দুঃসাহসী তরুণ উইলিয়াম ডেসমন্ড স্পার্ক, লাল চুলের জন্য সবাই রেড বলে ডাকে। শেরিফের একটা কাজ করে দিতে গিয়ে জড়িয়ে পড়ল বিরাট গোলমালে। একদিকে আছে দুর্ধর্ষ ট্রেন ডাকাত 'নাম্বার ওয়ান'। অন্যদিকে চিরশত্রু মেন্ডিস পরিবার যারা রেডের চামড়া তুলে নিতে চায়। মেন্ডিসদের একমাত্র মেয়ে রণরঙ্গিনী রাস্টি জটিলতা আরো বাড়িয়ে তুলল। রেড কি পারবে ট্রেন ডাকাতিটা ঠেকাতে?
মাসুদ আনোয়ারের জন্ম ১ জানুয়ারি, ১৯৫৯ সালে (সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম)। বর্তমানে সাংবাদিকতার ও বার্তা বিভাগের অন্যান্য কাজের পাশাপাশি আমাদের জন্য লিখে যাচ্ছেন ওয়েস্টার্ন বই। সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তার বই এর সংখ্যা ১৫ ছাড়িয়ে গেছে বেশ আগে।
এই বইয়ের নায়ক উইলিয়াম ডেসমন্ড স্পার্ক, ওরফে রেড। কোনো কিংবদন্তি বন্দুকবাজ নয়, সাধারণ এক তরুণ, এজন্যই তাকে ভালো লেগেছে। রেড সাহসী, বুদ্ধিমান, আবার রগচটাও। রেডের প্রয়াত বাবার সঙ্গে পড়শী মেন্ডিস পরিবারের বিরোধ ছিল, তাই মেন্ডিসরা রেডকে দেখতে পারে না। আরো এক কাঠি বাড়া হলো মেন্ডিসদের মেয়ে রাস্টি। এই মেয়ে হচ্ছে জংলি বিল্লি আর ঝাঁসির রানীর মাঝামাঝি। অন্যদিকে শেরিফকে সাহায্য করতে গিয়ে রেড দুর্ধর্ষ ট্রেন ডাকাতির সমস্যাতে জড়িয়ে গেলো। ডাকাত সর্দার রহস্যময় নাম্বার ওয়ান-এর পরিচয় কেউ জানে না। এই রহস্য ভেদ করে ট্রেন ডাকাতি ঠেকাতে উঠেপড়ে লাগল রেড। বাড়িতে আগুনের ঘটনাটা খুবই উত্তেজনার। আর হাসির জায়গাগুলো ফাটাফাটি। বিশেষ করে দাড়ি আটকে যাওয়ার অংশটা।