Ali Riaz (Bengali: আলী রীয়াজ) is a Bangladeshi American political scientist and writer. He is a Distinguished Professor at Illinois State University where he joined in 2002. Most of his work deals with religion and politics, particularly on South Asian politics and political Islam.
অনেক ভালো লাগল বইটা। বইয়ের ভিতরের বিষয়বস্তু, লেখার শৈলী দুটোই প্রশংসার যোগ্য। বাংলাদেশের সমাজে যে কতভাবে আতঙ্ক ও ত্রাস বিরাজ করছে, এর ইতিহাস কি, কিভাবে প্রশ্রয় পেয়ে তা বিশাল আকার ধারণ করেছে তা এই বই পড়ার আগে ভাবতেই পারি নি। বইয়ের নামটা দেখে মনে হতে পারে এটা শুধু রাজনীতি নিয়ে লেখা, তা না। রাজনৈতিক, জাতিগত, শ্রেণিগত বিভিন্ন ক্ষেত্রে বল্প্রয়োগ ও আধিপত্য সৃষ্টির কথা উঠে এসেছে। পড়তে পড়তে ক্ষোভ জন্মে - দেশে এখন এগুলো হচ্ছে?
আর লেখার ধরনও চমৎকার। গম্ভীর বিষয় - কিন্তু লেখকের বর্ণনার ঢঙেই লেখাকে কখনো একঘেয়ে মনে হয় নি। সংক্ষিপ্ত ভাষায় লেখক তার বক্তব্য শেষ না করলে ১৪০ পৃষ্ঠার বইটি কততে গিয়ে ঠেকত কে জানে।
আলাদা আলাদা অধ্যায়ের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়েছে। সমস্যার ফলে ভুক্তভোগী মানুষসহ পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান থাকায় বক্তব্যগুলো আরও সুস্পষ্ট হয়েছে। রাজনৈতিক মুখোশের আড়ালে রাজনীতিকরা আমাদের আসলে কী উপহার দিচ্ছেন তাই ফুটে উঠছে বইটিতে।
ভয় বাংলাদেশে সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনা ও শাসনের ধরন থেকে ব্যক্তির একান্ত জীবনে ভয় আজ প্রবলভাবে উপস্থিত।বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও রাজনীতিতে ভয় এখন সর্বব্যাপ্ত। এই পরিবেশ রূপ নিয়েছে ভয়ের সংস্কৃতিতে। একদল মানুষের স্বাধীন চিন্তা আর কাজের রাশ টেনে ধরার জন্য তাদের ভেতর ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে আতঙ্ক। আর এভাবেই স্বচ্ছতা, অবাধ তথ্যপ্রবাহ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে আতঙ্ক আর ভয় হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের শক্তিশালী হাতিয়ার। যে সমাজে এই ভয়ের সংস্কৃতি বিদ্যমান, সেখানে সহিংসতা আর বলপ্রয়োগ সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী আর মানুষের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। ভয়ের সংস্কৃতির উদ্দেশ্য হচ্ছে ভিন্নমতকে স্তব্ধ করে দেওয়া। আর সমাজের ক্ষমতাবান ও আধিপত্যকামী গোষ্ঠী নিজের মতাদর্শকে প্রধান করে তোলার জন্য সমাজে বিরাজমান অন্যান্য মতাদর্শকে কোণঠাসা করে একেবারে পেছনের দিকে ঠেলে দেয়। কাজেই ক্ষমতার মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে প্রান্তিকতার। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরের মতে, সংস্কৃতির ক্রিয়াশীলতার মধ্যে একটি প্রান্তিকতা আছে। প্রতিটি সংস্কৃতির রক্ষক বা মোড়ল থাকে। এই মোড়লেরা সংস্কৃতির সংজ্ঞা ও কার্যক্রম নির্ধারণ করে দেন। আর সংজ্ঞার মাধ্যমে তৈরি ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে সাংস্কৃতিক মতাদর্শ। আর এই ব্যাখ্যা হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাখ্যা, কেন্দ্রের ব্যাখ্যা। সমাজে ক্ষমতাসীনদের এই