Jump to ratings and reviews
Rate this book

Holy Trail : A Pilgrim's Plight

Rate this book
The Holy Trail : A Pilgrim's Plight is a tongue-in-cheek yet touching first person recount of Nabaneeta Dev Sen's experiences on her virgin Kumbh pilgrimage. From the perch of a quintessential nonpilgrim, the narration is vivid and bursting with wit. It brings to life the essence of Kumbh Mela, where pilgrims throng in millions to reap their shares of 'goodness'.

Having decided to brave the daunting crowds of Kumbh Mela alone, the author faces the brunt of society. Trials and tribulations are a galore but so are divine interventions in unforeseen forms and faces. In the span of a few hours she comes across my riad faces of humankind — from stoic sannyasis to benevolent brethren to spiteful spouses. She sleeps rough, shares a cuppa with sannyasis and teeters into holy waters in high heels. Yet, all's well that ends well.

Paperback

Published January 1, 2012

Loading...
Loading...

About the author

Nabaneeta Dev Sen

93 books84 followers
Nabaneeta Dev Sen is an award-winning Indian poet, novelist and academic. Sen has published more than 80 books in Bengali: poetry, novels, short stories, plays, literary criticism, personal essays, travelogues, humour writing, translations and children’s literature. Her short stories and travelogues are a rare combination of fine humour, deep human concern, and high intellect, which has made her a unique figure in the Bangla literary scene.

She is a well-known children's author in Bengali for her fairy tales and adventure stories, with girls as protagonist. She has also written prize-winning one-act plays.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
18 (47%)
4 stars
11 (28%)
3 stars
8 (21%)
2 stars
1 (2%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Shotabdi.
842 reviews215 followers
April 8, 2022
নবনীতা দেবসেন। তাঁর লেখার সাথে আমার প্রথম পরিচয় কবে? যতদূর মনে পড়ে হে পূর্ণ, তব চরণের মাঝে এর মাধ্যমে। কিন্তু কেউ কেউ আছেন যাঁদের সাথে পরিচয়টা মনে হয় যুগ-যুগান্তর এর, আত্মিক। নবনীতার বৈদগ্ধ্য আক্ষরিক অর্থেই বিদ্যুৎ চমকের মতো৷ ছোট্ট করে, ফাঁক ফোঁকরে ঢুকিয়ে দেয়া তাঁর জীবনদর্শন আমাকে প্রচণ্ড মুগ্ধ করে, ভাবায়।
তীর্থস্থান ভ্রমণ এর একটা আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। কেবল পুণ্যস্থান-সেটাই নয়। বরং পুণ্যস্থান বলেই সাধারণ ভ্রমণস্থানগুলোর তুলনায় সেখানে মানুষের দেখা পাওয়া যায় বেশি, জীবনের দেখা পাওয়া যায় বেশি, দর্শনের দেখা পাওয়া যায় বেশি, অভিজ্ঞতাও একেক রকমের হয়। আর খুব একটা নৈকট্য থাকে একে অপরের সঙ্গে।
আমি যেখানে থাকি তার পাশেই পণতীর্থ বলে একটি তীর্থস্থান রয়েছে, যেখানে প্রতি বছর লক্ষ তীর্থযাত্রীর সমাগম হয়। এত ভীড়বাট্টা পছন্দ নয় বলে কখনো যাওয়া হয়ে ওঠে নি কিন্তু নবনীতার এই কুম্ভমেলা একাকী পরিদর্শন এর গল্প শুনে আমার মধ্যেও অন্তত হাতের কাছের এই পুণ্যক্ষেত্রটা একবার দর্শনের সাধ জেগেছে। নানান মানুষ এবং তাঁদের মধ্য দিয়ে একবার স্বর্গকে উপলব্ধি করবার জন্যই।
নবনীতার গন্তব্য ছিল হায়দ্রাবাদ, সেখানে বক্তৃতার উদ্দেশ্যে যাওয়া। কিন্তু ওই যে খেয়াল, যা তাঁকে ছুটিয়ে নিয়েছে সব ধরনের শারীরিক আর মানসিক পীড়া সত্ত্বেও হিমালয় থেকে পেরু, সেই খেয়ালের বশেই প্রায় জেদ ধরে রওয়ানা হলেন কুম্ভমেলায়। সেই বছর ১৪৪ বছরের মধ্যে সেরা যোগ ছিল, ১ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষের উপরে এসেছিলেন স্নানযাত্রায়। সেই যাত্রায় শামিল হওয়ার রোমাঞ্চকর বর্ণনা পাঠককে সেই ভীড় -ভাট্টা, তাঁবু, অন্ধকার, জল, হাওয়া, বৃষ্টি আর থিকথিক করে থাকা মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়।
পথে পথে একলা কেন, এই প্রশ্নের উত্তর এবং স্বামী কোথায় এমন ব্যক্তিগত বিব্রত প্রশ্নের সম্মুখীন হলেও স্বভাবসুলভ হাসিঠাট্টা আর বুদ্ধির মাধ্যমেই বিড়ম্বনা থেকে নিজেকে বাঁচিয়েছেন। পেয়েছেন অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী। তীর্থস্থানে গেলে বোধহয় মানুষের মন আপনিই নরম হয়ে থাকে, কিংবা কে জানে সত্যিই বোধহয় ভালো মানুষের সংখ্যাই বেশি পৃথিবীতে। তাই এই প্রচণ্ড ভীড়ে দুঃসাহসী ভারতীয় নারীটি একা একা এই কুম্ভমেলা ভ্রমণ সেরে আসেন নির্বিঘ্নে, অভিজ্ঞতার ঝুলিতে একটা সোনার পালক পুরে নিয়ে, পাঠকদের জন্য এক চমৎকার গল্পের ডালা সাজিয়ে।
লেখিকা জীবনের সবকিছুকেই দেখতেন প্রাপ্য নয়, বরং উপরি হিসাবে। ফলে সত্যি সত্যি পথ চলার আনন্দ উপভোগ করতেন তিনি। গাদা গাদা লোকের ভীড়ে হঠাৎ একটু ভালো সাহচর্যকেই উল্লেখ করেছেন ঈশ্বরদর্শন হিসেবে।
বইটিকে ভ্রমণকাহিনী আর দর্শনগ্রন্থের একটা অপূর্ব সম্মিলন বলব আমি। মন ভরে দেয়ার মতো বই, সাথে অনেকটাই হৃদয়কে প্রশস্ত করে, তাকাতে বলে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে। নটি নবনীতার জয় হোক!
Profile Image for _drishti.
11 reviews14 followers
January 26, 2025
প্রতি চার বছরেই একবার করে চলে আসা কুম্ভ নয়,ছয় বছরে আসা অর্ধকুম্ভ কিংবা বারো বছর পর আসা পূর্ণকুম্ভও নয়,একেবারে ১৪৪ বছর পর পর আসা মহাকুম্ভ চলছে এখন।

