Jump to ratings and reviews
Rate this book

ক্রেনিয়াল

Rate this book
কোয়ান্টাম কম্পিউটার যুগে মানবসভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেছে আত্মঘাতী নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণে। বেঁচে আছে অল্পসংখ্যক মানুষ। সেই ধ্বংসস্তুপে তাদের হাত ধরেই শুরু হল সভ্যতার নতুন পথচলা। প্রাচীরঘেরা শহরে শহরে গড়ে উঠল যন্ত্রসর্বস্ব এক অমানবিক জীবনধারা। সেখানে জ্ঞানেবিজ্ঞানে পারদ্ররশী করে তোলার জন্য মানুষের মাথায় লাগিয়ে দেওয়া হয় ক্রেনিয়াল। কিন্তু সে কেবলই বাধ্য ও অনুগতদের জন্য, যদি কেউ প্রশ্ন করে বসে, তার কিন্তু রেহাই নেই, ডিটিউন করে তার মস্তিষ্ককে অচল করে দেওয়া হয়। মস্তিষ্কহীন যন্ত্রচালিত এই পৃথিবীতে অবাধ্যতার ঢেউ তুলে এগিয়ে এল এক কিশোরী আর এক কিশোর। তিশা আর রিহি। ধুধু মরুপ্রান্তরে শুরু হল তাদের বিপদজনক অভিযাত্রা। এই বইটি সেই অভিযাত্রারই এক রুদ্ধশ্বাস উপাখ্যান। অনাগত ভবিষ্যৎকে নিয়ে এ এক অসাধারণ কল্পকথা।

152 pages, Hardcover

First published February 1, 2016

16 people are currently reading
203 people want to read

About the author

Muhammed Zafar Iqbal

402 books1,606 followers
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (Bengali)

Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.

Birth and Family Background:
Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.

Education:
Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.

Personal Life:
Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.

Academic Career:
After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.

Literary career:
Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.

Other Activities and Awards:
Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
95 (16%)
4 stars
157 (26%)
3 stars
216 (36%)
2 stars
81 (13%)
1 star
37 (6%)
Displaying 1 - 30 of 40 reviews
Profile Image for সালমান হক.
Author 67 books1,974 followers
March 5, 2016
প্রতিবারই ঢালাও ভাবে স্যারের বই এর সমালোচনা করতে করতে ক্লান্ত। আসুন একটু অন্যচোখে বইটা নিয়ে কথা বলি।
ধরলাম যে বইটা পড়েছে তার বয়স তের -চোদ্দ। এর আগে জাফর ইকবালের লেখার সাথে তেমন পরিচয় নেই। তার পড়া প্রথম সায়েন্স ফিকশন। সে কি বইটা পড়ে তৃপ্তি পাবে?
আমকে দিয়ে বিচার করলে উত্তরটা হবে, না। বরং বলা যায় "সায়েন্স ফিকশন" এর প্রতি একধরণের অনীহাও চলে আসবে। অথচ সামান্য একটু এফোর্ট দিলেই বইটা অন্যরকম হতে পারতো কিন্তু।
প্লট এর দিক থেকে এটা নিখাদ সাইন্স ফিকশন নয় । পোস্ট এপোক্যালিপ্টিক ডিস্টোপিয়ান বলা যায়। ডাইভারজেন্ট এ যেরকম দেখা যায়। কিন্তু ঐ যে কোন প্রকার নতুনত্ব নেই। উনার আগের বইগুলো থেকেই খাবলা খাবলা নিয়ে এক করে লেখা। পাগলাটে বিজ্ঞানী, দুষ্টু কম্পিউটার, শহরের দেয়ালের বাইরে নিরুদ্দেশ যাত্রা -এসবই আগে দেখা। আসলেও হতাশ। তবে হ্যা, গত দুই বছরে সাইন্স ফিকশন ট্যাগ দিয়ে যে বইগুলো বের হয়েছে, সে তুলোনায় একটু ভালো প্লট।
আর ভাষা!! এটা নিয়ে না বললেই নয়। মনে হয়েছে কোন টিনেজারের লেখা প্রথম উপন্যাস। বিশেষ করে দস্যু দলের ভাষা পড়ে তো মনে হচ্ছিল যে রেখেই দেই।
কারো জন্যেই রিকমেন্ডেড না বইটা
Profile Image for সাদমান হুসাইন.
155 reviews36 followers
February 8, 2017
এক চামচ ডাইস্টোপিয়া, এক চামচ টার্মিনেটর মার্কা বদ কম্পিউটার, এক চামচ নিউক্লিয়ার বোম্ব, ক্রোমিয়াম অরণ্য, রুহান রুহান থেকে কয়েকটা পাতা ছিড়ে কুটিকুটি করে দেয়া, দুইচিমটি টিন-এজ নায়ক নায়িকা, তাদের কথাবার্তা, আর দুইটা বড় ডালের চামচ ভর্তি করে ম্যাডম্যাক্স । সাথে মশলা হিসেবে দিবেন কমন কিছু ডায়লগ। "আমি অবাক হয়ে দেখলাম, মেয়েটাকে দেখে হঠাত করে খুব দুঃখী একটা মেয়ে মনে হতে লাগলো, আমার বুকের মাঝে হাহাকার করে উঠলো"-- এই সব।

