Jump to ratings and reviews
Rate this book

দিনলিপি

Rate this book
Cover Design Dhrubo Esh

59 pages, Hardcover

Published February 1, 2015

2 people are currently reading
61 people want to read

About the author

Syed Mujtaba Ali

82 books448 followers
Syed Mujtaba Ali (Bengali: সৈয়দ মুজতবা আলী) was a Bengali author, academician, scholar and linguist.

Syed Mujtaba Ali was born in Karimganj district (in present-day Assam, India). In 1919, he was inspired by Rabindranath Tagore and started writing to the poet. In 1921, Mujtaba joined the Indian freedom struggle and left his school in Sylhet. He went to Visva-Bharati University in Santiniketan and graduated in 1926. He was among the first graduates of the university. Later, he moved to Kabul to work in the education department (1927–1929). From 1929 to 1932 he studied at the universities in Berlin, London, Paris and Bonn. He earned Ph.D. degree from University of Bonn with a dissertation on comparative religious studies in Khojas in 1932.
In 1934-1935 he studied at the Al-Azhar University in Cairo. Subsequently, he taught at colleges in Baroda (1936–1944) and Bogra (1949). After a brief stint at Calcutta University (1950), Mujtaba Ali became Secretary of the Indian Council for Cultural Relations and editor of its Arabic journal Thaqafatul Hind. From 1952 to 1956 he worked for All India Radio at New Delhi, Cuttack and Patna. He then joined the faculty of Visva-Bharati University (1956–1964).

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (12%)
4 stars
9 (28%)
3 stars
14 (43%)
2 stars
3 (9%)
1 star
2 (6%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for Shishir.
191 reviews41 followers
September 26, 2025
- সৈয়দ সাহেব বোধহয় চাইলেও খারাপ লিখতে পারেন না। যেমন একদিন লিখলেন -


২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৭

সূর্য অস্ত যাব-যাব করছেন এমন সময় পারে পৌছলুম । আকাশে ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘ ছিল, অন্যদিনেরই মতো। ভাবলুম কালকের মতো আজও ফাগের খেলা জমে উঠবে। প্রথম লক্ষণ দেখাও দিল। আকাশ ফিরোজা সবুজ শাড়ি পরল— আস্তে আস্তে গয়না চাপাব চাপাব করছে, এমন সময় দেখি শাড়িখানাই ফিকে হয়ে হয়ে, কেমনধারা সেই ছাইনীল হয়ে গেল । সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে দেখি তারো সেই ফিকে শ্যাওলা সবুজ রঙ। চারদিকেই কেমনধারা আধমরা ছাইরঙ ধরতে লাগল ।

কালকের দিনের সব সাজসরঞ্জামই ছিল কিন্তু কেন জানিনে খেলা শুরু হতে হতে বন্ধ হয়ে গেল।

তখন দেখি আকাশে দ্বিতীয়বার অতি ক্ষীণ চাঁদের অত্যন্ত ম্লান ঝিলিক । যেন হিমালয় তার সব রং সব সৌন্দর্য মুছে দিলেন, আড়ম্বর-আভরণহীনতার মাঝখানে দুখিনী কন্যাকে ঘরে তুলবেন বলে । চাঁদের মুখে তাই কি ধীরে ধীরে হাসি ফুটতে লাগল?

অন্ধকার যখন ঘনতর হল তখন চাঁদের মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল । আর সবাই, মেঘ জল বালুচর আপন আপন আলো নিভিয়ে দিয়ে চাঁদের দিকে উদ্‌দ্গ্রীব হয়ে তাকিয়ে । বরণশেষে বাড়ি ফিরলুম।
Profile Image for Shuk Pakhi.
514 reviews318 followers
February 4, 2016
রাজশাহীর গরমে আলী সাহেব অস্থির হয়েছেন, পদ্মার ঢেউয়ে মুগ্ধ হয়েছেন।
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সূর্যাস্তের বর্ণনায় সেকি অসাধারন সব উপমা ব্যবহার করেছেন।
Profile Image for Akash.
446 reviews151 followers
November 24, 2022
সৈয়দ মুজতবা আলী আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক। ওঁনার সবগুলো বই দুই-তিন বার করে পড়েছি। কিন্তু এ বইটা ভাল লাগেনি। এই বইটা প্রকাশ না করলেই বোধহয় ভাল হত। এই বই দিয়ে মুজতবা আলীকে বিচার করলে ভুল হবে।

