মুখোশ পরা মানুষঃ শামসুদ্দীন নওয়াব অন্ধকারে কারা যেন হেটে বেড়ায় ডগলাস পার্কের ইকোলজিকাল রিসার্চ সেন্টারে ! স্টাফ করা জীবজন্তু নড়েচড়ে বেড়ায় নিশুতি রাতে ! তিন গোয়েন্দাকে ডেকে নিয়ে গেল জিনা । রাত-বিরাতে আওয়াজ কীসের দেখতে গেলে কে যেন চেপে ধরে মুসার কন্ঠনালী । পনেরো মিলিয়ন ডলারের হীরাগুলোই বা কোথায় লুকালেন আধ-পাগলা ভিক্টর ডগলাস ?
অদৃশ্য রশ্মিঃ রকিব হাসান আচমকা দুই চাকার ওপর খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে গেল মুসার সাইকেলটা । কোনমতেই নড়ানো গেল না । আটকে রইল মাটিতে । মুসার ধারণা, ভূতের কাজ । কিন্তু কিশোর বলল, অবশ্যই এর কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে । তদন্তে নামল তিন গোয়েন্দা আর জিনা । ওহহো, সঙ্গে রাফিয়ানও ।
গোপন ডায়েরিঃ শামসুদ্দীন নওয়াব বাষট্টি বছরের পুরানো একটা গোপন ডায়েরি বের করল কিশোর । ডায়েরির মালিক ক্যামেলিয়া লিখেছেঃ 'সাবধান ! গোপনে যে আমার ডায়েরি পড়বে, চিরদিনের জন্য সে চিলেকোঠার ভূত হয়ে যাবে, তুমি পড়েছ, অতএব...
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।