ব্যাখ্যা ও মতাদর্শের বিপরীতে অবস্থান নেওয়ায় ব্যাখ্যা ও মতাদর্শের ঠাঁই হয় প্রান্তিক অবস্থানে। আর সমাজ গঠনে অসমভাবে ছড়ানো আছে প্রান্তিকতার অবস্থান ও বিভিন্ন মুহূর্ত। আর এটিই কেন্দ্রের সঙ্গে প্রান্তিকতার সম্পর্ক নির্ধারণ করছে। লেখক আশঙ্কা করেছেন সমাজে অধস্তন বা ভিন্নমতের ওপর বলপ্রয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং সমাজে বাড়বে অসহিষ্ণুতা। এমন বিরলভাষ্য এবং তার অব্যর্থ সত্যভাষণ কিছুটা হলেও মানুষের মননজগতে প্রশ্ন ও কৌতুহল তৈরি করে। ভয়ের সংস্কৃতির প্রধান উপাদান হল সন্ত্রাস এবং আতঙ্ক। ভীতি উৎপাদন ও পুনরুৎপাদনের মধ্যেই এই সংস্কৃতির সূচনা, বিকাশ ও স্থায়িত্ব। ভয়ের সংস্কৃতি হলো এমন এক আবহাওয়া ও পরিবেশ যেখানে আতঙ্ক, সন্ত্রাস ও বলপ্রয়োগ একাধারে ক্ষমতার/শাসনের একটি ধরন এবং পারস্পরিক সম্পর্কের নির্ণায়ক। অর্থাৎ সমাজে উপস্থিত শ্রেণি, গোষ্ঠী, ব্যক্তিসমূহের মধ্যে সম্পর্কের ভিত্তি হচ্ছে জবরদস্তি, স্বেচ্ছাচারিতা
উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি২০১৪ সালে ৮৮ জন, যাঁদের ভেতর ১২ জন পরে মুক্তি পান, গুম ও গুপ্তহত্যার শিকার হন। আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতন ও কারা হেফাজতে মারা যান ৭৩ জন।৫ বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটকে ৫ জানুয়ারির রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে বাধা দেওয়ায় যে সহিংস অবরোধ শুরু হয়, তাতে আসকের হিসাব (জানুয়ারি-এপ্রিল) মতে ৬১৩টি ঘটনায় প্রাণ হারান ১২৫ জন (অবরোধে নিহত হন ৭৮ জন) আর আহত হন ৩৩৭০ জন।৬ আর সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান হতাহতের যে হিসাব (৫ জানুয়ারি-২৪ ফেব্রুয়ারি) দেন, সেখানে দেখা যায়, ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মারা যান ১১৯ জন, এঁদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াত জোটের অবরোধের বলি হন ৬১ জন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে মারা যান ৩৭ জন।
শুধু তাই নয়, আদিবাসীদের নিজ জমি থেকে উত্খাত করার জন্য সেখানে ঘটানো হচ্ছে সহিংসতা। আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা কাপেং ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সালে ভূমিকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৫৩টি পরিবার আক্রান্ত হয়েছে এবং বসতবাড়ি পুড়েছে ৫৮টি। আর সহিংসতার ঘটনায় হতাহত মানুষের সংখ্যা ১২৬। কাপেং ফাউন্ডেশনের দাবি অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ৩ হাজার ৯১১ একর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভূমি বেদখল হয়ে গেছে। এর মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক প্রভাবশালী গোষ্ঠী প্রায় ১৭৫ একর আদিবাসীদের জমি জোর করে দখল করে নেয় আর উচ্ছেদ করে ৭৪টি আদিবাসী পরিবারকে। রীয়াজ আদমশুমারি আর জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বিশ্লেষণ করে দেখান যে, কীভাবে ১৯৯১ থেকে ২০০১-এর সময়ের সরকারি হিসাব থেকে এক উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জনগোষ্ঠী বাদ পড়ে গেছে। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা না হলে তাকে সব সরকারই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত হিসেবে চালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু উল্লিখিত সময়ে বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা না ঘটলেও হিন্দুদের ব্যাপক হারে দেশত্যাগ এই দৃষ্টান্তকে ঠুনকো প্রমাণ করেছে বলে মনে করেন রীয়াজ। তিনি প্রথম আলোর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, যেখানে বলা হয়েছে ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে হিন্দু জনসংখ্যা নয় লাখ কমে গেছে। এ জন্য হিন্দুদের মোট প্রজনন হার তুলনামূলকভাবে কম বলে দাবি করা হলেও প্রতিবেদক নিজস্ব অনুসন্ধানে জেনেছেন এর প্রধান কারণ দেশত্যাগ, যার মূলে রয়েছে সমাজে বিরাজমান ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ এছাড়াও ২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারি-উত্তর সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পর দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আক্রান্ত জায়গাগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছিল। দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ের গড়েয়া ও কর্নিয়া জায়গা দুটি এর ভেতর ছিল। বসতবাড়ি, বাজার, মন্দির কোনোটিই সাম্প্রদায়িক আক্রমণের ছোবল থেকে বাদ যায়নি। একজন আক্রান্ত গ্রামবাসী আফসোস করে বলছিলেন, ‘৭১, ৯৬, ২০০৮, এমনকি বাবরি মসজিদ ভাঙার জের ধরে সারা দেশে হিন্দুদের ওপর সহিংসতা চললেও তার ঢেউ কর্নিয়াতে পড়েনি। তবে এবার সবকিছু ওলটপালট হয়ে গেছে। বেছে বেছে হিন্দুদের ঘরবাড়ি ও সম্পত্তির ওপর আক্রমণ করা হয়েছে।’ পাশের একটি গুদামঘরের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানালেন ওই ঘরেই লুট করা সামগ্রী আর মালামাল জমা করা হয়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এতটাই খারাপের দিকে গিয়েছিল কর্নিয়ায়। দিনাজপুরের গড়েয়ায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ ছিল সবচেয়ে বীভত্স। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা কাউকেই করুণা দেখায়নি দাঙ্গাবাজরা। টিনের তৈরি ঘরবাড়ি ও দোকানে এমন তাণ্ডব চালানো হয়েছিল, দেখে মনে হয় যেন টর্নেডো বয়ে গেছে পুরো গ্রামের ওপর দিয়ে। সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা সুমি বেওয়া কেঁদে কেঁদে বর্ণনা দিচ্ছিলেন কীভাবে আক্রমণকারীরা তাঁর কান ছিঁড়ে দুল নিয়ে গেছে। সুমি বেওয়া অভিযোগ করেন, ‘ওরা দলবেঁধে এসে আমাদের পেটাতে শুরু করে। চলে যাবার সময় বলে যায় ওরা আমাদের নিশ্চিহ্ন করে ফেলবে, আমরা যেন এ দেশ ছেড়ে চলে যাই। এ দেশ নাকি আমাদের নয় । উপরিউক্ত সহিংসতার মূলকেন্দ্র হলো ক্ষমতায় যাওয়া কিংবা ক্ষমতায় টিকে থাকার যুদ্ধ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সড়ক দুর্ঘটনা, ভবন ধস, লঞ্চডুবির মতো ভয়াবহ সব আইনবিরুদ্ধ কার্যক্রম। দেশজুড়ে ধর্মান্ধ শক্তির আস্ফালনের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করার মতো ঘটনা ঘটেছে মুক্তচিন্তার কণ্ঠস্বরকে।
