যুদ্ধবন্দী ! স্বাধীনতা যাদের বুকের ভিতর খোঁদাই করা, আকাশ যাদের চোখের পাতায় এঁকে দেয়া, দরজার তালা আর হাত পায়ের শিকল কি করে তাদের বন্দী করে ? ক্লান্তিই যাদের শক্তি যোগায়, পিপাসাই যাদের তৃপ্তি মেটায়, নাকের নল দিয়ে ঢুকানো খাবার কি করে তাদের অনশন ভাঙ্গে ! স্বাধীনতার একটি দরজা বন্ধ করে দেয়া হলেও এমন লক্ষা জানালা তাদের জন্য খুলে দেয়া আছে যার ধারনা কারোই নেই ।
তোমরা হয়তো ভুল করেই নিজেদের ভাবছো স্বাধীন এর তাদের ভাবছো বন্দী । এর পরেও মিছে বাহানায় ভুলে আছো তাদের ।দায়বদ্ধতার প্রশ্নে তোমরাই বরং বড় বন্দী । তারা তোমাদের করুণার ধার ধারে না । তারা তোমাদের চেয়ে স্বাধীন । সকল প্রকার দায়ভার থেকে তারা মুক্ত । তাদের কারামুক্ত করার মুরোদ তোমাদের না থাকলেও দুয়ার মাধ্যমে তাদের সহযোদ্ধা হওয়ার যোগ্যতাও কি তোমাদের নেই ? নিরাপত্তার বাহানায় .........
যদি অন্যদের কথা কানে বাজে তবে কারাবন্দী ভাইদের কথা হৃদয়ে ধাক্কা দেয়। প্রাচীর এমন একটি বই যেই বইটি পড়ে আমার টনক নড়েছে, বিক্ষিপ্ততায় বিষন্ন জীবন সংবরন করতে শিখেছি, যত বার প্রাচীর বইটি পড়েছি ততবার হৃদয়ে প্রশান্তি অনুভব করেছি, যে প্রশান্তির অনুভূতি বিক্ষিপ্ত শব্দে ভাষায় সংকোচে প্রকাশ করা অসম্ভব। বলা চলে এতদিন বিষন্নতা নিয়ে হিমু হয়ে রূপা’তে বিভোর থাকতাম। ঠিক তখনি রূপার পরিবর্তে পেলাম “প্রাচীর” যে “প্রাচীর” ভেঙ্গে দিয়েছে হৃদয়ের সকল প্রার্থিব জীবনের প্রতি ভালোবাসা। একজন মুসলিমের হিদায়তের জন্য কুরআন’ই যথেষ্ট কিন্তু আমরা অনেকেই আছি কুরআন পড়ি কিন্তু আয়াতের অর্থ জানি না, আমিও সে-রকম একজন। প্রাচীর বইয়ের ভাষা আমি বুঝেছি তাই প্রাচীর বইয়ের প্রতি একটা অন্য রকম ভালোলাগা। আমাকে যদি বলা হয় আমার প্রিয় বই কোনটি আমি নিরদ্বিধায় প্রাচীর বইটির নাম বলবো। কেননা, আমি এই বইটি পরে রিভার্টস করেছি ফিরে এসেছি ইসলামে যদিও আমি একজন মুসলিম ছিলাম। এখন প্র্যাক্টিসিং মুসলিম হওয়ার চেষ্টা করছি। (দোয়ার দরখাস্ত)