‘সরি, এভাবে হাত ধরাটা উচিত হয়নি।’ ‘ইটস ওকে, আমি জানি আপনি খেয়াল করেননি।’ ‘সরি সেজন্য না, খেয়াল করার পরও আরো তিন সেকেন্ড ইচ্ছে করে ধরে রাখার জন্য।’ আফরীন হেসে উঠল। কাচভাঙা হাসি না, নয় দুষ্টুমির হাসিও। নিঃশব্দ এই হাসিটাকে সংজ্ঞায়িত করার মত জ্ঞান আমাকে দেয়া হয়নি। আবছা আঁধারিতে এই হাসি যে কারো বুকে চিনচিনে ব্যথা তৈরি করতে যথেষ্ট...
... আজকাল এই নগরের পথে হেঁটে বেড়ানোর সময় চোখ কান খোলা রাখলেই এক যুগলকে দেখা যাবে হাতে বাক্স নিয়ে গাড়িতে গাড়িতে টাকা তুলতে। এখানে কয়েকটি রহস্য আছে। মেয়েটা কোটিপতি হওয়া সত্ত্বেও কেন এভাবে টাকা তুলছে সে রহস্য?
রহস্য তাদের মধ্যকার সর্ম্পক নিয়েও। তারা নিজেরাও জানে না তাদের মধ্যে সম্পর্কটা ঠিক কী। ভাই-বোন, ছাত্র-শিক্ষক, সাইকিয়াট্রিস্ট-রোগী নাকি প্রেমিক প্রেমিকা!
তবে সব চাইতে বড় রহস্যের তল আপনি পুরো নগরের কোথাও খুঁজে পাবেন না। কোটিপতি মেয়েটার সাথে থাকা ওই যুবকের রহস্য! একজন অভ্র। এক সাক্ষাত্ বিভ্রান্তি !
আপনাকে আরো একবার স্বাগতম অভ্র'র মায়াময় জগতে যে জগতে রহস্য আছে বিভ্রান্তি আছে হাসি আছে প্রেম আছে কান্না আছে কিন্তু বের হবার রাস্তা নেই!
একজন চরিত্র যার কাজের ধরণ হচ্ছে মোটামুটি ভাবে সারাদিন রাস্তা ধরে ঘোরাফেরা করা, মানুষের বিভিন কাজ পর্যবেক্ষন করা আর সে সম্পর্কে নানা রকমের উক্তি করা । তা সে উক্তির মাঝে হিউমর ও থাকতে পারে আবার দার্শনিক দার্শনিক একটা ভাবও থাকতে পারে । এই ধরণের প্রেক্ষাপটে বর্তমানে অনেক চরিত্রই কিন্তু দেখছি । কিন্তু অনেকের মতেই সব চরিত্রের আবির্ভাবই 'হিমু' থেকে । আমিও সে ব্যাপারে খুব একটা অমত করব না । কেউ যদিই হিমু থেকে ইন্সপায়ার্ড হয়ে সে ধরণের সাহিত্য রচনা করতে পারে এবং তা যদি মানসম্মত হয় তাহলে সমস্যা কোথায় । আর হিমুর যে ধরণের ফ্যানবেজ তা থেকে এটা নিশ্চিত যে এ ধরণের রচনার অনেক পাঠকই আছেন আমাদের দেশে । কোন এক বিচিত্র কারণে আমিও সেই দলে । তাই অভ্রকে নিয়ে বের হওয়া এই পাঁচ নম্বর(প্রকাশিত দ্বিতীয়) উপন্যাসটিও পড়ে ফেললাম । অভ্রকে অভ্রসুলভ কাজকর্মই করতে দেখা গিয়েছে এই বইতেও । তবে একটা কথা বলব যে একই ধরণের থীমেরই রিপিটেশন হয়ে যাচ্ছে বলে আমার মনে হয় । কারণ প্রথম বইতেও যেমন দেখা যায় যে লেখক অভ্রর পরোপকারী দিকটার প্রতিই বিশেষ নজর দিয়েছেন , এখানেও সেই দিকটিই প্রাধান্য পেয়েছে । আর সহকারী চরিত্র হিসেবে আফরীনের ভূমিকাটা আরেকটু বেশী হলেই ভালো হত । এই ধরণের বই এ কাহিনী সংক্ষেপ বলে তেমন একটা লাভ নেই, কারণ মূল অংশ ওটা না । মূল হল লেখক জীবনবোধকে কিভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন সেটা । আমার মনে হয় যে পাঁচ নম্বর বইয়ে এসে আরেকটু পরিণত ধরণের লেখনীই আশা করেছিলাম লেখকের কাছ থেকে । সেদিক থেকে একটু হতাশই বলতে হবে । কিছু কিছু জায়গায় অভ্রর রসিকতাগুলো তার ভাষ্যমতই "হিন্দি সিরিয়ালের ডায়লোগ" এর মত 'স্বস্তা' লাগছিল । আমি বইকে দুভাবে ভাগ করি সাধারণত । ভালো লেগেছে কিংবা লাগেনি। এই বইয়ের ব্যাপারে বলব যে কখনও লেগেছে কিংবা কখনো লাগেনি, এটা যারা পড়বেন তাদের উপরই নির্ভর করবে । শেষে যে লেখক বলে দিলেন সামনে একটু ভিন্নধর্মী কাজে দেখা যাবে অভ্রকে সেটার জন্যে অপেক্ষায় রইলাম । লেখককে শুভকামনা ।
আজকাল এই নগরের পথে হেঁটে বেড়ানোর সময় চোখ কান খোলা রাখলেই এক যুগলকে দেখা যাবে হাতে বাক্স নিয়ে গাড়িতে গাড়িতে টাকা তুলতে। এখানে কয়েকটি রহস্য আছে। মেয়েটা কোটিপতি হওয়া সত্ত্বেও কেন এভাবে টাকা তুলছে সে রহস্য?
