Автор рассказывает о том, как люди изучали форму Земли. Приводит многочисленные теории, существовавшие в разные исторические периоды, способы измерения и исследования, приведшие к истине.
Hình dáng của Trái Đất qua nhiều thời kì
Tác giả nói về cách mọi người đã nghiên cứu hình dạng của Trái Đất. Tác giả đã trích dẫn rất nhiều lý thuyết đã tồn tại trong thời kỳ lịch sử, phương pháp đo lường và nghiên cứu hàng đầu.
দাদীর মুখে শুনেছিলে নাকি, পৃথিবী যে এক মস্ত গরুর শিঙের ওপর স্থাপিত? তেমনি পুরনো ভারতীয়রাও কল্পনা করেছিল পৃথিবীকে বয়ে নিচ্ছে তিনটা মস্ত হাতি, তারা দাঁড়িয়ে আছে একটা কচ্ছপের পিঠে (ও বাবা কচ্ছপের খোলের চেয়ে শক্ত কিছু আর হয় নাকি!), আর সে কচ্ছপ মহাজাগতিক সমুদ্রে ভাসিয়ে নিয়ে চলেছে আমাদের। প্রাচীন চীনা-রা নিজেদের দেশ নিয়ে খুব গর্বিত ছিল, তাই দেশ ছেড়ে কোথাও যাওয়া অথবা বাইরের কারো দেশে ঢোকা, দুটাই ছিল মানা। তাদের বইয়ে তাই চীনদেশ ছিল মহাসমুদ্রের মাঝে দ্বীপের মতো, তার বাইরে পৃথিবীর কোনো অস্তিত্ব-ই নেই।
পৃথিবী যে গোল, তার ধারণা প্রথম দিয়েছিলেন এরিস্টটল, চন্দ্র গ্রহণের গোল ছায়া দেখে। কিন্তু তার পরও, ষোড়শ শতক অব্দি পাকাপোক্ত প্রমাণ দিয়ে কেউ দেখাতে পারেনি যে পৃথিবী গোল। তাই অনেক লম্বা সময় নিয়ে মানুষের কল্পনায় পৃথিবীর আকার হয়েছিল কখনো চ্যাপ্টা, কখনো অর্ধেক আপেলের মতো। অবশেষে, স্পেনীয় জাহাজ 'ভিক্টোরিয়া' প্রথম পৃথিবীকে চক্কর দিয়ে এসে দেখিয়ে দেয়, পৃথিবী গোল।
কিন্তু সেই গোল পৃথিবী নিয়েও তো কৌতুহলের শেষ নেই! সূর্যের উন্নতি দেখে খোলা সমুদ্রে অক্ষাংশ মাপা সম্ভব, কিন্তু দ্রাঘিমাংশ তো সম্ভব না! তাহলে উপায়? তো অক্ষরেখা ধরে যাও, তারপর নব্বুই ডিগ্রি ঘুরে, এগোও। সে হুজ্জোতেরও সমাধা হলো এক সময়, শূণ্য দ্রাঘিমার সময় মাপার ঘড়ি যখন আবিষ্কার হলো। তার সাথে, যেখানে আছি সেখানের সময় তুলনা করলেই দ্রাঘিমা জানা যাচ্ছে, আর বহু আগে থেকেই সূর্য দেঘে সময় মাপার কায়দা মানুষ জানতো।
পৃথিবীর পরিধি কত? সে কি এক্কেবারেই গোল, নাকি দু'পাশে চাপা? পয়লা প্রশ্নের জবাব সেই আলেকজান্ডারের যুগে বেরোলেও, দিতীয়টার উত্তর পেতে স্যাটেলাইট আবিষ্কারের পরও কিছুদিন বাড়তি সময় লেগে গেলো। এর মাঝে তো জার্মানদের বানানো এক মস্তবড় ভূ-গোলক দুই-দুইবার রাশিয়া বেড়িয়ে এলো, একবার ঘোড়ার গাড়ির আমলে, আরেকবার রেলগাড়ির।
তারপরও যদি পৃথিবীকে ফ্ল্যাট আর্থ ভেবে মজা পেতে চাও, তাহলে বরং কুঁড়ের বাদশা-দের জন্য যাজকদের আঁকা অদ্ভুতুড়ে মানচিত্রটাই দেখতে পারো। লোকশ্রুতির আশ্রয়ে সেখানে কোনো দেশে এক-ঠ্যাঙে দৈত্যদের দেখানো হয়েছে, কোথাও স্কন্দকাটাদের রাজত্ব, আর কোথাও কুলোর মতো কানওয়ালাদের। ওই সময়ে যদিও অলীক গপ্পো হিসেবেই আঁকা হয়েছিল মানচিত্র-টা, তবে এটা সত্যি, মানুষ লম্বা সময় ধরে ভেবে এসেছিল, দক্ষিণ গোলার্ধে শুধু উল্টো-হয়ে-ঝোলা প্রাণীদের বাস, নাহলে ওরা পড়ে যায় না কেন!?
