Jump to ratings and reviews
Rate this book

বেহড় বাগী বন্দুক

Rate this book
'বেহড়' মানে গিরিপথ, 'বাগী' শব্দটির অর্থ বিদ্রোহী । চম্বলের উপত্যকায় বেহড়ের আনাচে-কানাচে বন্দুকহাতে দুর্ধর্ষ বাগী ডাকাতদের নিয়ে তরুণকুমার ভাদুড়ীর একদা-আলোড়ন-জাগানো বই- 'অভিশপ্ত চম্বল' । আজ এতদিন পরে নতুন করে তরুণকুমার ভাদুড়ী কলম ধরলেন বেহড়ের বন্দুকধারী বাগীদের চিরপুরনো আর চিরনতুন সমস্যাটাকে আরও একবার ভিতর থেকে দেখবেন বলে । এবার তাঁর সন্ধানী আলো পড়েছে আরও বড়ো জায়গার উপরে । মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ আর রাজস্থানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের যাবতীয় ডাকাতদের নিয়ে তাঁর এই বই, বেহড় বাগী বন্দুক

352 pages, Hardcover

First published January 1, 1991

3 people are currently reading
76 people want to read

About the author

Tarun Kumar Bhaduri

7 books7 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
8 (42%)
4 stars
4 (21%)
3 stars
5 (26%)
2 stars
2 (10%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
Profile Image for Farzana Raisa.
533 reviews241 followers
September 20, 2023
রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ আর মধ্যপ্রদেশ অঞ্চলের ডাকাতদের নিয়ে লেখা কাহিনি। লেখক যে প্রচুর খেটেখুটে এই বই লিখেছেন তা বোঝাই যায়। সব ডাকাতদের কাহিনি প্রায় একই রকম। বঞ্চনা, শোষণ, অত্যাচার, জাত-পাত ভেদাভেদ সব মিলিয়ে 'যাসশালা... জাহান্নামে যাক সব... খুন কা বদলা খুন' এই বলে বাগী হয়ে যাওয়া। মেয়েদের ডাকাত দলে আসার ঘটনা আরো করুণ। প্রচুর ডাকাতের কাহিনি এসেছে। এসেছে প্রশাসন, পুলিশ এদের দুর্নীতি, দৌড়াত্ম, ভেতরের রাজনীতি আরও অনেক বিষয়। ভালোর মাঝে মন্দ দিক হলো, লেখক এক ডাকাতের কাহিনি বলতে যেয়ে আরেক ডাকাতের কাহিনিতে ঢুকে যাচ্ছেন, স্থান-কাল-নাম ভিন্ন হয়ে যাচ্ছে ক্ষণে ক্ষণে যার কারণে মনযোগ কেটে কেটে যাচ্ছিল (অন্তত আমার ক্ষেত্রে) মানে সোজা বাংলায় একটানা কিছু পড়বার যো নেই। এই ডাকাত সর্দারনী হাসিনার কথা বলছে তো ক্ষণেই চলে যাচ্ছে ব্যান্ডিট কুইন ফুলন দেবীর কথায়। এইরকম আর কি।
ওভার অল ভালোই। মধ্যপ্রদেশের সেই সময়ের কথা মনে পড়লে আসলেই গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠে।
Profile Image for Mahmudur Rahman.
Author 13 books357 followers
March 25, 2017
বেহড়' অর্থ গিরিপথ। আর 'বাগী' মানে বিদ্রোহী। সিপাহী বিদ্রোহ সম্পর্কে যারা কিছু হলেও পড়েছেন, তারা জানবেন, বিদ্রোহী সিপাহীদের 'বাগী' বলে ডাকা হতো। তবে ভারতের উত্তর এবং মধ্যপ্রদেশে বাগী শব্দটা ডাকাত শব্দের সমার্থক। চম্বলের কথা কে না জানে? চম্বল আর যমুনা নদীর বেহড়, ডাকাতদের আস্তানা। আর সেই ইতিহাস এক দুই দিনের না, শত বর্ষের।