রহস্য তাদের মধ্যকার সর্ম্পক নিয়েও। তারা নিজেরাও জানে না তাদের মধ্যে সম্পর্কটা ঠিক কী? ভাই-বোন, ছাত্র-শিক্ষক, সাইকিয়াট্রিস্ট-রোগী নাকি প্রেমিক প্রেমিকা!
তবে সব চাইতে বড় রহস্যের তল আপনি পুরো নগরের কোথাও খুঁজে পাবেন না। কোটিপতি মেয়েটার সাথে থাকা ওই যুবকের রহস্য! ওর সবচেয়ে বড় পরিচয় ও একজন অভ্র। যার অপর নাম সাক্ষাত্ বিভ্রান্তি !
লেখকের লেখনীর সাথে পরিচয় বেশ আগে থাকেই। অভ্রর ছোট গল্প গুলো পড়া হয়েছে অনেক আগেই। মুগ্ধতার শুরু সেই তখন থেকেই।আমি নিজেকে সর্বাভুক পাঠক হিসেবে মেনে নিতে অপরাগ। আমাকে থ্রিলারই বেশী টানে। হয়তো শুরুটা করেছিলাম কাজী আনোয়ার হোসেনের সৃষ্ট মাসুদ রানা সাথে বলেই। কিন্তু মাঝে মাঝে স্বাদ পাল্টানোর জন্য অন্য কিছুও ট্রাই করি।সেই ট্রাই থেকেই আজ পড়ে ফেললাম লেখকের এইবারের বই মেলায় অভ্র সিরিজের এই নগরের পথে । হাটতে বেড়িয়েছি অভ্রর সাথে এই নগরের পথে । শুরু থেকেই ছিলাম। মাঝে আমাদের দুই জনের সাথে যোগ হয়েছে আফরীন নামের মিষ্টি মেয়ে। বইটিতে কি আছে??? একজন পাঠক বই পড়েন কেন???
একেক জনের কাছে একেক উত্তর।কিংবা বলা যায় বিধাতা আমাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেবার ক্ষমতা দেন নি। দিলে কি হতো??? কেন দেননি ??এই প্রশ্নের উত্তর জানা হয়তো কারো আছে , হয়তো নেই।
মুলত বই পড়ি বইয়ের জগতের সাথে নিজের জগতের একটা মেলাবন্ধন সৃষ্টি করতে।সেই বইয়ের পাতায় নিজেকে হারিয়ে ফেলতে ।কল্পনার সুতো ধরে পথ চলতে চাই গল্পের মাঝে। ভেবে নিতে চাই আমিও একজন চরিত্র যে কিনা প্রত্যেকটি চরিত্রকেই খুব কাছ থেকে দেখতে পাচ্ছে ।প্রত্যেকটি চরিত্রকে অনুভব করতে পারছে। এখানে প্রভাবক হিসেবে কি কাজ করে জানেন ????
এক কথায় বলতে গেলে লেখকের লেখন শৈলী!!!!!!!!
বইটাতে অদ্ভুদ এক ভালো লাগার রেশ বিদ্যমান। অভ্রর সেন্স অভ হিউমার আসলেই বেশ প্রশংসনীয়। লেখক বেশ ভালো ভাবেই ফুটিয়ে উঠাতে পেরেছেন অভ্রকে।
বইটা সাইজে একটু ছোটই লেগেছে । আরেকটু বড় হলে হয়তো ভালো হত।
I felt the book was Okaish. Though I have never read a book before of this series, I considered to buy one copy of this book because I read some short stories on the Character Auvro. However, the book seem to be somewhat predictable and I found the author's writing quite prejudiced. Apart from the shortcomings, it was a nice read. Auvro does have a strong vibe of Himu. So, I will definitely recommend to anyone who has read the Himu Series by the great writer-director Humayun Ahmed.
দিনটা দারুণ কাটলো, একটু একটু করে শেষ করলাম সারাদিন ধরে। খবুই সরল এবং আকারে ক্ষুদ্র উপন্যাসটি পড়ার পর তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলেছি। কেউ যদি এটা পড়ার পর হিমুর ছায়া খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি করেন তাহলে সেক্ষেত্রে তাকে দোষ দেয়া যায়না। তবে কপি পেস্ট ছিলো না মোটেই বড়জোর অনুপ্রাণিত বলতে পারেন। যাইহোক অভ্র কে আমার ভালো লেগেছে, অনেকদিন পর একদিন বই শেষ করায় আরো ভালো লাগলো।