সভ্যতার শুরু থেকে পৃথিবী নিয়ে মানুষের ভাবনা, আর সময়ে তার বিবর্তন নিয়ে ছোটদের জন্য লিখেছেন আনাতোলি তমিলিন। আর বইটাকে রত্নসম করে তুলেছেন অঙ্কনশিল্পী ইউরি স্মোলনিকভ। সত্যি, পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় এমন মুগ্ধ করা আঁকা আর জলরঙের কাজ এখন খুঁজে পাওয়া ভার।
'রাদুগা' বা প্রগতি প্রকাশন-এর পক্ষ থেকে বইটি অনুবাদ করেছিলেন অরুণ সোম।
আদি থেকে এ পর্যন্ত পৃথিবীর আকার নির্ণয়ের সমগ্র ইতিহাস খুবই সুন্দর ও সাবলীল ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এ সোভিয়েত বইতে। ইতিহাসের সাথে রয়েছে অসাধারণ ইলাস্ট্রেশন যা কল্পনায় অসম্ভব সাহায্য করেছে। যারা ফ্ল্যাট আর্থ বা সমতল পৃথিবীতে বিশ্বাস করে তাদের জন্য এ বই একটি ওষুধ স্বরূপ।
বাচ্চাদের জন্য একটু কম ডিটেইলড, ইংরেজি বানানে মানুষ এবং জায়গাগুলোর নাম সঙ্গে উল্লেখ থাকলে নিজে পড়ে বাচ্চাদেরকে রেফারেন্স দিয়ে গল্প বলা ইজি হতো। ভালোই বইটা।
في هذه التحفة الفنية يحكي توميلين قصة الفضول البشري نحو كوكبهم بسردٍ تاريخي ويذكر ما جال في خواطر الرجال الأوائل من تصوراتٍ عن شكل هذه الأرض، منذ فكرتهم الأولى بكونها مسطحة مقضوضة الحواف كرغيف خبز أو معلقة بأعمدة تلويها تنانين، أو كزهرة لوتس شاهقة، أو محمولة على درع سلحفاة تسبح في محيطاتٍ من حليب ومن ثم إلى يومنا الحاضر بالتقنيات الكبرى والأقمار الإصطناعية حيث عرف أن الكرة الأرضية ليست كرة تماماً
বইটা ছোটদের ও ইতিহাস নিয়ে।বইতে ইতিহাসকে সহজভাবে তুলে ধরে।তবে আমার এটার যে দিকটা সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে তা হলো এর ভিতরকার ছবি।আমার ধারুন লাগছে।ছবিগুলো এখন মাঝে মাঝে দেখি।প্রথম দিকে আমি এর ছবি আধা ঘন্টা ধরে দেখি।আসলেই ছবিগুলো আমাকে অনেক মগ্ন করে....!!?😮😮😮😮
I read the Hindi translation (titled Prithvi Ke Roop Ka Pata Kaise Chala). Very informative, easily understood, wonderful translation and beautiful illustrations.