পুত্র ভবিষ্যতে পড়বে এই আসায় লেখক আসমার ওসমান পুত্রের উদ্দেশ্যে একগুচ্ছ চিঠি লিখেছেন। ব্যক্তিগত পত্র কিন্তু শক্তিশালী লেখনীর গুণে সেই চিঠিগুলো হয়ে উঠেছে অনন্য। তার চিঠির বিষয়বস্তু হিসেবে ইতিহাস, শিল্পবোধ, বিজ্ঞান, সাম্প্রতিক বিষয়াবলী, শুভবোধ-যেভাবে বিবৃত হয়েছে তাতে এই পত্রগুচ্ছ হয়ে উঠেছে সার্বজনীন,। হয়ে উঠেছে সব পুত্রের কাছে পিতার অকপট স্বীকারোক্তি-খোলা চিঠি। সেই চিঠিগুলো ধরা রইলো এই এক মলাটে।
পিতার পত্র পুত্রকে। পুত্রের জন্য লেখা এক পিতার ৩১টি পত্রের সংকলন। ইতিহাস, বিজ্ঞান থেকে শুরু করে মিষ্টি চিলি সস বানানোর রেসিপি পর্যন্ত আছে এতে। কোমল করে গদ্যে নিজ নস্টালজিয়ার পুর দেয়া। পত্রে এসেছে বই, ঘুরেফিরেই এসেছে কয়েকজন নন্দিত লেখকের কথা, কমিকস, কার্টুন, সিনেমা, অর্থনৈতিক অসাম্যের কথা। মাঝে মাঝেই থমকে গেছি। কারণ লেখক যেসব ব্যাপার নিয়ে লিখতে নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন সেইসব উৎসের দু একটার স্বাদ আমিও পেয়েছি। এও বলা যায়, পুত্রের জন্য লেখা এক বাবার উপদেশমালা। কিছুক্ষেত্রে অনুরোধ , অনুনয়ও এসেছে। আসে নি যেটা সেটা হচ্ছে আদেশ । ভালো-মন্দের পাশাপাশি মানবতার বোধ জাগাবার প্রয়াস। সবচে' ভালো লেগেছে ঘুরে ফিরেই বই ও সাহিত্যিকদের প্রসঙ্গ টানার প্রয়াসটা। মনে হয়েছে চেষ্টা শুধু লেখকের পুত্রের জন্য না কেবল, আমার ভাইবোনের জন্যেও কাজ করবে। আসমার ওসমানের লেখনীর সাথে পরিচয় বছর তিনেক আগে। রহস্য পত্রিকায় প্রকাশ হওয়া এই পত্রগুলোর মাধ্যমেই। এবার দুই মলাটে পড়লাম। দীপনপুরে বসে অস্থিরমতি আমি এক বসায় শেষ করেছি, এটুকু বলা ছাড়া ভালো লাগা প্রকাশ করতে পারছি না। পুত্রকে লেখা বই হলেও যে কারো জন্যই সুখপাঠ্য হবে, নিঃসন্দেহে বলতে পারি। হতে পারেন আপনি, আপনার ভাই বা বোন কিংবা আপনার কন্যা বা পুত্রের জন্যেও।
ছেলে প্রেম করার পারমিশন পেয়ে গেছে...আর কি লাগে! :p তার উপর বড় হয়ে ফ্রিতে অনেক বই পড়তে পারবে... আর ও কমিক্স(লোভনীয় জিনিস)।সত্যিই সে অনেক লাকি,লেখকের মতো বাবা পেয়ে।
এক পিতা তার পুত্রকে চিঠি লিখেছেন। সেখানে জীবনবোধের কথা আছে। আছে নৈমিত্তিক মানসিক টানাপোড়েনের গল্প ও যাপিত জীবনের আলাপ। আর ৮০র দশকের অদ্ভুত সময়ের গল্প। সবশেষে মনে হয় নিছক চিঠি লেখার ভানে লেখক আসমার ওসমান আসলে নিজের জার্নাল লিখে গেছেন। বইটা আরও বড় হতে পারতো। এদেশে সেবা প্রকাশনী ছাড়া আর কেউ পেপারব্যাক নিয়ে কাজ করলো না। এই বইটা পেপারব্যাক হিসেবেই মানাতো ভালো। কিংবা হার্ডকাভার হিসেবে কলেবরটা আরও বড় হতে পারতো। মনে হলো, বই শুরু না হতেই শেষ হয়ে গেলো।
এক পিতা তার পুত্রকে চিঠি লিখেছেন। সেখানে জীবনবোধের কথা আছে। আছে নৈমিত্তিক মানসিক টানাপোড়েনের গল্প ও যাপিত জীবনের আলাপ। আর ৮০র দশকের অদ্ভুত সময়ের গল্প। সবশেষে মনে হয় নিছক চিঠি লেখার ভানে লেখক আসমার ওসমান আসলে নিজের জার্নাল লিখে গেছেন। বইটা আরও বড় হতে পারতো। এদেশে সেবা প্রকাশনী ছাড়া আর কেউ পেপারব্যাক নিয়ে কাজ করলো না। এই বইটা পেপারব্যাক হিসেবেই ভালো লাগতো।