শুভপুর গ্রামে অদ্ভুতভাবে খুন হল এক লোক। গ্রামের চেয়ারম্যানের মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল অস্বাভাবিকভাবে। তার চিকিৎসার জন্য ঢাকা থেকে আসলো একজন তরুণ ডাক্তার। এর মাঝে গ্রাম থেকে কিছুদিনের জন্য নিরুদ্দেশ হয়ে গেলেন এক ব্যক্তি। তার অন্তর্ধানের মাঝেই খুন হল আরও একজন। খুন হয়ে যাওয়া মানুষদের শরীরে মিলল বিশেষ এক চিহ্ন, আর তা তদন্ত করতেই শুভপুর এল ডিবি’র অফিসার। নিরুদ্দেশ হওয়া ব্যক্তি গ্রামে ফিরে এলেন নতুন এক কাজের দায়িত্ব নিয়ে।
সময়ের সাথে উন্মোচিত হতে লাগলো, চেয়ারম্যানের মেয়ের অসুস্থ হওয়া এবং খুনগুলোর সাথে রয়েছে সম্পর্ক। আর এই সম্পর্কের সূচনা আরও গভীরে, এক অন্ধকারময় জগতে।
Javed Rasin (Bengali: জাবেদ রাসিন) is a Bangladeshi poet & fiction writer. He was born in Mymensingh but has raised in Dhaka from childhood. Javed completed his graduation & post-graduation in law from the University of Dhaka. He likes the charm of prosody and playing with words which fits into poetry. Shunno Pother Opekkhay (শূন্য পথের অপেক্ষায়) was his maiden published poetry.
Also the world of fiction, especially thriller & horror fiction fascinated him and he started writing in this genre. His first published thriller fiction novel was Blackgate (ব্ল্যাকগেট), co-authored with Tarim Fuad. His other works are horror novel Tomisra (তমিস্রা) & conspiracy novel Circle (সার্কেল). He continued to produce poetry and to work on fiction novels.
তমিস্রা আতংকের বই। যে জগতে মানুষের পদচারণা নেই, তার জ্ঞানের বিকাশ নেই, তমিস্রাতে সে জগত, সে জগতের তমিস্রা।
ভয় সচরাচর গড়ে উঠে জীবিত আর মৃতকে ঘিরে - জীবনকে পুঁজি করে, জীবনের জন্য। ভয়ের সাথে এ পরিচয় ছেলেবেলায়। পার্থিব আর অপার্থিবের চেনা লড়াইয়ে আচ্ছন্ন তাই আমাদের অসচেতন কোষগুলো। এ ভয় সহজেই সংজ্ঞায়িত। কিন্তু যে ভয় আসলে কোন অদেখা ব্যক্তির জন্য নয় বরং অশুভ কোন শক্তির জন্য, অশুভ কোন শক্তির সাথে তাকে কিভাবে প্রতিহত করা যায়?
যে শহরে সারাদিন সারারাত গান বাজে আর বর্ণিল বাতি জ্বলে তারার মতো, সে শহর ভয়কে কতটুকু চিনে? ল্যাম্প নিভে গেলে চেপে ধরা নিকষ অন্ধকারই কি ভয়? ইংরেজদের প্রাচীন দালানের মাকড়সার ঝুলেই ভয়? বর্ষার দেশের কাদা মাটির অতলে যে বেফাঁস নিশ্বাস, যান্ত্রিক শহর তার কতটুকু জানে? আফসোস আমাদের দেশের লেখকেরা এই বর্ষার কদর বুঝেন নি, যে ভয় নিয়ে বড় হয়েছি তাতে নজর বুলান নি। তমিস্রা তাই শুধু এর পটভূমির জন্যই জিতে যায়। পুরোপুরি গ্রামীণ পরিবেশে গড়ে উঠা সুন্দর, মৌলিক লেখা।
বৃষ্টি ঝড়েছে পুরো উপন্যাসে। এর চেয়ে ভালো রূপক হত কী? তমিস্রাতে সুন্দরভাবে দেখানো হয় কিভাবে মানুষের ভেতরের শক্তিই ডেকে আনে এবং শক্তি দেয় তার ক্ষুদ্র সত্তার তুলনায় বিশাল, আগ্রাসী অশুভ শক্তিকে। এই শক্তিকে পরাজিত করতেও তাই লাগে সুন্দরে ও শুভ শক্তিতে বিশ্বাস।
কোন এক কারণে পুরো বইয়ে যৌনতাকে অত্যন্ত নোংরা ও অনৈতিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। হতে পারে পাঠকদের অন্ধকারে আরো সহজে প্রবেশ করানোর এটা কোন মাধ্যম। ভয়াল ভুবনে ধর্মের পরিধি, ইসলামের প্রেক্ষিতে বিশ্লেষণ, শয়তান উপাসনা, পোজেশন নিয়ে এরকম মৌলিক লেখা কম। সরলতম মানুষের কুঠিল জগতে, নোংরা অভিলাষে তমিস্রার চলাচল। লেখক প্রায় নতুন। তাকে অভিনন্দন।
ভয়ের সংজ্ঞা কি? অজানা কোন কিছুর প্রতি আতংক? নাকি দৃশ্যমান জগতের বাইরেও যে একটি জগত আছে সে জগত সম্পর্কে বিশ্বাস না করতে চাওয়ারই পরিণাম এটি? তমিস্রা মানে আঁধার । আর আঁধারের সাথে মানবন্তানের সম্পর্ক কিন্তু এই আতঙ্কেরই । অন্ধকারে বেঁচে থাকার কিন্তু জন্ম হয়নি মানুষের । মানুষের জন্ম হয়েছে এই অন্ধকারকে জয় করে আলোর দিকে ছুটে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই । কিন্তু কিছু মানুষ যেন ভালোবাসে এই আঁধারকেই । আর তখনই জন্ম হয় মানুষরূপী আতঙ্কের । আর পরিণাম ভোগ করতে হয় নিষ্পাপ মানুষদের । 'তমিস্রা' আমাদের নিয়ে যাবে সেই ভয়াল ভুবনে ।
