Jump to ratings and reviews
Rate this book

গণমাধ্যমের চরিত্র

Rate this book
গণমাধ্যমের চরিত্র গণমাধ্যম সম্পর্কে নোয়াম চমস্কির দুটো রচনার সংকলন।

প্রথমটি মিডিয়া কন্ট্রোল: দা স্পেকটাকুলার অ্যাচিভমেন্ট অফ প্রোপাগান্ডা-র অনুবাদ (ওপেন মিডিয়া প্যামফ্লেট সিরিজ, সেভেন স্টোরিজ প্রেস, ২০০২)।

অন্যটি জার্নালিস্ট ফ্রম দা মার্স: হাও ‘দা ওয়ার অন টেরর’ শুড বি রিপোর্টেড-এর অনুবাদ (এক্সট্রা!, দা ম্যাগাজিন অফ ফেয়ারনেস অ্যান্ড অ্যাকিউরেসি ইন রিপোর্টিং, জুলাই-আগস্ট সংখ্যা, ২০০২)।

63 pages, Paperback

First published January 1, 2005

Loading...
Loading...

About the author

Noam Chomsky

1,018 books17.5k followers
Avram Noam Chomsky is an American professor and public intellectual known for his work in linguistics, political activism, and social criticism. Sometimes called "the father of modern linguistics", Chomsky is also a major figure in analytic philosophy and one of the founders of the field of cognitive science. He is a laureate professor of linguistics at the University of Arizona and an institute professor emeritus at the Massachusetts Institute of Technology (MIT). Among the most cited living authors, Chomsky has written more than 150 books on topics such as linguistics, war, and politics. In addition to his work in linguistics, since the 1960s Chomsky has been an influential voice on the American left as a consistent critic of U.S. foreign policy, contemporary capitalism, and corporate influence on political institutions and the media.
Born to Ashkenazi Jewish immigrants (his father was William Chomsky) in Philadelphia, Chomsky developed an early interest in anarchism from alternative bookstores in New York City. He studied at the University of Pennsylvania. During his postgraduate work in the Harvard Society of Fellows, Chomsky developed the theory of transformational grammar for which he earned his doctorate in 1955. That year he began teaching at MIT, and in 1957 emerged as a significant figure in linguistics with his landmark work Syntactic Structures, which played a major role in remodeling the study of language. From 1958 to 1959 Chomsky was a National Science Foundation fellow at the Institute for Advanced Study. He created or co-created the universal grammar theory, the generative grammar theory, the Chomsky hierarchy, and the minimalist program. Chomsky also played a pivotal role in the decline of linguistic behaviorism, and was particularly critical of the work of B.F. Skinner.
An outspoken opponent of U.S. involvement in the Vietnam War, which he saw as an act of American imperialism, in 1967 Chomsky rose to national attention for his anti-war essay "The Responsibility of Intellectuals". Becoming associated with the New Left, he was arrested multiple times for his activism and placed on President Richard M. Nixon's list of political opponents. While expanding his work in linguistics over subsequent decades, he also became involved in the linguistics wars. In collaboration with Edward S. Herman, Chomsky later articulated the propaganda model of media criticism in Manufacturing Consent, and worked to expose the Indonesian occupation of East Timor. His defense of unconditional freedom of speech, including that of Holocaust denial, generated significant controversy in the Faurisson affair of the 1980s. Chomsky's commentary on the Cambodian genocide and the Bosnian genocide also generated controversy. Since retiring from active teaching at MIT, he has continued his vocal political activism, including opposing the 2003 invasion of Iraq and supporting the Occupy movement. An anti-Zionist, Chomsky considers Israel's treatment of Palestinians to be worse than South African–style apartheid, and criticizes U.S. support for Israel.
Chomsky is widely recognized as having helped to spark the cognitive revolution in the human sciences, contributing to the development of a new cognitivistic framework for the study of language and the mind. Chomsky remains a leading critic of U.S. foreign policy, contemporary capitalism, U.S. involvement and Israel's role in the Israeli–Palestinian conflict, and mass media. Chomsky and his ideas are highly influential in the anti-capitalist and anti-imperialist movements. Since 2017, he has been Agnese Helms Haury Chair in the Agnese Nelms Haury Program in Environment and Social Justice at the University of Arizona.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
6 (31%)
4 stars
7 (36%)
3 stars
6 (31%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Jahangir Alam.
126 reviews10 followers
April 25, 2025
"নিজের বেলায় ষোলো আনা, পরের বেলায় এক আনাও না।"

