আকাশে গোধূলির রক্তরাগ। যমুনা আর ইছামতির সংগমস্থলে জ্বলে উঠেছে রাজা বসন্ত রায়ের চিতা। অগ্নির লেলিহান শিখায় চতুর্দিক উদ্ভাসিত। স্বামীর চিতায় সহমরণে চলছেন বসন্ত রায় পত্নী। যিনি মাতৃহারা সন্তান প্রতাপাদিত্যকে লালন পালন করেছেন। কালে সেই হয়েছে স্বামীহন্তা। প্রতাপাদিত্যের কণ্ঠে আর্ত হাহাকার, বিশ্বাস করো আমি হত্যাকারী নই। তাহলে রাজা বসন্ত রায়ের হত্যাকারী কে?
দিল্লীর মসনদে বাদশাহ আকবর শাহ। তামাম হিন্দুস্তানকে ছলে, বলে, কৌশলে পদানত করতে চান তিনি। রাণা প্রতাপ বাদশাহের অধীনতা স্বীকার করেন নি। যশোহরের প্রতাপাদিত্য স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। বেজে উঠেছে যুদ্ধের দামামা। মুঘল সৈন্য আক্রমণ করেছে যশোহর শহর। তারপর...
বারো ভুঁইয়ার একজন প্রতাপাদিত্য গ্রন্থে মূর্ত হয়েছে অতীত, প্রকৃত ইতিহাস। আশা, আকাঙ্ক্ষা, ভালবাসা, অশ্রুজল আর বিশ্বাসঘাতকতা।