এইবার জোরসে ঘুঁটা দেন, পেয়ে যেবেন ক্রেনিয়াল । জোরসে ঘুঁটা না দিলে এমন তাড়াহুড়া করে লিখা বই পাবেন না, ঘুঁটার স্পিড যেন না কমে। হ্যাপি রিডিং।
Profile Image for Suraia Munia.
67 reviews41 followers
March 9, 2017
Zafor iqbal is one of my favorite Bangla author mainly because not too many people bothers to write for kids. However, he should really stay away from writing science fictions. The book lacked character depth and creativity. I read YA books all the time and i enjoy when its a good book. Major disappointment! I am grateful that I didn't invest my money for this
169 reviews62 followers
July 12, 2017
আজকাল মুজাই স্যারের সাই-ফাই কিনে টাকা নষ্ট করা আর মেজাজ খারাপ করা বাদ দিয়েছি। তবুও হাতে পড়ে গেল। কি মনে করে পড়ে ফেললাম। কোনো "আশা" করিনি, জানি খারাপই হবে। আশা নিয়ে পড়িনি তাই কম খারাপ লেগেছে। তাই একের জায়গায় দুই তারা দিলাম। "ক্রোমিয়াম অরন্য" আর "ফিনিক্স"- এর আশি ভাগ নকল আর "পৃ"-এর বিশ ভাগ। পৃ-এ তরলে ডোবানো অসংখ্য মস্তিষ্ক ছিলো আর ক্রেনিয়াল-এ শূন্যে ঝোলানো অসংখ্য মানুষের শরীরেই, এই যা তফাৎ!
ও হ্যাঁ, আর কিছু "রুহান রুহান।"
মুজাই স্যার যে আজকাল কেন ফিকশন লিখেন! শুধু সায়েন্স আর কলাম লিখলেই তো অনেক হয়।
Profile Image for Shafaet Ashraf.
Author 1 book119 followers
April 8, 2016
মোটামুটি অখাদ্য একটা সায়েন্স ফিকশন। আমি না হয় টিনেজ বয়স পার করে এসেছি, ১৪-১৫ বছরের ছেলেমেয়েদেরও কি এই বইটা ভালো লাগবে? আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
Profile Image for Anirban Azad.
50 reviews4 followers
April 26, 2021
ম্যাটমেটে গল্প। শুরুতে ভাল্লাগসিলো কিন্তু গল্পটা শেষে গিয়ে ভাবসিলাম ডার্ক হয়ে যাবে।
এ টাইপের লেখা এমনিও বাঙালির খুব একটা ভালো ইতিহাস নাই। কড়া lore আর eco-system বানানো তো বহুত দূরের কথা। Dune franchise থেকে কিছুটা বাগায়া নিয়ে লিখসে মনে হইলো যা। তো যাই হোক প্রোপার ইনফো আরও দিলে পরিবেশটা detailed করলে আরও crisp আসতো। আর ক্লাসিক জাফর ইকবাল... শেষ মেশ রেমেডি একটা ধরায়েই দেয় (যদিও স্ট্রাগল দেখায়) but ক্যারেক্টার গুলাকে বেশী অ্যামেচার বানায় দিসে। আর যদি Dystopian post apocalyptic এর কথা ভাবি নেহাতই Madmax মনে হইসে XD
যাইহোক একেবারে খারাপ না তবে বহুত childish লেখা...
Profile Image for Mahir Farhan Khan.
27 reviews85 followers
August 5, 2016
প্রতিবছর বইমেলাতেই মুহম্মদ জাফর ইকবালের সাইন্স ফিকশনের প্রতি আলাদা একটা আকর্ষণ থাকে। এইবারও সেই আকর্ষণ থেকেই কিনলাম ক্রেনিয়াল, পড়েও ফেললাম সুযোগ পাওয়া মাত্রই। বইটা পড়ার পরের অনুভূতি মিশ্র।