কাহিনী আবর্তিত হয়েছে শুভপুর নামে এক গ্রামকে ঘিরে । কিন্তু এই গ্রামকে ঘিরেই নেমে আসে অশুভ'র করাল ছায়া । বইয়ের শুরুতেই অস্বাভাবিক ভাবে খুন হন একজন । সে খুন কি মানুষের করা নাকি অন্যকিছুর? আবার এক কিশোরী'র উপর ভর করে এক জীন । আর সেই কিশোরীর চিকিৎসা করতে আসে একজন ডাক্তার । সে ডাক্তার আবার অতিপ্রাকৃত বিপদ মোকাবেলাতেও পারদর্শী । গ্রামে এরপরে সংগঠিত হয় আরো কয়েকটি খুন । জট পাকাতে থাকে সব কিছু । আর সেইসাথে রহস্যময় চরিত্র আসগর মাহতাব তো আছেই । এগুতে থাকে ঘটনা ।
আমার কাছে সমাপ্তিটা ভালো লেগেছে । গতানুগতিক যেরকম হবে ভেবেছিলাম তাঁর থেকে আলাদা । তবে আরেকটা জিনিস ভালো লেগেছে সেটা হলো লেখক কোন টুইস্টের উপর নির্ভর করে থাকেননি গল্পকে টেনে নেয়ার জন্যে । গল্প চলেছে গল্পের মতোই আর একটার পর একটা দরজা খুলে যেতে থেকেছে । আর অতিপ্রাকৃত বিষয়াদির ব্যবহারের ক্ষেত্রে লেখক নিঃসন্দেহে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন । তবে পুরো বইয়েই যৌনতাকে দেখা হয়েছে অন্যরকম ভাবে । আর কাহিনীর সাথে এর সম্পর্ক বেশ গভীরভাবেই ।
লেখককে অভিনন্দন । সামনে আরো বইয়ের আশায় রইলাম । হরর/আরবান ফ্যান্টাসীপ্রেমীদের ভালো লাগবে ।
এসব গল্পে টুইস্ট একটা বড়সড় ভূমিকা রাখে। কিন্তু লেখক এই বইতে তেমন কোন টুইস্ট রাখেন নাই। যতটুকু আছে তা আপনি চট করেই ধরে ফেলতে পারবেন। এরপর কি ঘটতে পারে সহজেই পাঠকের পক্ষে অনুমান করা সম্ভব। তারপরও কাহিনী আপনাকে চুম্বকের মতো টানবে। সাবলীল আর প্রচন্ড ঝরঝরে লেখা এটা তার আরেকটা কারণ। যৌনতাকে যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তাতে জনরা হিসেবে বইটাকে ডার্ক হরর বলাটাই যুক্তিযুক্ত। সোহেল, ইরফান আর আসগর মাহতাব চরিত্র তিনটি যেভাবে লেখক প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাতে পরবর্তী বইগুলো দুর্দান্তরকম উপভোগ করা যাবে। দেখা যাক তমিস্রা ভুবনে আমার জন্য পরবর্তীতে কিরকম চমক অপেক্ষা করছে।
Really disappointed with the writing style. plot could have been much better... only the good thing about this book is the ending... it was unique and mysterious.
বইটাতে অনেক ডিস্টার্বিং বর্ণনা থাকলেও পড়া ছেড়ে উঠা যায় না৷ আমাকে রীতিমতো মনের সাথে যুদ্ধ করতে হয়েছে। একদিকে শেষটা জানার ইচ্ছা আরেকদিকে এর ঘটনার বর্ণনা পড়ে যে অস্বস্তি হচ্ছিলো দুইয়ে মিলে বেশ সময় লেগেছে শেষ করতে৷
শয়তানের উপাসনা নিয়ে খুব বেশী বই আমার পড়া হয়নি। এই সাবজেক্ট ম্যাটারটাই আমার কেন জানি পছন্দ না। তমিস্রা বইটা নিছক একটা থ্রিলার বই ভেবেই পড়া শুরু করি। আর তারপর আসলেই তমিস্রা ভুবনে হারিয়ে যাই।
এর পরের দুইটা বইও পড়া শেষ। লেখকের লেখার ধরণ বেশ সাবলীল লেগেছে। সাহিত্যমানে কতটা উতরাবে জানি না তবে পড়ে আরাম পাওয়া যায়। যারা অনেক ডার্ক থ্রিলার পছন্দ করেন তাদের এটা ভালো লাগবে।
আমি খুব হরর ভক্ত নই,প্যারানরমাল কোনো কিছু আমাকে টানলেও ভয়ের পারদমাত্রা সবসময়ই আগ্ৰহের থেকে বড় হওয়ায় সাহস করে সাহিত্যের ঐ ধারাটা পারতপক্ষে মাড়াই না, ইদানিং খুব অস্থিরতা কাজ করে কোনো বই পড়তে শুরু করার পর।
চারিদিকের এই বিশৃঙ্খল অবস্থায় #stay home,stay safe মন্ত্র মেনে ঘরে থাকতে থাকতে মনের শৃঙ্খলা যে ভেঙ্গে চুরে একাকার হওয়ার অবস্থায় অনেক প্রবোধ দিয়ে পড়া শুরু করলাম তমিস্রাভুবনের প্রথম অংশ তমিস্রা। জ্বীন নিয়ে বাংলা সাহিত্যে খুব বেশি লেখালেখি আছে কি না তা আমার জানা নেই,প্রথম জ্বীনঘটিত ভৌতিক গল্প "অক্টারিন"সেটা পড়ে যে বিমুগ্ধতায় হারিয়ে ছিলাম তা ভাষায় প্রকাশ করার মত যথেষ্ট পরিমাণে শব্দভাণ্ডার আমার কাছে নেই, ছোটখাটো ভুল যে ছিল না তা একদমই না কিন্তু মুগ্ধতাই ছিল বেশি।
হরর বলতেই মনের মধ্যে ভেসে উঠে সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন একটা পুরানো বাড়ি বা পরিত্যক্ত কোনো শশ্মানঘাট অথবা অভিশপ্ত কোনো বস্তু, অবচেতন মনে ভয়ের কি প্রভাব হয় তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি "এবং ইনকুইজেশনের ভোগ গল্পের ডামরির কথা মনে হতেই এখনো আমার পিলে চমকে ওঠে,সে গল্পের আবহকে আরো গা শিরশিরে ���রতে রাত আর চাঁদের সাথে অন্ধকার কে মিলিয়ে একদম চমৎকার এক পরিবেশ তৈরি করেছিলেন অভীক সরকার,ঠিক তেমনি এখানে বৃষ্টির মতো এতো নান্দনিক এক সৌন্দর্য যে মনে ভালোলাগার অনুভূতির সাথে সাথে সমস্ত সত্তার মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দিতে পারে তার অসাধারণ আয়োজন জাবেদ রাসিন মুন্সিয়ানার সাথে দেখিয়েছেন