পদ্মার চারপাশের জল, হাওয়া, প্রকৃতির বর্ণনা; গরম, বৃষ্টি-মেঘ, ধুলো, আবহাওয়ার সাধারণ বর্ণনা ছাড়া অন্যকিছু নেই বইতে। প্রতিদিনের দিনলিপি। এই বই অবশ্যপাঠ্য নয়।
Profile Image for Ummea Salma.
126 reviews124 followers
February 18, 2021
বইয়ের অর্ধেকটা আবহাওয়ার আর পদ্মার বর্ণনা আর বাকিটা সমুদ্র, সূর্যাস্ত, রাত আর চাঁদ এর বর্ণনা।
Profile Image for Shadin Pranto.
1,484 reviews564 followers
December 7, 2016
৬০ পৃষ্ঠার এ বইতে বেশিরভাগ পাতা খরচ হয়েছে আবহাওয়ার বর্ণনা দিয়ে। একেবারে মন্দ নয়।
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
475 reviews16 followers
February 18, 2022
এর আগে সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণ কাহিনী সম্বলিত গ্রন্থ দেশে বিদেশে পড়েছি। ভালোই লেগেছিল। মাত্রই লেখকের দিনলিপি বইটি শেষ করলাম। ৬০ পৃষ্ঠার ছোট একটা বই। রাজশাহী, মানিকগঞ্জ আর কোলকাতার কাহিনী। তবে ভ্রমনের চেয়ে আবহাওয়া আর প্রকৃতির বিবরণই ছিল বেশি পুরো বই জুড়ে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে অল্প অবসরে সময় কাটাবার জন্য বেশ ভালো একটা বই।
Profile Image for NMA Zami.
26 reviews2 followers
May 4, 2021
এই লোকটার কাছে অনেক কিছু শিখেছি
Profile Image for A. M. Faisal.
76 reviews20 followers
May 8, 2020
৬০ পৃষ্ঠার ছোট্ট পুস্তক। মুজতবীয় রসে টইটম্বুর না হলেও ১৯৬৭ সালের কালিপূজোর বর্ণনাতে সেই স্বাদ পুরোপুরি আমেজে মেলে।
তাঁর এই ধরণের ডায়রি লেখার প্রণোদনা তাঁর অগ্রজ সৈয়দ মুর্তজা আলী থেকে তা তিনি প্রথমেই বলে নেন।
বইয়ের অর্ধেক অংশ কেবল আবহাওয়ার বর্ণনা। শেষে কিছু কবিতার সম্মিলন। উনার কবিতার হাত নিতান্ত আনাড়ি না হলেও অতি উৎকৃষ্ট নয়-তা বোধ করি বুঝতে পণ্ডিত হওয়া লাগে না।
প্রথম অর্ধেক রাজশাহীতে ১৯৬০ সালের দেড় মাস (এপ্রিল-মে) থাকার কাহিনী। মোটামুটি নিয়মিত লিখে গেছেন কোনদিন কোন দিক থেকে হাওয়া আসছে, কোন দিকে লু এর মত দাবদাহ যাচ্ছে। পদ্মার বুকে চরের বর্ণনা, পালতোলা নৌকার বর্ণনা, উজানে ভাটিতে ছুটে যাওয়া মহাজনি, জুড়িন্দা, জালি আর ডিঙি নৌকার গতিবিধি - এসব দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। কাব্যিকতার প্রকাশ ঘটেছে উপমা তৈরিতেঃ উত্তর-দক্ষিনের বাতাস এসে যখন হুমড়ি খেয়ে পড়ল সেটা যেন লেখকের দুই ছেলের মারামারি। আবার এই তপ্ত রাজশাহীর মাঝে জ্যৈষ্ঠ মাসে বর্ষার দেখা পেয়ে উদ্বেলিত সৈয়দ সাহেব। আর তাঁর যাবতীয় অভিযোগ রাজশাহীর গরম নিয়ে। এখানকার বর্ণনায় বেশির ভাগ জায়গায় স্থান পেয়েছে কয়টায় ঝরোকা বাতাস এলো, কোন ভোরে গায়ে চাদর টানা লেগেছে, কোন দুপুরে খালি গায়ে থাকা গেছে - এসব। পদ্মা নিয়ে মুগ্ধতা ও উচ্ছ্বাস তুলনামূলক কম।
সে বছর কুরবানির ঈদ হয়েছিল ২৩ জ্যৈষ্ঠতে।
এরপরের অংশে ১৯৪৭ সালে মাদ্রাজে আডিয়ার সৈকতের (বর্তমানে এডওয়ার্ড এলিয়ট বিচ) কাছে থাকাকালীন সময়ে সমুদ্র দর্শনের মোহাবিষ্ট বর্ণনা। কি করে সেখানে সূর্য নামে, সাগরের ঢেউয়ের উচ্ছৃঙ্খল আছড়ে পড়া, নিয়ত গর্জে চলা সাগরের বাতাস, জেলেপাড়ার ব্যস্ততা, নারকেল গাছের উদ্ভ্রান্ততা - এসবের মায়াবী ও অতি ভাবালু শব্দযোগে বিবরণ আমরা পাই। রাজশাহীতে কৌতূহলী দৃষ্টিতে যেমন স্নানাহেতু আগন্তুক নারীদের দেখেছেন, সাঁওতাল রমণীদের মাঝে বোলপুরের সাঁওতালদের মিল খুঁজেছেন, তেমনি মাদ্রাজেও জেলেপাড়ার রমনীদের নিয়ে তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষন চালিয়েছেন। তবে এ অংশের মূল আকর্ষণ সৈকতের বর্ণনায়। মুগ্ধ কবির উপমার প্রয়োগে জর্জরিত কাগজের পৃষ্ঠায়। মাদ্রাজের আবহাওয়ার বিবরণও আছে কোলকাতার চোখে। মেঘের যাত্রা, বর্ষার অনিয়মিত আগমন।
১৯৫৫ সালে একটি স্বপ্ন দেখার কাহিনী আছে। সেই স্বপ্নে একটা রম্য গল্প ফেঁদে বসে আছেন।
১৯৬৭ সালে কোলকাতায় থাকাকালীন কালিপূজা উপলক্ষ্যে লাউডস্পিকারের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন তাঁর স্বভাবসুলভ রসিক ভঙ্গিতে। সময়-কালের তোয়াক্কা না করে ফিল্মি গানের অত্যাচার চালানোর বর্ণনা দিতে গিয়ে স্মরণ করেছেন তুলসিদাসকে। দাস যেমন বানরদের লঙ্কা আক্রমণের উদ্ভট অবস্থাকে ব্যাখ্যা করেন বিকট অনুপ্রাস প্রয়োগে ঠিক তেমনি।
কটকটহি মরকট বিকট ভট কোটি কোটইগহ ধাবহি

