What do you think?


হুমায়ূন আহমেদের আত্মজৈবনিক সাক্ষাৎকার
বাংলাদেশের সাহিত্যপরিমণ্ডলে এক অসামানা কথাকার ও শিল্পী হুমায়ূন আহমেদ।
ছোটগল্প-উপন্যাস-শিশুকিশোর
রচনা-নাটক-চলচ্চিত্রসহ নানা সৃজনমাধ্যমে তিনি নিজস্বতার সহজাত সাক্ষর রেখেছেন। আমৃত্যু তাঁর কলম ছিল স্বতৃষ্ণ ও নতুনতর বিষয়ের ভাবনায় অনুসন্ধিৎসু। লেখার মতো তাঁর নিজের জীবনটাও ছিল গল্পের মতো আকর্ষণীয়।
লেখালেখির বাইরে তাঁর নিজস্ব ভাবনাজগৎ ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তিনি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে, টুকরো পরিসরে। কিন্তু তাঁর লেখক পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শৈশব-কৈশোর-যৌবন-পড়াশোনা -লেখালেখি-আমেরিকায় পিএইচডি-শিক্ষকতা-হিমু-মিসির আলির দুনিয়া-নাটক ও সিনেমা-গান-সমাজভাবনা-রাজনীতি-বর্ণাঢ্য কর্মজীবন-প্রিয় লেখক প্রসঙ্গ-ব্যক্তিজীবন ইত্যাদি মিলিয়ে যে পুরোটা হুমায়ূন আহমেদ, তা একটা ফ্রেমে তুলে আনার প্রচেষ্টা এই প্রথম এবং হয়তো একমাত্র।
এই বইতে উন্মোচিত হয়েছে তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের বৈচিত্র্যময় প্রকাশ্য ও গোপন ভেতর-বাহির। এখানে হুমায়ূন আহমেদ আছেন প্রামাণ্য ও অন্তরঙ্গ ভঙ্গিতে, তাঁরই জবানিতে।
হুমায়ূন আহমেদের আপন আলোর এই অনন্য ভুবনে আপনাকে স্বাগতম!
ছোটগল্প-উপন্যাস-শিশুকিশোর
রচনা-নাটক-চলচ্চিত্রসহ নানা সৃজনমাধ্যমে তিনি নিজস্বতার সহজাত সাক্ষর রেখেছেন। আমৃত্যু তাঁর কলম ছিল স্বতৃষ্ণ ও নতুনতর বিষয়ের ভাবনায় অনুসন্ধিৎসু। লেখার মতো তাঁর নিজের জীবনটাও ছিল গল্পের মতো আকর্ষণীয়।
লেখালেখির বাইরে তাঁর নিজস্ব ভাবনাজগৎ ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তিনি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে, টুকরো পরিসরে। কিন্তু তাঁর লেখক পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শৈশব-কৈশোর-যৌবন-পড়াশোনা -লেখালেখি-আমেরিকায় পিএইচডি-শিক্ষকতা-হিমু-মিসির আলির দুনিয়া-নাটক ও সিনেমা-গান-সমাজভাবনা-রাজনীতি-বর্ণাঢ্য কর্মজীবন-প্রিয় লেখক প্রসঙ্গ-ব্যক্তিজীবন ইত্যাদি মিলিয়ে যে পুরোটা হুমায়ূন আহমেদ, তা একটা ফ্রেমে তুলে আনার প্রচেষ্টা এই প্রথম এবং হয়তো একমাত্র।
এই বইতে উন্মোচিত হয়েছে তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের বৈচিত্র্যময় প্রকাশ্য ও গোপন ভেতর-বাহির। এখানে হুমায়ূন আহমেদ আছেন প্রামাণ্য ও অন্তরঙ্গ ভঙ্গিতে, তাঁরই জবানিতে।
হুমায়ূন আহমেদের আপন আলোর এই অনন্য ভুবনে আপনাকে স্বাগতম!
