ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি কত, এই প্রশ্নের জবাবে বেশিরভাগই বলবে ১৮০ ডিগ্রি। কিন্তু এই মান শুধুমাত্র দ্বিমাত্রিক তলে প্রযোজ্য। ত্রিমাত্রিক পৃষ্ঠে ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রির চেয়ে বেশিও হতে পারে আবার কমও হতে পারে। স্কুল কলেজে সাধারণত দ্বিমাত্রিক তলের জ্যামিতি সম্বন্ধেই ধারণা দেয়া হয়, ত্রিমাত্রিক জগতের ভিন্ন নিয়মকানুনের জ্যামিতিগুলো প্রায় আলোচনার বাইরেই থেকে যায়। দ্বিমাত্রিক জগত থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এই জগতের জ্যামিতি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে।
গণিতের প্রকৃত সৌন্দর্যই হচ্ছে বাস্তব জীবন ও জগতে গণিতের উপস্থিতি খুঁজে পাওয়া। এই বইতে বাস্তব জগতে বিভিন্ন গাণিতিক বা জ্যামিতিক বস্তু খুঁজে খুঁজে তাদের মাঝ থেকে সৌন্দর্য আহরণের চেষ্টা করা হয়েছে।
স্কুলে পড়তে যখন প্রথম শুনেছিলাম সৌরজগতে তিনটি গ্রহকে তিনটি বিন্দু ধরে ত্রিভুজ আঁকলে তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি হবে না, অবাক হয়েছিলাম খুব। স্কুলে আমরা ইউক্লিডের দ্বিমাত্রিক জ্যামিতি পড়ি। কিন্তু চারপাশের পৃথিবীর ত্রিমাত্রিক স্থান ইউক্লিডের নিয়ম মেনে চলে না। ত্রিমাত্রিক জ্যামিতির উপর চমৎকার বই। প্রাথমিক ধারণাগুলো জানা যায়। 'চার তারা' রেটিং দেয়ার কারণ আর কিছু না, আবদুল গাফফার রনি ভাইয়ের 'থিউরি অব রিলেটিভিটি' পড়ে ত্রিমাত্রিক জ্যমিতির একটু গভীরে জানার ইচ্ছে হয়েছিলো। কিন্তু শ্রাবণ মোটামুটি প্রাথমিক আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ রেখেছে বইটি :/