Jump to ratings and reviews
Rate this book

সমাগম

Rate this book

Unknown Binding

Published January 1, 1967

7 people want to read

About the author

Shawkat Osman

72 books61 followers
Shawkat Osman (Bengali: শওকত ওসমান; Sheikh Azizur Rahman; 1917 – 1998) was a Bangladeshi novelist and short story writer.Osman's first prominent novel was Janani. Janani (Mother)is a portrait of the disintegration of a family because of the rural and urban divide. In Kritadaser Hasi (Laugh of a Slave), Osman explores the darkness of contemporary politics and reality of dictatorship.

Awards
Bangla Academy Award (1962)
Adamjee Literary Award (1966)
President Award (1967)
Ekushey Padak (1983)
Mahbubullah Foundation Prize (1983)
Muktadhara Literary Award (1991)
Independence Day Award (1997)

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (20%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
4 (80%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Shadin Pranto.
1,484 reviews564 followers
December 22, 2025
হুমায়ূন আহমেদের লেখায় 'সমাগম' উপন্যাসটির কথা প্রথম পাই। তিনি এর প্লটের তারিফ করেছিলেন। এমনই এক তুলনাহীন কাহিনিবিন্যাস 'সমাগম'-এর যে প্রশংসা না করে পারা যায় না। যদিও শিল্পগুণ কতটা রক্ষিত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। মাত্র এক শ পাতার উপন্যাসটি ঔপন্যাসিক শওকত ওসমানের উপন্যাস সমগ্রের দুসরা খণ্ডের পহেলাতেই স্থান পেয়েছে।


সংবাদকর্মী জুহা তার বাড়ির বাগানে পায়চারি করতে গিয়ে পুরোনো তুলট কাগজেট একখানা পত্র খুঁজে পান। মূলত, চিঠিটি তাকেই লেখা হয়েছে। যদিও খাম পাচ্ছিলেন না। তার গৃহকর্মী খামটি ফেলে এসেছিল অন্য কোথাও। খাম হাতে পেয়ে দেখলেন পত্রটি তাকে পাঠিয়েছেন মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল। কবি জানিয়েছেন, তিনি জুহার বাসায় তশরিফ রাখবেন। বুঝতেই পারছেন, তিন শ বছর আগের কবি আলাওল চিঠি লিখছেন এবং তা অবাক করছে না। এটিই উপন্যাসটির মাহাত্ম্য। পরাবাস্তব এক জগৎ তৈরি করেছেন শওকত ওসমান।

কবি আলাওলের মতো সাহিত্যিক আসবেন। অথচ তার সম্মানে আরও সাহিত্যিক ও লেখক থাকবেন না, গুণিজন উপস্থিত হবেন না - এটি বেমানান দেখায়। তাই জুহা ও তার স্ত্রী জুদাইন এবং তাদের শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জর্জ বার্নার্ড শ,রঁমা রলাঁ, হাজি মুহাম্মদ মহসীন ও রবিঠাকুরকে দাওয়াত দেওয়া হয় এবং তাঁরা দাওয়াত কবুল করেন। যদিও রবিবাবুর উপস্থিতি ছিল সিনেমায় অনেকটা ক্যামিও দেওয়ার মতো।

শ, বিদ্যাসাগর, মধুকবি ও রঁমা রলাঁ মিলে মজে যান শিল্পসাহিত্য ও সভ্যতা নিয়ে এমন গভীর আলোচনায়। মঞ্চস্থ হয় এক নাটক।

সবমিলিয়ে, অন্যরকম এক লেখা। কাহিনির বৈচিত্র্যের কারণে নিরীক্ষাধর্মী এই উপন্যাস পড়তে পারেন। কিন্তু খুব বেশি প্রত্যাশা করতে যাবেন না। বেশ খটোমটো লেখা।
4 reviews
July 28, 2023
প্রেক্ষাপট
বইটি লেখা হয়েছে কল্পনারে জগতের উপরে ভিত্তি করে। বইটিতে অনেক সাহিত্যিক কবি এদেরকে নিয়ে আসা হয়েছে। বইটিতে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যারা কথা বলেছেন, কবিতা লিখেছেন, নাটক লিখেছেন তাদের সমাগম ঘটানো হয়েছে এবং তাদের মধ্যকার বিভিন্ন বৈঠকের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরা হয়েছে। যখন লেখা হয় তখন বাংলাদেশের পাকিস্তানি শাসন চলছিল এবং বাংলাদেশ পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত ছিল। পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে রূপক অর্থে হয়তো বইটি লেখা হয়েছে।