বেহড়ে বেহড়ে লুকিয়ে থাকা সেইসব দুর্ধর্ষ ডাকাতদের নিয়ে এই বই। দাউ মান সিং, পুতলী, হাসিনা, ছবিরাম, মলখান সিং...। চেনা যায় না নামগুলো? ফুলন দেবী চেনা তো? হ্যাঁ, তার নাম কে না জানে। আর ইরফান খানের Paan Singh Tomar সিনেমার কল্যানে পান সিং নামটাও পরিচিত। এরা সবাই ডাকাত, তাদের ভাষায় 'বাগী'। বন্দুক নিয়ে বেহড়ে বেহড়ে যাদের গতায়াত।

তরুণকুমার ভাদুড়ী পেশায় সাংবাদিক। বাগীদের প্রতি তার অসীম কৌতূহল থেকে তিনি তাদের জেনেছেন। সেই জানা মানে পড়ে পড়ে জানা নয়। রীতিমত বেহড়ে বেহড়ে ঘুরেছেন তিনি। কথা বলেছেন বাগীদের সাথে, তাদের পরিবারের সাথে। ঘেঁটেছেন বহু পুলিশ রেকর্ড। তার সেই পরিশ্রমের ফল এই বই। এখানে প্রচুর তথ্য আছে, কিন্তু তাই বলে নেই কোন খটমটে বাঁচাল। বরং বারবার লেখক ফিরে গিয়েছেন বেহড়ে, আমাদের নিয়ে গেছেন বাগীদের কাছে। কেবল বাগীদের জীবন নিয়ে লেখাই তার জন্য মুখ্য ছিল না। লিখেছেন পুলিশের ভূমিকার কথা, রাজনীতির মারপ্যাঁচের কথা।

এই বই আমাদের নিয়ে যায় অনেক অনেক পেছনে। মধ্যপ্রদেশের ডাকাতি সমস্যার শুরুর দিকে। তারপর ধীরে ধীরে আমরা সেই ডাকাতদের ভেতরের জীবন দেখতে পাই। জানতে পারি তাদের বাগী হয়ে ওঠার ইতিহাস। অনেকেই বাগী হয়েছে অত্যাচার অবিচারের কারনে। বন্দুক নিয়ে ছেড়েছে ঘর, বেহড় দিয়েছে তাদের আশ্রয়। তারপর খুন, জখম অপহরণ, দুর্ধর্ষ জীবন কাটানো। শেষে হয়ত পুলিশের গুলিতে মৃত্যু, কিংবা ক্ষয়ে যাওয়া জীবন নিয়ে আত্মসমর্পণ।

লেখক চেয়েছেন ডাকাতি সমস্যার মূল খুঁজে বের করে তার সমাধানে পৌঁছতে। কিন্তু রাজনীতি আর ভারতের 'জাতের বজ্জাতি' যার মূল, তার সমাধান খুব সহজ না। এই বই শুধু ডাকাত সমস্যা না, নিভৃতে, ভারতের জাত বিভেদের কথাও বলে। এই বইয়ে লেখক বিশেষ ভাবে নারী ডাকাতদের কথা বলতে চেয়েছেন। তিনি তার বই শুরু করেছেন হাসিনা বানুকে দিয়ে, আর শেষ করেছেন ফুলন-কে দিয়ে। যে ফুলন Bandit Queen হিসেবে পরিচিত, যার বাগী হওয়ার পেছনে আছে লাঞ্ছনার এক ইতিহাস।