সমাজে যখন বলপ্রয়োগ এবং আধিপত্যই হয়ে ওঠে স্বাভাবিক প্রবণতা, তখন মানুষ যুক্তি আর সহিষ্ণুতা ভুলে যায়। আইন ও বিচারব্যবস্থার ওপর বিশ্বাস হারিয়ে উত্তেজিত জনতা সম্মিলিতভাবে বিচার হাতে তুলে নেয়। শুরু হয় মব লিঞ্চিং বা গণপ্রহার। বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ ‘চুপ’ করে থাকাকেই আপাত সমাধান বলে মেনে নিয়েছে। অব্যাহত পরিস্থিতি সমাজে এক ধরনের নির্বিকার দর্শক-শ্রোতা তৈরি করছে। যারা নিজেরা আতঙ্কিত এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী তৎপরতার আশঙ্কায় নিজেদের অসহায় ভাবতে শুরু করেন। তারা কার্যত নিষ্ক্রিয়। আতঙ্কবাজরা যখন আমাদের স্বাধীন মতপ্রকাশের আকাশটাকে কালো মেঘে ঢেকে দিচ্ছে, তখন তার আড়ালে থাকা আশার সূর্যটার কথা জানান দিতে ভোলেননি রীয়াজ। রীয়াজের মতে, ব্যক্তির কাছেই রয়েছে এই অশুভ শক্তিকে মোকাবিলা করার অস্ত্র। ব্যক্তিকে বশ্যতার বদলে প্রতিরোধ করতে হবে, সহ্য করার বদলে প্রতিবাদ করতে হবে এবং চুপচাপ থাকার বদলে সরব হতে হবে। প্রতিবাদ আর প্রতিরোধের পথে যাত্রা শুরুর আগে রীয়াজ আমাদের কবিগুরুর সেই অমোঘ বাণীর কথা মনে করিয়ে দেন: ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।’
সমকালীন বাংলাদেশকে বুঝতে ভয়ের সংস্কৃতি পাঠ করেছিলাম। যদিও লেখকের সাথে পরিচয় পত্রিকায় কলাম পড়ার মাধ্যমে। তো শুরু করেছিলাম ভয়কে জানতে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভয়ের সংস্কৃতি নতুন নয়। বহুদিন ধরে চলে আসছে। ভয়ের সংস্কৃতি কি কেনো কিভাবে শুরু হলো তার একটা তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ পাওয়া গেছে বইটিতে। বর্তমান বাংলাদের রাজনীতি ও সমাজে এই ভয়ের সংস্কৃতি খুব প্রাসঙ্গিক।
রাষ্ট্র সমাজ সর্বত্র ভীতির উৎপাদন। এই ভয় সব শ্রেণীর মানুষের ভেতরেই । লেখক নব্বয়ের দশকেই এই ভয়ের সংস্কৃতি নিয়ে ভবিষ্যত বাণী করেছিলেন। যা বর্তমান বাংলাদেশে খুব বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।কর্তৃত্ববাদী শাসন আর গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যা, পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু গায়েবী মামলা, সবই ভীতি উৎপাদনের হাতিয়ার। লেখক দেখিয়াছেন কিভাবেই এই ভীতি সর্বত্র গ্রাস করে ফেলছে। এ বইয়ের যে প্রবন্ধগুলো লিখেছেন তাতে উঠে এসেছে ধর্মান্ধ গোষ্ঠি, সাম্প্রদায়িক হামলা, চট্টগ্রামের পার্বত্য জনগোষ্ঠীর উপর ভীতির প্রভাব,ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। মোট দশটি অধ্যায়ে ভয়ের নানা দিক পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।
লেখক বইয়ের এক পর্যায়ে বলেন "ভয় গ্রাস করেছে বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজ জীবনকে। শাসনের ভিত্তি এবং সম্পর্কের ধারণার মধ্যেই রয়েছে জবরদস্তি, বলপ্রয়োগ, ভীতির সঞ্চার। "
বাংলাদেশের ভবিষৎ রাজনীতি কেমন হতে চলছে তারও পূর্ভাবাস এখানে মিলে। এত সব ভীতি আমাদের সামনে তুলে ধরে শেষে ভয়কে জয় করার সাহস দিয়েছেন নেলসন ম্যান্ডেলার উদ্ধৃত্তি দিয়ে 'সাহস মানে ভয়ের অনুপস্থিতি নয়, তাকে জয় করা। সাহসী মানুষ সে নয় যে ভয় পায় না, সেই সাহসী মানুষ যে ভয়কে জয় করে। "
বইয়ের সবশেষ লাইনটিও মনে ধরেছে। "ব্যক্তির সক্রিয়তাই নির্ধারণ করবে ভয়ের সংস্কৃতির পরিণতি এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ। "