বন্ধুকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে মহা-পরাক্রমশালী শত্রুর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াল রক বোন ও হিরাম ব্যাগলে । কিন্তু ওরা মাত্র দু’জন, শক্ররা সংখ্যায় অনেক । কীভাবে কী করবে ওরা?...অপহৃত তরুণীকে দস্যু-দলের কবল থেকে উদ্ধার করলেই সমস্যা মিটবে না; দুস্তর, দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে পৌছে দিতে হবে তাকে নিরাপদ আশ্রয়ে। কিন্তু ধরা পড়ে গেল রক বেনন। নিজেই বাঁচবে না, তো মেয়েটিকে উদ্ধার করবে কীভাবে? ...অনেক আগে মারা গেছে মানুষটা । স্বপ্ন-পূরণ হয়নি তার। পায়নি ন্যায় বিচার। হতভাগ্য রানশারের কঙ্কালের পাশে দাড়িয়ে শপথ করল রক বেনন, অপরাধীকে খুঁজে বের করবে ও। শেষ পর্যন্ত অন্ধকার রানশ হাউসের উঠানে খুনি ও তার সহযোগী গানম্যানদের মুখোমুখি হলো রক বেনন।.তারপর? আসুন, দুর্ধর্ষ টেক্সাস রেঞ্জার রক বেননের সঙ্গে আমরাও হাজির হই বুনো পশ্চিমের সেই সংঘাতময়, অশান্ত ঘটনাপ্রবাহে।
কাজীদার ছোট ছেলে কাজী মায়মুর হোসেন। সেবা প্রকাশনীতে তার বিচরণ বিভিন্ন সিরিজে। তবে সবচেয়ে তার কাছ থেকে আমরা বেশি পেয়েছি ওয়েস্টার্ন বই। এছাড়া পেয়েছি কৌতুক, রহস্য ও রোমাঞ্চ উপন্যাস, কিশোর ক্লাসিক, অনুবাদ, সংকলন এবং রূপকথা সিরিজের অসংখ্য বই।
রক বেননের সাথে এই বইয়ের মাধ্যমে আমার পরিচয় সেই ২০০৭ সালেই। মায়মুর হোসেনের শক্তিশালী লেখার পাল্লায় পড়ে এক লহমায় ভক্ত বনে গিয়েছিলাম বেনন, ব্যাগলের। বুনো পশ্চিমের ৪টি গল্প নিয়ে বইটি। ভালো লেগেছে প্রত্যেকটি গল্পই, তবে বিশেষভাবে ভালো লেগেছে শপথ আর ত্রাতা গল্প দুটো। আফসোস মায়মুর হোসেন ত্রাতার পর আর কোন বেনন তো দূরের কথা, ওয়েস্টার্নই লিখেননি।