Goyenda Ashoke Thakur Samagra 1 by Samaresh Basu Edited by Dr. Jhuma Roychowdhury
সমরেশ সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র অশোক ঠাকুর অন্য সমস্ত গোয়েন্দা চরিত্রদের থেকে একেবারে স্বতন্ত্র। অশোককে মনে হয়, অতি পরিচিত পাশের বাড়ির ছেলে। ও নিজেকে সত্যান্বেষী বা সিরিয়াস ডি্টেকটিভ বলতে যা বোঝায় তা একেবারেই ভাবে না। নানা ধরনের ক্রাইম, মিস্ট্রি আর ডিতেকশনের কাহিনী পরে পরে ওর একতা বিশেষ ইন্দ্রিয় আপনা থেকেই ক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে। যার ইঙ্গিত এই খণ্ডে গ্রন্থিত চারখানি শ্বাসরুদ্ধকর উপন্যাসের ভিতর ফুটে উঠেছে।
সমরেশ সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র অশোক ঠাকুর অন্য সমস্ত গোয়েন্দা চরিত্রদের থেকে একেবারে স্বতন্ত্র। বিশেষত সমরেশ বসু সৃষ্ট উজ্জ্বল, বুদ্ধিদীপ্ত ও হাস্যোচ্ছল যুবক চরিত্রগুলির প্রতিনিধি অশোক। বলা যায় বাংলা সাহিত্যে এইরকম অনধিক তিরিশ বছর বয়সী তরুণ গোয়েন্দা চরিত্র প্রায় নেই। সমরেশের গোয়েন্দা কাহিনীগুলি প্রতিদিনের চেনা জীবনের মাঝে যেন এক অচেনা চমক।
যেমন ‘মুখোমুখি ঘর’ উপন্যাসটিতে হোটেলের ঘরে দীপান্বিতা বসু নামে একটি মেয়ের মৃত্যু ঘিরে ঘনিয়ে ওঠে রহস্য। ‘হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা’ তে বিয়ের দুদিন আগে শম্পা নামের মেয়েটির নিরুদ্দেশের ঘটনা। ‘দু’মুখো সাপ’ উপন্যাসে পারমিতা ভট্টাচার্যের মতো একজন বিদুষী ও রূপসী মেয়ের চাঞ্চল্যকর হত্যা রহস্য। সব শেষে ‘অস্বীকার’ উপন্যাসটিতেও সুবর্ণা নাম্নী এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু এবং তাকে ঘিরে রোমাঞ্চকর রহস্যোদ্ঘাটন।
লেখক সৃষ্ট গোয়েন্দা অশোক ঠাকুর চরিত্রটির অসামান্য পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা এবং বিশ্লেষণী দক্ষতা কাহিনীগুলিকে কেবল উত্তেজনা ও শ্বাসরুদ্ধকর অনুভূতির শিখরে উন্নীত করেনি, তাকে করে তুলেছে চিরায়ত সাহিত্যের সামগ্রী। - বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে
মুখোমুখি ঘর হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা দু’মুখো সাপ অস্বীকার
Samaresh Basu (Bengali: সমরেশ বসু) was born in December 22, 1924. He spent his early childhood in Bikrampur, Dhaka. He also wrote under the pen-name of Kalkut.
He would in later days recall the deep impressions that the Brata-kathas (fantastic folk-tales recited by women while performing certain religious rites) narrated by his mother left on him as a child. His adolescent years were spent in Naihati, a suburb of Kolkata, in West Bengal. His life was rich with varied experiences. At one point, he used to hawk eggs from a basket carried on his head; later, he worked for meager daily wages. From 1943 through 1949 he worked in an ordnance factory in Ichhapore. He was an active member of the trade union and the Communist Party for a period, and was jailed for during 1949-50 when the party was declared illegal. While in jail, he wrote Uttaranga,his first published novel. Soon after his release from the jail, he began to write professionally, refusing to join the factory even when offered his old job. When he was only 21, he wrote his first novel Nayanpurer Mati, later published in Parichay. it was never published as a book. Adab was his first short story published in Parichay in 1946. A prolific writer with more than 200 short stories and 100 novels, including those written under the aliases "Kalkut" and "Bhramar", Samaresh Basu is a major figure in Bangla fiction. His life experiences populated his writings with themes ranging from political activism to working class life to sexuality. Two of his novels had been briefly banned on charges of obscenity. The case against one of these, Prajapati (Bangla:প্রজাপতি), was settled in the Supreme Court of India which overturned, in 1985, the rulings of the two lower courts. Among other intellectuals, Buddhadeva Bose, himself once accused of similar charges for his রাত ভ'রে বৃষ্টি, came out strongly in support of Samaresh. To quote from Sumanta Banerjee's recent translation Selected Stories (Vol.1), Samaresh Basu "remains the most representative storyteller of Bengal's suburban life, as distinct from other well-known Bengali authors who had faithfully painted the life and problems of either Bengal's rural society or the urban middle class. Basu draws on his lived experience of Calcutta's `half-rural, half-urban,' industrial suburbs." While the pen-name "Kalkut" was adopted in 1952 for the immediate need to publish an overtly political piece, the real "Kalkut" can be said to have been born with the publication of Amritakumbher Sandhane, a hugely popular, semi-autobiographical narrative centered around the Kumbha-mela. The many subsequent books by Kalkut had depicted the lives of the common people from all over India and all walks of life (including those who live on the periphery of the "mainstream") with their varied cultures and religious practices in a unique style that was Kalkut's own. He also drew upon the recollections of the Puranas and Itihas; Shamba (Bangla:শাম্ব), an interesting modern interpretation of the Puranic tales, won the Sahitya Akademi Award in 1980. Samaresh Basu breathed his last on March 12, 1988.