" আমি করলে গণতন্ত্র রক্ষা, সে করলে সন্ত্রাসবাদ।"

" কিছু তথ্য অতিরঞ্জন করবো, কিছু তথ্য লুকাবো; মূল উদ্দেশ্য সবসময়ই জনতার মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে নিজেদের ফায়দা লুটা।"

" আমার অনুকূলের ঘটনাকে যত প্রচার করবো, প্রতিকূলের ঘটনাকে ততটাই দমিয়ে রাখবো। "

" ভন্ড : মানুষকে যে করতে বলে, কিন্ত নিজে করেনা।"

চমস্কির এই দুই প্রবন্ধে শেখার ছিল অনেক কিছুই।
Profile Image for Ayan Tarafder.
147 reviews19 followers
September 30, 2019
তথাকথিত গণতান্ত্রিক রাস্ট্রযন্ত্রের নানান প্যাঁচে পড়ে গণমাধ্যমের কী এক খেলো অবস্থা আর তার চাইতেও 'লুতুপুতু বোকা' জনগনের যে কী এক নাজেহাল হাল সেসবই চমস্কি বলেছেন এই বইটাতে সংকলিত দুটো লেখায়। শাসক, জনগনকে কিভাবে নিয়ন্ত্রনে রাখতে চায় সেটা টের পাওয়া যায় একটা অংশে "... যুক্তিটা পরিস্কার। একচ্ছত্র রাস্ট্রের ক্ষেত্রে যেমন ডান্ডা, গণতন্ত্রে তেমনি প্রচার।" তার বাক্যবাণ মূলত মার্কিণ যুক্তরাস্ট্রের শাসকদের নিয়ে তবে অন্য ক্ষমতাবানরাও বাদ যান নি... আসলে জগতজোড়া তাদের চেহারা সেই ঘুরে ফিরে একই ...
তবে স্যাটায়ারে আর কটাক্ষে ভরা এই দুটো লেখার অনুবাদ আরো প্রাঞ্জল হওয়া জরুরী ছিলো !
Profile Image for Tashin Abdullah .
151 reviews2 followers
August 23, 2024
গণমাধ্যমের চরিত্র বইটি গণমাধ্যম সম্পর্কে নোয়াম চমস্কির দুটো প্রবন্ধের সংকলন। প্রথমটি মিডিয়া কন্ট্রোল: দা স্পেকটাকুলার অ্যাচিভমেন্ট অফ প্রোপাগান্ডা-র অনুবাদ। আর অন্যটি জার্নালিস্ট ফ্রম দা মার্স: হাউ ‘দা ওয়ার অন টেরর’ শুড বি রিপোর্টেড-এর অনুবাদ।

"মিডিয়া কন্ট্রোল: দা স্পেকটাকুলার অ্যাচিভমেন্ট অফ প্রোপাগান্ডা" প্রবন্ধটি নোয়াম চমস্কির একটি গভীর বিশ্লেষণী রচনা, যেখানে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম এবং সরকারি প্রোপাগান্ডার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছেন। চমস্কি যুক্তি দেন যে প্রোপাগান্ডা কেবলমাত্র স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নয়, বরং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেও অত্যন্ত কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতাধারীরা গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে জনগণের মনস্তাত্ত্বিক নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, এবং তারা কী ভাববে এবং কিভাবে ভাববে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তিনি উল্লেখ করেন যে, মিডিয়া প্রায়ই সরকারের এজেন্ডাকে প্রচার করে, এবং জনগণকে বাস্তব পরিস্থিতি থেকে দূরে রাখে। চমস্কি উদাহরণ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ঘটনার কথা তুলে ধরেন, যেখানে প্রোপাগান্ডা ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছিলো।