প্রয়াগ যাওয়ার মতন পয়সাকড়ি,সময়-সুযোগ,জন্মান্তরের পুণ্যফল এবং সবচেয়ে বড় কথা-শর্টকাট পুণ্যার্জনে নিজের উপর ভরসা,সেসবের কিছুই নেই বলে মহাকুম্ভে যাওয়ার সৌভাগ্য এজন্মে হয়েও আর হলো না।
প্রিয় নবনীতা দেবসেনের বইটা তাই আবার নিয়ে বসলাম,মহাকুম্ভ ঘুরে না এলেও পড়ে আসা ত হবে।

বইটা বাংলা ১৩৮৬ সালের,অর্থাৎ ইংরেজি ১৯৭৯।লেখিকা এক কনফারেন্স এ বক্তৃতা দিতে গিয়েছিলেন উলটোপথে হায়দ্রাবাদে,সেখান থেকে উঠলো বাই ত কটক যাই ভেবে একটানে সোজা কুম্ভমেলা!

বইটা তীর্থ-দর্শন না ভ্রমনকাহিনী,কোনটা বললে পুরোপুরি মানানসই হবে তা বুঝতে পারছি না। পুরাণের শতসহস্র জ্ঞান নেই,ইতিহাসের কচকচানি নেই,ঐতিহ্য সংস্কৃতি "মেইনটেইন" এর মতন গুরুদায়িত্বও নেই।আছে এপথ ওপথ করে ঠিক ঠিক কোটি মানুষের একজন হয়ে কুম্ভমেলার পৌছে যাওয়ার কাহিনী,আর কালেভদ্রে তার মাঝে নিজের টুকরোটুকরো ভাবনার কিছু অনুরণন।