লেখনী
শওকত ওসমানের লেখনী বরাবরের মতোই ভালো। বইটি প্রায় ১২০ পৃষ্ঠার। আমি দুই বসায় বইটি পড়েছি। এক্সপেরিমেন্টাল একটি বই। নতুন একটি ধরণ আনা হয়েছে। বইয়ের কিছু অংশ আছে আমার জন্য অতটা তৃপ্তিদায়ক হয়নি। যেমন একটি নাটক রয়েছে যেটি আমার এতটা ভালো লাগেনি। এবাদে বইয়ের লেখনি যথেষ্ট ভালো।

শুরু
বইটি শুরু হয় জুহা নামে একজন সাংবাদিকের বাগানে পরে থাকা একটি চিঠি নিয়ে যেখান থেকে তিনি জানতে পারেন পদ্মাবতী কাব্যের অনুবাদক "আলাওল" তার ওখানে আসছেন। তিনি এই উপলক্ষে বিভিন্ন কবি সাহিত্যিক আমন্ত্রণ জানান। যেমন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, জর্জ বার্নাড শ' এবং এমন আরো অনেককে।

কাহিনি সংক্ষেপ
বিভিন্ন কবি সাহিত্যিক এদের সমাগম তার বাসায় ঘটবে জন্য বাসায় বিভিন্ন ধরনের আয়োজন করা হয়। তার দুই ছেলেকে উপলক্ষে তিনি বাসায় ডাকেন। বিভিন্ন কবি সাহিত্যিক আসার পরে তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবার, মদ ইত্যাদি আয়োজন করা হয় এবং এগুলোর উপভোগ করার মাঝে কবি সাহিত্যিক এদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের তর্ক-বিতর্ক ইত্যাদি আমরা এই বইয়ে দেখতে পাই। বইয়ের ভিতরে একটি নাটক রয়েছে। জুহার স্ত্রী হিসাবে রয়েছেন জদুইন নামে একজন ভদ্রমহিলা যিনি তথাকথিত শিক্ষিত নন কিন্তু এই চরিত্রকে বিভিন্নভাবে যথেষ্ট জ্ঞানী দেখানো হয়েছে। এরপর বইয়ে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে কবি, সাহিত্যিক দের লেখালেখি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কোন প্রভাব ফেলতে পেরেছে কিনা। দেখানো হয়েছে ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাদেশের স্বৈরাচারী বিরোধীদের বিভিন্ন ভাবে শাস্তি দেয়া হয়, হত্যা করা হয়। সেই তুলনায় ইউরোপের স্বৈরাচারী বিরোধী লেখকদের উপর তেমন কোন প্রভাব পরেনাই।

প্রথম যখন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উপস্থিত হন তখন তিনি মদ পান করেন না বলে তাকে লেবুর শরবত খেতে দেওয়া হয় কিন্তু শেষে দেখা যায় যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ওয়াইন খেতে রাজি হয়েছেন। এর মাধ্যমে দেখানো হয়েছে যে সঙ্গ দোষে এই ঘটনাটি ঘটেছে।

বই শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে রবীন্দ্রনাথ ও লিও টলস্টয় কে আসতে দেখা যায়। যেখানে টলস্টয় দাবি করেন যে তিনি স্বর্গ থেকে এসেছেন।

বর্তমান বনাম অতীত
শাসনব্যবস্থা সেই সময়ের তুলনায় এখন অনেক ভালো হলেও পুরো পৃথিবীতে শাসনব্যবস্থার খুব একটা পরিবর্তন ঘটেছে এমন মনে করার কোন কারণ নেই। গণতন্ত্রের নামেও স্বৈরতন্ত্র অনেক দেশেই চলছে। মানুষজনের বাকস্বাধীনতা সেটা আগে কম ছিল, এখন বেশি হয়েছে এমন ধরা যায় না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ মানবাধিকারের কথা বলে বিভিন্নভাবে অন্য দেশকে শোষণ করছে। কোন কোন দেশের সরকার সে দেশের জনগণকে শোষণ করছে। বর্তমানেও নতুন মোড়কে পুরনো গল্পই চলছে অনেক দেশে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.