192 pages, Hardcover
Published February 1, 2014
About the author
মাসউদ আহমাদ
15 books1 followerমাসউদ আহমাদ ৫ জুন ১৯৮৫ সালে, রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার দমদমা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দমদমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাইমারি পাশ করে রাজশাহী শহরে চলে আসেন। প্রথম বিভাগ পেয়ে এসএসসি পাশ করেন ২০০০ সালে, এইচএসসি ২০০২-এ স্টার মার্কস নিয়ে, পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। সাহিত্যের বারান্দায় তাঁর হাটাহাটি দীর্ঘদিনের। মূলত ছোটগল্প লেখার চেষ্টা করেন। প্রথম গল্প ‘কলমবন্ধু’ প্রকাশিত হয় ঢাকার সাপ্তাহিক রোববার পত্রিকায় ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৪-এ। সাপ্তাহিক ২০০০ পত্রিকায় প্রেমের গল্প লিখে একাধিকবার পুরস্কার পেয়েছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষে পড়াকালীন প্রকাশিত হয় প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘কলমবন্ধু ও অন্যান্য গল্প’; প্রকাশক: ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ। প্রথম আলো, সমকাল, কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, উলুখাগড়া, পাক্ষিক অন্যদিনসহ নানা পত্রিকায় গল্প প্রকাশিত হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে কলকাতার ‘দেশ’প্রত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে লেখা তাঁর গল্প ‘পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন’। বইমেলা ২০১৬-তে প্রথম উপন্যাস ‘নিজের সঙ্গে একা’ এবং ২০১৭-তে ‘রূপচানের আশ্চর্য কান্না’ উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। তিনি গল্পবিষয়ক ছোটকাগজ ‘গল্পপত্র’ সম্পাদনা করেন। সর্বশেষ সংখ্যাটি ‘কথাসাহিত্যের সৈয়দ শামসুল হক’শিরোনামে বেরিয়েছে, ডিসেম্বর ২০১৬ তে; তারও আগে বেরিয়েছে ‘কথাসাহিত্যের জীবনানন্দ’ সংখ্যা। বইপড়া, গান শোনা এবং গ্রাম-বাংলার প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানো তাঁর প্রিয় বিষয়। শিশুর হাসি আর মায়ের মুখ তিনি সবচেয়ে পবিত্র ও সুন্দর বিবেচনা করেন। লেখার ক্ষেত্রে তাঁর দর্শন হচ্ছে ‘এমন লেখা লিখতে চাই একবার পাঠেই যেন ফুরিয়ে না যায়।’
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
September 5, 2023
হুমায়ূন আহমেদের একটি সুদীর্ঘ এবং একাধিক ছোট সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন মাসউদ আহমাদ। 'দেয়াল' উপন্যাস নিয়ে লেখকপত্নী শাওনের একটি নাতিদীর্ঘ সাক্ষাৎকারসহ প্রায় দুইশ পাতার বইটির প্রকাশক 'অন্বেষা প্রকাশন'।