সুতরাং ফ্ল্যাপে যখন পড়লাম এটার কাহিনী সংক্ষেপ তখনই আগ্ৰহ নিয়ে শুরু করে হতাশ হয়নি, বর্ণনা বহুল কাহিনীর মাঝখানে মাঝে মাঝেই বিরক্ত লাগছিল বটে কিন্তু শেষ পর্যন্ত তৃপ্তির হাসি ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠেছে। হরর প্রেমী হলে একটু সময় করে পড়েই দেখতে পারেন, আশাকরি ঠকবেন না
Review : তমিস্রা জনরাঃ আরবান হরর/অকাল্ট থ্রিলার লেখকঃ জাবেদ রাসিন প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারী ,২০১৬(বাতিঘর প্রকাশনী) পৃষ্ঠাঃ ২৫৬ মুদ্রিত মুল্যঃ ২৫০ টাকা ----------------------------------------------------------------------------------------- বইটির কাহিনী শুরু শুভপুর গ্রামে।হঠাৎ করেই গ্রামটিতে একের পর এক অদ্ভুত এলিমেন্ট এর খুন হওয়া শুরু হয়,আবার গ্রামের চেয়ারম্যান এর মেয়ের এক অদ্ভুত অসুখ হয় যার চিকিৎসা করাতে আসে ইরফান আহমেদ নামের বিচিত্র এক ডাক্তার। অন্যদিকে খুন গুলোর তদন্ত করতে হাজির হয় ডিবি অফিসার সোহেল আরমান। এদিকে গ্রামে নিখোজ হওয়া এক ব্যক্তি আবার এক বিশেষ উদ্দেশ্যে গ্রামে হাজির হয়। কি সেই উদ্দেশ্য,চেয়ারম্যান এর মেয়ের অসুখই বা কি আর খুন গুলোর আসল রহস্য কি তা জানার জন্য পড়তে হবে বইয়ের শেষ পর্যন্ত ! ----------------------------------------------------------------------------------------- Rating : ৮.৫/১০(প্রথমেই বলতে হয় বইয়ের একটি প্রধান এলিমেন্ট বৃষ্টির কথা যা বইটিকে সম্পূর্ণ অন্য ধারায় নিয়ে গেছে। শুরুটা টিপিকাল মার্ডার মিস্ট্রির মত হলেও মাঝ থেকে রোলার কোস্টার রাইড শুরু হয় আর শেষে দারুন এক এন্ডিং!পড়ার সময় একদম চরিত্র গুলোর সাথে মিশে যাওয়া যায় যার ভিতরে আসগর মাহতাব কে সবচেয়ে পারফেক্ট মনে হয়েছে।হরর উপন্যাস হিসেবে ২-১ টি জায়গা বাদে লেখার ভঙ্গি অত্যন্ত উন্নত মানের। এক কথায়,বৃষ্টিমুখর আবহাওয়ায় পড়ার জন্য আদর্শ একটি বই।)
যাক বাবা! হরর বা প্যারানরমাল যা-ই বলি না কেন, পড়ার পর কিছুটা হলেও সুস্থির আছি। ইয়েএএএ! 😁
ব্ল্যাকগেট সিরিজটা পড়ার পর থেকে জাবেদ রাসিন আর তাকরিম ফুয়াদকে বেশ লাগে। জাবেদ রাসিনের অসূয়া পড়েছিলাম বটে! প্যারানরমাল ধাঁচের হলেও অতোটা ভয় পাইনি। তমিস্রাতেও তাই, কিন্তু কাহিনিটা বেশ ভালো ছিল। যদিও হরর এলিমেন্ট মন্দ ছিলো না। কিন্তু হরর বললে আমরা যেমন একটু গা ছমছমে, দম বন্ধ করা একটা ফিল পাই-এটার অভাব অনুভব করেছি প্রায় পুরোটা বই জুড়েই। আমি তুলনামূলকভাবে প্রচন্ড ভীতু একটা মানুষ, অল্পস্বল্প ভয়কে সঙ্গী করে কিছুটা অক্টারিন ধাঁচের লেখা তমিস্রা ভুবনের প্রথম বইটা পড়ে ফেলেছি- ভাবতেই আনন্দে আটখানা হয়ে যাচ্ছি।
প্রথম দিকের কাহিনি খুবই সিম্পল। শুভপুর গ্রামে হুট করে খুন হয় এক ব্যক্তি, বেশ অদ্ভুতভাবেই বলা চলে। তার ঘাড়ের কাছে একটা অদ্ভুত নকশা দেখতে পায় ফরেনসিক ডাক্তার। তার কিছুদিন পর আরেকটা খুন হয় বেশ বিভৎসভাবেই। আতংকিত হয়ে উঠে গ্রামবাসী। তদন্তে আসে ডিবির এক অফিসার। খুনগুলো হতে থাকা সময়ে অদ্ভুত এক অসুখে আক্রান্ত হয় চেয়ারম্যান কন্যা। ডাক্তারী ভাষ্যমতে, মৃগী রোগ কিংবা সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার আর প্রচলিত ভাষায় জ্বিনে ধরা। গ্রামে আগমন ঘটে আরেক রহস্যময় ব্যক্তির। পরিচয় দেয় ডাক্তার হিসেবে। শুভপুর গ্রামকে ঘিরে জমতে থাকে রহস্য। একের পর এক ঘটনা, দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে উদঘাটিত হয় মূল রহস্য... সুদূর ইয়েমেন থেকে আসা জ্বিন ইফ্রিত, প্রাচীন এক সংঘ, শয়তানের উপাসনা আর শুভ-অশুভের দ্বন্দ্ব সবমিলিয়ে তমিস্রার অন্ধকার এক জগৎ।
প্রচ্ছদে বাফোমেট সাইনের আবছা ছাপটা বেশ ভাল লেগেছে। আর প্রচ্ছদের ব্যাক-ফ্ল্যাপটা কম্পারেটিভলি বেশি ভাল।
আমার কপিটা আটোগ্রাফড কপি, বইমেলা থেকে নিয়েছিলাম। জাবেদ রাসিন’র জন্যে শুভকামনা রইলো।
পড়ার জন্যে হরর আমার পছন্দের জনার না। তাই হরর উপন্যাস নিয়ে লিখতে গিয়ে থই পাইনা। সে কারণেই, লেখা হয়না। গল্প-টল্প নিয়ে কিছু বলতে পারছিনা, হাতড়াতে হয়- কি বলি, কি না বলি!