বইটার শুরুতে যাওয়া যাক। শুরুতেই জানা যাবে ভবিষ্যতের অজানা এমন একটা সময়ের কথা যখন পারমাণবিক যুদ্ধে বিধ্বস্ত পৃথিবীতে টিকে আছে মাত্র কয়েক হাজার কি কয়েক লাখ মানুষ। সেই মানুষরা থাকে প্রচন্ড নিয়মের ঘেরাটোপে প্রাচীরঘেরা একিকটা শহরে। কাহিনী কি খুব চেনাচেনা লাগছে? হ্যা, এই পর্যন্ত পড়ার পর আমারও মনে হচ্ছিল নতুন কিছু পড়ছি না, 'ক্রোমিয়াম অরণ্য' বইটারই একটু পরিবর্তিত সংস্করণ পড়ছি। তবে কাহিনী যতই আগাতে থাকলো 'ক্রোমিয়াম অরণ্যের' সাথে কিছুটা মিল থাকলেও কাহিনী নিজের মতো একটা রূপ পাচ্ছিল। তারপর পড়তে পড়তে যখন কাহিনীর মধ্যে বেশ ঢুকে গেছি তখন হঠাৎ করে দেখি বইটা শেষ! বইটার এন্ডিংটা এমন যে পড়লে মনে হয় প্রকাশক যেন লেখককে তাড়া দিয়েছিল পরেরদিনেই বইটা শেষ করা চাই, ফলে লেখক এক রাতের মধ্যে এন্ডিংটা লিখে প্রকাশকের হাতে ধরিয়ে দিয়েছে। কাহিনীর শেষে আসলেই এইরকম তাড়াহুড়ার ছাপ বেশ স্পষ্টভাবেই ছিল।