হুমায়ূন আহমেদ তাঁর আত্মজীবনীমূলক বইগুলোতে নিজের জীবনের নানান স্মৃতি কম-বেশি লিখেছেন। ফলে এই সাক্ষাৎকারের বইতে এমন অনেক ঘটনা পাবেন, যা ইতোমধ্যে কোথাও না কোথাও পড়েছেন। তা-ও বইটা সুন্দর। কারণ লেখক তাঁর ব্যক্তিজীবনের অনেক না-বলা ঘটনা ও স্মৃতি পাঠকের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন এই বইতে। হুমায়ূন আহমেদের পিতা শহিদ ফয়জুর রহমানকে নিয়ে আরও বিশদ স্মৃতিচারণ করেছেন। নিজের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নানান অজানা স্মৃতি জানিয়ে মাসউদ আহমাদকে। বইয়ের একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ম্যাজিশিয়ান হুমায়ূন আহমেদের উপস্থিতি।
হুমায়ূন আহমেদ লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় অবদান রয়েছে আহমদ ছফার। তিনি তাঁর 'ছফা ভাই'কে নিয়ে একাধিকবার বলেছেন ; বলেছেন বিস্তারিত।
বড় লেখক হওয়ার পূর্বশর্ত ভালো পাঠক হওয়া। হুমায়ূন আহমেদ উত্তম পাঠক ছিলেন। তাঁর প্রিয় বই ও লেখকদের কথা জানিয়েছেন এই সাক্ষাৎকারে।
হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে আগ্রহী যে-কোনো পাঠককে চমৎকার একটি অনুভূতি দেবে মাসউদ আহমাদের এই সাক্ষাৎকারগ্রন্থ। হ্যাঁ, এখানে লেখকের গভীর জীবনদর্শন নেই, প্রশ্নকর্তা বিব্রতকর কোনো প্রসঙ্গের অবতারণা করেননি, একই প্রসঙ্গের একাধিকবার উল্লেখ পাই। তবু বইটা মন ভালো করে দেয়। বাংলা সাহিত্যের অসাধারণ নক্ষত্র হুমায়ূন আহমেদের কথোপকথনের গুণেই বইটা পাঠযোগ্য ও একবসায় পড়ার মতো।
হুমায়ূন আহমেদ তাঁর আত্মজীবনীমূলক বইগুলোতে নিজের জীবনের নানান স্মৃতি কম-বেশি লিখেছেন। ফলে এই সাক্ষাৎকারের বইতে এমন অনেক ঘটনা পাবেন, যা ইতোমধ্যে কোথাও না কোথাও পড়েছেন। তা-ও বইটা সুন্দর। কারণ লেখক তাঁর ব্যক্তিজীবনের অনেক না-বলা ঘটনা ও স্মৃতি পাঠকের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন এই বইতে। হুমায়ূন আহমেদের পিতা শহিদ ফয়জুর রহমানকে নিয়ে আরও বিশদ স্মৃতিচারণ করেছেন। নিজের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নানান অজানা স্মৃতি জানিয়ে মাসউদ আহমাদকে। বইয়ের একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ম্যাজিশিয়ান হুমায়ূন আহমেদের উপস্থিতি।
হুমায়ূন আহমেদ লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় অবদান রয়েছে আহমদ ছফার। তিনি তাঁর 'ছফা ভাই'কে নিয়ে একাধিকবার বলেছেন ; বলেছেন বিস্তারিত।
বড় লেখক হওয়ার পূর্বশর্ত ভালো পাঠক হওয়া। হুমায়ূন আহমেদ উত্তম পাঠক ছিলেন। তাঁর প্রিয় বই ও লেখকদের কথা জানিয়েছেন এই সাক্ষাৎকারে।
হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে আগ্রহী যে-কোনো পাঠককে চমৎকার একটি অনুভূতি দেবে মাসউদ আহমাদের এই সাক্ষাৎকারগ্রন্থ। হ্যাঁ, এখানে লেখকের গভীর জীবনদর্শন নেই, প্রশ্নকর্তা বিব্রতকর কোনো প্রসঙ্গের অবতারণা করেননি, একই প্রসঙ্গের একাধিকবার উল্লেখ পাই। তবু বইটা মন ভালো করে দেয়। বাংলা সাহিত্যের অসাধারণ নক্ষত্র হুমায়ূন আহমেদের কথোপকথনের গুণেই বইটা পাঠযোগ্য ও একবসায় পড়ার মতো।
February 20, 2026