তরুণ ভাদুড়ী সু-লেখক। কিংবা বলা যায় তার লেখা সুখ পাঠ্য। আর এই ধরনের একটা বই হয় খুব খটমটে হওয়ার কথা, নয়ত ফাঁদতে হবে গালগপ্প, অর্থাৎ ডাকাতদের নিয়ে প্রচলিত সব 'মিথ'। কিন্তু লেখক তা না করে, নন-ফিকশনের মাঝেই দিয়েছেন গল্পের স্বাদ। বাগীদের দেখেছিলেন তিনি খুব কাছ থেকে। 'স্টেটসম্যান'-এর সাথে বহুদিন যুক্ত এই সাংবাদিক ব্যক্তিজীবনে তিন কন্যার জনক। এবং সম্পর্কে তিনি অমিতাভ বচ্চনের শ্বশুর মশাই।
Profile Image for Omar Faruk.
263 reviews18 followers
December 18, 2023
লেখক তরুণকুমার ভাদুড়ী সবচেয়ে বেশি পরিচিত তাঁর মধ্যভারতের বাগী সম্পর্কিত লেখালেখির জন্য। পেশায় একজন সাংবাদিক হওয়ার ফলে ভারতের এই বাগী সমস্যাকে তিনি খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে তিনি খুব সুক্ষ্ম ও স্বচ্ছ দৃষ্টিকোণ থেকে "অভিশপ্ত চম্বল" বইটি লিখেছেন। যারা চম্বলের রক্তাক্ত ইতিহাস কম বেশি জানেন, তাদের কাছে অভিশপ্ত চম্বল বইটি পরিচিত হওয়ার কথা। সেই অভিশপ্ত চম্বলের আরেকটা অংশ বলেই ধরা যাবে এই "বেহড় বাগী বন্দুক" বইটিকে। লেখকের অভিশপ্ত চম্বল পড়ে রোমাঞ্চিত হওয়া পাঠকের জন্য এই বইটি আরো বড় চমক বিবেচিত হবে বলে মনে করি।


দস্যু রাণী ফুলনের কথা অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন। তৎকালীন ভারতের দুর্ধর্ষ নারী ডাকাত। যার হৃদয়ে মায়াদয়া বলে কিছু আছে এমনটা কেউ মনে করেনি। মনে না করার অবশ্য যথেষ্ট কারণ ছিল। যেমনটা অন্যান্য ডাকাতের ক্ষেত্রেও কম বেশি ছিল। মূল কথা অবহেলিত, নির্যাতিত মানুষগুলোই শেষমেশ বন্দুক হাতে তুলে নেয়। আর চম্বলের ঐতিহ্যের পথে পা বাড়ায়। খুন কা বদলা খুন, রক্তের বদলে রক্ত। ফুলনের ক্ষেত্রে ডাকাতের খাতায় নাম লেখানোর পেছনের গল্পটা লেখক যেভাবে রাখঢাক রেখে লিখেছেন তা পড়েও গা গুলিয়ে উঠে। বার বার একটা প্রশ্নই মস্তিষ্কে উঁকিঝুঁকি মারে, মানুষের পক্ষে এতটাও নির্মম হওয়া সম্ভব?

এমনিতেই ভৌগোলিক অবস্থার কারণে ভারতের অন্যান্য এলাকার তুলনায় মধ্যপ্রাদেশ, রাজস্থান কিছুটা রুক্ষ। তার সাথে সামাজিক রীতিনীতি থেকে শুরু করে জাতপাত এর মতো ধর্মীয় সমস্যা গুলোও প্রকট সেসব জায়গায়। যা শত শত বছর ধরে চেপে রাখা মানুষের মধ্যে থাকা পশুকে প্ররোচিত করে এসেছে অন্ধকারের পথের দিকে পা বাড়াতে। আর সে অন্ধকারের দিকে চম্বল এলাকার মানুষেরও যেন এক অমোঘ আকর্ষণ কাজ করে আসছে আবহমান কাল থেকেই। এর ফলেই বছরের পর বছর ধরে মান সিং, মলখান সিং, রূপা, ছবিরাম, বাবা মুস্তাকিম, ফুলনের মতো ডাকাতেরা আইনের চোখের সামনে, আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চম্বলে রচনা করেছে রক্তাক্ত ইতিহাস। হাজার হাজার মানুষ বলি হয়েছে অল্প কিছু মানুষের রাগের কারনে। আর চম্বলের মাটিকে করেছে লাল থেকে আরো লাল।