তবে শুরুতে ক্রোমিয়াম অরণ্যের সাথে মিল আর শেষে এই তাড়াহুড়া বাদ দিলে বাকি কাহিনী ভালোই লেগেছে, মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখনী নিয়ে তো নতুন করে কিছু বলার নাই, সেইটা সবসময়ের মতোই ভালো। তবে স্যারের মনে হয় উচিৎ প্রত্যেক বইমেলায় বই প্রকাশ করতেই হবে এই চিন্তা বাদ দিয়ে কয়েক বছর সময় নিয়ে আরো বৈচিত্রপূর্ণ বই লেখা।
Profile Image for Depro Das.
26 reviews6 followers
November 19, 2016
আমার ১৭তম জন্মদিনের উপহার হিসেবে পেয়েছিলাম এই বইটা। যে বিদুষী এই বইটা দিয়েছিলেন তিনি যে অসম্ভব বুদ্ধিমান সে বিষয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। একদিকে আমার প্রিয় লেখকের বই, কেবল মাত্র বেরিয়েছে বইমেলায়; অন্যদিকে তিনি বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে শুধু ২১শে ফেব্রুয়ারির দিন বইটা দিয়েছে।
বইটা পড়তে অনেকটা 'প্রডিজি' আর 'ক্রোমিয়াম অরণ্য' বইয়ের মত। আবার যারা আমার মত মুভিপোঁকা তারা 'Mad Max: Fury Road' এর সাথেও বেশ কিছু মিল খুঁজে পেতে পারে- সবদিক দিয়ে একটা মজার কম্বিনেশন। প্রতিটা বইয়ে জাফর ইকবাল স্যার যেমন একটা শিক্ষামূলক উদ্ধৃতি অনুধাবন করার জন্য ইঙ্গিত দিয়ে যান- এই নিয়মটারও ব্যাতিক্রম ঘটে নি 'ক্রেনিয়াল' বইটায়। যাদের 'ক্রেনিয়াল টিউব' নেই, যারা স্বপ্নের ডানা মেলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ- কেবলমাত্র তারাই সেটা অনুধাবন করতে পারবে।
Profile Image for Prashanta Acharjee.
7 reviews8 followers
April 17, 2017
বইটা অনেক দিন ধরে বাসায় ছিলো। পড়া হয় নাই। আজকে পড়লাম। গল্প হিসেবে গুছায়ে উঠার আগেই শেষ। কাহিনীর টানাপোড়ন নেই একেবারে। দস্যু দলের মুখে ভাষার ব্যবহার জুতসই লাগলো না। খুব সম্ভবত বছরে একটা সায়েন্স ফিকশান লিখতে হবে সেই কারণেই লিখা। তবে গুডরিডসে এসে সবার ঝাঁঝালো রিভিউ একটু হতাশ হলাম। পরিসংখ্যানের হিসেবে এমন বাজে গল্প গুলোই পরবর্তীতে ভালো গল্পের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। একশটা বই লিখলে কিছু ভালো কিছু মন্দ হবেই। তবে এটা ঠিক, কোনো সায়েন্স ফিকশান না পড়ে প্রথমবার এই পড়লেও ভালো লাগতো না।
Profile Image for Galib.
276 reviews69 followers
July 14, 2017
যে বইগুলোর দাম পৃষ্ঠা সংখ্যার চেয়ে তুলনামূলক বেশী,সেগুলো বেশীরভাগ সময়ই যে চমৎকার অখাদ্য হয় হয়,-তার একটা প্রকৃষ্ট উদাহরণ 'নানু/দাদু-ভাইর' লেখা এই বইটা ।

( কোনোদিন সুযোগপেলে এদের বিরুদ্ধে যে মামলা করুম,-এ ব্যপারে আমি শতভাগ নিশ্চিত ! >_< )
Profile Image for Wasee.
Author 51 books787 followers
April 3, 2016
গতানুগাতিক একই ধারার প্লট। তবে বিগত কয়েক বছরের এনিম্যান , ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা অথবা সেরিনা এর সাথে তুলনা করলে কিছুটা ভাল বলা যেতে পারে ।
আর তাড়াহুড়ার ছাপ খুব প্রকট ভাবে থেকে গিয়েছে, কাহিনী শুরু হতে হতেই শেষ ।
Profile Image for Rifat.
501 reviews327 followers
October 14, 2020
যদিও সাই-ফাই খুব একটা পড়া হয় না আমার। কয়েকটা যাও পড়েছি জাফর স্যারেরই লেখা। আর বেশির ভাগই আমাকে হতাশ করেছে। কি জানি কোনগুলা পড়ছি ¬_¬
এই বই পড়ে মনে হল ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একই কাহিনী পড়তেছি। জাফর স্যারের অন্য বইয়ের সাথে মিল আছে বহুত। ভালো লাগে নাই। মেলা হতাশ হয়ে গেছি >_<
Profile Image for Marin Zabed.
84 reviews102 followers
February 24, 2016
What do I think? Let Me see, it is a synthesis of 3/4 sci-fi by mzi sir. That is EXACTLY what I think. Really, truly, deeply unexpected from him.
122 reviews10 followers
April 20, 2016
২.৫ তারা।