এই প্রবন্ধে চমস্কি বোঝাতে চান যে প্রোপাগান্ডা একটি সূক্ষ্ম এবং প্রভাবশালী হাতিয়ার যা আধুনিক গণতন্ত্রেও ব্যবহৃত হয়, এবং এটি সাধারণ মানুষের চিন্তাভাবনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। চমস্কির এই প্রবন্ধটি এই বিষয়ে উৎসাহী পাঠকদের গভীরভাবে চিন্তা করতে বাধ্য করবে এবং প্রোপাগান্ডার প্রভাব নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করবে।

দ্বিতীয় প্রবন্ধ "জার্নালিস্ট ফ্রম দা মার্স: হাউ ‘দা ওয়ার অন টেরর’ শুড বি রিপোর্টেড " এইখানে নোয়াম চমস্কি "War on Terror" বা "সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ" নিয়ে তাঁর সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাক্ত করেন। তিনি "মঙ্গল গ্রহের সাংবাদিক" এই রূপক টার্মটি ব্যবহার করে বোঝান যে, একজন নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকলাপগুলো পর্যবেক্ষণ করে তাহলে সে দেখতে পাবে এই কার্যকলাপগুলোই মিডিয়ায় ভিন্ন ভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে, অর্থাৎ ঘটনা আর রটনার মধ্যে একটি বড় পার্থক্য দেখা যাবে।

চমস্কির মতে, এই ওয়ার অন টেররের যুদ্ধ আসলে একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার, যা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক আধিপত্য এবং সামরিক হস্তক্ষেপকে বৈধতা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই বিষয়ে চমস্কি কিছু বাস্তব উদাহরণ উল্লেখ করে বিষয়টি পাঠকদের কাছে আরো যুক্তিযুক্ত ভাবে উপস্থাপন করেন। তিনি যুক্তি দেন যে "সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ" প্রকৃত সন্ত্রাস মোকাবিলার চেয়ে বরং মার্কিন স্বার্থের সুরক্ষা এবং বিশ্বে মার্কিন ক্ষমতার বিস্তার নিশ্চিত করার জন্য পরিচালিত হয়।

তিনি উল্লেখ করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রায়ই এই ওয়ার অন টেরর টার্মকে ব্যবহার করে অন্যান্য দেশগুলোর ওপর হস্তক্ষেপ করে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোকে উপেক্ষা করে। তিনি আরও বলেন যে, গণমাধ্যম এবং প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিয়ে এই যুদ্ধকে জনপ্রিয় করা হয়, যার ফলে প্রকৃত সমস্যাগুলো আড়ালে চলে যায় এবং সাধারণ মানুষ প্রকৃত সত্য থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে। সংক্ষেপে, চমস্কি "ওয়ার অন টেরর" কে একটি কৌশলগত প্রোপাগান্ডা হিসেবে দেখেন, যা সন্ত্রাস মোকাবিলার পরিবর্তে ক্ষমতার দখল ও বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।

বইটি খুবই সংক্ষিপ্ত হলেও, চমস্কির প্রজ্ঞাপূর্ণ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রমাণসমূহ পাঠকদের গভীরভাবে চিন্তা করতে বাধ্য করে। এটি প্রোপাগান্ডার প্রভাব এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে, যা গণতান্ত্রিক সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাঙলায়ন প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত এই বইটি অনুবাদ করেছেন গৌতম গঙ্গোপাধ্যায়। তবে অনুবাদ অতটা প্রাঞ্জল ছিলো না। অনেক জায়গার লেখা বেশ কঠিন লেগেছে, লেখার ভাবার্থ বুঝতে বেশ কষ্ট হয়েছে,আসলে এই ধরনের নন-ফিকশন বইয়ের অনুবাদ ঝড় ঝড়ে না হলে পড়ে আরাম পাওয়া যায়না। তবে সময় নিয়ে যেহেতু ধীরে ধীরে পড়েছি তাই বুঝতে অসুবিধা হইনি।