বছর কয়েক আগে তরুণকুমার ভাদুড়ীর "অভিশপ্ত চম্বল" বইটা পড়েছিলাম। বইটা আমাকে এতো বেশি মাত্রায় রোমাঞ্চিত ও শিহরিত করেছে যার ফলশ্রুতিতে চম্বল নিয়ে আমার মধ্যে আগ্রহ সম্ভবত আজীবনের জন্য তৈরী হয়ে গেছে। কিছুদিন আগে শুভেন্দু দেবনাথ-এর "আবার চম্বল" বইটা পড়লাম। তারপরই আজ শেষ করলাম "বেহড় বাগী বন্দুক"। চম্বলের ডাকাত সমস্যা নিয়ে এটাই সম্ভবত সবচেয়ে বড় বই। যাতে বেহড়ের প্রায় সব সমস্যাই কমবেশি উঠে এসেছে। পাঠকে হিসেবে এই বইটা আমার কাছে এক অদ্ভুত ঐতিহ্যের সাক্ষী হিসেবে মনে হয়েছে। চম্বলের রক্তের দাগ হয়তো একসময় মুছে যাবে। কিন্তু নিরীহ মানুষের রক্তে মনুষ্যত্বহীনতার যে ইতিহাস লেখা হয়েছে সেসব মুছবে বলে মনে হয়না।
Profile Image for Shadin Pranto.
1,484 reviews566 followers
October 5, 2022
সাংবাদিক তরুণকুমার ভাদুড়ী উত্তর প্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশের ডাকুদের কিসসা্ লিখেছেন 'বেহেড় বাগী বন্দুক' বইতে। এই কাহিনির পরতে পরতে মিশে আছে বৈষম্য, নির্মমতা আর লহু।

বাগী হাসিনাকে দিয়ে বইয়ের সূচনা। যাকে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ধোঁকা দিয়ে হত্যা করে। তারপর যমুনার বেহড়ের কিংবদন্তি ডাকু দাউ মান সিং, দদ্দা মালখান সিংয়ের বাগী তথা বিদ্রোহী হয়ে বেহড়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার ইতিবৃত্ত তরুণকুমার ভাদুড়ী শুনিয়েছেন।

এই ডাকুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার পহেলা চেষ্টা করেছিলেন বিনোবা ভাবে। সেবার লেখক নিজে অনেক ঘটনার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন। সেইসব কথা বিশদ লিখতে গিয়ে আরও কতশত ডাকুর কথা বললেন তার লেখাজোখা নেই।। এরপর জয়প্রকাশ নারায়ণের প্রচেষ্টায় বৃহৎসংখ্যক বাগী আত্মসাৎ করে। সেই আত্মসমর্পণের কৃতিত্ব নিয়ে তৎকালীন উত্তরপ্রদেশ সরকার বনাম জেপি'র দ্বন্দ্ব খুব কাছ থেকে দেখেছেন তরুণকুমার ভাদুড়ী।

দদ্দা মালখান সিং, বিক্রম মল্লহা, বাবা মুস্তাকীমসহ সকলের বাগী হওয়ার কারণ কম-বেশি একটিই: শ্রেণিবৈষম্য এবং জুলুম। উত্তরপ্রদেশে জাত-পাত নিয়ে বৈষম্য অত্যন্ত প্রবল। আমার মতো বাংলাদেশি পাঠকের কাছে এটি অকল্পনীয়। উঁচু জাত কর্তৃক জুলুম বেশির ভাগকে বাগী হতে বাধ্য করছে।