বইটি সম্পর্কে একটি বাক্যই যথেষ্ট যা মুহাম্মদ জাফর ইকবাল নিজে লিখেছেনঃ চিকি চিকি চিঙড়া -_-
Profile Image for Shayed Shakib.
33 reviews20 followers
July 9, 2017
বেশ ভালোই বলা যায়, প্লট কমন, এর আগেও এরকম ব্যবহার করছেন সেম প্লটে, তবু মোটামুটি মানের লেগেছে, মাঝে মাঝে “রুহান রুহান” এর কথা মনে হয়েছে। ৩.৫/৫
Profile Image for Ishra Maria.
101 reviews
June 25, 2021
কোয়ান্টাম কম্পিউটারের যুগে মানব সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেছে আত্নঘাতী নিউক্লিয়ার বোমা বিস্ফোরণে।বেচে থাকা অল্প কিছু মানুষদের নিয়ে গড়ে উঠেছে নতুন সভ্যতা।প্রাচীর ঘেরা সব শহরে গড়ে উঠছে যন্ত্র নিয়ে এক অমানবিক জীবনব্যবস্থা।যেখানে পড়াশোনার বিকল্পে নির্দিষ্ট বয়সে মাথায় বসিয়ে দেওয়া হয় ক্রেনিয়াল।কোনো ধরনের প্রশ্ন করা হলে ডিটিউন করে মস্তিষ্ক অচল করে দেওয়া হয়।
টিশার কৌতূহল বেশি হওয়ায় একসময় তাকেও ডিটিউন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।টিশা তাই শহর ছেড়ে পালালে রিহিও পালিয়ে যায় তার পেছনে।একসময় তারা দস্যুর হাতে পরে।দস্যুরা তাদের বিজ্ঞানী লিংলির কাছে বিক্রি করে দেয়।বিজ্ঞানী লিংলি তাদের নিউরাল কম্পিউটারে ব্যবহার করতে চায়।নিউরাল কম্পিউটার মুলত কাজ করে মানুষের মস্তিষ্ক ব্যবহার করে।রিহি ও টিশা একদিন সুযোগ বুঝে তাদের কাজে নিযুক্ত ডিটিউন করা মহিলা আর ক্রেনিয়াল বসানো পুরুষকে ঘায়েল করে বেরিয়ে আসে।ক্রমেই তারা আবিষ্কার করে বড় হল ঘর ভর্তি অসংখ্য নর-নারীকে সুক্ষ্ম ফাইবার দিয়ে উপর থেকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।এদের মুলত ব্যবহার করা হতো নিউরাল কম্পিউটারে।তারা নিউরাল কম্পিউটারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় শহর বাসী এসে হাজির হয় সেখানে এবং জানতে পারে নিউরাল কম্পিউটারের আসল রহস্য।পরবর্তীতে বিজ্ঞানী লিংলি আত্নহত্যা করে।রিহি,টিশা এবং শত শত তরুন তরুণী মিলে গঠন করে নতুন শহর।
1 review
March 1, 2020
ক্রেনিয়াল বইটি আমি যখন ক্লাস ৭ এ পড়ি তখন পড়েছিলাম। সেসময় আমার কাছে মনে হয়েছিল এটি অন্যতম সেরা একটা বই। সেই ভালোবাসায় এবছর বইটি আবার পড়ি। তবে সেই মজাটা আর পাইনি কারণ এবার পড়ার সময় এটিকে জাফর ইকবাল স্যারের অন্য সায়েন্স ফিকশনগুলোর মতো একই মনে হয়েছে। সেই দুইজন কিশোর-কিশোরীর অসাধ্য সাধন, নিউক্লিয়ার বোমের আঘাতে মানব সভ্যতা প্রায় ধ্বংস ইত্যাদি পুরাতন কনসেপ্টগুলোই আবার এই বই এও ঢোকানো হয়েছে।
তবে যারা এখনও স্যারের লেখা পড়েনি তাদের জন্য এটি সুখপাঠ্য হবে বলে আমি মনে করি। আর যারা স্যারের রিটিন বা রুহান রুহান কিংবা ক্রোমিয়াম অরণ্য এর মতো সায়েন্স ফিকশনগুলো পড়েছেন তাদের কাছে কিছুটা একঘেয়ে লাগতে পারে।
Profile Image for Tisha.
205 reviews1,119 followers
April 14, 2025
আবার বলি, আমি সায়েন্স ফিকশনের বড় কোন ভক্ত না। সায়েন্স ফিকশন বই পড়তে/মুভি দেখতে বসলে সব কাহিনী একই টাইপ লাগে। ক্রেনিয়াল পড়তে গিয়েও একইভাবে ‘The city of Ember’ আর ‘Mad Max’-এর কথা মনে হচ্ছিল!তারপরও স্যারের বই তো! ভালোই লেগেছে পড়তে। শুধু রিহি’র হঠাৎ করে এতো বুদ্ধিমান হয়ে ওঠার ব্যাপারটা একটু অদ্ভুত লেগেছে। এছাড়া সব ঠিকই ছিল। :)
Profile Image for Mohammad  Saad.
85 reviews38 followers
April 3, 2020
যেহেতু লেখকের আগের অনেকগুলো সায়েন্স ফিকশন পড়েছি, তাই আমার জন্য বইটিতে নতুন তেমন কিছুই ছিল না।
শুধু আমি না! বিগত একযুগ ধরে লেখকের পাঠকেরা একই টাইপের লেখা হজম করে আসছে। তবে যারা লেখকের নতুন পাঠক, তাদের জন্য অবশ্যই 'ক্রেনিয়াল' একটি সুখপাঠ্য বই।
February 13, 2023
জাফর ইকবাল স্যারের যেকোনো বই আমাকে বরাবরই মুগ্ধ করেছে। ক্রেনিয়াল অনেক আগে পড়া একটা বই অথচ ২০২৩ - এ বসে যখন আবার পড়লাম তখন নতুন ধারা স্বাদ পেলাম। মনে হলো যেন এটা ২০২৩ সালকে ক��ন্দ্র করেই লেখা। এই ব্যাপারটাই দারুণ!
Profile Image for Sumaiya Shams.
3 reviews
July 2, 2017
Massively disappointing. Read like it was straight from Mad Max: Fury Road.
Profile Image for Maisha Samiha.
76 reviews73 followers
September 2, 2018
সুন্দর ও সুখী এন্ডিং এর প্রতি আমি বরাবরই দুর্বল। একটা সুখী পরিণতির জন্য একটা স্টার বেশি!
Profile Image for Shukti Seed.
4 reviews2 followers
April 3, 2019
আমার ভাল লাগে সাইন্স ফিকশন। স্যার ভাল লিখে এটাও ভালই। পরে দেখতে পারেন।
Profile Image for Sudip Ghosh.
61 reviews3 followers
August 2, 2022
তেমন নতুনত্ব নেই। শুরুর দিকটা মোটামুটি ভালো লেগেছিল, কিন্তু পরে যেয়ে যে-ই সে-ই। লেখকের অন্যসব সায়েন্স ফিকশনের মতোই। শেষের দিকে কাহিনী ম্যাড়মেড়ে লেগেছে, জমজমাট কিছু দাঁড়ায়নি।
Profile Image for সারস্বত .
237 reviews135 followers
April 8, 2016
☼ রিভিউ ☼
উপন্যাসের নামঃ ক্রেনিয়াল
লেখকঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল
জেনারঃ সায়েন্স ফিকশন
প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
প্রকাশকঃ তাম্রলিপি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৫২