স্থানীয় চরিত্রের সংলাপগুলো যদি একেবারে আঞ্চলিক রাখতেন জাবেদ ভাই, তাহলে বিশ্বাসযোগ্য হতো আরও বেশি। আর ভয়-ডরও কম লাগলো কেমন। তার জন্যে অভ্যাস দায়ী হতে পারে। ক্রিপি ব্যাক-গ্রাউন্ড স্কোর ছাড়া আসলে আমার জমেনা হরর। সে কারণেই, পড়ার সময় হরর আমার ফেভ্রিট না; আগেই বলে এসছি। বইয়ে সাউন্ড থাকেনা :)
*** স্পয়লার মুক্তার মা’র গোমরটা ধরে ফেলেছিলাম। যখন মুক্তা’র মার নাম বলা হয়েছে আর বলা হয়েছে বাবার বাড়িতে থাকে সে ;) একটা ব্যাপারে একটু খটকা লেগেছে, জমজ বোন জোড়া খুব বেশি স্থানিক দূরত্বে থাকেনা। এলাকার লোকদের তো জানবার কথা! এত কাছাকাছি এলাকায় সদৃশ জমজ দুটো মেয়ে থাকে, তাও আবার ২ পরিবারে, এলাকার লোক খোঁজ পাবেনা! ***
ভয় পাইনি কোনখানে। ভয় পেতেই চেয়েছিলাম। যাক, বেশি বলা উচিৎ হবেনা। কারণ, হরর জিনিষটা মাই টাইপ ই না। তাই লেখকের দোষে না, আমার অপছন্দের জনার হবার জন্যেই নেগেটিভ দিক চলে এসছে বেশি বেশি।
জাবেদ ভাই ভাল লিখবেন, আরও লিখবেন; এই শুভকামনা নিরন্তর থাকবে। গল্পের বিস্তার ভাল ছিল, গ্রন্থিবন্ধনটা উপাদেয়।
বাইরে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে আবার বইয়ের কাহিনীও ঘটছে বর্ষাকালে। জানালার পাশে বসে বৃষ্টি দেখতে দেখতে বইটা শেষ করলাম। গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে লেখা এক জ্বীন, শয়তান ও প্রেতাত্মা নিয়ে গল্প। চেয়ারম্যান সাহেবের মেয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যায়। চিকিৎসা করতে আসে অদ্ভুত এক যুবক। বর্তমান সময়ের কথা বলে অনেকেই যুবকের কথা বিশ্বাস করে না কারণ এই যুবকের মতে মেয়েকে জ্বীনে ধরেছে! একজন ডাক্তার জ্বীনের কথা বলতে পারে চেয়ারম্যান সাহেব বিশ্বাস করতে চান না। কিন্তু হঠাৎ একের পর এক খুন সবকিছু কেমন জানি ঘোলাটে করে ফেলে। ডিবি অফিসার খুনের রহস্য সমাধান করত��� নেমে পড়ে যায় ঝামেলায়। ডিটেইলসে আলোচনা করা হয়েছে পুরো কাহিনী। এইজন্য প্রথমে স্লো মনে হচ্ছিল। টুইস্ট আছে অল্পকিছু তবে আমি সবই আগে থেকেই অনুমান করতে পেরেছি। সম্ভবত ইচ্ছে করেই এমন টুইস্ট রাখা হয়েছে যেন বুঝা যায় বলেই মনে হয়েছে। সমাপ্তিতে মনে হয়েছে শয়তান সাধকের দেখা পরবর্তী বইগুলোতে পাওয়া যেতে পারে আবারও।
প্লটটা আহামরি ঠেকেনি, অবশ্য যে সময়ে বইটা লেখা হয়েছিল সেই সময়ের জন্যে প্লটটা ইউনিক ছিল। তাই বলে কাহিনীকে পানসে বলছি, তা নয়–উপভোগ করেছি গল্পটা বেশ। কিন্তু চরিত্রায়ন আর উপস্থাপনা খানিকটা একমাত্রিক হওয়ায় গড়পড়তা মানের মনে হলো সব। সেই সাথে হরর আমেজটাও তৈরি করা যেতে পারত, কিন্তু এই সুযোগ মাঠে মারা গেল। তবুও সিরিজের সামনের বইগুলি পড়ব আমি, মারাত্মকভাবে গল্পের এণ্ডিং করেছেন, এই দিকে মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন লেখক। উন্মুখ হয়ে আছি সামনে কী হয় জানার জন্যে।
ময়মনসিংহ জেলার ছোট্ট সুন্দর গ্রাম শুভপুর। নিরিবিলি আর দশটা গ্রামের মতনই সুন্দর গ্রামটা। গ্রামে ঝামেলার বালাই নেই বললেই চলে। তাই জেলখানাও সব সময় ফাকাই থাকে বলা যায়। এমনই সময় হঠাত করতে গ্রামে খুন হতে শুরু করল। খুনের ধরনও অদ্ভুত। খুনের মোটিভও খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে খুন হওয়া ব্যাক্তিদের শরীরে পাওয়া গেল এক বিশেষ চিহ্ন। তা দেখে আগ্রহ জাগল এক ডিবি অফিসারের। খুনের তদন্ত করতে চলে আসলেন শুভপুরে।
চেয়ারম্যানের মেয়ে হঠাত করেই এক সন্ধ্যায় অসুস্থ হয়ে পড়ল। প্রচলিত সব চিকিৎসা করেও তাকে সুস্থ করা গেল না। তাকে চিকিৎসা করতে ঢাকা থেকে আনা হল এক তরুন ডাক্তারের। তিনি প্রচলিত চিকিৎসার বাহিরেও বিশেষ ভাবে চিকিৎসা করতে শুরু করল তার।
দুইটা আপাদদৃষ্টিতে আলাদা ঘটনা মনে হলেও একটার আরেকটার সাথে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কি সে সম্পর্ক? কি অশুভ ঘটনা ঘটছে শুভপুর গ্রামে?
পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ প্যারানরমাল অনেক বই পড়লেও জ্বিনকে নিয়ে লিখা হরর ফ্যান্টাসি নিয়ে লিখা বই কোন কারনে যেন কম। 'অক্টারিন' এর পর এই বইটা তাই ভালই লাগল।
একটা গ্রাম। কয়েকটি রহস্যময় খুন। একটি অন্তর্ধান। কিছু অ্যান্টাগনিস্ট যারা শয়তানের উপাসক। একটি মেয়ের ব্যাখ্যাতীত অসুস্থতা। দুই বহিরাগত প্রটাগনিস্ট যারা মনোজগতে ভিন্ন মেরুর বাসিন্দা। এই উপাদান নিয়ে একটি অসামান্য সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার লেখা যেত। কিন্তু জবরদস্তি হররের গাঁজাখুরি তত্ত্ব আর জঘন্য লেখনীর ফলে সেই প্লট কীভাবে বরবাদ হতে পারে, তার ক্লাসিক উদাহরণ এই বইটি। লেখক যে চোস্ত গল্পবলিয়ে - এই নিয়ে কোনো সংশয় নেই। কিন্তু এই উপন্যাস প্রমাণ করে দিচ্ছে যে তাঁর 'লেখক' হতে এখনও ঢের-ঢের পথ চলতে হবে। প্লট, চরিত্রচিত্রণ, আর গ্রাম বাংলার শ্যামলিমার বর্ণনার জন্য দুটি তারা দেওয়া গেল।
জিন, অতিপ্ত আত্মা, শয়তান, কালো যাদু....আর কি লাগে.....নিখাদ হরর থ্রিল্লার...সাথে পুরো বইজুরে ঝড় ব্রিস্টির অপরুপ বর্ণনা.... মাঝের দিকে কাহিনী ঝুলে গেসিল কিন্তু শেষটা একদম ফাটায় দিসে....লেখকের কাছে আর এই রকম হরর লেখা আশা করতেসি....বাতিঘর কেও ধন্নবাদ....নতুন সব লেখকের চমতকার সব বই দেয়ার জন্য.....