ভারতের বাইরে বেহড়ের সবচাইতে পরিচিত দস্যু বোধকরি ফুলন। দরিদ্র পরিবারের ফুলনের ভয়ংকরী খুনী হওয়ার কাহিনি পাঠক হিসেবে আমাকে স্পর্শ করেছে। ফুলন কখনোই বাগী হয়ে চায়নি। কিন্তু বেইনসাফি এবং নির্যাতন তাকে বাগী হতে বাধ্য করছে। উচ্চবর্ণের ঠাকুরদের প্রতি তার ছিল তীব্র ক্রোধ। কেননা দুই ঠাকুর তাকে টানা তিনদিন আটকে রেখে নির্যাতন করেছিল। প্রকাশ্যে নির্যাতন করা হতো তাকে। মেরে ফেলেছিল তার প্রেমিক বিক্রম মল্লহাকে। খুন-কা-বদলা খুন বলে বেহড়ে বাগী হওয়ার ছাড়া বিকল্প ফুলনের ছিল না

খুন, নির্যাতন এবং বাগী হয়ে যাওয়া - এই তিনটি ঘটনা বইতে কমন। বারবার একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির কারণে পড়ে আনন্দ পাইনি। দ্বিতীয়ত, যেসব ঘটনা লেখক বর্ণনা করেছেন তার খুঁটিনাটি জানা প্রায় অসম্ভব ছিল। এখানে নিঃসন্দেহে লেখক কল্পনা ও সম্ভাব্যতার আশ্রয় নিয়েছেন। ঘটনার শূন্যস্থান পূরণে কল্পনার অবদান কতটুকু তা বুঝতে পারা কঠিন। এ-ও বইটিকে তিন তারকা দেওয়ার একটি কারণ৷
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,870 followers
September 29, 2022
তুলনাহীন এই বইয়ের রিভিউ করা একান্তই অনাবশ্যক। একসময় বাঙালির কাছে চম্বল ছিল রোমান্সমিশ্রিত আতঙ্কের খনি তথা সান্ধ্য আসরে গুলগল্পের ভিত্তি। সেই নেট-বর্জিত প্রায়-আদিম যুগে লেখক নিজে ওই রুক্ষ, বিপদসঙ্কুল এবং নিষ্করুণ অঞ্চলে গিয়ে ফিল্ড-ওয়ার্ক করেছিলেন। প্রত্নতাত্ত্বিক বা ভূতাত্ত্বিক নয়, তাঁর খনন চলেছিল ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের সমাজে আর মনে। তার মাধ্যমেই তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন চম্বলের নাম তথা বদনামের ইতিহাস ও ভূগোল।
'দেশ'-এ ধারাবাহিক আকারে প্রকাশের সময়েই এই লেখা আলোড়ন তুলেছিল তার নির্মোহ কথন আর তথ্যনিষ্ঠা দিয়ে। আজও লেখাটির ধার ও ভার কিছুমাত্র কমেনি। ওয়েবসিরিজে ও সিনেমায় উত্তর ও মধ্য ভারতের অনেকাংশে মোলায়েম 'ব্যাড-ল্যান্ডস্‌' দেখে শিহরিত হয় জনগণ। তাঁরা এটি পড়লে বাস্তবের ক্রূরতা সহ্য করতে পারবেন বলে তো মনে হয় না। কিন্তু চম্বল তথা ভারতের জাত-জমিন-জেনানা লাঞ্ছিত রাজনীতিকে বুঝতে গেলে এটি পড়া একান্তই অত্যাবশ্যক।
'দেশ' এখনও প্রকাশিত হয়। কিন্তু যে-সব লেখা ওই পত্রিকাটিতে প্রকাশ পায় তা দেখে, আর সেটির সঙ্গে এমন কাজের তুলনা করলে স্তম্ভিত হতে হয়। মনে হয়, মাত্র ত্রিশ বছরের মধ্যেই বাঙালির সারস্বত সাধনার স্তর এতটা ক্ষয়ে গেল কী করে?
সেই নিয়ে ভেবে লাভ নেই। বরং সুযোগ পেলে এই বইটা অতি অবশ্যই পড়ুন। তবে হ্যাঁ, আগে ভেবে নিন।
এত কঠোর সত্য সহ্য করতে পারবেন তো?
Displaying 1 - 5 of 5 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.