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে এই বইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দীর্ঘ পনের বছর এক স্বৈরশাসকের অধীনে ছিলাম, আমাদের নিজ চোখে দেখা এই স্বৈরাচার কিভাবে গনতন্ত্রের মিথ্যা আবরণ দিয়ে, বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করেছে। ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের কিছু আর আমাদের সাথে না হয় সেই বিষয়ে আগাম ধারণা রাখতে এই বইটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
Profile Image for Hasan.
11 reviews
April 28, 2025
নোয়াম চমস্কি এখানে যে ধারণাগুলি তুলে ধরেন, তা গণমাধ্যম এবং শিক্ষাব্যবস্থার শক্তি ও প্রভাব নিয়ে গভীর চিন্তা-প্ররোচক। তিনি বলেন, যখন গণমাধ্যম এবং শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষমতাশালী মানুষের হাতে থাকে, তখন তারা জনগণের চিন্তা-ভাবনাকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের সামনে একটি বিকৃত বাস্তবতা উপস্থাপন করে। এর মাধ্যমে জনগণকে একটি মিথ্যাচারে প্রভাবিত করা হয়, যা তাদের ন্যায্যতা ও স্বাধীনতার ধারণাকে বিকৃত করে।

চমস্কি বিশেষভাবে মধ্যপ্রাচ্য ও ভিয়েতনামের ঘটনাগুলোর মাধ্যমে এই তত্ত্বের বাস্তব উদাহরণ দেখিয়েছেন। সেখানে, আমেরিকা নিজেদের পক্ষে প্রোপাগান্ডা ব্যবহার করে এক কাল্পনিক শত্রু তৈরি করেছিল, যার বিরুদ্ধে আক্রমণ ও ধ্বংসযজ্ঞের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এছাড়াও, আমেরিকার সাধারণ জনগণের কাছ থেকে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন রাখা হয়েছিল।

তিনি বলেন: "গণমাধ্যম ও শিক্ষাব্যবস্থার ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ যখন অখণ্ড এবং মেধা যখন প্রচলিত ধারার অনুসারী, তখন তা সম্ভবও।" এর একটি উদাহরণ পাওয়া যায় সাম্প্রতিক উপসাগরীয় সংকটের প্রতি লোকদের মনোভাব নিয়ে মাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা থেকে। সমীক্ষাটি ছিল টেলিভিশন দেখার সময়কার মনোভাব ও বিশ্বাসের ধরন নিয়ে। সেখানে একটি প্রশ্ন ছিল, "ভিয়েতনাম যুদ্ধে মোট কতজন ভিয়েতনামী মারা গেছেন বলে আপনার মনে হয়?" আজকের আমেরিকানদের পক্ষ থেকে গড় উত্তর ছিল, এক লাখ। সরকারি সংখ্যাটি ছিল প্রায় বিশ লাখ। প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত ত্রিশ বা চল্লিশ লাখ। সমীক্ষাটি যারা করেছিলেন, তারা এরপর একটি যুক্তিযুক্ত প্রশ্ন তুলেছেন: "যদি আজ আপনি কোন জার্মান লোককে জিজ্ঞেস করেন, হলোকাস্টে কতজন ইহুদি মারা গিয়েছিল, এবং সে বলে যে সংখ্যাটি তিন লাখ—তবে জার্মান রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে আমাদের ধারণা কী হবে? তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে এর থেকে আমরা কী বুঝব?" তারা এ প্রশ্নের কোন উত্তর দেননি।

তাহলে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মূলনীতি এবং স্বাধীনতা বিনষ্ট হয়, কারণ জনগণকে সেই আক্রমণ বা যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য যেভাবে প্ররোচিত করা হয়েছিল, তা ছিল প্রকৃত সত্যের বিরুদ্ধে।

এভাবে, চমস্কি গণমাধ্যম এবং শিক্ষাব্যবস্থার ওপর ক্ষমতার দখলকে এক গভীর সামাজিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন, যা জনগণের চিন্তা-ভাবনার মধ্যে বিভ্রান্তি ও ভুল ধারণা সৃষ্টির পেছনে কাজ করে।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews