সব মানুষের মাঝেই নাকি ‘প্রেমিক’ হৃদয় লুকিয়ে থাকে! আসিফ মেহ্দীর মাঝেও নিশ্চয় আছে। তা না হলে রম্য আর সায়েন্স ফিকশনের জগৎ থেকে তিনি হঠাৎ প্রেমের উপন্যাস লেখায় হাত দিলেন কেন? অবশ্য আসিফ মেহ্দীর এই উপন্যাসটিকে ঠিক প্রেমের উপন্যাসও বলা যাবে না। কী বলা যায়-সামাজিক উপন্যাস? মানুষের জীবনের নানা দিক প্রতিফলিত হয়েছে বলে এটিকে বরং জীবনঘনিষ্ঠ উপন্যাস বলাই ভালো। এর আগে নিয়মিত রম্যগল্প, সায়েন্স ফিকশন আর ন্যানো কাব্য লিখলেও ‘অপ্সরা’ নামের এই উপন্যাসটিই আসিফ মেহ্দীর লেখা প্রথম জীবনঘনিষ্ঠ উপন্যাস। উপন্যাসটি কতটুকু জীবনঘনিষ্ঠ হয়েছে, তাতে কতটুকুই বা জীবনবোধ রয়েছে, পড়ার পর সে সিদ্ধান্তটা পাঠকই নেবেন। জীবনঘনিষ্ঠ উপন্যাসে অভিষিক্ত আসিফ মেহ্দীর সফলতাও নির্ভর করছে সেই সিদ্ধান্তের ওপরই।
I am a Bangladeshi author. I write in the most popular magazines- Rosh+Alo, Unmad, Kishor Alo, Biggan Chinta, Kishor Pata, Biggan Ananda etc of Bangladesh. I also write regularly in several Bengali magazines published from abroad. I have written some best seller books in Bengali literature; such as: Maya, Bodhir Nirobodhi, Opshora, Toru-Nri. I have written thirty numbers of books as well as television dramas. I have been working for popularizing science and science fiction in Bangladesh by adopting innovative initiatives or organizing events. For my literary excellence in poem writing, I am called 'Nano Kobi' in Bangladesh.
I was born in Kushtia to Md. Shujaut Hossain and Shahana Sultana. My home district is Jhenaidah. I am married to Dr. Moubina Jakelin Bari. I have passed SSC exam from B.A.F. Shaheen College Dhaka in 2000 and HSC exam from Notre Dame College in 2002. I have been graduated from Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET) in Electrical & Electronic Engineering with honours. I have accomplished MSc with distinction in Strategic Innovation Management from University of Sussex, UK.
I have got many awards for my excellence in academic, professional and literary fields. I received ‘Director General Award’ for securing 1st position in the rigorous and competitive Professional Induction Course for Cadre Officials of Bangladesh, conducted by National Institute of Mass Communication (NIMC), under Ministry of Information. I obtained ‘Award for Excellence’ from Notre Dame College for outstanding result (19th in order of merit) in HSC exam. I was also awarded ‘Best Merit Trophy of Air Force Chief’ from B.A.F. Shaheen College Dhaka for extraordinary result (12th in order of merit) in SSC exam.
নট ব্যাড। একটি পরিবারের উত্থান-পতনের গল্প। সবকিছু যখন ঠিকঠাক হচ্ছিলো তখনই একের পর এক বিপদ আসতে থাকে। সুখস্বপ্নের মত সম্পর্কেরা ভেঙে পড়ে নিমেষেই, ভালোবাসার মানুষকে দুদিনের জন্য পেয়েও জীবন জুড়ে জায়গা দেয়া মেয়েটি ভালো থাকে না।
কমন গল্প, পড়তে কষ্ট হয় না। অনুভূতির পারদ পড়ে গেছে হয়তো। হঠাৎ করে সব সমস্যা একবারে আসাটা নাটকীয়ই। একটা সূখী সূখী সাধারণ পরিবারের জীবনে নেমে আসা বিষাদের ছায়া লেখক খুব যে আহামরি করে তুলে ধরেছেন তা না। লেখা মন্দ না। কিন্তু সবটাই সাদামাটা ভাবে বলে যাওয়া। বলতে হয় তাই বলা। গল্প জমানোর মত কোনো ব্যাপার নেই, নেই কোনো টেনশনের জায়গাও। প্রেমালাপগুলো যথেষ্ট সস্তা এবং হালকা। আরো ভালো হতে পারতো। রিভিউ ভালোই পেয়েছিলাম, এভারেজ একটা বই
অজি বুয়েটের ট্রিপল-ই এর ছাত্র হঠাৎ করেই ভাল লেগে যায় লুমুন নামের এক মেয়েকে। শয়নে স্বপনে শুধু ওই মেয়েটা। বড়বোন পরীর কাছ থেকে টিপস নিয়ে অপেক্ষায় আছে লুমুনের।
পরী আর রাজিবের সম্পর্ক অনেকদিনের। দুজনেই দুজনকে খুব ভালবাসে। হঠাৎ করেই রাজিবের মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রতিষ্ঠিত মেধাবী ছেলেকে জামাই হিসেবে পাবার জন্য একজন ব্যবসায়ী বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসলেন। মাও চায় রাজিব বিয়ে করুক। কিন্তু পরী...
পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ অপ্সরা গল্পে তিনটা চরিত্র সমান্তরাল ভাবে এগিয়ে গেছে। যদিও আমি মাত্র দুইটা বললাম। এটা লেখক আসিফ মেহ্দীর প্রথম জীবনঘনিষ্ঠ লেখা। এজন্য লেখা কিছুটা দুর্বল মনে হয়েছে। তবে তার নিজস্ব স্ট্যাইল যেটা, সেই রম্য ঠিকই ছিলো। কষ্টের মাঝেও হাসি আসবে। আর লেখকের সবচেয়ে ভাল যেটা সেটা হলো হিউমার। এখন পর্যন্ত আসিফ ভাইয়ের তিনটা বই পড়লাম। প্রত্যেকটা বইয়ে যথেষ্ট হিউমার। আপনি কখনো একঘেয়েমিতে ভুগবেন না।
বইয়ের দুইটি প্রিয় বাক্যঃ ★ বর্তমান কেন যে শুধু ভবিষ্যতের দিকেই যায়! যদি অতীতের দিকে যেত, তবে ফিরে পাওয়া যেত সেই ঝলমলে দিনগুলো! ★ প্রিয়মুখ হারানো যায় কেবল একবারই! কেন যে বারবার হারানো যায় না; বারবার হারানো গেলে তো ফিরে পাওয়ার ক্ষীণ আশা নিয়ে বেঁচে থাকা যায়!