প্রচণ্ড শীত,বৃষ্টি, ভিড় আর পদে পদে ভোগান্তিতে তীর্থদর্শন যা করেছেন, তার চেয়ে ঢের বেশি দেখেছেন পথে পথে অপরিচিত মানুষদের,আর তার চেয়েও বেশি মায়ায় সেসব মানুষকে ঠাঁই দিয়েছেন নিজের লেখায়।

১৬০ পৃষ্ঠা পড়ে তীর্থদর্শন কতটুকু হলো জানি না,তবে নবনীতা-দর্শন আরেকবার হলো।
উনার ছিমছাম লেখা ত অবশ্যই,জীবন নিয়ে নবনীতা দেবসেন এর এই যে " চারিদিকে দেখো চাহি,হৃদয় প্রসারি, ক্ষুদ্র দুঃখ সব,তুচ্ছ মানি" দৃষ্টিভঙ্গিও বরাবরই মুগ্ধ করে।

যা পেয়েছি তা চাওয়ার বেশি মানসিকতা নিয়ে দেখলেই বোধহয় একলা বঙ্গনারীর কুম্ভযাত্রায় পদে পদে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হয়ে হাজারো ঝঞ্ঝাট পেরিয়েও দিনশেষে সব ভালোটুকুই মনে রাখা যায়,সুরাসুরের মন্থনে গরলও যে উঠেছিলো তা ভুলে গিয়ে অমৃতটুকু ঘিরেই এত উচ্ছ্বাসের মতনই।
April 18, 2024
এত ছটফটে-আদুরে-প্রাঞ্জল ভাষায় নবনীতা কথা বলে, মনে হয় এ যেন আমার অনেকদিনের চেনা প্রিয় সুর, অতিবেশি পরিচিত মুখ, নিদারুণ কোন সুখ — হাসছে-গাইছে-দুহাত নেড়ে গল্প বলছে। চোখ বন্ধ করলে নিজেকে খুঁজে পাই নবনীতার মামা বাড়ি থেকে আনা কম্বলটিতে, গোলপাতায় ছাওয়া কাদায় ল্যাপা কোন মাটির ঘরের বারান্দাতে, ঝুম আষাঢ়ে বৃষ্টিতে নবনীতার গল্পের পসারে।

ওঁ যখন মানুষ নিরীক্ষা করে, মনের গহীনে তৈরি চোখটা যা দেখে, তার স্বরূপ গল্পের কোনা-কাঞ্চিতে, মোড় পরিবর্তনের মুহুর্তে অকপটচিত্তে তুলে ধরে, থামতে হয়, চোখ যেন কোটর থেকে বেরিয়ে পড়ে। তবে ভয় নেই, চোখ আবার লাগিয়েই পড়তে বসবেন।

বইটা কুম্ভ-যাত্রার। বিশ্বাসীদের কাছে বইটার আলাদা কদর আছে। ভ্রমণপিপাসু বইপড়ুয়াদের জন্য ওঁর ট্র্যাকবাহনে ম্যাকমাহনে বইটা সাজেস্টেড।
Profile Image for Sushanto Kumar Saha.
93 reviews9 followers
May 1, 2020
একজন একা মহিলা হিসেবে লেখিকার কুম্ভযাত্রার আখ্যান এ উপন্যাস। এত প্রান্জলতা আর দরদ দিয়ে লেখা শুধুমাত্র নবনীতা দেবসেনের পক্ষেই সম্ভব।
অসাধারণ বই!
Profile Image for Treena Sengupta.
103 reviews4 followers
April 29, 2017
Have read many travelogues about exotic places with intriguing stories, this one takes you to least expected one Kumbh. One about a strong willed woman, deciding to make it alone, oh yes, add to it we are talking about 1960s. The lady none other than the famed Nabaneeta Dev Sen. But wait a min, The story isn't about celebrity travel, it's how she manages to get to Prayag against all odds and in the human ocean, with all mixed experiences, just like a commoner takes her holy dip, on none other than on Midnight of Mauni Amavhsya; written with lot of wit and humour. She inspired me I will be in Prayag, in 2019, if life allows me with a chance. If nothing I would like to live thru the awesome bunch of life experiences.
Profile Image for ASHISH KALITA.
28 reviews2 followers
April 16, 2022
The writing style is good to read. But apart from that, nothing to capture the attention of the reader; it was more like a personal travel blog.
Displaying 1 - 6 of 6 reviews