Various is the correct author for any book with multiple unknown authors, and is acceptable for books with multiple known authors, especially if not all are known or the list is very long (over 50).
If an editor is known, however, Various is not necessary. List the name of the editor as the primary author (with role "editor"). Contributing authors' names follow it.
Note: WorldCat is an excellent resource for finding author information and contents of anthologies.
লেখকদের নামের সারিতে আলেক্সেই তলস্তয় আর মির্জা ইব্রাহিমভ আর অনুবাদে সমর সেনের নাম দেখে বইটা পড়তে নিয়েছিলাম। পড়তে নিয়ে দেখি বিশুদ্ধ 'পার্টিজান রচনা'। অর্থাৎ সাহিত্যের নামে সৃষ্ট বিশুদ্ধ আবর্জনা। সমর সেন বোধকরি পেটের দায়ে অনুবাদ কর্মটি করেছিলেন, বিশ্বাসের জায়গা থেকেও করে থাকতে পারেন। অবশ্য ২০১৯ সালে দাঁড়িয়ে ষাট-সত্তরের দশকের অন্ধত্ব বিচার করলে চলে না। আলেক্সেই তলস্তয় আর মির্জা ইব্রাহিমভের জন্য দুঃখ হয় বিপুল ক্ষমতা নিয়ে জন্মেও সাহিত্য রচনার পরিবর্তে এসব আবর্জনা রচনা করে গেছেন। এই সংকলনে মির্জা ইব্রাহিমভের যে গল্পটি (মেদিনের হৃদয়) আছে সেটি একটা ওয়ার্ল্ড ক্ল্যাসিক হবার সব সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে শেষে পার্টিজান নৈতিকতা বজায় রাখতে গিয়ে বটতলার গল্প হয়েছে। হাড্ডিগুড্ডি বিবেচনায় ছাগু-চাড্ডি-লালু'রা যুগে যুগে একই প্রকার।
এই বইটা পড়ায় আমার দুটো লাভ হয়েছে। এক, লাৎভীয় সাহিত্যিক আন্দ্রেই উপিৎ (Andrejs Upīts)-এর লেখা পড়তে পাওয়া। এই সংকলনে ঠাঁই পাওয়া 'ধর্মান্তর' গল্পটি যে বিশাল ব্যাপ্তি ও ইতিহাস নিয়ে রচিত সেটি অনায়াসে অ্যালেক্স হ্যালি'র 'রুটস্'-এর মাপের উপন্যাস হতে পারতো। দুই, গ্রিগরি হোজের লেখা পড়ে 'নানাই' জাতি ও তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে আগ্রহী হওয়া। (আপাতত বাতর মের্গেন আর জাদুকর কন্যা শামানের খোঁজ পেয়েছি)
গল্প সংকলনের নাম 'রুশ চরিত্র', 'সোভিয়েত চরিত্র' নয়। অথচ এখানে রাশিয়া ছাড়া লাৎভিয়া, বেলারুশ, য়ুক্রেন, জর্জিয়া, আর্মেনিয়া, আজেরবাইজানের লেখকদের লেখা আছে যেগুলো যার যার নিজের দেশের পটভূমিতে নিজের দেশের মানুষের গল্প (আন্দ্রেই উপিৎ ছাড়া)। তারা কী করে 'রুশ' হলো? সোভিয়েত ইউনিয়ন কার্যত 'রুশ সাম্রাজ্য' ছিল কিনা সেটা নিয়ে যাদের সন্দেহ আছে তারা এসব অ্যানেকডোট বিবেচনায় রাখতে পারেন। সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ প্রায়শই সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ, নৃতাত্ত্বিক সাম্রাজ্যবাদ, ভাষিক সাম্রাজ্যবাদ হয়ে মানুষের স্বীয় পরিচয়টিকেই ভুলিয়ে দিতে চেয়েছে। এই প্রকার চাপিয়ে দেয়া ব্যাপার-স্যাপারের পরিণতি কী হয় সেটা এখন স্পষ্ট। আমাদের সৌভাগ্য এই যে, 'পার্টিজান রচনা'র অন্তত একটা ধারা বন্ধ হয়েছে।
পুনশ্চঃ শুভময় ঘোষের কোন অনুবাদ আগে পড়েছি বলে মনে পড়ছে না। আগে পড়ে থাকি বা না থাকি ভবিষ্যতে তাঁর কোন অনুবাদ কর্ম পড়তে চাই না।