এক প্রত্যন্ত পল্লীগ্রাম শুভপুর। ছোটবেলায় বাবা আর সৎ মায়ের অবহেলায় গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায় এক ছেলে। এদিকে গারো পাহাড়ের কাছে কুঁড়েতে বাস করে রহস্যময় এক লোক, সে বিচিত্র রিচুয়াল করে। এলাকার লোকেরা তাকে ভয় পায় ও সমীহ করে। এর মাঝে সে তার কাছে একজনকে আশ্রয় দেয়। কাহিনী এগুতে থাকে। অনেক বছর পেরিয়ে যায়। ওদিকে শুভপুর গ্রামে অস্বাভাবিক দুটি খুনের ঘটনা ঘটে। খুনের পর তাদের শরীরে পাওয়া যায় একই ধরনের বিশেষ চিহ্ন। এদিকে গ্রামের চেয়ারম্যান এর মেয়ে এক বিশেষ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর সাথে কি এই খুনগুলোর কোন সম্পর্ক আছে? খুনগুলোর কি একটির সাথে আরেকটির যোগসূত্র আছে? জানতে হলে পড়তে হবে জীন, প্রেতাত্মা আর কালোজাদুর গা ছমছমে কাহিনী দিয়ে ভর্তি তমিস্রা উপন্যাসটি। যদিও শেষের দিকে এসে বইটিকে অসমাপ্ত মনে হয়েছে। তবে বইটির যেহেতু সিরিজ আছে পরের পর্বগুলোতে কাহিনী আরো চমকপ্রদ হবে আশা করি , সেগুলো ও পড়ব আশা করছি। এটা যেহেতু অনেক আগের বই অনেকে পড়ে ফেলেছেন আশা করি, তারপরও বইটি ভালো লেগেছে জন্যই রিভিউ লিখলাম। তবে যারা পড়েননি তারা পড়ে ফেলুন শীঘ্রই। বইটির কাহিনীর গতি খুব ভালো, কোথাও অতিরঞ্জিত মনে হয়নি, তবে কিছু কিছু ব্যাপার অতি অবাস্তব লেগেছে, সেটাও খারাপ মনে হয়নি। কেননা একটা হরর উপন্যাসে সবকিছু বাস্তবতার সাথে মিল থাকতে হবে এমন না। একবার পড়তে বসলে শেষ না করে উঠতে ইচ্ছে করবেনা। বই: তমিস্রা লেখক: জাবেদ রাসিন প্রকাশনী: বাতিঘর প্রকাশনী প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০১৬
শুভপুর একটা ছিমছাম সুন্দর গ্রাম৷ হঠাতই গ্রামে খুন হয়ে যায় কয়েকজন যুবক। সবার গায়েই পাওয়া যায় অদ্ভুত এক নকশা। এ গ্রামেরই চেয়ারম্যানের মেয়ে কেমন জানি অস্বাভাবিক হয়ে যায় যাকিনা কোন ডাক্তার কিংবা ওঝাই ঠিক করতে ব্যর্থ হয়। এ মেয়েকে ঠিক করার জন্য আসে এক ধার্মিক ডাক্তার। আর খুনের তদন্তের জন্য এসে জুটে এক ডিবি অফিসার। কে খুন করল এসব যুবককে? আর কিইবা পরিনতি হল সেই মেয়েটির? এসব উত্তর পাবেন এই বইয়ে। ���রর বই লেখাটা আসলে অনেক বেশীই কঠিন। আমি লাইফে যতগুলা হরর বই পড়েছি তার অধিকাংশই আমাকে ভয় দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে৷ তমিশ্রাকেও সেই ক্যাটাগরিতে ফেলে দিলাম। বইয়ের লেখক ভাল লেখেন৷ শুরুটাও করেছেন সুন্দর৷ এমনকি গল্পের গঠনটাও ভালই ছিল। কিন্তু কেন জানি যতই এগিয়ে যাচ্ছিল ততই আমার আশার পারদ নিচে নেমে আসছিল। শেষের অংশটাও আমার কাছে পছন্দ হয়নি। আর শুধু ঝড় হাওয়া এবং বৃষ্টি দিয়ে ভাই ভয় দেখান যায় না। লেখার কারিশমাও লাগে। ভয় লাগাতে ব্যর্থ হলেও লেখক লিখেন বেশ ভাল। বই পড়তে কষ্ট হয় নাই। যদিও ভুল বানানের ছড়াছড়ি আছে। আমি ইদানিংকালের অনেক বইয়ে এ দোষ লক্ষ করেছি। আমাদের দেশের লেখক আর প্রকাশককে এই ব্যাপারটা অবশ্যি সিরিয়াসলি নেয়া উচিৎ।
বইয়ের অর্ধেকের বেশি পৃষ্ঠা পড়ার পরও মনে হচ্ছিলো গল্পটা এগুচ্ছে না। সেই এক জায়গাতেই থমকে আছে। অনেক কিছুরই বর্ণনা অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোকে গল্পে তেমন একটা দেখা যায় নি। প্রত্যেকটা লাইনে চরিত্রের নাম বারবার লেখা হচ্ছিলো, যেটা পড়তে বিরক্ত হচ্ছিলাম! আর লেখক কয়েক জায়গায় বৃষ্টির বর্ণনা এমনভাবে দিয়েছে, যার কোন প্রয়োজন ছিলো না। বৃষ্টির বর্ণনা না দিলেও গল্প ঠিকই থাকতো। পাঠককে বোধহয় বৃষ্টি পছন্দই করিয়ে ছাড়বেন, এমন কোনো ইচ্ছা ছিলো লেখকের, যা পড়তে ভালো লাগে নি। বইটা শেষ করতে খুব কষ্ট হয়েছে, মাঝপথে ভেবেছিলাম থেমে যাবো কিন্তু পছন্দের বিষয়ের উপর বইটা লেখা তাই কষ্ট করে পড়তে হলো। সুখপাঠ্য একদমই বলতে পারছি না!
- 🌘 🌧️ 𝐒𝐨𝐦𝐞 𝐰𝐨𝐫𝐥𝐝𝐬 𝐚𝐫𝐞𝐧’𝐭 𝐛𝐮𝐢𝐥𝐭 𝐨𝐧 𝐦𝐚𝐩𝐬. They are built on whispers, forbidden knowledge, and the quiet realization that 𝐝𝐚𝐫𝐤𝐧𝐞𝐬𝐬 𝐰𝐚𝐬 𝐧𝐞𝐯𝐞𝐫 𝐦𝐞𝐚𝐧𝐭 𝐭𝐨 𝐛𝐞 𝐚𝐯𝐨𝐢𝐝𝐞𝐝—only understood.