এগুলো রহস্য গল্প?!? না। ঠিক তা নয়। সমরেশ বসু এবং তাঁর সমসাময়িক নামকরা লেখকেরা যে সফট পর্ন বিস্তর লিখেছেন— এ-কথা সবাই জানে। বাংলা সাহিত্যে নিতান্তই 'রাস্তার মাল' বলে গণ্য অপরাধকাহিনি বা রহস্যসাহিত্য হিসেবেই সেগুলো এককালে বিক্রি হয়েছে। এই বই তেমন চারটি রাবিশের সমাহার। শত্রুভাবাপন্ন কাউকে উপহার দিতে চাইলে আলাদা ব্যাপার। নইলে এই বই... পড়া যায় না!
My problem with this collection is that I simply didn't like the language or the portrayal of the investigator. Perhaps the writer had a particular kind of readers on mind when he wrote this. As a result,though the protagonist has become a very middle-class commoner kind of character, the writing has lost its elegance. Moreover, the stories are written for adults. There are many detailed descriptions of bodies, illegal relationships, other similar things which was very very disturbing to go through. The language used in this book is also vulgar. Overall,It was an unpleasant reading.
এই সংকলনের একমাত্র ও সবচাইতে ভালো রহস্য হলো অস্বীকার। বাকি তিনটাতেই হয় রহস্যের অভাব, প্লট এক্সিকিউশন হয়নি ঠিকমতন নয়তো বিস্তর প্লটহোল।
পুনশ্চঃ পুরো বইজুড়ে লেখক যেভাবে কলেজে পড়ুয়া মেয়েদের চরিত্রহীন প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছিলেন, সেইসব মেয়েদের চাইতে হাজার গুণ লুচ্চা শ্রীমান অশোক এবং গুণধর কাঞ্চন। সেটা অবশ্য বন্ধুত্ব কিংবা মাখো মাখো প্রেমের সুগার কোটিং দিয়ে ঢেকে রাখা রয়েছে 🙄🙄 রহস্যকাহিনীতে এমন ঘিনঘিনে সম্পর্কের কথা পড়তে রূচিতে বাঁধে।
বইয়ের ভূমিকায় বলা আছে, সমরেশ বসু গোয়েন্দা সাহিত্যের অনুরাগী ছিলেন, কিন্তু ব্যোমকেশের পর বাংলায় মানসম্মত গোয়েন্দা কাহিনী না পেয়ে নিজেই লেখায় হাত দেন। তাঁর আরেক কিশোর গোয়েন্দা গোগোল চরিত্রটা নিজের কিশোর বেলায় বেশ লাগতো, তাছাড়া লেখক হচ্ছেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল, কাজেই বেশ আশা নিয়ে শুরু করেছিলাম। কিন্তু পুরোপুরি পানিতে পড়লো সবটাই। চরিত্রটার খানিক বৈশিষ্ট্য আছে সেটা স্বীকার করতেই হয়; বাংলা সাহিত্যের আর কোন গোয়েন্দা নিজের জ্ঞাতিভাইয়ের বিবাহিত বৌয়ের (অর্থাৎ কিনা, নিজের বৌদি) পেছনে ছোঁক ছোঁক করে না বা সুযোগ পেলেই ছোঁয়াছুঁয়ি-জড়াজড়ি করে না। যদিও বৌদি'র দিক থেকে প্রশ্রয় থাকলেও দু'জনের কেউই শেষ বাধাটা ভাঙতে পারে না। ওদিকে গোয়েন্দা বাবাজী সুদর্শন, মেয়েরা তাকে পছন্দও করে, এবং তিনি আইন আর বেআইনের ধুসর রেখায় ঘোরাফেরা করেন। অর্থাৎ বাংলা সাহিত্যের প্রথম হার্ডবয়েলড ডিটেকটিভ হবার মালমশলা এখানে মজুত ছিল। কিন্তু দিনশেষে লেখক খানিকটা সংস্কারের মাঝে বাঁধা পড়ায় নায়ককে দুঃসাহসী না বলে হাফ-লুচ্চা মনে হয়েছে। সেই সাথে কাহিনীগুলো অসহ্য রকমের মেলোড্রামাটিক, রহস্য সমাধানেও বুদ্ধির ছাপ নেই। ওরকম মেলোড্রামাটিক কাহিনী পঞ্চাশের দশকে চললেও চলতে পারে, কিন্তু সমরেশ বসু নিজে যে যুগের মানুষ সে যুগেই এগুলো একদম অচল ছিল। সব মিলিয়ে দ্বিতীয়বার পাতা ওল্টানোর কোন রসদ নেই।
