এটা 'ল-লেস', জন ল্যাঞ্জের শহর।শহরবাসীরা চায় শান্তি,সমৃদ্ধি কিন্তু ল্যানজের ইচ্ছা ভিন্ন। এখানে আইন প্রতিষ্ঠা করতে এসে ইতিমধ্যে মারা গেছে একজন মারশাল,আরেকজন পালিয়ে বেঁচেছে। অবশেষে এলো মার্ক লেভিন-গানফাইটার,বাউন্টিহান্টার। শহরে ঢোকার আগেই শাসাল ওকে ল্যানজঃ 'বাচতে চাইলে কেটে পড়ো'। কিন্তু কেটে পরার জন্যই কি এল প্যাসো থেকে এতদূর এসেছে মার্ক লেভিন?
শওকত হােসেনের আদি নিবাস চট্টগ্রাম চাকরির সুবাদে বাল্য এবং কৈশোর কেটেছে দেশের বিভিন্ন শহরে। বই পড়ার অদম্য নেশা পেয়েছেন বইপ্ৰেমী মায়ের কাছ থেকে । বলতে গেলে রানওয়ে জিরো-এইট অনুবাদের মাধ্যমে হঠাৎ করেই লেখালেখির শুরু। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাস্টার্স করেছেন শওকত হােসেন, বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত।
শহরের নাম ল-লেস। নামেই তার পরিচয়। ল এর কোন নাম গন্ধও নাই এখানে। জন ল্যাঞ্জ এটাকে নিজের শহর বলে দাবি করে। দাবির কারন? সে শহরের জন্য কিছু জমি ছেড়ে দিয়েছে। তাই সে ভাবে সে এই শহরের এক ছত্র অধিপতি। সে যা বলবে তাই আইন। তার রাইডাররা যা ইচ্ছে তাই করতে পারবে। কিন্তু শহরের লোকেরা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়। মানুষএর মতন করে বাচতে চায়। তাই তারা মার্শাল হিসেবে নিয়োগ দেয় মার্ক লেভিন কে। যেখানে কিনা আইন প্রতিষ্ঠা করতে এসে একজন প্রান দেয় আরেক মার্শাল পালিয়ে বাচে। শহরে ঢোকার সাথে সাথেই লাঞ্জ তাকে হুমকি দেয় শহর ছেড়ে যাওয়ার না হলে পরিনাম ভাল হবে না। বিষয়টা ভাল চোখে দেখে না লেভিন। দায়িত্ত্ব নেয় শহরের নিরাপত্তার। কিন্তু সাথে সাথে বিপদে জড়িয়ে পড়ে সে। কি করবে লেভিন? পিছিয়ে যাবে? পালিয়ে যাবে না কি লড়বে দাতে দাত চেপে?
ল-লেস শহরে আইন বলতে জল ল্যাঞ্জার লেনজার জোর! অনেক টাকার লোভে হাজির হল মার্ক লেভিন। যে শহরে সবাই আইন চায় বটে, কিন্তু কেউ ভয় সামনে আগাতে ইচ্ছুক না । একলা লেভিন কি করবে কিংবা করতে পারবে, সেটাই দেখার বিষয়। শুরু হল শহরের প্রাতিষ্টাতা আর বাসিন্দাদের মুল্লুক দখলের যুদ্ধ ।