পৃথিবীর বাইরে এ কি পৃথিবী? না, অন্য কোন গ্রহ! তিন গোয়েন্দা গোয়েন্দাগিরি শুরু করল। শুধু রহস্যের সমাধান করলেই হবে না, প্রাণ বাঁচিয়ে, নিজেদের মুক্ত করে ফিরেও আসতে হবে।
ট্রেইন ডাকাতি ওমর ভাইয়ের সঙ্গে ইন্ডিয়ানার রাজধানী ইন্ডিয়ানাপোলিসে বেড়াতে এসেছে তিন গোয়েন্দা। মিলিয়ন ডলারের ট্রেইনের সংগ্রহ দেখবে, সেই সঙ্গে ঘুরবে স্কুলের ছুটিতে। ডাকাতি হলো ট্রেইনগুলো, ওগুলোর সংগ্রাহক জেসন রবার্ট অদৃশ্য হলেন। তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে এল নিষ্ঠুর এক খুনী।
ভুতুরে ঘড়ি আজব এক ঘড়ি। হেলায় ওটাকে হাতছাড়া করল মুসা। তারপরই ঘটতে লাগল আশ্চর্য সব ঘটনা। রকি বীচের একাধিক প্রাচীন দালান পরপর হঠাৎই ধসে পড়ল। ঘড়িটার সঙ্কে কী যেন এক সম্পর্ক রয়েছে এসব ঘটনার। টের পাওয়া যাচ্ছে, বিপদের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে শহরের উপর। রুখে দাঁড়াল তিন গোয়েন্দা।
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
ট্রেইন ডাকাতি গল্পটা খুব ভাল লেগেছিল। এখনো মনে আছে যে গল্পের শেষে Speed মুভির মত ট্রেন চালানো লেগেছিল তিন গোয়েন্দার। সিঙ্গেলে পড়েছিলাম অবশ্য গল্পটা। পৃথিবীর বাইরেও ভাল ছিল। তৃতীয় গল্পটা একেবারে আবর্জনা ছিল। এই সময়টা থেকেই আস্তে আস্তে তিন গোয়েন্দার ভলিউমগুলাতে তিনটা সলিড গল্পের বদলে দুইটা ভাল গল্প+একটা আবর্জনা ফরম্যাটের আবির্ভাব ঘটে। কালক্রমে সেটা একটা ভাল গল্প+দুইটা আবর্জনাতে রূপ নেয়। এখন তো পাঁচ-ছয়টা ভলিউম পরে পরে একটা করে ভাল গল্প আসে।