তপন বন্দ্যোপাধ্যায় (৭ জুন ১৯৪৭/২২ জ্যৈষ্ঠ ১৩৫৪) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন উল্লেখযোগ্য লেখক। তাঁর লেখালেখির সূত্রপাত সত্তর দশক থেকে। প্রথমে কবিতা দিয়ে লেখালেখি শুরু হলেও ক্রমশ তিনি কথাসাহিত্যিক হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর লেখার মধ্যে দিয়ে একদিকে উঠে এসেছে গ্রাম বাংলার প্রকৃতি অন্যদিকে প্রতিফলিত হয়েছে বহু সুপ্ত ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিক হিসেবে বিভিন্ন দপ্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। তিনি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য জাতীয় পুরস্কারে তিনি সম্মানিত হয়েছেন। সতীকান্ত মহাপাত্রের কবিতা সংকলন 'ভারতবর্ষ' অনুবাদের জন্য ২০১৯ সালে তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ২০২২ এ বীরবল উপন্যাসের জন্য পেলেন সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার। তাঁর সাহিত্য অবলম্বনে জনপ্রিয় চলচ্চিত্রও নির্মাণ হয়েছে।
Born in 1947, Tapan Bandyopadhyay, saw the light of this world as a refugee from then East Bengal. After completing the school studies, he came to Calcutta to study in the college and the university, earned a first class degree in Pure Mathematics. He then acted as a teacher in a higher secondary school for seven months, and then joined in nationalised bank as a clerk. After serving there for two years, he joined the state service in 1972 and retired in June 2007 as Special Secretary & ex-officio Director of Culture, Govt of West Bengal. Later on, he was re-employed as Secretary, Shishu Kishore Academy He started his literary career as ap poet, but ultimately got success as a short story writer and novelist.
অসহনীয় রকমের বোরিং। মনে হচ্ছিল একই কথা ২০০ পৃষ্ঠা জুড়ে বকবক করে যাচ্ছেন লেখক। এই জিনিস না লিখলে বাংলা তথা বিশ্বের গোয়েন্দা সাহিত্যের কিছুমাত্র ক্ষতি হতো না।
অপ্রয়োজনীয় বর্ণনায় ঠাসা। রহস্য উন্মোচন করতে গিয়ে বিশাল বক্তৃতা। প্রেডিক্টেবল ফিনিশিং। কাহিনীর মাঝে অসংখ্য অসামঞ্জস্যতা। গার্গী চরিত্রটির একদমই পার্সোনালিটি নেই৷ স্বামীর ভয়ে তটস্থ থাকে আবার বলে তার স্বামী একদমই ডমিনেটিং নয়! সম্ভবত লেখক পাঠকদের বুদ্ধিবৃত্তিকে খুবই খাটো করে দেখেন।
ভেবেছিলাম বাংলার এই মহিলা ডিটেকটিভ গল্প পড়ে আর যাই হোক আশাহত হবোনা, কিন্তু সব আশায় এভাবে জল পড়বে ধারণার বাইরে। প্রচলিত গোয়েন্দা গল্পের ধারে কাছেও আসেনা।প্লট খুবই দুর্বল। গার্গীকে কোনো অসাধারণ ব্যাক্তিত্ব হিসেবে নাই বা দেখানো হোক,তবে পাঠককে কিভাবে সাধারণের মধ্যে অসাধারনত্ব লুকিয়ে থাকে সেটাই যখন দেখাতে পারেননি লেখক.... Unnecessary description দিতে গিয়ে ঘেঁটে ঘ পুরো।