শেষে কাহিনীর ধরণটা একটু বলা লাগে। চারটা উপন্যাস পড়ে উপলব্ধি হবে, স্বাধীনভাবে চলাফেরা করা সুন্দরি মেয়েরাই সকল নষ্টের গোড়া। হয় তারা নিজেরা খুন হয়ে যাচ্ছে, বা খুন করছে, নয়তো তাদের কারণে আর কেউ খুন হচ্ছে। এরকম একটা প্রবাদ আছে বটে যে, সকল অপরাধের পেছনেই খোঁজ করলে একজন নারী পাওয়া যাবেই, কিন্তু এরকম ক্লিশে গল্পের কুমিরকে নদীতে নামানোটা এই মানের একজন লেখকের কাছে মোটেই আশা করা যায় না। যাকগে, ভদ্রলোক বেঁচে নেই, সমালোচনা করলেও গল্প বদলাবে না, তবে অন্য পাঠকরা নিজেদের সময় নষ্ট করা থেকে বাঁচবেন, এজন্যই লেখা।
মুখোমুখি ঘর। প্রথম প্রকাশ ১৯৭০। সমগ্র ১ এর ১ম উপন্যাস।। চব্বিশ পরগণার এক গ্রামের হোটেলে দীপান্বিতা বসু নামে এক নারীর মৃত্যুকে ঘিরে ঘনিয়ে ওঠে রহস্য। বন্ধুর সাথে দেখা করতে আগের দিন ঐ হোটেলেই গিয়েছিল অশোক! খুনের দায়ে তাকে সন্দেহ করে বসে থানার দারোগা শ্যামাপদ চট্টোপাধ্যায়। পরে অশোক কি পারে খুনের রহস্য সমাধান করে নিজেরে নির্দোষ প্রমাণ করতে? সিরিজ হবে জন্য ক্যারেক্টার ডেভলপ করতে লেখক অনেক সময় নিয়েছেন। পুরো গল্প জুড়ে প্রচুর বর্নণা ছিল। বিশেষ করে অশোকের গোয়েন্দা অশোক ঠাকুর হয়ে ওঠা থেকে শুরু করে তার সাথে কাঞ্চনের সম্পর্ক বোঝাতে প্রতিবারই বেশ ক’পাতা করে লিখেছেন বসু সাহেব। আর কাঞ্চনের রূপের বর্নণা? মাইরি ... কি আর বলবো দাদা? নিজেই পড়ে দেখুন না! তারপরেও কাহিনীটা বেশ সহজ সরল ছিল। সামান্য টুইস্ট অবশ্য গল্পটাকে শেষে কিছুটা জমিয়ে দিয়েছিল। টানটান উত্তেজনার খোঁজে যারা ‘মুখোমুখি ঘর’ শুরু করবেন তারা হতাশই হবেন। তবে আমার কিন্তু খুব একটা খারাপ লাগেনি। আমার রেটিং- ২.৫/৫। ..................................................................... বিয়ের দু’দিন আগে হারিয়ে যাওয়া শম্পা নামের একটি মেয়ের গল্প ‘হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা।’ সমগ্র ১ এর ২য় উপন্যাস এটি। প্রকাশকালঃ নভেম্বর, ১৯৭৫। এখানে গোয়েন্দাগিরির চেয়ে এডভেঞ্চারের রোমাঞ্চটাই বেশী। অশোককে এ কাহিনীতে অনেকটাই বুদ্ধি খাটাতে দেখা গেছে। তবে, সেই বুদ্ধিতে কাজ কি হয়েছে তা বোঝা গেল না। মনে হয়েছে লেখক কারন ছাড়াই বড্ড তাড়াতাড়ি সব শেষ করে দিলেন। আর কাহিনী অশোকের ভেলকি ছাড়াই শেষ হয়ে গেল। গল্পের প্রথমে রহস্য কিছুটা দানা বাঁধলেও শেষটা যেন ম্যাড়ম্যাড়ে আর অনুমিতই ছিল। এছাড়া, দারোগা শ্যামাপদবাবুর ডায়ালগে কিছুটা হিউমার থাকলেও পাঠককে আটকে রাখার মতো প্লট মনে হয়নি। তবে প্রথম গল্পে রগরগে উপস্থিতীর জন্যই পাঠক এখানে কাঞ্চনের অভাব বোধ করবে। রেটিং- ২/৫। ..................................................................... ১ম সমগ্রের ৩য় উপন্যাস ‘দু মুখো সাপ।’ প্রথম প্রকাশ হয়েছিল ১৯৮০ সালে। রূপসী, বিদুষী আর বহু পুরুষের আকাঙ্খিতা পরমিতা ভট্টাচার্যের চাঞ্চল্যকর হত্যারহস্য ‘দু মুখো সাপ।’ লেখকের মতে, এটি শুধু একটি রহস্য উন্মোচনের গল্পই শুধু নয় বরং মানব মনের কুটিল জটিল রূপের এক সার্থক প্রকাশ। আগের দু’টো গল্পের তুলনায় কিছুটা পরিনত এ উপন্যাসটি। অশোকের বন্ধু ‘ফটিক’ এর দেখা মিলবে এখানে সাথে কাঞ্চনের সরব উপস্থিতী বেশ টানবে শুরু থেকেই। অধ্যবসায়, পরিশ্রম ও বুদ্ধির জন্যেই পাঠক অশোক ঠাকুরকে চিরায়ত গোয়েন্দা রূপে দেখতে শুরু করবে এখান থেকেই। রেটিং- ৩.৫/৫। ..................................................................... ১ম সমগ্রটির শেষ উপন্যাস ‘অস্বীকার।’ প্রকাশকালঃ ১৯৮১। বাড়ির পেছনে বহু বছরের পুরনো লোহার ঘোড়ানো সিড়ির নিচে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় সুবর্ণাকে। ডাক্তার পরীক্ষা করে রায় দেন ‘হার্ট ফেইলরে’ ��ৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বিশ্বাস করেননা সুবর্ণার বাবা। তাঁর ধারনা খুন করা হয়েছে সুবর্ণাকে! সন্দেহ আরো ঘনিভূত হয় যখন তিনি বুঝতে পারেন মেয়ের শশুরবাড়ির সকলেই তড়িঘড়ি করে কিছু একটা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে। এখানেই আর্বিভাব অশোক আর ফটিকের। তদন্ত শুরুর পর ওরা বুঝতে পারে শুধু ‘আঢ্যি পরিবার’ নয় ওরা শত্রু বানিয়ে ফেলেছে গ্রামের সব গন্যমান্য সহ খোদ প্রশাসনের বড় কর্তাদের। কুল কিনারা হারিয়ে নিজেদের যখন অসহায় অবস্থা তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ‘কল্পনা’ নামের একটি মেয়ে। ঘুরে যায় তদন্তের মোড়! এভাবেই এগোতে থাকে গল্প ... রেটিং- ৩/৫।
তারপরেও গল্পগুলো বেশ সহজ সরল ছিল। প্রথম দুটো গল্প তেমন ভালো না লাগলেও দু মুখো সাপ আর অস্বীকার মোটামুটি ভালোই বলা চলে। লেখকের সহজ সরল লেখনীতে উত্তেজনার খোঁজে যারা 'গোয়েন্দা অশোক ঠাকুর সমগ্রঃ ১' শুরু করবেন তারা হতাশই হবেন। আমার মোটামুটি ভালোই লেগেছে, গ্রামের সহজ সরল চরিত্রগুলো আমাকে বেশী টানে জন্যই কিনা!
বইয়ের ফ্ল্যাপে অনেক ভাল ভাল কথা লেখা আছে। কিন্তু সব কথা তো সবার জন্য সত্যি না। এই যেমন আমি। আমার কাছে অশোককে তেমন একটা আহামরি কিছু মনে হয়নি। বরং পাঁচজনের থেকে আলাদা একটা সত্বা আমি তেমন অনুভব করতে ব্যর্থ হয়েছি। খারাপ লাগেনি এটা যেমন সত্যি, তেমনি খুব ভাল লেগেছে এমন বলা যাবে না।
শুরুটা মানে প্রথম ও দ্বিতীয় গল্পটা তেমন যুতসই লাগে নি বরং তিন নম্বর গল্পে মানে "দু-মুখো সাপ" প্রথম মনে হয়েছে না- অশোক আসলেই গোয়েন্দা। আর তার পরপরই "অশ্বীকার" গল্পে আমি নিজেও অনেকটা দ্বীধান্বিত হয়ে পরেছিলাম, ঘটনা কি! মোটের উপর যাত্রাটা ভালই ছিল, মন্দ না।।।