We have a cultural blindspot in our horror writing. We've borrowed every Western ghost, every Victorian mansion, every fog-drenched moor—and forgotten that the most terrifying thing we own is a monsoon night in a village where the electricity has died, the mud smells alive, and something is standing just beyond the tubelight's reach. জাবেদ রাসিন’s Bangladeshi Gothic ‘তমিস্রা’ (তমিস্রা ভুবন #১) remembers. And that, before anything else, is why this book matters.
Technically, this is the first published book in the Tomisra Bhubon/ The Tenebrous World series—but chronologically, it sits third in the timeline. Some doors, it seems, were always meant to be opened out of order. What I found between those 254 pages wasn't just a story. It was a weather system.
In the village of Shuvopur—promising by name, cursed by design—a man dies in a way that doesn't make human sense. Then another. The chairman's daughter stops being just a girl. Something older has crawled inside her, something that laughs at the local healers. Into this fog of blood and rain arrive two men approaching the same darkness from opposite directions: Dr. Irfan Ahmad, who treats possession not with holy water or Latin incantations but with the Islamic tradition of Ruqyah—Quranic verses, unwavering belief, and the terrifying recognition that some doors require the right keys—and Sohel, a DB officer who needs forensic evidence and keeps getting nightmares instead. These two threads—faith and skepticism, the unseen and the forensic—move toward the same darkness like twin rivers meeting in the night. Javed Rasin understands that horror lives in the space between I believe and prove it. Threading through both their lives, quiet as smoke, is Asghar Mahtab—a figure so coldly constructed that you feel his weight even in scenes he doesn't appear in. His evil isn't cartoonish. It's mundane. Ambition dressed in piety. Hunger disguised as devotion. And that's what makes it genuinely chilling.
What Rasin builds here isn't just a horror novel. It's a rural occult epic—and its most honest insight is that তমিস্রা doesn't arrive uninvited. We summon it. Human pettiness opens the door. Human obsession holds it wide. Rasin holds up a mirror to a disturbingly familiar Bangladesh where black magic has quietly become part of our socio-cultural fabric, where desperate people seek supernatural solutions to mundane grievances. The horror isn't imported. It's domestic. The portrayal of Ruqyah practice alone is the most accurate, most grounded depiction of Islamic exorcism I've encountered in Bengali fiction—research you can actually feel.
And then there is the rain. The rain that drums through every chapter, seeps into every scene, turns the red soil of Shuvopur into something that swallows footprints and secrets alike. Because who hears screams when the rain is this loud? Who notices one more disappearance when the roads are flooded and darkness falls at four in the afternoon? Rasin's boldest gambit is turning Bangladesh's most beloved season into horror's most faithful servant.
But honesty requires more than praise. The pacing occasionally drowns in its own atmosphere. Backstories recur where they've already done their job. Minor characters arrive trailing biography and depart without resolution. The regional dialect could have committed harder—true local speech would have made Shuvopur breathe. One plot thread involving twins separated by improbably close geography tests credulity in ways even jinn can't rescue. The sexuality woven through the narrative is deliberately dark—perhaps meant to drag readers deeper into the moral rot, perhaps simply gratuitous. I'm still deciding. The prose stumbles in places. The editing missed things.
The ending refuses closure. No triumphant exorcism, no neat bow, no hand-holding. Just an open door and a cold wind. This will divide readers exactly in half: those who feel cheated, and those who understand this story was never designed to close. I am, firmly, in the second half.
In Tomisra, the ghosts are homegrown. The dread is local. The mud is ours. Some books don't haunt you because they're flawlessly written. They haunt you because they're true—about the darkness we carry, the darkness we cultivate, and the darkness we've been walking over our whole lives without ever looking down. তমিস্রা looks down.
⁉️ 𝐐𝐎𝐓𝐃: If power could be guaranteed through forbidden knowledge… would you dare to seek it?
⛉ 𝐋𝐢𝐤𝐞𝐝 𝐭𝐡𝐢𝐬 𝐩𝐨𝐬𝐭 or found it helpful? Hit the ❤️. 🔖 Save if you love Bengali village horror, djinn possession narratives, Islamic exorcism fiction, rain-drenched atmospheres, devil-worship plots, or believe the scariest monsters wear human faces while praying five times daily. 𝐒𝐇𝐀𝐑𝐄 it ↗️ with fellow readers who dare to explore cosmic horror!
🔔 𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 𝐦𝐞 for more bookish ramblings, reviews, and recommendations. 🔗 𝑮𝑶𝑶𝑫𝑹𝑬𝑨𝑫𝑺: Nazmus Sadat → goodreads.com/dsony7 📸 𝑰𝑵𝑺𝑻𝑨𝑮𝑹𝑨𝑴: @dSHADOWcatREADS
𝔹𝕆𝕆𝕂 𝕀ℕ𝔽𝕆ℝ𝕄𝔸𝕋𝕀𝕆ℕ 📖 𝐓𝐢𝐭𝐥𝐞: তমিস্রা/ Tomisra (Tenebrous) ✍️ 𝐀𝐮𝐭𝐡𝐨𝐫: জাবেদ রাসিন / Javed Rasin 🌐 𝐆𝐞𝐧𝐫𝐞: Urban Fantasy | Supernatural Thriller | Bangladeshi Occult Fiction | Speculative Fiction | Bangladeshi Gothic Horror | Bangladeshi Gothic 📅 𝐏𝐮𝐛𝐥𝐢𝐬𝐡𝐞𝐝: First published in February, 2016 Batighar Prokashoni/ বাতিঘর প্রকাশনী. From 2020 edition, the book is published by Iha Prokash/ ঈহা প্রকাশ 📦 𝐁𝐨𝐨𝐤 𝐅𝐫𝐨𝐦: Iha Prokash Stall from The Amar Ekushey Book Fair 2026. 📊 𝐌𝐲 𝐑𝐚𝐭𝐢𝐧𝐠: ★★★☆ (3.5/5)
Horror isnt my favourite genre but time to time i dont mind reading stuff if they are done right, and this one has been done quite right. The whole book is quite a page turner, i couldnt go to sleep till i finished it at 250 am. The story hardly had any weak part and the horror and supernatural elements are done in an awesome way. Highly recommended.
শুভপুর গ্রামে একজনের পর একজন মানুষ খুন হচ্ছে! তারা প্রত্যেকেই রাতের বেলা ভয় পায়! আশেপাশে কারো উপস্থিতি টের পায় কেউ একজন তাদেরকে দেখছে!কিন্তু কিভাবে খুনগুলো হচ্ছে বা কে করছে কোউ বের করতে পারছেনা! পোস্টমর্টেম করতে গেলে ডাক্তার প্রতিটা লাশের গায়ে অদ্ভুত একটা চিহ্ন খোদাই করা দেখতে পায় যা দেখে তার কৌতূহল জাগে এবং সে তা তার শিক্ষাজীবনের বন্ধুকে দেখায়!শিক্ষাজীবনের বন্ধু নিশ্চিত করে যে এটা বাফোমেটের চিহ্ন!
