Nachiketa is a celebrated name in the music industry. Reading the stories and novels that he has penned down, one can very easily comment that if he was not a singer or a lyricist, he would have cut a niche in the field of literature as a novelist or storyteller. This book is a goldmine of 2 novels,11 stories , 6 essays along with a bunch of lyrics of his favorite songs. A QR code of him singing his choicest songs also comes with the book!
Nachiketa Chakraborty is an Indian Bengali singer-songwriter, composer and writer who is known for his modern Bengali lyrics and natural mode of singing. He achieved fame in the early 1990s, with the release of his debut album Ei Besh Bhalo Achi.
He started composing and performing as a student of Maharaja Manindra Chandra College in North Kolkata,Shyambazar, an affiliated college of the University of Calcutta. In 1993 his first album Ei Besh Valo Achi was released; it was an instant hit. At the initial stage he had a huge youth fan following, but gradually he has touched listeners from all age groups. The colloquial language immediately hit the stagnancy of Bengali music in the early 90s. Following the path of Kabir Suman (the then Suman Chattopadhay), Nachiketa changed the age-old concept of Bengali lyrics.
নচিকেতা গান লেখে জানতাম, কিন্তু সে যে গল্প উপন্যাস ও লেখে জানতাম না। হঠাৎ একজন সন্ধান দিলো নচিকেতা অমনিবাস এর। দেরি না করে পড়া শুরু করলাম। ভালোই লাগলো। ১১টি গল্প, ৬ টি রম্য রচনা, ২ টি উপন্যাস ও তার লেখা বেশ কিছু গান নিয়ে এই সমগ্রটি। ছোট গল্প ও রম্য রচনা পড়তে গিয়ে যেমনটা আশা করবেন তেমন স্বাদই পাবেন। পরিচিত নচিকেতা। প্রতিবাদি, জীবনমুখী। কিন্তু উপন্যাস দুটি চমকে দিবে। অন্তত আমাকে দিয়েছে। নচিকেতার কাছ থেকে আমি অন্তত রহস্যোপন্যাস আশা করি নি। হ্যা ঠিক পড়েছেন, রহস্যোপন্যাস। পড়িসরে বেশ ছোট হলেও উপন্যাস দুটি বেশ ভালোই বলবো।
তৃণমূলের দালাল হওয়ার আগে নচিকেতা লিখতেন খারাপ না। শারদীয়া কিশোর ভারতীর পাতায় ছোটবেলায় তার গল্প পড়ে ভালো লেগেছিল। এখন পড়তে গিয়ে দেখলাম ভালো লাগার পরিমাণটা কমে গেছে। তাও নানা স্বাদের গল্প, উপন্যাস,রম্য রচনা আর গানে ভরা এই সংকলন পড়তে মন্দ লাগেনি। তবে বেশ কিছু জায়গায় আমার মনে হয়েছে গল্পগুলি অতিকথন দোষে দুষ্ট। কিছু উপমা আর বর্ণনা আমার মনে হলো অপ্রাসঙ্গিক। সাধারণত থ্রিলার গল্পই বেশি পড়ি তাই হয়তো টুইস্ট গুলো অনেক জায়গাতেই পরিণত হওয়ার আগেই ধরা পড়ছিল। গল্প আর সংলাপের মধ্যে জোর করে অতি নাটকীয়তা আর আরও জোর করে ইমোশনাল করার চেষ্টাও একটু দৃষ্টিকটু লেগেছে তাই হয়তো উপভোগের মাত্রা কমে গেলো।
‘আগুনপাখির আকাশ’ গল্পে নায়কের মুখে একটি সংলাপ -