এর স্থলে ক্লাসিকাল বা রবীন্দ্র সঙ্গীত উচ্চশব্দে ছাড়লেও তিনি হয়তো খুশি হতেন।
শেষ দিকে এসে লেখকের একটি গান, কিছু কবিতার সন্নিবেশ ঘটেছে।
পাঁচ তারকার যোগ্য না, কিন্তু লেখক ব্যক্তিগত পসন্দিদা লোক। তাই কমে হলো না।
Profile Image for Mohsina Ajmee.
13 reviews19 followers
October 30, 2022
আংকেলের রিকমেন্ডে সৈয়দ সাহেবের দিনলিপি পড়া শুরু করেছিলাম।আংকেল বলেছিলেন "পড়ে দেখো তোমার ভালো লাগবে"। ভালো লেগেছে বোধকরি ব��তে পারবো না, তবে ভালো খারাপ মিলিয়েই আছে।

পুরোটা বই জুড়ে কেবলই আবহাওয়ার বর্ণনায় ভরপুর। এতো বর্ণনা বোধহয় অতীতে কোনো লেখক দিয়ে যাননি।

যাহোক সৈয়দ সাহেব রোজ দিনের খবরাখবর লিখেছেন তাঁর দিনলিপিতে।তা অবশ্য ভালোই। কোনদিন বেশ গরম পড়েছে, কোনদিন ঝোড়ো-হাওয়া হয়েছে সবই লিখেছেন।

সবমিলিয়ে মোটামুটি-ই বলা যায়।
Displaying 1 - 9 of 9 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.