নিষ্ঠুর একদল অমানুষের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে গভীর জঙ্গলে হারিয়ে গেছে নম্র, ভদ্র ছেলেটি। ওর সঙ্গে চার বছর আগে পরিচয় হয়েছিল রানার। জর্জের বৃদ্ধ, অসহায় বাবা অনেক খুঁজে বের করলেন রানাকে, চেয়ে বসলেন সাহায্য। তাঁদের কাছে জর্জের ডগট্যাগ ও রানার নাম লেখা কাগজ দিয়ে গেছে কেউ। অবাক ব্যাপার! যে এসেছিল, সেই লোকটা খুন হয়েছে কয়েক বছর আগে রানার হাতেই!
খরচের টাকা দেবেন সে সাধ্য নেই, কিন্তু ছেলেকে ফিরে পেলে চিরকৃতজ্ঞ হবেন বুড়ো-বুড়ি। বুঝল রানা, টোপ ফেলেছে কেউ। রানাকে চায়। কিন্তু সে কে— কেনই বা এই ফাঁদ?
জড়িয়ে গেল রানা অদ্ভুত এক রহস্যে। ওর সঙ্গে চলল দুর্ধর্ষ ক’জন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কিন্তু ওরা জানে না, ফণা তুলে অপেক্ষা করছে ভয়ঙ্কর এক বিষনাগিনী!
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
অগ্নিপুরুষের মত যদিও রিভেঞ্চ থ্রিলার এই বইটিও কিন্তু সেরকম আবেদন ছিলো না বইটিতে। তারপরেও রিসেন্ট বইগুলোর তুলনায় আগের মার্সেনারি রানাকে খুজে পাওয়া যাবে এই বইটিতে।