ক্রেনিয়াল উপন্যাসটির প্রেক্ষাপটি প্রযুক্তির সাথে সভ্যতার সংঘর্ষ আর ধধংসের দ্বার প্রান্ত থেকে শুরু হয়েছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষে মানুষ তাদের নিরাপত্তার ভার কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ( কৃত্রিম বুদ্ধিসম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ) হাতে তুলে দেয়। আর কোয়ন্টায় কম্পিউটার অন্য স্থানের কোয়ান্টাম কম্পিউটারকে পরাজিত করতে নিউক্লিয়ার বোমার ব্যবহার করে। এভাবে যন্ত্রের যুদ্ধে সভ্যতা ধধংস হয়ে যায়। বিক্ষিপ্ত ভাবে পরে থাকে কিছু মানুষ। আর এই মানুষগুলো পৃথিবীর বিভিন্ন দিকে গড়ে তোলো বিচ্ছিন্ন কিছু শহর। আর সেই সব শহরের মানুষগুলো নিজের ক্ষমতার বিশদ পরিসরে ব্যবহার করার জন্য মস্তিষ্কে অপারেশনের মাধ্যমে ব্যবহার করে ক্রেনিয়াল । ক্রেনিয়াল এমন এক ধরণের মেশিন সেটাকে মানুষের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বসিয়ে নিদির্ষ্ট বিষয়ে তথ্য ভরে দেয়া হয়। আর এই তথ্যের জন্য ব্যবহার করা হয় ক্রেনি টিউব ( ক্রেনিয়ালে বসানোর জন্য এক ধরণের বিশেষ টিউব )। মানুষ তখন হয়ে ওঠে অতিমানবীও জ্ঞানের অধিকারী। কিন্তু এই অতিরিক্ত জ্ঞানশক্তি মানুষের সাধারণ অনুভূতি শক্তিকে গ্রাস করে এক একটি যন্ত্র করে তোলে। আর যারা শহর গুলোর মানব নিয়ন্ত্রনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করে তাদেরকে ডিটিউন করে দেয়া হয়। কাউকে ডিটিউন করা হলে সে একটা অর্থব হয়ে যায়। মুছে যায় সব স্মৃতি। শুধু তার ক্রেনিয়াল যন্ত্রে নিদিষ্ট দুই একটা কাজ ছাড়া তার নির্জীব হয়ে থাকে।

