'মরব তবু পালাব না!' জর্জ ট্রেভর একরোখা মানুষ, আউট-লদের ভয়ে রেঞ্জ ছেড়ে যাবে না কিছুতেই। একারনেই যখন দীর্ঘদেহী এক আগন্তক এসে হাজির হলো বিনা প্রশ্নে তাকে চাকুরি দিল সে। আগন্তক তার নাম জানাল অ্যালান ডিলান। ওকে জরিপ করে বুঝল ট্রেভর, আর যাই হোক, এ-লোক শত্রুপক্ষের কেউ নয়।
শওকত হােসেনের আদি নিবাস চট্টগ্রাম চাকরির সুবাদে বাল্য এবং কৈশোর কেটেছে দেশের বিভিন্ন শহরে। বই পড়ার অদম্য নেশা পেয়েছেন বইপ্ৰেমী মায়ের কাছ থেকে । বলতে গেলে রানওয়ে জিরো-এইট অনুবাদের মাধ্যমে হঠাৎ করেই লেখালেখির শুরু। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাস্টার্স করেছেন শওকত হােসেন, বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত।
ঘোড়াকে পানি খাওয়ানোর জন্য এক রেঞ্জে ঢুকল অ্যালেন। ঢুকেই গানপয়েন্টে নিজেকে আবিষ্কার করল সে। নাহ কোন অপরাধ সে করেনি। তার দোষ সে অপরিচিত আর র্যাঞ্চারকে উৎখাত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভুল বুঝাবুঝির সমাপ্তি হয় অ্যালেন জর্জের র্যাঞ্চে ফোরম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে। জর্জকে আশ্বস্ত করে র্যাঞ্চের সমস্যা সে মিটিয়ে দিবে। কিন্তু পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে যায় জর্জের মৃত্যুর মাধ্যমে এবং তার পুবের থেকে আসা মেয়ে র্যাঞ্চে আসার মাঝে দিয়ে। অ্যালেনকি পারবে র্যাঞ্চকে বাচাতে?