অন্যদিকে শুভপুর গ্রামের চেয়ারম্যানের মেয়ে সাবরিনা একদিন সন্ধ্যায় পুকুরপাড়ে পা ভিজিয়ে বসে থাকার সময় হুট করে খেয়াল করে কেউ তার পা ধরে টানছে!সেখানে সে জ্ঞান হারায় এবং সেদিন থেকে সে অদ্ভুত আচরণ শুরু করে!অনেক কবিরাজ ধরেও কোনো লাভ হচ্ছিলো না!তারপর থানার এসআই কেশব রায়ের রেফারেন্সে ইরফান নামের এক লোক শুভপুর গ্রামে এসে সাবরিনার চিকিৎসা শুরু করে!সাবরিনার অসুস্থ হওয়া এবং গ্রামের একজনের পর একজনের মৃত্যুর সাথে কোনো কানেকশন আছে কিনা ভাবতে থাকে ইরফান! এভাবে কাহিনি এগিয়ে যায়।
আমার পার্সোনালি বইটা ভালো লেগেছে! এমনিতেও আমার হরর জনরা বেশ পছন্দ!
কাহিনী সংক্ষেপ - শুভপুর গ্রামে অদ্ভুতভাবে খুন হল একজন। গ্রামের চেয়ারম্যানের মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল অস্বাভাববিকভাবে। তার চিকিৎসা করতে ঢাকা থেকে এল তরুণ এক ডাক্তার। শুরু হল প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে চিকিৎসা। এরইমধ্যে গ্রাম থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে গেল এক লোক। খুন ল আরেকজন। নিহতদের শরীরে পাওয়া গেল বিশেষ একটি চিহ্ন। তদন্ত করতে এলো ডিবি অফিসার। নিরুদ্ধেশ হওয়া ব্যক্তি ফিরে এলো গ্রামে নতুন এক কাজের দায়িত্ব নিয়ে। এ কাজ শেষ করতে পারলে সে হয়ে উঠবে অসীম ক্ষমতাবান। একে একে সব কিছু উন্মোচিত হতে লাগলো। পাঠক পরিচিত হবে এক অন্ধকার জগতের সাথে। তমিস্রার ভয়াল ভুবনে সবাইকে স্বাগতম।
# কি দিয়ে শুরু করবো বুঝতে পারছি না , হরর বা হরর থৃলার যা পড়েছি সব ই ছিলো সেবা প্রকাশনীর , সেই ঘরানা থেকে বাইরে বেরিয়ে এলাম তানজীম রহমানের "আর্কন" এবং "অক্টারিন" দিয়ে ! আর আজকে সেই লিস্টে যুক্ত হলো জাবেদ রাসিনের "তমিস্রা" সম্পূর্ণ গ্রামীন পটভুমিতে রচিত একটা উপন্যাস , দু এক লাইনের জন্য ও শহর আসেনি , পটভুমি টা অপরিচিত না "সেবা"র কল্যাণে । ভেবেছিলাম এমন কিছুই হয়তো হবে , কিন্তু তারপর মনে পরল হাতের বইটা "বাতিঘর" এর :D ব্যস , ঢুকে গেলাম কাহিনী তে !
শুরুতে��� খুন !!! এক এক করে এগোতে থাকে কাহিনী , অদ্ভুত কিছুতে আক্রান্ত হয় গ্রামের চেয়ারম্যান এর মেয়ে , প্রচলিত জিনে ধরার কাহিনী , তবে ব্যতিক্রম !!! পরপর খুন হলো আরো কয়েকটা , কেনো ? কিভাবে ? চেয়ারম্যান এর মেয়ের (সাবরিনা) চিকিৎসার জন্য গ্রামে হাজির হলো ডাক্তার "ইরফান আহমেদ" , শুরু করলেন প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে চিকিৎসা , চিকিৎসা পদ্ধতি টাও ব্যতিক্রম !!! কেনো ? কিভাবে ? গ্রামে পরপর খুনের ঘটনায় দৃশ্যপটে হাজির হলেন ডিবির স্পেশাল অফিসার "সোহেল আরমান" , এ ধরণের একটা প্রত্যন্ত এলাকায় ডিবির অফিসার কেনো ? যেখানে খুনগুলো ,লোকাল থানার পুলিশের মতে নিতান্তই অপঘাতে মৃত্যু । এক এক করে মরতে থাকা লোকগুলো কিসের এতো ভয় পাচ্ছে রাতে , তাদের শরীরে পাওয়া বিশেষ চিহ্নটাই বা কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে ? প্রশ্নগুলোর উত্তর পেতে চান ? তাহলে বইটা খুলে এখনি বসে যান দাদা :D
বইটার মূল দুই প্রোটাগনিস্ট এর চরিত্র চিত্রণ ও যথেস্ট ভালো হয়েছে বলে আমি মনে করি , আর গ্রামীণ পটভুমি বলেই হয়ত অতো বেশী স্ট্রংভাবে দেখানো যায়নি তাদের ,যেটা শহুরে পটভুমিতে দেখানো যেতো । বইয়ের মূল এন্টাগনিস্ট এর চরিত্র টা আমার কাছে বেশী ভালো এবং স্ট্রং লেগেছে , অনেক ডিফারেন্ট ছিলো চরিত্র টা।
আগেই বলেছি , উপন্যাসটার প্রচলিত পটভূমির ব্যাপারে , তাহলে কেনো এই বইটা বাকী আট-দশটা হরর , হরর থৃলার থেকে ব্যতিক্রম ? কারণ এখানে জীনে ধরার সাথে এসে যুক্ত হয়েছে ব্ল্যাক ম্যাজিক , কিছু মানুষরুপী পিশাচের কাণ্ডকারখানা , পাশবিকতা !!! বইটাকে আরো বেশী অসাধারন করে তুলেছে তার এন্ডিং , এজন্য লেখককে বাহবা জানাতেই হচ্ছে , যে তিনি প্রচলিত ধারণার বাইরে দিয়ে হেঁটেছেন । এন্ডিং টাই মুলত বইটার জন্য ভালোলাগা বাড়িয়ে দিয়েছে। এন্ডিং টা ছাড়াও বইয়ে টুকরো টুকরো কিছু টুইস্ট আছে , যেগুলো পড়ার মজা বাড়িয়ে দেবে কয়েকগুন !!!
