবের গোয়েন্দারা অহরহ ভুল করে,' যখন কাহিনীর গোয়েন্দার মুখেই এই কথা শোনা যায়, তখন তার যে কী অবস্থা, সেটা আর বলে দিতে হবে না। একেন বাবুও নাহয় সহজ-সরল মানুষ, এই দেবেন্দ্রবিজয় যে কী সেটা বলতে গেলে স্পয়লার দেয়া হয়ে যাবে। তবে যেহেতু বাংলা সাহিত্যের প্রথম দিককার গোয়েন্দা গল্প, পড়ে দেখা যেতেই পারে। প্লটটা ইন্টারেস্টিং, শুধু গোয়েন্দা মহাশয় ভীষণ বোকা।
গোয়েন্দারাও যে নাকানিচুবানি খেতে পারেন আর বার বার ঘোট পাকিয়ে ফেলতে পারেন সেটা এই বই না পড়লে বিশ্বাস করতাম না। যেখানে শার্লক দুই সেকেন্ডে অর্ধেক রহস্য ভেদ করে ফেলেন, ব্যোমকেশ প্রথম দিনই বুঝে যান খুনি কে আর ফেলু মিত্তির কে কোন খুনীই কুপোকাৎ করতে পারেনা সেখানে নীলবসনা সুন্দরী পড়ে বিষম খেতে হয় বৈ কি। ভালো লেগেছে।
প্রথমদিকে বেশ লাগছিলো। অন্ধকার রাত, কুয়াশা, কয়েক মিটার পর পর কেরোসিন এর লণ্ঠন, প্রাচীন কলকাতা, রাস্তায় কুকুর, শিয়াল, হিন্দী কনভারসেসন...কিন্তু চতুর্থ খণ্ডএর পর থেকেই কেমন টানটান ভাবটা কেটে। উপন্যাস টাকে কেমন যেন দীর্ঘআয়িত করার প্রচেষ্টা। শেষের দিকে শেষ করতে হলে ধৈর্যশীল হতে হবে। মোবারক চরিত্রটা বেশ ইন্টারেস্টিং। বাকিরা সো সো। মাইক্রফট হোমস এখানে উপস্থিত। ভালো তবে আরো আগে শেষ হলে ভালো হত। তবে বাংলা সাহিত্যের ঊষালগ্নে এরকম থ্রিলিং উপন্যাস সত্যিই ভাবা যায় না। থ্রি আউট অফ ফাইভ।