আর এমনই এক শহরের এক কিশোরী টিশা আর কিশোর রিহির গল্প হলো ক্রেনিয়াল। মানব নিয়ন্ত্রনের এই অদৃশ্য শিকলে বাধার নিয়মের বিরুদ্ধে ওরা বিদ্রোহ করে। ষোল বছর বয়সে সাধারণত মাথায় ক্রেনিয়াল বসানো হতো। কিন্তু পনের বছর চলাকালেই টিশা যাযাবর হবে শহর থেকে পালিয়ে যায়। রিহি টিশার সব থেকে কাছের মানুষ। তাই সেও বেরিয়ে পরে টিশার খোজে। অনেক সংগ্রাম পেরিয়ে ওরা যখন আবার এক হয় তখন ওদের পরতে হয় দস্যুদের কবলে। আর দস্যুদলে বন্দী হয়ে ঘটতে থাকে নানা রকম অদ্ভুত লোমহর্ষক সব ঘটনা। একদিন ওরা পালানোর উপায় বের করে। কিন্তু পালানোর আগেই দস্যুদলের নেতা মায়ী মায়ী ওদের বড় একটা শহরের বিজ্ঞানী লিংলির কাছে বিক্রি করে দেয়। লিংলির তখন ক্রেনিপিউটর ( কম্পিউটারে আবর্তিত রূপ ) বানাতে প্রচুর জীবিত মানুষ চাই।

টিশা আর রিহি কি পারবে নিজেদের মুক্ত করতে? ক্রেনিপিউটার বানাতে সাথে জীবিত মানুষের কি সম্পর্ক? ওরা কি ওদের বিদ্রোহে নতুন এক ক্রেনিয়াল মুক্ত সমাজ সৃষ্টি করতে পারবে ? জানতে হলে পড়তে হবে এই অসাধারণ লেখাটি।

ব্যক্তিগত অভিমতঃ
জাফর ইকবাল স্যারের খুব বেশি সায়েন্স ফিকশন পড়ার সু যোগ হয়নি আমার । তবে এই লেখাটি পড়ে নিঃসন্দেহে বলতে পারি , লেখাটি প্রযুক্তির ক্ষিপ্র গতির ব্যাপারে একটি সতর্ক বার্তা বহন করছে। উনার সব লেখাই অসাধারণ । তবে এটি এমন একখানা লেখা যেটা আমাদের ভবিষ্যতের প্রযুক্তির দাপট নিয়ে আমাদের ভাবতে বাধ্য করবে।
Profile Image for Turna Dass.
146 reviews
September 12, 2025
আমি মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের খুব বেশি বই পড়িনি,বিশেষ করে ওনার মাস্টারপিস বইগুলোর সংখ্যা একদম নিমিত্তমাত্র৷

পড়ার তালিকায় বিজ্ঞানভিত্তিক নন-ফিকশন বইগুলোর সংখ্যা বেশি,সায়েন্স ফিকশন একদম হাতে গোনা৷কোন এক কারনে সেগুলো তেমন একটা টানতে পারেনি আমায়,তবে ওনার নন-ফিকশন বইগুলোতে প্রখর মেধা এবং প্রাঞ্জল লেখনশৈলীর ছাপ স্পষ্ট৷
আগে 'ত্রাতিনা','নিয়ান','নিঃসঙ্গ গ্রহচারী' এই তিনটি বই পড়েছিলাম;'ক্রেনিয়াল' আমার পড়া চতুর্থ সায়েন্স ফিকশন বই৷

কাহিনীর সূচনা একটা ডিস্টোপিয়ান আবহ থেকে শুরু হয়,যাকে বলে একদম দুঃখ- জর্জরিত পরাধীন পৃথিবী৷তবে বরাবরের মতই গল্পের মূল প্রটাগনিস্ট(টিশা এবং রিহি) এই করুণ অবস্থা থেকে মুক্ত হবার দৃঢ় প্রত্যয় রাখে,সেই জেরেই তাদের অভিযান,এবং কাহিনীর পরম গতি লাভ৷

যদিও এটা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী,তবুও কেন জানিনা বইয়ের প্রথম পর্বের শেষদিককার অংশ পড়ে মনে হচ্ছিলো যে আমি কোন আবেগঘন রোম্যান্টিক এপিক সিন দেখছি,সংলাপগুলো শুনে মনে হচ্ছিলো যে, টিশা আর রিহি সাম্থিং মোর দ্যান ফ্রেন্ডস.....

দস্যুদলের কথাবার্তা এবং আচরণ খুবই অদ্ভুত ঠেকছিল (মানে একই সাথে আকাশকুসুম পরিমানে ইতরামি আর প্রযুক্তিগত বুদ্ধির যুগলবন্দী, অনেকটা 'জাতে মাতাল তালে ঠিক')৷

শেষটা বেশ আশাব্যাঞ্জক একটা রেশ রেখে যায়,বেশ গতানুগতিক মিলনাত্মক একটা সমাপ্তি বলা যায়৷

এখন আমার অভিজ্ঞতায় আসি৷ আগের বইগুলোর তুলনায় আমার এই বইটি বেশ ভালো লেগেছে,যদিও তাড়াহুড়োর দরুন একটা অযত্ন এবং অসম্পূর্ণতার ছাপ থেকে গিয়েছিলো৷কনসেপ্টও বেশ ভালো বলা যায়,অন্তত ওনার পড়া আগের বইগুলোর তুলনায়.........

তবে এখানে এসে একটু ভিন্নমত দেখলাম......

যাইহোক, রেটিং-৪/৫
Profile Image for শামিম আহমেদ.
Author 11 books10 followers
March 11, 2016
ক্রেনিয়াল মুহম্মদ জাফর ইকবালের প্রথমদিককার অন্য সায়েন্স ফিকশনগুলোর মতোই – দারুণ মজার। মুহম্মদ জাফর ইকবাল মূলত দুইধরণের সায়েন্স ফিকসন লেখেন। কিছু বইয়ে থাকে মানুষ ও এলিয়েনের গল্প এবং অন্যগুলিতে মানুষ ও অ-মানুষের লড়াই। ক্রেনিয়াল দ্বিতীয় ধরণের।

এখানে ভবিষ্যতের কোন একটা সময় কিছু মানুষ কীভাবে অন্য মানুষদের ক্রেনিয়াল নামক একটি যন্ত্র দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করে তাই দেখানো হয়েছে। কম্পিউটারকে লাগামহীনভাবে বাড়তে দিলে সে যে সহযোগিতার চাইতে বিড়ম্বনার কারণ হয়ে যায় ভুল মানুষের হাতে পড়লে, জাফর ইকবালের আরও অনেক সায়েন্স ফিকসনের মতো এই বইয়েরও উপজীব্য মূলত তাই!

দুইজন কিশোর-কিশোরী কীভাবে এক দুষ্টু বিজ্ঞানীর মানুষের মস্তিষ্ক ব্যবহার করে তৈরি করা কম্পিউটার থেকে সমাজকে রক্ষা করে সেই কাহিনি-ই তুলে ধরেছেন ক্রেনিয়ালে।

একটি সহজপাঠ্য আনন্দায়ক বই ক্রেনিয়াল। প্রকাশ করেছে তাম্রলিপি।

শামীম আহমেদ
নিকেতন, ঢাকা, বাংলাদেশ
১২ মার্চ ২০১৬

Displaying 1 - 30 of 40 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.