প্রিয় লেখক সম্পর্কে জানার আগ্রহ কার না থাকে? মানুষটা কেমন ছিলেন? কিভাবে ভাবতেন? কোথা থেকে এলো এতো চরিত্র, এতো গল্প? হিমু নাকি মিসির আলি? কে বেশি পছন্দের? এরকম শতশত প্রশ্ন তো অনায়াসে মাথায় আসে। সামনে পেলে অবশ্যই এই প্রশ্নগুলা করতাম। কিন্তু তিনি তো এখন পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। তাঁকে সরাসরি তো আর প্রশ্ন করা যায় না। তবে মাসউদ আহমাদের গ্রন্থনা 'হুমায়ূন আহমেদের আত্মজৈবনিক সাক্ষাৎকার'-এর মাধ্যমে এই যে হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে এতো কৌতুহল, সেই কৌতুহলের বেশ ভালো উত্তর পাওয়া যায়।
এটাকে প্রচলিত আত্মজীবনী বলা যাবে না। আবার সাধারণ সাক্ষাৎকার বললেও হয়তো ভুল হবে। প্রশ্ন উত্তরের ভেতর দিয়ে আপনি হুমায়ূন আহমেদকে জানতে পারছেন। হুমায়ূন আহমেদ এখানে শুধু লেখকই নন, তিনি একজন ছেলে, একজন স্বামী, একজন বাবা, একজন ছাত্র, একজন লেখক, স্বপ্নবাজ মানুষ হিসেবেও ধরা দিয়েছেন। তাঁর লেখালেখির শুরু, নাটক, সিনেমা, সমালোচনা, ব্যাক্তিগত সংকট সবই উঠে এসেছে অকপটে।
কোনোকিছুই সাজানো বলে মনে হয় না। নিজের দুর্বলতাগুলা কি অকপটে স্বীকার করেন! অবাক লাগে। আর মাসউদ আহমাদের প্রশ্নগুলাও ছিলো পরিমিত ও প্রাসঙ্গিক।
সবমিলিয়ে, যারা আমার মতো হুমায়ূন ভক্ত, তাদের জন্য বইটা বেশ উপভোগ্য হবে। এতোটুকু নিশ্চয়তা আমি দিচ্ছি। বেশ ভালো লেগেছে। পড়ে দেখবেন।
এটাকে প্রচলিত আত্মজীবনী বলা যাবে না। আবার সাধারণ সাক্ষাৎকার বললেও হয়তো ভুল হবে। প্রশ্ন উত্তরের ভেতর দিয়ে আপনি হুমায়ূন আহমেদকে জানতে পারছেন। হুমায়ূন আহমেদ এখানে শুধু লেখকই নন, তিনি একজন ছেলে, একজন স্বামী, একজন বাবা, একজন ছাত্র, একজন লেখক, স্বপ্নবাজ মানুষ হিসেবেও ধরা দিয়েছেন। তাঁর লেখালেখির শুরু, নাটক, সিনেমা, সমালোচনা, ব্যাক্তিগত সংকট সবই উঠে এসেছে অকপটে।
কোনোকিছুই সাজানো বলে মনে হয় না। নিজের দুর্বলতাগুলা কি অকপটে স্বীকার করেন! অবাক লাগে। আর মাসউদ আহমাদের প্রশ্নগুলাও ছিলো পরিমিত ও প্রাসঙ্গিক।
সবমিলিয়ে, যারা আমার মতো হুমায়ূন ভক্ত, তাদের জন্য বইটা বেশ উপভোগ্য হবে। এতোটুকু নিশ্চয়তা আমি দিচ্ছি। বেশ ভালো লেগেছে। পড়ে দেখবেন।
September 17, 2024
প্রশ্ন:লেখালেখি, আড্ডা, বেড়াতে যাওয়া- এসবের বাইরে যে সময়, সেই সময়গুলো আপনার কীভাবে কাটে?
হুমায়ূন আহমেদ : যখন লেখালেখি করি না, আড্ডা দিতে বসি না, তখন কী করে সময় কাটাই? এই প্রশ্ন কিছুদিন আগে টেলিফোনে এক সাংবাদিক করলেন। আমি বললাম, তখন আমি একটা কাঁচি নিয়ে বসি । কাঁচি দিয়ে কেটে সময় কাটাই ।
জীবনের প্রথম সিনেমা দেখার কথা মনে পড়ে?
হুমায়ূন আহমেদ : ছোটবেলায় একবার মামার সঙ্গে সিনেমা দেখতে গিয়েছি । মামা নিতান্তই অনাগ্রহের সঙ্গে আমাকে নিচ্ছেন। তাঁর ধারণা বাতি নেভার সঙ্গে সঙ্গে আমি কাঁদতে শুরু করব । মাঝখান থেকে তাঁর ছবি দেখা হবে না । আমি যে কাঁদব না তা মামাকে নানাভাবে বুঝানোর চেষ্টা করছি । মামা বুঝছেন না । কাঁদলে কিন্তু আছাড় দিয়ে ভুঁড়ি গালিয়ে ফেলব। কাঁদব না মামা । পিসাব পায়খানা যা করার করে নাও । ছবি শুরু হবে আর বলবে পিসাব- তা হবে না ।
তারপর?