অক্টারিন যারা পড়েছেন তারা হয়ত এটা পড়তে গিয়ে ভাববেন প্লটটা প্রায় কাছাকাছি , হম , দুটো বইয়ের প্লটের অনেক টাই যেখানে জিন নিয়ে, সেখানে মিল পাওয়াটা স্বাভাবিক । তবে , বইদুটো আসলেই একেবারে ভিন্ন । জিন এসেছে কাহিনীর প্রয়োজনে , দুটো বইতেই , ব্যস এইটুকুই , আর কিছু না !
ও , বলতে ভুলে গেছি , বইটার সবচেয়ে প্রধান চরিত্রের কথা ,সেটা হলো "বৃস্টি"। পুরো বইজুড়েই খালি বৃস্টি আর বৃস্টি !!! আর এই জিনিসটাই বইটার শিল্পগুন আরো বাড়িয়ে তুলেছে অনেকখানি , সেই সাথে নস্টালজিক করে তুলেছে চরিত্রগুলোকেও (আমিও একটু-আধটু হইসিলাম কিন্তু) !
জাবেদ ভাইয়ার লেখার হাত অনেক ভালো , তবে আমার কাছে বর্ণনাটা একটু কেমন জেনো লেগেছে , সেটা একান্তই আমার ব্যাপার , বলছি না খারাপ লেগেছে তবে ছোট ছোট বাক্য দিয়ে না বুঝিয়ে একসাথে করে লিখলে পড়তে ভালো লাগতো আরেকটু । আশা করি আমার এই "কেমন যেন লেগেছে" ব্যাপার টা ভাইয়া ক্ষমাসুন্দর দৃস্টিতে দেখবেন :)
"শেষ হয়েও হইলোনা শেষ" এই বাক্য টা মনে হয় তমিস্রা'র জন্য জন্মেছিলো , অপেক্ষায় রইলাম সিকুয়েল এর জন্য , আশা রাখা যায় সেখানে কাহিনী আরো অনেক বেশী ই জমবে ! অনেক বেশী ই........................... !!!
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো লেখক, তার পরিশ্রম , এবং বাতিঘর পরিবার এর জন্য !!!
তবে, টেনে হিঁচড়ে বড় বানানো গল্প। অপ্রয়োজনীয় কথার রিপিটেশন। বাক্য গঠনে ভুল এবং প্রচুর ভুল বানান বিরক্তির উদ্রেক করেছে। আচ্ছা, এই যে এত সুন্দর প্লট মাথায় নিয়ে এতো পরিশ্রম করে যে একটা গল্প লিখা হয় সেটার প্রুফ রিডিং ঠিক মত করানো হয়না কেন?
এই সিরিজ টা পড়ছি গত কয়েক দিন যাবত। প্রতিটা গল্পেরই প্লট সুন্দর, টুইস্ট আছে। প্রেডিক্টেবল হলেও মজা লাগে পড়ে। তবে অপরিপক্ক রচনা শৈলী, লেখনি এবং বানানের প্রতি অযত্নের ছাপটা এত প্রকট যে সেসবের পিছনে গল্পের মজাটা ফিকে হয়ে যায়।
ফ্যান্টাসি বা অতিপ্রাকৃত গল্প এমনিতে আমার খুব একটা পছন্দ নয়। এ বইটা পড়ার মূল কারণ ছিল গ্রামের গা ছমছমে পরিবেশের বর্ণনা। শুরুর দিকে বেশ জমাট বাঁধছিল ঘটনাগুলো। গল্পে ডুবে যাচ্ছিলাম। মাঝে মাঝে এত এত ছোট ও গুরুত্বহীন চরিত্রের আনাগোনা ছিল যে চরিত্র মনে রাখতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছিলাম। সমাপ্তিটুকু যুৎ মনে হয়নি। তবে মোটের উপর থ্রিলিং ছিল। পাহাড়, জঙ্গল, গ্রাম, বন, ভূত, জ্বীন, শয়তানের উপাসক ইত্যাদি পরিচিত পরিবেশে মানিয়ে গেছে বলে বেশ উপভোগ করেছি। এই জনরার বই খুবই কম পড়ি। পড়লেও শেষ করতে পারি না। এটা পেরেছি। যাদের হরর জনরা ভালো লাগে তাদের কাছে হয়তো দারুণ লাগবে বইটি।
শুভপুর গ্রামে এসেছে এক পিশাচ সাধক। হচ্ছে খুন। খুন গুলো কি পিশাচ সাধকেরই কাজ? পাশাপাশি এসেছে জ্বিন গোত্রের সর্দার তার নিজের মেয়েকে বাঁচাতে। বাঁচাতে কি পারবে জ্বিন সর্দার ইফ্রিত তার মেয়েকে বাঁচাতে? ইফ্রিতের হাত থেকে কি বাঁচাতে পারবে ডাক্তার ইরফান তার রোগীকে বাঁচাতে। কে বাঁচবে জ্বিনের মেয়ে নাকি ইরফানের রোগী। এদিকে আবার পুলিশ অফিসার সুহেল পারছে না কেস গুলোর সমাধান করতে? অশরীরী আত্মা বাঁচাতে চাইছে তার নিজের জমজ বোনকে প্রেত সাধকের হাত থেকে। চেষ্টার কমতি নেই। বাঁচবে কি সেই জমজ বোন?
হরর বইয়ের সব চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ভয়ের পরিবেশ তৈরী করা। সেখানে সফল লেখক। তাই সাধারণ ঘটনা গুলোই ভয় তৈরী করে ফেলেছে। লাস্টে টুইস্ট ছাড়াই গল্প যেভাবে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে পাঠক কে সেটা প্রশংসার দাবিদার। কালো জাদু আরর প্রেআত্মা মিলে একটাটা ভয়াল প্লট মোহাবেশ করে রেখেছ পুরো গল্প জুড়ে।এরকম বেশ কয়েকটি আলাদা প্লট শেষে একত্রিত হয়েছে। এইটা একটা সিরিজ এর প্রথম পার্ট। বাংলাদেশি লেখক হিসেবে অনেক ভাল হয়েছে। শুধু কিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে। ওগুলো উপেক্ষা করলে ১০০ তে ৭০ দেয়া যায়
মনের গহীন অন্ধকারের বই তমিস্রা। ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির লোভে মানুষ করে না এহেন কাজকর্ম নাই। নিচে নামতে নামতে এক সময় সকল সীমা অতিক্রম করার নজির নেহাত কম না। ক্ষমতার মোহের স্বরূও উন্মোচন হয়েছে তমিস্রা তে।
ভালো লেগেছে, জোর করে কোনও কিছু গেলানোর চেষ্টা করা হয় নি। যে টুইস্ট এসেছে তা গল্পের খাতিরে স্বাভাবিকভাবে এসেছে। গল্পকার তার মতন করে গল্প বলে গেছেন আর কাহিনীর পরত একের পর এক খুলে গেছে।