“আমি একটা লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে উঠে আসছি। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই, অসম্মানের বিরুদ্ধে লড়াই, হাজার প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই - আমার গায়ে এখনও তার গন্ধ আছে। তাই আমার গানে এখনো ধার আছে। একদিন আমার গা থেকে এই লড়াই এর গন্ধটা মুছে যাবে হয়তো , সেদিন আমার গানে অতোটা ধার থাকবে না।” যতই দুঃখ হোক মেনে নিতেই হবে নচিকেতার গা থেকে সেই লড়াইয়ের গন্ধটা মুছে গেছে অনেকদিন হলো। এই সংকলনে ওনার বেশ পুরনো কিছু লেখাই স্থান পেয়েছে। তাই আগের সেই ধারওয়ালা লেখা পড়তে চাইলে একবার পড়ে দেখতেই পারেন এই অমনিবাস।
বি দ্র্য - আমার লেখা পড়ে মনে হতেই পারে যে ফালতু রাজনীতি আলোচনায় গেছি। কিন্তু এই বইয়ের গল্পগুলির মধ্যে কারণে অকারণে যিনি বাম আমলকে তোপ দেগেছেন , জমি অধিগ্রহণ নিয়ে পাণ্ডিত্য দেখিয়েছেন তার লেখা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তো রাজনীতি আসবেই। আজ যখন শিক্ষিত বেকারেরা কর্মসংস্থানের দাবিতে পথে নামতে বাধ্য হয়েছে ২ বছরেরও বেশি সময় ধরনায় তখনও এই “সমাজ দরদী জীবন মুখী শিল্পী “ চুপ। শিক্ষিত সরকারি কর্মীরাও দীর্ঘদিন নায্য বকেয়া ভাতার দাবিতে আর অন্য দিকে বিধায়কদের বেতন বেড়ে হলো আগের বেতনের ৫ গুণ! তাও চুপ! বাম আমলে অরাজকতা নিয়ে যে মানুষটা এই সংকলনের গল্প গুলোকে ভরিয়েছেন আজ তিনিই তৃণমূলের মঞ্চে উঠে স্বপ্নের দিন গাইছেন।
গায়ে লাগে এই রূপান্তর। আমার মানবিক স্বত্তার গায়ে লাগে। তবে এই বইয়ের রেটিং যথাসাধ্য নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দিয়েছি। আবারও বলব তৃণমূলের দালাল হওয়ার আগে নচিকেতা মানুষটা অন্য রকম ছিলেন (বা হয়তো ছিলেন না আমাদেরই বুঝতে ভুল হয়েছিল ) তার তখনকার লেখা কিছু ভালো টুইস্টের লেখা পড়তে চাইলে পড়ে দেখতে পারেন। আপনি নচিকেতার ফ্যান হন আর না হন একবার পড়ার জন্য মন্দ লাগবে না আশা করি। তবে বইটি আহামরিও কিছু নয়।
রকমারির বেস্টসেলার বইয়ের লিস্টের দিকে তাকালে প্রথমেই যে জিনিসটি চোখে পড়ে তা হল, সেখানে লেখক কম সেলিব্রিটি বেশি। বইয়ের বাজারে সেলিব্রিটিদের এমন দের্দান্ড প্রতাপ দেখে আজ মানিক বাবু যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে হয়তো বলতেন, "দেখো, অন্তত দুটো ফ্যান ফলোয়ার তৈরি না করে এই বঙ্গদেশে কেউ যেন সাহিত্য করতে না আসে!" . তো, নচিকেতা বাবুর যে বিশাল ফ্যান ফলোয়ার আছে তা আমি বিলক্ষণ জানতাম কিন্তু তিনি যে লেখালেখিও করেন তা জানা ছিল না। নচিকেতা নিজেই বলছেন তিনি নাকি ভীষণ কুঁড়ে। আলসেমি করে করে পরীক্ষার সময়েও নাকি এক্সট্রা পেজ নেননি। ফলে যখন দেখলেন গানে কথা কম লিখতে হয় তাই চট করে খাতা কলম নিয়ে ছুটলেন গানের দিকে। আর ঈশ্বরপ্রদত্ত গলায় সুর যেহেতু ছিলই তাই নামও কম হল না ও লাইনে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে মহৎ কোনো উদ্দেশ্য ছিল না তার গান গাওয়ার। তবে তাঁর লেখালেখির উদ্দেশ্য কী? সেদিকেও আমরা যদি তাকাই তবে দেখতে পাব নচিকেতার গল্পগুলো মোটেই জ্ঞানগর্ভ কোনো তাত্ত্বিক আলোচনার কোনো গল্প নয়, নয় আর্টের দিক থেকেও বিশেষ কোনো কিছু। তবে একটা নিটোল গল্প লেখার দিকে ঝোঁক রয়েছে নচিকেতার, যেখানে উঠে এসেছে বাস্তব সমাজের চালচিত্র থেকে শুরু করে পুরাণ, থ্রিলার, সেলিব্রিটিদের ছায়াময় জগৎ সব কিছু, আর এই নিটোল গল্পেরই অভাব দেখা যায় এখনকার অনেক আধুনিক গল্পকারের গল্পে। . ফ্ল্যাপ থেকে জানা গেল, নচিকেতা চক্রবর্তী লেখালেখির অনুপ্রেরণা পেয়েছেন নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী আর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা পড়ে। এই বাক্য যে কতটা সত্যি তা জানা গেল বইটা পড়তেই। লেখালেখির ক্ষেত্রে যেমন শীর্ষেন্দুর সরল প্রকাশভঙ্গিটা নিয়েছেন তেমন ভাদুড়ি মহাশয়ের পুরাণ বিষয়ক লেখালেখিও চোখে পড়ল নচিকেতার লেখায়। . এক অদ্ভুত চরিত্রের দেখা মিলল নচিকেতার গল্পে। ঘটাদা। টেনিদা, ঘনাদা কিংবা ফেলুদা থেকে একেবারেই আলাদা এই দাদা। যাকে কেউ কেউ বলে অকাট মূর্খ নির্বোধ, তো কারো কাছে সে আবার বিরাট পণ্ডিত, কেউ বলে ধান্ধাবাজ আবার কেউ বলে দার্শনিক। এ হেন ঘটাদা বিষয়ক তিনটি গল্প রয়েছে এই বইয়ে, এর মধ্যে দুটি গল্প পুরাণ বিষয়ক। মহাভারতের ভিন্ন এক কথন উঠে এসেছে গল্প দুটিতে। ঘটাদা নিয়ে আরো গল্প আছে কিনা জানি না, তবে গল্পগুলো পড়তে আমি ইচ্ছুক। . মুহূর্তেই চোখের সামনে মূর্ত করে তোলে এমন সব দারুণ উপমার ব্যবহার পেলাম নচিকেতার লেখায়। কয়েকটা দেখা যাক... . শীতকালের সন্ধে, দূরের ল্যাম্পপোস্টের আলোগুলো কেমন কুয়াশার ঘোমটা ঢাকা বিধবা পিসিমার মতো। (অদ্বৈত) . ঘরের দেয়ালের রঙ বোধহয় কোনোকালে হলুদ ছিল, এখন মরা মানুষের মতো ফ্যাকাসে। (আগুনপাখির আকাশ) . দলছুট কয়েকটা পাখি ইতস্তত পাখ খাচ্ছে আকাশে, মানুষের চিন্তার মতো। (ঘুম) . আমার দেখা শেষ য়্যাটলাসকে উৎসর্গ করলাম, যে তার ছোট পৃথিবীর বোঝাটা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল আজীবন অনড় হয়ে- আমার বাবা (উৎসর্গের পাতা থেকে) . তো আমার নচিকেতা পাঠ কেমন ছিল? . আমি বলব, ধারণারও বাইরে মনোমুগ্ধকর। সদ্য প্রয়াত অনীশ দেবের কথার সাথে তাল মিলিয়ে তাই বলতে চাই, "নচিকেতার গল্প পড়ে মনে প্রশ্ন জাগে, ও আগে গায়ক পরে লেখক নাকি আগে লেখক পরে গায়ক?" . বইয়ের নাম "নতুন নচিকেতা অমনিবাস"। পুরাতন অমনিবাস থাকলেও থাকতে পারে, আমার জানা নাই। বইটা প্রকাশ করেছে চন্দ্রবিন্দু প্রকাশনী, গায়ের মূল্য ২০০ টাকা।
নচিকেতার পরিচিতি গায়ক হিসেবেই, কিন্তু তিনি ভালই লেখেন। হয়তো লেখক হিসেবে ফাটিয়ে ফেলার মত না, কিন্তু গানের পাশাপাশি শৌখিন লেখক হিসেবে বেশ ভাল বলা যায়। নচিকেতা অমনিবাসে তাঁর লেখা কয়েকটা গল্প আছে, দু'টো উপন্যাস আছে, আছে কয়েকটা রম্যরচনা আর অনেকগুলো গান। গল্পগুলোর প্লটে নতুনত্ব আছে, এবং তাঁর গানের মতই, সেগুলো একেবারে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম নিয়েই লেখা। লেখার ধরণটা, যাকে বলে খানিকটা অ্যামেচারিশ। সেটা আবার পুষিয়ে দিয়েছেন উপন্যাসে। ক্যাকটাস আর জন্মদিনের রাত, যেগুলোকে বড় গল্প বললেই আসলে ভাল হতো, থ্রিলার হিসেবে আমার দারুণ লেগেছে। রম্যরচনাগুলো সমাজের অসঙ্গতি নিয়ে বিদ্রুপ, খুব আহামরি কিছু বলবো না; এখানটায় কবির সুমন অনেকটাই এগিয়ে আছেন। সুমনের লেখা আরো গোছানো এবং জমাট, নচিকেতারটা ছাড়া ছাড়া খানিকটা। তারপরেও পড়া উচিত বলেই মনে হয়; এটা অন্তত বোঝা যায় যে, যার হাত ধরে বাংলা গান একটা নতুন মোড় নিয়েছে তাঁর চিন্তাধারা কোন খাতে প্রবাহিত হয়।
#bookish_subhajit #আমার_বইপড়া_২০২২ #শুভর_আলোচনায় 📚বই- নতুন নচিকেতা অমনিবাস 📚লেখক- নচিকেতা চক্রবর্তী 📚 প্রকাশনা- পত্রভারতী 📚 মুদ্রিত মূল্য- ৩০০/- 📚মুদ্রণ- চতুর্থ 📚প্রচ্ছদ- কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল 📚হার্ড বাইন্ডিং, জ্যাকেট সহ --------------------------------------------------------- 🎼 বিষয়বস্তু- 'তুমি আসবে বলেই আকাশ মেঘলা বৃষ্টি এখনও হয়নি তুমি আসবে বলেই কৃষ্ণচূড়ার ফুলগুলো ঝরে যায়নি' এই অমনিবাস এমনই কারোর আসার কথা বলে। আরও বলে কিছু ইচ্ছার কথা, কিছু প্রাপ্তির কথা আবার এই অমনিবাস বলে চলে নির্মমতার কথা। নচিকেতা সে তো গায়ক, সে আবার কী লিখবে? আর যদি বা লেখে তা পড়ার যোগ্য হবে কী? আপনি বিশ্বাস করুন এই বই একবার পড়ুন আর যাদের মনে এই প্রশ্ন জাগে তাদের একবার এই বই পড়ান, পুরো ধারণা পাল্টে যাবে, এ আমি হলফ করে বলতে পারি। যাই হোক এবার এই বই এর ভিতরের মালমশলা নিয়ে সামান্য কথা বলি। এখানে আছে মোট ১১ টি ছোট গল্প, আর ৬ টি রম্য রচনা, তার সাথে ২ টি উপন্যাস এবং ১২ টি গান। এই যে ১১ টি গল্প তারা প্রত্যেকে নিজ গুনে অনবদ্য। ১১ গল্প আছে এগারো স্বাদের সমাহার। তবে স্বাদ এগারো হলেও বিষয় কিন্তু বাস্তবতা। এই যেমন ধরুন 'শর্টকাট' এক বাস্তবতার ছোট রাস্তা। সত্যিই যদি কেউ জীবনের এই রকম 'শর্টকাট' চাই তাহলে বড্ড বিপদে পরবেন অন্তর্যামী। এরপর যেমন আছে 'পণ্ডশ্রম' 'অদ্বৈত' ঠিক তেমন ভাবেই আছে 'ছায়াজগৎ' 'অভিযোজন' । আর আছে এক সূর্যের অস্ত যাওয়ার গল্প 'আগুনপাখির আকাশ' , এক জীবনের সাপলুডোর গল্প বলে চলে 'সাপলুডো' ঠিক তেমন ভাবেই এক 'যমের অরুচি' কী ভাবে হয়ে উঠলো সকলের কাছে সুস্বাদু তাও আছে এই এগারো স্বাদের মধ্যে। এবার বলি রম্যরচনা। আমার মনে হয় যে কাউকে হাসানো সবথেকে কঠিন কাজ এবং সবথেকে পূন্যের কাজ। আর এই কাজে সফল ভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন লেখক নচিকেতা। তার আমল রুদ্র থেকে সুভাষ দা, মারাত্মক সব মানুষ। সবথেকে হাসি পেয়েছে 'চাপে ছোট মাপে বড়' গল্পটা পড়ার পর। মানে এই রকম বাস্তবতা যে হাসাতে পারে তা সত্যিই নচিকেতার গল্প না পড়লে বোঝা কষ্ট। এবার বলি উপন্যাস এর কথা। এই বই এ মোট দুটি উপন্যাস আছে একটি 'ক্যাকটাস' এবং অপরটি 'জন্মদিনের রাত' । আর এই দুটি উপন্যাস ই সামাজিক বাস্তবমুখী উপন্যাস। প্রথম উপন্যাস ক্যাকটাস ১৪ পর্বের এক গা শিউরে ওঠা জলজ্যান্ত প্রাণের কথা বলে। যাকে ভাষায় বর্ণনা করা বেশ কঠিন কাজ। আর সেই কঠিন কাজকে আফতাব, প্রভাস, মুন্নি, কাল্লু এদের সবের মাধ্যমে বড্ড সহজ সরল করে তুলেছেন লেখক। এর পরের উপন্যাস হলো 'জন্মদিনের রাত' । এই উপন্যাস এক বিচ্ছেদের কাহিনী বলে। এক মা বাবার হৃদয়ে জমে থাকার দুঃখ এবং তাদের থেকে তাদের সন্তানের বিচ্ছেদের কথা এই উপন্যাস। তার সাথে আসে এক আপরাধের কথা। এই ভাবেই উপন্যাস এর প্লট রচনা করেছেন লেখক। কিন্তু কীভাবে সেই বিচ্ছেদ? এবার বলি গানের কথা। না থাক নচিকেতার গান নিয়ে কথা বলতে যাওয়া বৃথা। কারণ ওনার প্রতিটি গানের প্রতিটি লাইন এক একটি ধারালো ছুরি। অনবদ্য প্রতিটি গান। অনবদ্য লিরিক্স। ---------------------------------------------------------- 🎼 ভালো লাগা- ১.) লেখনী বেশ ভালো। সহজ সরল ভাষা। অত্যন্ত সুন্দর বর্ণনা। ২.) লেখকের প্লট সৃষ্টি অসাধারণ। প্রতিটি কাহিনীর ভিন্ন স্বাদ। ৩.) গল্পের মধ্যে আমার দারুন লেগেছে এমন গল্প গুলি হলো- 'শর্টকাট' 'ছায়াজগৎ' 'আগুনপাখির আকাশ' 'ঘুম' এবং অসাধারণ গল্প 'যমের অরুচি।' রম্যরচনা এর মধ্যে দারুন লেগেছে 'চাপে ছোট মাপে বড়' 'সুভাষদা জিতে গেলেন' এবং 'অমল রুদ্র' আর 'I LUV কখগ > 1111।' আর দুর্দান্ত উপন্যাস দুটোই। আর গান গুলিও প্রতিটি অত্যন্ত প্রিয়। ৪.) লেখকের চরিত্র চিত্রায়ন বেশ ভালো। ----------------------------------------------- 🎼 ভালো লাগেনি- ১.) সাহিত্য রস এর অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। বাস্তবতায় বেশি পেয়েছি লেখাতে। ২.) দুটি গল্প আমার একদম ই ভালো লাগেনি। তার মধ্যে একটি 'স্বোপার্জিত' আর একটি রম্য রচনা 'এজ্ঞে দু গালে চড় মারার পর... ।' ৩.) ক্যাকটাস এবং জন্মদিনের রাত এই গুলিকে উপন্যাস না বলে বড় গল্প বললে বেশি যুক্তিযুক্ত হবে। ৪.) প্রুফ সংশোধন এর দিকে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার প্রয়োজন ছিল। --------------------------------------------------------- 🎼 প্রচ্ছদ- প্রচ্ছদ টি এক কথায় মনমুগ্ধকর। অসাধারণ কালার কম্বিনেশন এর সাথে অসম্ভব ভালো উপস্থাপন। কৃষ্ণেন্দু দা এর করা একটি শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ এটি। 🎼 বাঁধন এবং পাতার মান- পত্রভারতী এর কাজ নিয়ে আর বিশেষ কিছু বলার দরকার নেই বলেই আমার মনে হয়। কারণ এতদিনে সব পাঠকই প্রায় জেনে গেছেন বই এর ভরসার ওপর নাম পত্রভারতী। অসাধারণ মজবুত বাঁধন এবং পাতার মান ও বেশ ভালো। ধন্যবাদ পত্রভারতী এর পুরো টিমকে। আর একটি কথা এই বই বইমেলার সময় নতুন ভাবে এসেছে তাই এই বই এর কাজ এ ত্রুটি থাকাটাই হয়তো স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু পত্রভারতী এর কাজ এখানেও নিখুঁত। ------------------------------------------------------------ 🎼 ওভার অল রেটিং- (২.৫/৫) ⭐⭐✨ ----------------------------------------------------------- ধন্যবাদ সকলকে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন 😍 আর অবশ্যই সাহিত্যে থাকুন 😍 🙏🙏🙏☺️☺️☺️☺️☺️☺️☺️☺️☺️☺️☺️☺️ ছবি- আমার নিজের তোলা