হুমায়ূন আহমেদ : ছবি শুরু হতে দেরি আছে । মামা চা কিনলেন । আমার জন্যে দু'পয়সার বাদাম এবং চানাভাজা কেনা হলো । মামা বললেন, এখন না । ছবি শুরু হলে খাবে । আমি ছবি শুরুর জন্যে গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। চারদিকে লোকজন হৈচৈ কোলাহলে নেশার মতো লাগছে । বুক ধক্ ধক্ করছে না জানি কী দেখব । ছবি শুরুর প্রথম ঘণ্টা পড়ল । সেই ঘণ্টাও অন্যরকম । বেজেই যাচ্ছে, থামছে না । লোকজন হলে ঢুকতে শুরু করেছে— মামা ঢুকলেন না । আমাকে নিয়ে বাথরুমে ঢুকে গেলেন । গম্ভীর গলায় বললেন, পিসাব কর । ছবি শুরু হবে, আর বলবে পিসাব- তাহলে কান ছিঁড়ে ফেলব। মামা অন্য কিছু ছেঁড়ার কথা বলেছিলেন । সুরুচির কারণে তা উল্লেখ করছি না ।
- সহজ কথা সোজাসাপ্টা ও মজা করে বলাই তো হুমায়ূন আহমেদের মজ্জাগত । অন্য অনেক জায়গায়ও একই ব্যাপারে লেখা আছে। তারপরও পড়তে খারাপ লাগে না কারণ সাক্ষাৎকার ভিত্তিক বই মানেতো লেখকের সাথে কিছুক্ষণ কাটানো - তাঁর সামনে থেকে কথা শোনার মত। যদিও কিছু বানান ভুল বিরক্তিকর । তারপরও বলবো -
এ হোল অনেকদিন পর হুমায়ূন আহমেদের সাথে দেখা !!
হুমায়ূন আহমেদ : যখন লেখালেখি করি না, আড্ডা দিতে বসি না, তখন কী করে সময় কাটাই? এই প্রশ্ন কিছুদিন আগে টেলিফোনে এক সাংবাদিক করলেন। আমি বললাম, তখন আমি একটা কাঁচি নিয়ে বসি । কাঁচি দিয়ে কেটে সময় কাটাই ।
জীবনের প্রথম সিনেমা দেখার কথা মনে পড়ে?
হুমায়ূন আহমেদ : ছোটবেলায় একবার মামার সঙ্গে সিনেমা দেখতে গিয়েছি । মামা নিতান্তই অনাগ্রহের সঙ্গে আমাকে নিচ্ছেন। তাঁর ধারণা বাতি নেভার সঙ্গে সঙ্গে আমি কাঁদতে শুরু করব । মাঝখান থেকে তাঁর ছবি দেখা হবে না । আমি যে কাঁদব না তা মামাকে নানাভাবে বুঝানোর চেষ্টা করছি । মামা বুঝছেন না । কাঁদলে কিন্তু আছাড় দিয়ে ভুঁড়ি গালিয়ে ফেলব। কাঁদব না মামা । পিসাব পায়খানা যা করার করে নাও । ছবি শুরু হবে আর বলবে পিসাব- তা হবে না ।
তারপর?
হুমায়ূন আহমেদ : ছবি শুরু হতে দেরি আছে । মামা চা কিনলেন । আমার জন্যে দু'পয়সার বাদাম এবং চানাভাজা কেনা হলো । মামা বললেন, এখন না । ছবি শুরু হলে খাবে । আমি ছবি শুরুর জন্যে গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। চারদিকে লোকজন হৈচৈ কোলাহলে নেশার মতো লাগছে । বুক ধক্ ধক্ করছে না জানি কী দেখব । ছবি শুরুর প্রথম ঘণ্টা পড়ল । সেই ঘণ্টাও অন্যরকম । বেজেই যাচ্ছে, থামছে না । লোকজন হলে ঢুকতে শুরু করেছে— মামা ঢুকলেন না । আমাকে নিয়ে বাথরুমে ঢুকে গেলেন । গম্ভীর গলায় বললেন, পিসাব কর । ছবি শুরু হবে, আর বলবে পিসাব- তাহলে কান ছিঁড়ে ফেলব। মামা অন্য কিছু ছেঁড়ার কথা বলেছিলেন । সুরুচির কারণে তা উল্লেখ করছি না ।
- সহজ কথা সোজাসাপ্টা ও মজা করে বলাই তো হুমায়ূন আহমেদের মজ্জাগত । অন্য অনেক জায়গায়ও একই ব্যাপারে লেখা আছে। তারপরও পড়তে খারাপ লাগে না কারণ সাক্ষাৎকার ভিত্তিক বই মানেতো লেখকের সাথে কিছুক্ষণ কাটানো - তাঁর সামনে থেকে কথা শোনার মত। যদিও কিছু বানান ভুল বিরক্তিকর । তারপরও বলবো -
এ হোল অনেকদিন পর হুমায়ূন আহমেদের সাথে দেখা !!
Displaying 1 - 3 of 3 reviews




